November 23, 2012

 हाय हम कालें हैं टह केय हुआ दिलवालें हैं 
স্বপ্নচারী

তুমি মিশে আছ - আমার সকল প্রাণে 
রক্ত-মাংস দেহে অস্থিমজ্জায় ;
শয়নে-স্বপনে , কর্মে-অবসরে বিশ্রামে 
তুমি মিশে আছ - আমার ক্লান্তিতে 
প্রতিটি পদক্ষেপে আলস্যে-শ্রান্তিতে 
স্থবিরতায় -- চরণধ্বনিতে
আমার চোখের দৃষ্টিতে - 
বিশ্বময়ের সৃষ্টিতে !
তুমি মিশে আছ-আমার শিল্পে 
সাহিত্যে - প্রতিনিয়ত ;
আমার গল্প-কবিতায় অনুক্ষণ 
আমার গানের সুরে-ছন্দে 
পরম নির্ভরতায় - দ্বিধা-দ্বন্দে !
তুমি মিশে আছ-আমার সকল 
চাওয়া-পাওয়ায় , আনন্দ-বেদনায় 
দুঃখে-বিনোদনে ----
স্বাধীনতা আমার --চির স্বপ্নচারী !!
প্রত্যাশা 

একটি জীবন নতুন 
নতুন একটি মন 
প্রত্যাশার প্রান্তরে খাবি খাচ্ছে 
প্রতিটি মুহুর্তে  ;
কোন দুরাশার পানে চেয়ে --
সজল বৃষ্টি ধারায় -
সজীব নিঃশ্বাসে উঠবে বেঁচে ,
সচ্ছন্দ সতেজ অনুভুতি নিয়ে 
বাসনার প্রবল উচ্ছাসে -
ভুলে পারিপার্শ্বিক 
সকল প্রতিবন্ধকতা !!!!!!!!
আহবান 

চলরে সবাই জোর কদমে 
চল এগিয়ে চল 
উষার রবির রাঙ্গা আলোয় 
নবীন কিশোর দল 
সোনার এ দেশ মনের মত 
তুলবি তোরা গড়ে 
দুঃখী জনের দুঃখ নাশি 
সুখে দিবি ভরে 
এই দেশেরই গরব তোরা 
তোরা-ই আশার রবি 
সবার মুখে ফুটবে হাঁসি 
মানুষ যেদিন হবি !
সেই ছেলেটি আমি 

একটি ছেলে কখনো যে পায়নি আদর-স্নেহ 
ভালোবাসাও কোনোদিনও দেয়নি তারে কেহ  
সেই ছেলেটি আমি !
রাত কাটে যার পথের ধারে-ইষ্টিশানে অনাদরে 
ডাস্টবিনের ঐ নোংরা এটো খাবারে যে পেটটি ভরে
সেই ছেলেটি আমি !
বাপ-মা কে তার , যেই ছেলেটির হয়নি জানা কভু 
দুঃখে গড়া জীবনটি যার , বেঁচে আছে তবু 
সেই ছেলেটি আমি !
বড় লোকের রঙিন নেশার নোংরা কামনাতে 
জন্ম নিল যেই ছেলেটি খোদার দুনিয়াতে 
সেই ছেলেটি আমি !
তাদের পাপের ফসল হয়ে অন্ধ গলির মাঝে 
যেই ছেলেটি কোনমতে বেঁচে থাকে -লাজে 
সেই ছেলেটি আমি !
বুক জুড়ে যার প্রতিশোধের তীব্র আগুন জ্বলে 
বেঁচে আছে প্রতিক্ষাতে ভেসে চোখের জলে 
সেই ছেলেটি আমি !!!  

"মুই তো ছিনু চালাক ........"

