August 26, 2014

তুমি কি সুখ পাও কাঁদিয়ে আমায় ?
আঁখি জলে মেটে কি তৃষ্ণা তোমার ?
অবহেলা দিয়ে কি মন পাওয়া যায় ?
কি অনলে পোড়াও এই হৃদয় আমার ?
sp

বড় নিষ্ঠুর এই দুনিয়া........
তারও চেয়ে বেশি যেন মানুষের মন
সবে- অর্থেই খুঁজে মিছে সুখ প্রাণপণ
sp

 

August 24, 2014

আর কত নীচে নামবে তুমি ? আর কত
ছোট করবে নিজেকে ? কাউকে নীচে নামাতে হলে-
নিজেকেও নামতে হবে তার চেয়ে বেশি- বোঝনি আগে ?
অন্যকে ছোট দেখতে হলে....
নিজেকে উঠতে হবে অনেক ওপরে ভুলেছিলে বুঝি ?
sp

একই সাথে তিন'টা পোস্টে কেউ আড্ডা মারে ?
যে কোনো এক খানে হলে আড্ডার মজা বাড়ে

August 22, 2014

রহস্য লুকিয়ে আছে চুল আর দাড়িতে

পারো যদি কেউ এনে দিতে...
নাই গাছের ছাল
বাতাসের আগাল
আকাশের ঝুল
বাতাসের মূল
এসো তবে সেই জন ঔষধ নিতে

শুন্যতা.........
---------------------------
সুলতানা পারভীন
---------------------------
সেই চির চেনা পথ- চির চেনা জন
হারালো কোথা হলো অচেনা কখন !!
খুঁজি অজানা সে পথে
দুরে বয়ে চলা স্রোতে
ভাসিয়ে ভেলা তারে ছিল যে আপন !!
বহে অতল জলধি...
তরী ভাসে নিরবধি
চলে ঠিকানা বিহীন- হিয়া উচাটন !!

sp

বাহ্......
মোহময় মনো মাধুরী টুকু নিঃশেষে করে পান ..
উচ্ছিষ্ট পর্যন্ত চেটে পুটে ধীর পায়ে হেটে চলে গেলে..
দৃষ্টি সীমা হতে দূর বহু দুর নিয়ে মুখে হাসি অম্লান..
 sp

উচিত কথার মুখ কালা ...দুর্জনের বাড়ায় জ্বালা

কইতে কইতে মুখে ব্যথা মনে ছাতা কইমু কতই আর

আমিও তোমাদের-ই একজন..........
যাইবার মন চায় গো আপা আছি তো অনেক দূর
মনের ইচ্ছার গান বান্ধিয়া পাঠাইলাম তার সুর
আপাগো তুমি সে গান খানি গাইয়ো আমার সুরে
জানি মনের কানে শুনবো আমি থাকি যতই দুরে
sp

 

August 21, 2014

তীর্থ যাত্রী............
-----------------!!
কারা চলে ওই দলে দলে
স্বর্গ পিয়াসী সদলবলে..!!
মক্কা-মদিনা!গয়া-কাশী ধাম!
পুণ্য লোভী- জপে আল্লাহু-রাম
নিয়ে পাপের বোঝা করে গঙ্গায় স্নান
ছুটে সাফা মারওয়া ঝরে পতিতের ঘাম!
!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
sp

August 20, 2014

এই হৃদয়ের মানচিত্র ক্ষত বিক্ষত
হানাদার হায়না-র আঘাতে হত

কত কাল
কত'টা কাল কেটে গেল- কিভাবে কে জানে
বয়ে গেছে কত বসন্ত বাতাস- গানে গানে
এসে ফিরে গেছে হৃদয়ের বন্ধ দুয়ার হতে 
বৈশাখী ঝড়- শ্রাবণ অঝোর অগম পথে
  

August 19, 2014

বিশ্বাস শব্দ'টা যখন...
 বিষ-- শ্বাসে বিষাক্ত হয়ে ওঠে তখন...
সে যাতনা ভার/মন বহিবার....
 ক্ষমতা অনেক'টাই  হারিয়ে ফেলে..

হৃদয়ের মানচিত্র ক্ষত বিক্ষত


তারপর বলো তুমি কেমন আছো মায়া ?
অনেক দিন হলো দেখিনা তোমার ছায়া  

August 18, 2014

ঘুমাও রাত্রি ঘুমাও......
--------------------
সুলতানা পারভীন
--------------------
ওগো রাত্রি তুমি আঁধারে শয্যা পাতো
থাকো- নিস্প্রান নিদ্রা বিভোর থাকো-
শিয়রে জোত্স্নালোক- স্বপ্নাচলে ঢাকো..
শুধু নির্ঘুম জাগি একা তোমারই বুকে
বাঁধি বীণা তারে সুর আঁকি স্বপ্ন চোখে!!
sp 

কবি ও কবিতা সমাচার
---------------------
সুলতানা পারভীন
---------------------
কবিতা আলয়ে অবাক সবাক
নির্বোধ বাক্যেরা মূক নির্বাক!!
ছুটন্ত সময়ের নিঠুর চাকায়....
!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
দলিত যত শব্দ- বর্নেরা হয় জব্দ
চলে আর্তনাদ- এর করুণ নিনাদ
কবিতার বুকে- অবিরাম দুঃখে
কবি মন কাঁদে বন্দী খাঁচায়....!!

sp 

প্রমিস........
---------------
সুলতানা পারভীন
---------------

দাও যদি এক ফোঁটা বিষ-
করি মধু যোগ-এ পান !
চাও যদি আমি দেব তার-
বিনিময়ে হাসি অফুরাণ !
sp 
১৮/০৮/২০১৪


August 17, 2014



-----------------------
কি আজব দেশ গজবের বেশ
বিত্তহীনে'রা রাখে না খবর
নামেই মানুষ হারিয়েছে হুঁশ
মানবতা আজ নিয়েছে কবর
"হ্যা ঠিক তাই"
------------------------
সুলতানা পারভীন
------------------------ 
না- গোলাপ হতে চাই না কভু
চাই না হতে তার ঘ্রাণ
ঐ গোলাপ চাষের মাটি'ই হবো
দেবো গোলাপেই প্রাণ !!
------------------------
আমি মাটি'ই হতে চাই .......
sp
'ওপারে' যাবো.......
-------------------
সুলতানা পারভীন
-------------------
আলোর ওপারে  গহীন আঁধার-
তবুও.....সেখানেই যাবো আমি
যদি ডিঙ্গোতে হয় বাধার পাহাড়
পেরোতে হয় অথৈ সাগর...... 
হেঁটে পাড়ি দিতে হয় তপ্ত মরূ-
যাবো আমি 'ওপারেই' তবু...
ঝাঁ চকচকে মেকি আলো ছেড়ে
নিয়ত বন্দী স্বপ্নমালা নিয়ে-
ঘন অন্ধকারের বুক চিরে খুঁড়ে
করবো গ্রহ-নক্ষত্রের চাষ !! 
sp

আজ আমার সমস্ত মন- মগজ জুড়ে জ্বলছে আগুন
প্রার্থনা করছি-দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠা সে আগুনে
জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে যাক আমার আপাদমস্তক...
sp
  
  

August 16, 2014

বায়না গাড়ি মন................
আয়না ধারী বায়না গাড়ি মন-
ছুটে যায় দূর অজানায়
আয়না'তে কার ছায়ার কাঁপন...
মুগ্ধ চোখের মন্ত্র মায়ায়
আনছে তুলে বাঁধন খুলে গোপন
প্রণয় দোদুল দোলায় !!
sp 

তুই ব্যাটা বেয়াদব মহা বজ্জাত
চড়িয়ে ফেলে দেবো বত্রিশ দাঁত
খেয়েছিস যতটুকু আমারই নুন
গেয়েছিস কখনো খানিক'টা গুন !
যা কিছু তোর্ বলে করিস দাবী
কানাকড়ি কিছু ভেবেছিস পাবি !
ওরে বোকা মূর্খ- হুঁশ নাই তোর্