মোর নাম চিমঠু , মোর বাড়ি পীরগঞ্জ 
মোর একখান দেওনিয়া ছিল ---
একদিন মোর দেওনিয়া মোক কহিল -
চিমঠু তোক সাফাই দিবা যাবা হবে রে -
মুই কহেনু সাফাই ফের কাক কহেগে দেওনিয়া -
দেওনিয়া কহিল , সাক্ষী রে সাক্ষী -
মুই কহেনু কেত্খুন যাবা হবে ?
-কাইল বেডডি বেহানে -
মুই তো বেডডি  বেহানে মোর 
ভাঙ্গা  ছাতিখান  বগলওত আর 
ছিড়া পিরহান টা ঘারত নে হেনে -
চল -চল একদম পীরগঞ্জ ইশটিশোনত
ইশটিশোনত যায়ে হেনে টিকিট কাটে  --
ছোটট ঘরখানত বসে আছু -
তাহার দেখেছু  উত্তর ভিতিতে 
আজরাইলের মতন এলগারীখান চলি আসিল 
এলগারীর কাথা কি আর কহিম তোমহাক 
মাইনঝা খান সিমিট করা - চারহপাখে -
-দেওয়াললা খুটা দে হেনে বানাইছে ,
একখান ছোট কদুলার মতন -
উটা ভেলে নাইট - আর একখান -
- তিন হাত ওয়ালা উটা ভেলে পাখা '
ঝিকঝাক-ঝিকঝাক করি চলি আসীন দিনাজপুর -
চলে গেন কাচারী -
মোর দেওনিয়া মোক সওব বাতায় দিল 
মুই ঠিক-ঠিক করে কহে দিনু হাকিমেরঠি ;
কাচারিথে বার হোনে-
মোর দেওনিয়া কহিল চল চিমঠু হোটেলত - 
ভাত খায়েনি ; 
হোটেলত যায়ে হেনে বসেছু -
একটা লোক আসে হেনে পুছিল কি খাইবেন ?
মুই কহেনু - ভাত , লোকটা কহিল -
হাফ খাইবেন না ফুল ? মুই তো ছিনু চালাক -
মুই কহেনু হাফ খাইম - হাফায় যাম আর খায়ে যাম -
এখন তোমরায় বুঝেন কি হইল !!
কাচারিতে বার হোনে - 
মোর দেওনিয়া কহিল চল চিমঠু টুকি দেখি -
মুই কহেনু টুকি ফের কাক কহেগে দেওনিয়া ?!!!
দেওনিয়া কহিল-বাইস্কোপ রে বাইস্কোপ  -
চলে গেন টুকি দেখবা - টিকিট কেটে হেনে 
টুকি ঘরের ভিতর বসেছু ,
মনটা মোর খারাপ হয়ে গেল্ ...
মুই কহেনু দেওনিয়া মোক টুকি দেখাবু তো -
হয় ফাস কেলাশত নাহয় সেকেন কেলাশত
তা না করে নিকুয়ে হেনে পাছাভিতি !!!
মোর দেওনিয়া কহিল উটায় ভেলে ফাসকেলাশ ,
কি আর কহিম  চুপ করে বসে সাদা কাপড়খানের-
-ভিতিবা দেখেছু--তাহার দেখেছু ---
কাপড়খানত ভক করে আগুন ধরে গেল !!
মুই তো কদদে ওঠে মালকাছ মারে হেনে কহেনু 
দেওনিয়া পানি আন পানি !!
মোর দেওনিয়া কহিল চুপ বোকা ! 
টুকি শুরু হইল !
কি আর কহু আবারও চুপ করে সাদা কাপড়খানের  ভিতিবা দেখেছু 
তাহার দেখেছু অনেকলা লোক লাঠি নে হেনে আসেছে মারবা -
মুই তো দিশ পে'হেনে মোর ভাঙ্গা ছাতিটা দে'হেনে দিনু মাথাত বাড়ি --
তো ওমমা !! উ'লোগ লাগ নি'লেগে হেনে ----
মোর আগাভীতি একটা লোকের মাথা ফাটে রক্ত বার হৈছে --
তখুন সব লোগলা কদদে উঠে হেনে কহিল --
-ধর চাষাক ধর ----
মুই তো মোর ভাঙ্গা ছাতিটা বগলত নে'হেনে দিনু দৌড় ---
                                                      sp             

      