August 15, 2014

তুই ব্যাটা বেয়াদব মহা বজ্জাত
চড়িয়ে ফেলে দেবো বত্রিশ দাঁত
খেয়েছিস যতটুকু আমারই নুন
গেয়েছিস কখনো খানিক'টা গুন !
যা কিছু তোর্ বলে করিস দাবী
ভেবেছিস কানাকড়ি কিছু পাবি !
ওরে বোকা মূর্খ- হুঁশ নাই তোর্



বাক-বাকুম ভোলা কৈতরী মন
উদাসী হাওয়ায়- মেলেছে পেখম
যেন চঞ্চলা মেঘমালা ছুঁয়ে ধায়..
আপোনারে খুঁজে দূর নীলিমায় 

আয়না ধারী বায়না গাড়ি মন
ছুটে যায় দূর অজানায়
আয়না'তে কার ছায়ার কাঁপন
মুগ্ধ চোখের মন্ত্র মায়ায়
আনছে তুলে বাঁধন খুলে গোপন



  

যেদিন
হৃদয়ের চৌকাঠে ঘুন ধরেছে
সেদিন-ই 
অন্তপুরে থাকা ঐ মন মরেছে
sp


August 14, 2014


এবার আমি যাবো.....
-----------------
সুলতানা পারভীন
------------------
অনেক তো হলো...
এবার আমি যাবো-
না- চেনা কোনো পথে নয়......
সে পথে...
যেখানে কেউ/কোনো কিছুই আমার নয়-
ছিলো না কখনো কিছু...
যে পথে চেনা সুরে, চির চেনা নাম ধরে
কেউ ডাকবে না পিছু-!!


জাগরণ.....!!
----------------------
সুলতানা পারভীন
----------------------
কে জানে... 
কুম্ভকর্ণ ঘুমে কেটে গেলো কত'টা কাল
হয়নি রাখা খোঁজ- জীবনের কিযে হাল !
হৃদয়ের নাগরিক পথে-ঘাটে খানা-খন্দ !
অন্তর অলিন্দে....
বেয়াড়া পরগাছা'র দুঃসাহসিক পদচারণা-!
মনের জানালা জুড়ে-দরজায় ছাদে কার্ণিশে
পিচ্ছিল জলজ শ্যাওলার শিথিল আড়মোড়া-!
 উমমম......থাকুক পড়ে যেখানে যা আছে
যেমন-তেমনিই...
আমার পুনঃপ্রস্থান বেমালুম চির নিদ্রায়.....!!   

জলের স্রোতে আগুন জ্বলে ! অগ্নি পথে জলের ঢেউ !
আগুন জলের খুনসুটি'তে ভিজে-পুড়ে মরলো কেউ !!

হতেও যে পারি আমি আণবিক বোমা
তুমি তো মানবিক তাই করিও ক্ষমা
জানি- তুমি দানবিক হতে পারবেনা                

 

August 13, 2014

নিরর্থক..........
--------------------
সুলতানা পারভীন
--------------------
আজকাল কি যে অদ্ভুত কিছু বাসনা
জাকিয়ে বসেছে মনের ডেরায়...
নিশী রাতের ঘন অন্ধকার ছায়া পথে
মোহময়ী অলিক জোছনার লুকোচুরি
পেছনে ফেলে... ইচ্ছে করে- বড় ইচ্ছে করে
তোমার হাত ধরে হেটে চলে যাই-
অনেক.... অনেক'টা দূর.....!!
কিংবা...পদ্মা-মেঘনা- যমুনার অথৈ জলে
পাড় ভাঙ্গা ঢেউ হয়ে...বাঁকে বাঁকে আছড়ে
পড়ি- দুর্দম স্রোতের ধারায় ভাসিয়ে দেই-
হৃদয়ের কূলে কূলে জমে ওঠা টুই টুম্বুর যত
কষ্ট-অভিমান.....!! ভেঙ্গে- ছুঁড়ে ফেলি-
নষ্ট যত কল্পনার- প্রাত্যহিক জাল বোনার
 সমস্ত কল কাঠি !!   
১৩/০৮/২০১৪

এবার আমি যাবো.....
-----------------
সুলতানা পারভীন
------------------
অনেক তো হলো... এবার আমি যাবো-
না- চেনা কোনো পথে নয়......
সে পথে...
যেখানে কোনো কিছুই আমার নয়

 
জীবন যেন বেদের বহর
ঘাটে ঘাটে ফেলে নোঙ্গর
  

August 12, 2014


    "পক্করের পক্কর"....(সত্য ঘটনা)
--------------------------
সুলতানা পারভীন
---------------
আমাদের পাশের গ্রামে এক লোক ছিলো...
তার নাম আমি জানি না- সবাই তাকে পক্করের পক্কর
বলেই ডাকতো- আবার কেউ ডাকতো- "হায়রে মেঘের পানি"
তার এই নাম করণের একটা ইতিহাস আছে.....
লোক'টা ছিলো ভীষণ বদরাগি আর একগুঁয়ে.... সামান্য
ছুতোয় বৌ-কে ধরে পেটাতো- তার বউ ছিলো ঠিক উল্টো'টা
সহজ সরল শান্ত ভদ্র.... তবে বুদ্ধিমতিও কিছু'টা- লোক'টার
চাপা মারা অভ্যাস ছিলো.... চাপা'টা মারতো সে তার
বৌয়ের কাছেই বেশি.... বউ সেটা কখনো কখনো ধরে ফেলতো
আর পিটুনি খেতো- বৌকে সে বলতো তর্কবাগিস....
একদিনের ঘটনা বলি- যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে লোক'টার বাবা-মায়ের দেয়া
নাম মুছে গিয়ে......"পক্করের পক্কর" এই নামে অভিহিত হলো-