November 21, 2012

jaago bibek jaago

এই দেশ/দেশের সাধারণ মানুষ আজ-গুটিকয়েক ক্ষমতা লোভী বর্বর পিশাচের হাতের খেলার পুতুল , অদৃশ্য সুতোয় বেধে যেমন ইচ্ছে নাচিয়ে চলেছে , সাম্রাজ্যবাদী-সম্প্রসারংবাদীর হাতের পুতুল এই শিখণ্ডি সরকার ইহুদি-নাসারা, আর বিধর্মীদের ”গঙ্গাজল” । কাগজে দু’পাতা লিখে এই সমস্যার সমাধান কিংবা বিপদের মোকাবেলা সম্ভব নয় , শুধু মুখে বলে bole ফেনা তুলে লাভ নেই , সময় এসেছে কার্যকরী কিছু পদক্ষেপ নেয়ার , মন্তব্যকারিগণ আসুন শুধু মন্তব্য টিকা-টিপপনি নয় এ দেশের নিপীড়িত মানুষের জন্য সত্যিকারের কিছু কাজ করি ………..
       " ফেরারী "
  স্বাধীনতা তোমায় খুঁজে ফিরেছি 
 তিন'টি যুগ ধরে - 
 গ্রাম হতে গ্রামান্তরে-অলিতে গলিতে 
 খুঁজেছি প্রতিটি ফুলের কলিতে 
 শহরে পুঁজিপতির অটরালিকায় 
 হাজার নদীর অববাহিকায় 
 রাতের আকাশে তারার মেলায় 
 দিনান্তে রঙিন গোধুলি বেলায় 
 প্রভাত পাখির কলকাকলীতে 
 পথচারী ভিখারীর শুন্য ঝুলিতে 
 পুরো তি-ন  যুগ- খুঁজে পেলাম তোমায় 
 অবশেষে-আমার সকল বিষন্নতায় !!!
                                                    ( sp ) 
    অনাকাঙ্খিত 
  স্বাধীনতা আজ রঙিন গোলাপ নয় 
 বিরহী প্রেমের কাঁটার জ্বালা 
 গোধুলির সোনা রং সূর্যটা নয় 
 দুঃখের আঁধারে শুধু পথ চলা !!
 তুলসী তলার সন্ধ্যা প্রদীপ নয় 
 দুঃখিনী মায়ের বুকে ব্যাথার অনল 
 পল্লী বধুর সিথির সিঁদুর নয় 
 বিধবার হাহাকার চোখ ভরা জল 
 এ " স্বাধীনতা যেন শুধু "
 দুঃখের অনলে , চোখের জলে গাঁথা মালা !!
                                                             ( sp ) 
     কুহকী আশা 
  একাত্তরে সদ্য বিধবা সন্তান হারা দুঃখিনী মা 
 এক-এক করে চল্লিশ বছর ধরে 
 খুঁজে ফিরেছে এখানে-সেখানে 
 হারানো মানিক , নয়নের নিধি 
 আগলে বুকে মুক্তির আশা -
 হাহাকারে ভরা একবুক ভালবাসা 
 নিয়ে চলার বাহন-দু'খানি চরণ 
 করেছে ক্ষত-বিক্ষত , তবুও থাকেনি থেমে 
 ক্ষুধায় নেই অন্ন-পরণে বস্ত্র শত চ্ছিন্ন 
 বয়সের ভারে পড়েছে নুইয়ে 
 করেছে লাঠিতে ভর , ক্ষুইয়েছে রক্ত-মাংস 
 রয়েছে ক'খানা হাড় ;
 আর বুকের পাঁজরে একটুখানি 
 কেবল ধুকপুকানি !
 অবশেষে "আজকে" এসে --
 মুখ থুবড়ে পড়ল পথের পাশে -
 কোটরাগত শুন্য চোখে তবু-ও 
 রইলো চেয়ে আকাশপানে 
 ছেলে আসবে তার---আসবেই 
 পরম চাওয়া স্বাধীনতা নিয়ে !!!!!
                                                 ( sp )
 
      আহা !!

স্বাধীন দেশে ভালই আছি আমরা সবাই 
চামড়া পিঠের নিচ্ছে তুলে নিক না কসাই 
 চড়-চাপরটা খেয়েও তো বেশ ভালই আছি 
ভাত-কাপড়টা না পেয়েও তো থাকছি বাঁচি ,
দিনে মাছি রাতে মশার প্যানপেনানি 
ঘরে-ঘরে অন্ন জলের টানাটানি 
কি হয়েছে তা'তে এমন বিরাট ক্ষতি ?
কাজ নেইতো বুঝে কারো মতিগতি 
কেউবা খায় কোর্মা-পোলাও খাক না ওরা 
দু'মুঠো ভাত সাথে খানিক বেগুন পোড়া 
স্বাধীন দেশে আমাদের এই কম বা কিসে ?
মহাজনের সুদের বাজার দশ-এ বিশে 
নিয়ে দিয়ে ভালই আছি আহা কি বেশ !
হাজার হলে-ও রক্তে কেনা স্বাধীন এ দেশ !!
                                                                 ( sp )