বর্ষা কাল... তার বউ ক'দিনের জন্য বাপের বাড়ি গিয়েছিলো বেড়াতে-
যেদিন ফিরে এলো সেদিন লোক'টা রাতে খেতে বসে তার বৌয়ের কাছে
তেল চপচপে চাপা চর্চিত গল্প শুর করলো এই ভাবে .....
(তার আঞ্চলিক ভাষাতেই বলি-)
বুঝলু বউ.... তুই তো বাড়িত আছুলুনা- এই পিখে (দিকে) যা মজার
এক খান কান্ড হইছে না.... কি কহিম তোক- মনে পৈল্লে (পড়লে) মোক
ভালোও নাগেছে ফির দুঃখও নাগেছে....বৌয়ের বুঝতে বাকী রইলো না-
শুরু হলো চাপা- তবু অধীর আগ্রহের ভান করে জিজ্ঞাসা করে- মুই কয়'টা
দিন বাড়িত নাই এরে ভিতর ফির কি কান্ডহইল তে....?
বৌয়ের প্রশ্ন শুনে খেঁকিয়ে উঠে লোক'টা- শালীর বেটি শালী শুরু হইল তোর্ পকর পকর !!
বউ থতোমতো খেয়ে চুপ করে থাকে.. তুই যেদিন গেলু বাপের বাড়ি..তার পরের দিন.....
হাট বার আছেলো না ? বউ চুপ.. লোকটা আবার চেঁচিয়ে ওঠে...
কি রে শালীর বেটি চুপ করি আছিস যে ! বউ মুখ ঝামটা দিয়ে বলে....
কি উত্তর দিম তোমহাক....কাথা কহিলেও দোষ না কহিলেও দোষ ?!
তোর্ এই নিহাই (তর্ক) করার অভ্যাসখান গেল না..... অইস (দাঁড়া) আগোত গল্পখান
কহো.... তা সেইদিন হাট বার বুঝুলু ! বৌএর নিরস জবাব- বুঝুনু ...... এখন আসল
কাথাখান কি সেইটা কহি ফেলাওছিনি...মোক ভালো নাগেছে না... নিন (ঘুম) ধৈচ্ছে-
-কি কহুলু ! ধমকে ওঠে লোক'টা- মুই কিছু কহিবা চাহিলে তোর্ নিন ধরে ! বেট্টি শালী....
মারানি.... ছাপার অযোগ্য গালিগালাজে বাড়ি মাথায় তুলে বললো .....মোর কাহিনী শেষ
না হওয়া পয্যন্ত কুন.....বেটি নিনদায় (ঘুমায়)....এই টায় আইজ দেখিম মুই... চিত্কারে
ঘুম ভেঙ্গে জেগে উঠলো তার একমাত্র পুত্র (এগারো বছরের) ছইদুল- বিরক্ত হয়ে বললো-
কি হইছে বা... এত চেঁচাছিস কেনে ? মোক কি তোমরাহ এংনা (একটু) নিনদাবাও দিবেন
নাহেন ? ছেলের দিকে কটমটিয়ে চেয়ে খেঁকিয়ে ওঠে লোক'টা.... বেট্টা শালা মোর... মায়ে
বেটায় শুতি বসি খাই খাই তোমহার নাগিছে তেল... আইত'টা (রাত'টা) পোহাউক খালি
তোমহার মজাগোনা যুদি মুই না মাইচছু...তাহিলে মোর বাপের থোওয়া নাম খান বদলাই দেন-
ছেলের চটপট উত্তর- কাইলকার কাথা কাইল হবে আইজ মুই নিনদাঁও...ছেলের জবাব শুনে
লাফিয়ে উঠে লোক'টা...কি কহুলু ! বেগতিক দেখে বউ বলে ওঠে.. তোমহার মজার কাহিনীখান
কি এলা (এখন) কহিবেন ? বউয়ের নরম নরম সুরের কথা শুনে... ঠান্ডা হলো লোক'টা
শুরু করলো... সেইদিন আছেলো হাট বার... মুই কাম কাজ সারিয়া সানঝত (সন্ধ্যায়) গেনু হাট
একঘড়ি (কিছুক্ষণ) পরেই দেওয়া'টা (আকাশ'টা) সাজি পাড়ি এই যে... হুড়ুম দুড়ুম শুরু কৈল
(করলো).... "হায় রে মেঘের পানি" মুই তো পড়ি মরি করি দে দৌড় বাড়িমুখে...ভিজিমুড়ি
ওই মোটা আইল'টা দিয়া যখন আইসেছো.... কহিলে তুই বিশ্বাসও করিবু না বউ....
এক হাত লম্বা করে অন্য হাতে কাঁধ পর্যন্ত ছুঁয়ে দেখিয়ে বললো... হেই বড় বড় এখেক'টা মাছ...
বউ চোখ কপালে (কপট বিস্ময়ে) তুলে বললো-ছেচ্চায় ? লোক'টা চোখ রাঙিয়ে বললো... কি !
তার মানে মুই মিচ্ছা কাথা কহেছো ? বউ জিভ কেটে বলে উঠলো না-না এমনি-ই কহুনু...
তোমহাক মিচ্ছাবাদী কহিবার আগোত মোর জিব্ভা খান যেন খসি পড়ে...
হইছে হইছে আর তেল দিবা হবে না এখন শুন.... তারপরে তুই তো জানিস মোর মাছ মারার
নিশা (নেশা) কেমন !....ধড়ফড়াইয়া কুনো রকমে বাড়ি আসিয়া... হাড়কিন'টা আর তরোয়াল খান
নিয়া দৌড় আইলবাড়িত- হাড়কিন'টা জ্বালায়ন নাই ? বৌয়ের সরল জিজ্ঞাসা...আর যায় কোথায়...
মাথায় রক্ত উঠে গেল লোক'টার দাঁত কিড়মিড়িয়ে বললো তুই নিহাই (তর্ক) বন্দ করিবু ? আচ্ছা
আচ্ছা কহো তারপর কি কৈল্লেন ? তারপর আর কি..... এক হাতোত হাড়কিন আরেক হাতোত তরোয়াল
নিয়া গেনু আইলের মইধ্যত (মাঝখানে) দেখিনু হেই বড় (দুই হাত দুই পাশে প্রসারিত করে) একটা শৌল মাছ
দুই হাতে তরোয়াল খান মাথার উপর উঠাইয়া দিনু একখান চোট...... চোখ কপালে তুলে বৌয়ের নির্ভেজাল
জিজ্ঞাসা... দুই হাত দিয়া তরোয়াল খান ধৈল্লেন ?! হ্যা ধন্নু (ধরলাম)... দুই হাতে না ধৈল্লে আজদাহা ওই মাছ
কি মারা যায় ? সেইটা তো বুঝুনু কিন্তু..... কিন্তু কি ? দুই হাত দিয়া তরোয়াল খান তো ধৈল্লেন....ভালো কাথা
হাড়কিন'টা কুন্ঠে (কোথায়) থুইলেন ?!........সহ্যের একটা সীমা আছে.......বৌয়ের চুলের মুঠি ধরে কিল
থাপ্পড় বসিয়ে...সেই রাত দুপুরেই......শালীর বেটি শালী একটা কাথাও মাটিত পড়িবা দিন্না খালি 'পক্করের পক্কর"
নিহাই করিস.... যাহ তোক আইজ-এক্ষণে মুই তালাক দিনু.....এক তালাক- বৌয়ের চিত্কার না..আ..আ..আ
দুই তালাক- না...আ...আ- তিন তা..আ বলতেই... দ্বিগুন জোরে বৌয়ের চিত্কার...থো-ও (রাখ) বুড়া হারামজাদা
তিন তালাক'টা মুই-ই দেছো.... তোর্ ভাত মুই আর খাম না- খাম না- খাম না, লোক'টার উদ্যোত ফনা'টা নিমেষেই...
সেদিন সেই "পক্করের পক্কর" নিহাই (তর্ক) করা সহজ সরল বৌটা সত্যি সত্যি-ই চলে গিয়েছিলো....আর ফিরে আসেনি-
এগারো বছরের ছইদুল পরের দিন কাঁদতে কাঁদতে সব কথা পাড়া পড়শিদের কাছে ফাঁস করে দিয়েছিল....
এবং সে-ও তার মায়ের কাছে চলে গিয়েছিল... সেই থেকে বদরাগী লোকটাকে দেখলেই দুষ্ট ছেলের দল
"হায় রে মেঘের পানি" বলে ক্ষেপাতো- আর চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ন্যায় তার নাম হয়ে গেল "পক্করের পক্কর"....
পৈত্রিকসুত্রে পাওয়া নাম'টা আস্তে আস্তে কালের গর্ভে বিলীন হয়ে গেলো।
12/08/2014
                         

August 11, 2014

মরবে না- মরবে না.......
বেদুইনের খা-খা মরুভূমি জুড়ে
নামবে অঝোর কবিতার বৃষ্টি....

পক্করের পক্কর....
---------------
সুলতানা পারভীন
---------------
আমাদের পাশের গ্রামে এক লোক ছিলো...
তার নাম আমি জানি না- সবাই তাকে পক্করের পক্কর
বলেই ডাকতো- তার এই নাম করণের একটা ইতিহাস
আছে.....
লোক'টা ছিলো ভীষণ বদরাগি আর একগুঁয়ে.... সামান্য
ছুতোয় বৌ-কে ধরে পেটাতো- তার বউ ছিলো ঠিক উল্টো'টা
সহজ সরল শান্ত ভদ্র.... তবে বুদ্ধিমতিও কিছু'টা- লোক'টার
কিছু'টা চাপা মারা অভ্যাস ছিলো.... চাপা'টা মারতো সে তার
বৌয়ের কাছেই বেশি.... বউ সেটা কখনো কখনো ধরে  ফেলতো
আর পিটুনি খেতো- বৌকে সে বলতো তর্কবাগিস....

একদিনের ঘটনা বলি- যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে লোক'টার বাবা-মায়ের
দেয়া নাম মুছে গিয়ে...... "পক্করের পক্কর" এই নামে অভিহিত হলো-
বর্ষা কাল তার বউ ক'দিনের জন্য বাপের বাড়ি গিয়েছিলো বেড়াতে
যেদিন ফিরে এলো সেদিন লোক'টা রাতে খেতে বসে তার বৌয়ের কাছে
তেল চপচপে চাপা চর্চিত গল্প শুরু করলো এই ভাবে .....
(তার আঞ্চলিক ভাষাতেই বলি-)