    অমর একাত্তর 

প্রভাতের লাল সূর্যটা দেখলে 'একাত্তর' 
শুধু তোমাকেই মনে পড়ে ,
লাখো শহীদের পুঞ্জিভূত রক্তে গড়া    অমর একাত্তর 

প্রভাতের লাল সূর্যটা দেখলে 'একাত্তর' 
শুধু তোমাকেই মনে পড়ে ,
লাখো শহীদের পুঞ্জিভূত রক্তে গড়া 
মনে হয় সূর্যটাকে 
রাতের রজনীগন্ধা দেখলেও মনে পড়ে তোমাকে 
শত রাঙ্গা বধু লাল বেনারসী হারিয়ে-
স্তব্ধ বিমূর বিধবা যেন !
শরতের সকালে ঝরা-বাসি শিউলি দেখেও 
তোমাকেই মনে পড়ে ,
লালমুখো বাঁদরেরা যেমন-ছোট বোনটির 
সমস্ত সম্ভ্রম নিংড়ে নিয়ে ফেলে দিয়েছিল 
লাঞ্ছনার আস্তাকুঁড়ে ,
একাত্তর অ-নেক নিয়েছ তুমি , তবুও দোষী নও ,
একটি-শুধুমাত্র একটি কারণে----
দিয়েছ কাঙ্খিত স্বাধীনতা 
তাই তুমি অমর-হে স্মৃতিময় 'একাত্তর' !!
                                                              ( sp )
মনে হয় সূর্যটাকে 
রাতের রজনীগন্ধা দেখলেও মনে পড়ে তোমাকে 
শত রাঙ্গা বধু লাল বেনারসী হারিয়ে-
স্তব্ধ বিমূর বিধবা যেন !
শরতের সকালে ঝরা-বাসি শিউলি দেখেও 
তোমাকেই মনে পড়ে ,
লালমুখো বাঁদরেরা যেমন-ছোট বোনটির 
সমস্ত সম্ভ্রম নিংড়ে নিয়ে ফেলে দিয়েছিল 
লাঞ্ছনার আস্তাকুঁড়ে ,
একাত্তর অ-নেক নিয়েছ তুমি , তবুও দোষী নও ,
একটি-শুধুমাত্র একটি কারণে----
দিয়েছ কাঙ্খিত স্বাধীনতা 
তাই তুমি অমর-হে স্মৃতিময় 'একাত্তর' !!
                                                              ( sp )
      আহা !!

স্বাধীন দেশে ভালই আছি আমরা সবাই 
চামড়া পিঠের নিচ্ছে তুলে নিক না কসাই 
 চড়-চাপরটা খেয়েও তো বেশ ভালই আছি 
ভাত-কাপড়টা না পেয়েও তো থাকছি বাঁচি ,
দিনে মাছি রাতে মশার প্যানপেনানি 
ঘরে-ঘরে অন্ন জলের টানাটানি 
কি হয়েছে তা'তে এমন বিরাট ক্ষতি ?
কাজ নেইতো বুঝে কারো মতিগতি 
কেউবা খায় কোর্মা-পোলাও খাক না ওরা 
দু'মুঠো ভাত সাথে খানিক বেগুন পোড়া 
স্বাধীন দেশে আমাদের এই কম বা কিসে ?
মহাজনের সুদের বাজার দশ-এ বিশে 
নিয়ে দিয়ে ভালই আছি আহা কি বেশ !
হাজার হলে-ও রক্তে কেনা স্বাধীন এ দেশ !!
                                                                 ( sp )

    অমর একাত্তর 

প্রভাতের লাল সূর্যটা দেখলে 'একাত্তর' 
শুধু তোমাকেই মনে পড়ে ,
লাখো শহীদের পুঞ্জিভূত রক্তে গড়া 
মনে হয় সূর্যটাকে 
রাতের রজনীগন্ধা দেখলেও মনে পড়ে তোমাকে 
শত রাঙ্গা বধু লাল বেনারসী হারিয়ে-
স্তব্ধ বিমূর বিধবা যেন !
শরতের সকালে ঝরা-বাসি শিউলি দেখেও 
তোমাকেই মনে পড়ে ,
লালমুখো বাঁদরেরা যেমন-ছোট বোনটির 
সমস্ত সম্ভ্রম নিংড়ে নিয়ে ফেলে দিয়েছিল 
লাঞ্ছনার আস্তাকুঁড়ে ,
একাত্তর অ-নেক নিয়েছ তুমি , তবুও দোষী নও ,
একটি-শুধুমাত্র একটি কারণে----
দিয়েছ কাঙ্খিত স্বাধীনতা 
তাই তুমি অমর-হে স্মৃতিময় 'একাত্তর' !!
                                                              ( sp )