বুঝলু বউ.... তুই তো বাড়িত আছুলু না- এই পিখে (দিকে) যা মজার
এক খান কান্ড হইছে না.... কি কহিম তোক- মনে পৈল্লে  (পড়লে) মোক
ভালোও নাগেছে ফির দুঃখও নাগেছে.... বউয়ের বুঝতে বাকী রইলো না -
শুরু হলো চাপা- তবু অধীর আগ্রহের ভান করে জিজ্ঞাসা করে- মুই কয়'টা
দিন বাড়িত নাই এরে ভিতর ফির কি কান্ড হইল তে....?
বৌয়ের প্রশ্ন শুনে খেঁকিয়ে উঠে লোক'টা- শালীর বেটি শালী শুরু হইল তোর্ পকর পকর !!
বউ থতোমতো খেয়ে চুপ করে থাকে.....   



 

August 10, 2014

সুলতানা পারভীন
---------------
ইব্রাহীমের আইন....
-----------------
আমাদের গ্রামে একজন লোক ছিলো -
নাম ইব্রাহীম- সে দিন মজুরের কাজ করতো-
কাজের চেয়ে কথা বলতো বেশি-
জমিতে কাজ করার সময় তার বকবকানি শুনতে শুনতে
কান ঝালা পালা হতো সকলের -
গ্রাম্য ভাষায় সে যা বলতো, তা ছিলো মোটামুটি এই রকম-
-শুন দহিদ-দা (আমার এক চাচা দহির উদ্দিন ) মুই তোর্
বাড়িত কাম কইল্লে দুই টাকা মুজুরী কম নিম- নাহাইলে
দুই গাস ভাত কম-এ খাম-
কিন্তু দেখেক- ওই  চেরম্যানের (আমার আরেক চাচা) বাড়িত
কাম কইল্লে.....টাকা কম নিম কেনে- আর কম-এ বা খাম কেনে ?
ওই শালারা তো হামার মতন গরীব মানুষগুলার হক মারি মারি এত
বড়লোক হইছে... কহেক দহিদ-দা কাথা সইত্য কি না ? এই তনে তো
কহেছো... এইটা হৈল এব্রাহিমের আইন বুঝিলু ? যুদি না মানিস তাহিলে-
এ-ই থুনু পাসুন.... (নিড়ানি যন্ত্র) চলনু বাড়ি
sp
১০/০৮/২০১৪


 

August 9, 2014

হে ক্ষনিকের অতিথি....
এলে প্রভাতে কারে চাহিয়া
ঝরা শেফালির পথও বাহিয়া
হে ক্ষনিকের অতিথি....
ভালবাসার কাছে মূল্য'টাও মাঝে মাঝে অর্থহীন .......


হ্যা মিষ্টি সালাম নিলাম
নোনতা সালাম দিলাম


নাহ আজও কেউ রাখেনি খবর
কবেই মানবতা নিয়েছে কবর

হায় হায় ! কি কয় পাগলে !
গদি !! ছাড়ে কোন ছাগলে ?
আল্লাহর মাল আল্লাহই নিয়েছেন-


কেঁদেছিলাম- তোমার আগমনে (সুখে)
কেঁদেছিলাম- তোমার প্রস্থানে !(দুঃখে)
এই নিয়ে কেঁদেছি যে দুই বার- ( হ্যা )
পারবোনা কাঁদতে আমি আর  ( না )


 