November 20, 2012

           "যোগ বনাম যোগ"
  
 জীবনের পথে চলবো বলে  হিসেবের খাতায় হাত  রাখি 
 মনে-মনে খুশির বলাকা উড়ে , বাস্ত পৃথিবী-আমি একা 
 অন্ধকারের দেয়াল  ভেঙ্গে ----
 ফোঁটে চোখের কোণায় ভোরের আলো - 
 যেখনে আকাশ-মাটি দাঁড়ায় মুখোমুখি । 
 আমি হিসেবের খাতায় হাত রাখি ....
 সময় যখন মৌন - মুখর 
 বিস্ফোরণের গুনছে প্রহর 
 উঠছে তুফান বুকের বাগান জুড়ে ,
 অশ্রুঝরা রুপকথা নয় - স্বপ্নে বিভোর-অঙ্ক মেলে 
 স্বাধীনতার সূর্য --সাথী। 
 হিসেবের খাতা গুটিয়ে রাখি ...
                                             sp 

November 3, 2012

*আমার জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় সময়*
*******************************************************************
              হৃদয়ের সুপ্ত আগ্নেয়গিরির প্রজ্বলিত অগ্নির লেলিহান শিখা হৃদয় কন্দর হতে উর্ধ্বমুখী হয়ে মেরুদন্ড বেয়ে মগজিক শীতলতার কোমল
       পরশে লজ্জা-দ্বিধা-ভয়-সঙ্কোচ-নিজের প্রতি ঘৃণার মিশ্রণ দুচোখের জলে বেয়ে নেমে আসে ঠোঁটে,পঞ্চানুভুতিকে কালী করে জিহ্বাকে কলম
       বানিয়ে তোমায় আজ লিখতে বসেছি আমার অন্তর নিঃসৃত নিয়ম ভাঙ্গার বিষাক্ত-কলঙ্কের ইতিহাস--যা আমার এই জীবনমৃতের  জীবনে অমর-অক্ষয় হয়ে থাকবে চিরকাল ।
       সেদিন আমি চলে আসি তোমার নিকট হতে চির বিদায় নিয়ে। আর যেন কখনো-ই আমার এই চেহারা তোমায় দেখতে না হয় ।
      আমি গত পাঁচ'টি বছর নিজেকে সংরক্ষণ করে চলেছি , শত প্রলোভনেও নিজেকে বিকিয়ে দেইনি , সেই আমি কোন অশুভো ক্ষণে তোমার .....
     
 .....চলে আসার মুহুর্তে আমি যে দৃষ্টিকটু আচরণ করেছি তোমার সাথে সেটাও তুমি কোনদিন ভুলবে না এ-ও জানি , আমি যদি সেদিন ওরকম না 
      করতাম  চোখের জল আটকে রাখার কোনো উপায়ই আমার ছিল না  , এত লোকজনের সামনে যা অত্যন্ত দৃষ্টি কটু  লাগতো , তুমি-ও 
      অস্বস্তিতে পড়তে .....সে যা-ই হোক ...আমি ভুলে যেতে চাই উল্লেখিত সময়ের কলঙ্কিত অধ্যায় টুকু । মনে থাক  শুধু তোমার দেয়া .... তিক্ত যন্ত্রণা  টুকু- দৃষ্টি কটু 
   -যা আমার আগামী জীবনে বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন হিসেবে আমি গ্রহণ করেছি ......
            
 আমি ভালো নাকি মন্দ এই বিষয়ে কোনো  কৈফিয়ত দেব না , আমি শুধু এটুকুই বলবো 
 "আমি" যা-ই হই..... তুমি আমার জন্য এইটুকু দোআ কর ...
যা হয়েছে তোমার সাথে এই জীবনে দ্বিতীয় বার যেন না হয় ... আজ আর পারছি না মাথায় ভীষণ যন্ত্রণা হচ্ছে। ..... ইতিহাস আর একদিন শুরু করব ---চলবে