August 8, 2014

শ্রেণী বৈশিষ্ঠ জানা থাকা সত্বেও.....................
এই সব পতিত বেবুশ্যেদের আচরণে আপনি অবাক ?
আমি আপনার এ হেনো অবাক হওয়া দেখে নির্বাক .....
সুলতানা পারভীন 
(টেপু কাহিনী- গল্প নয় সত্যি)
টেপু'র কুয়োস্নান 
-------------
আমাদের কাজের ছেলে টেপু-২ ফুট ৯ ইঞ্চি-র এই পিচ্চি...
হেনো কাজ নেই যা সে পারে না কথায় কাজে চলনে বলনে বড়ই চৌকস 
কোনো কিছুতেই হার মানতে জানে না- একদিন গরু'র লেজ ধরে টান মেরে... 
খেলো এক রাম লাত্থ...এদিক ওদিক লজ্জিত চোখে চেয়ে দেখলো, 
কেউ দেখতে পায়নি তো ! যেখানে বাঘের ভয়....সেখানেই সন্ধ্যা হয়...
বুয়া দিচ্ছিলো ঝাড়ু- দেখে ফেললো টেপু'র দুর্দশা হি হি করে হেসে বললো... 
কি রে টেপু কেমন খেলি ? হার মানবার পাত্র আর যে-ই হোক টেপু নয় 
বুক চিতিয়ে বললো... দূর দূর দেখছিলাম- গরু'টা সরস নাকি নিরস হে হে হে 
আমাদের বাড়ি থেকে টেপু'র বাড়ি ২০০ গজ দুরে ওদের ছিলো একটা কূয়া 
পোড়া মাটির রিঙ দিয়ে ঘেরা- গ্রাম্য ভাষায় যাকে বলে পাটকুয়া...
ওর মা ভাই-বোন্ ভাবি সবাই ঐ পাট কুয়ার পানি-ই খেতো 
টেপুর একটা অভ্যেস ছিলো...কুয়োর মধ্যে মাথা ঝুকিয়ে নানা রকম শব্দ করা... 
কুয়োর গভীরে যে প্রতিধ্বনি হতো...সেটা সে ভীষণ উপভোগ করতো 
কখনোই কারো নিষেধে কর্ণপাত করতো না...
প্রচন্ড শীত কাল একদিন সন্ধ্যায়... বাড়িতে টেপুর 
ভাবি ছাড়া আর কেউ নেই...টেপু আমাদের বাড়ির 
সব কাজ গুছিয়ে রেখে কাউকে কিছু না বলে ওদের 
বাড়িতে গেছে...সন্ধ্যার আধো আলো আঁধারে কুয়োর 
মধ্যে মাথা ঝুকিয়ে যথা নিয়মে নানা রকম শব্দ করছে,
আর অনেক নিচে অন্ধকারে কালো পানিতে নিজের ছায়া 
দেখে ভীষণ পুলোকিত... আনন্দের  আতিশজ্যে একটু বেশি-ই 
ঝুকে পড়েছিলো হয়তো... আর যায় কোথায়...অমনিই ধপাস-
ওর ভাবি পড়ছিলো নামাজ...শব্দ শুনে চমকে উঠে কোনো 
রকমে ফরজ নানাজ আদায় করেই দৌড়ে গেলো কুয়োর পাড়ে 
আগেই বুঝে ফেলেছিলো কি ঘটেছে...কুয়োর ভেতরে তাকিয়ে 
দেখে টেপু এই প্রচন্ড শীতে কুয়োর হিম শীতল পানিতে পোড়া 
মাটির রিঙ ধরে ভেসে আছে আর ঠক ঠক করে কাঁপছে 
ভাবিকে উপরে দেখতে পেয়ে টেপু চিত্কার করে বললো...
ভাবি-ই-ই-ই আমাকে উপরে তোলো......জমে গেলাম...
ভাবি সমানে চিত্কার শুরু করে দিলো...কে কোথায় আছ 
জলদি আসো আমাদের টেপু কুয়ায় পড়ে গেছে...ওরে বাঁচাও 
গ্রামের বাজার ফেরত কিছু মানুষ ওদের বাড়ির পাশ দিয়ে 
যাচ্ছিলো চিত্কার শুনে সবাই দৌড়ে এলো... কিন্তু ততক্ষণে 
আঁধার অনেক ঘন হয়ে আসায়... কুয়ায় নামতে কেউ সাহস
পাচ্ছিলো না- সবাই ভীড় করে উঁকি ঝুকি মেরে দেখার চেষ্টা 
করছিলো- আর একে অন্যকে কিভাবে নামতে হবে সেই পরামর্শই 
দিচ্ছে...ওদিকে টেপুর অবস্থা আরো শোচনীয়...সে বলছে... 
কেউ একজন নামো রে ভাই... এখানে ভয়ের কিছু নাই... আমি 
তো আছি...এদিকে ভাবি কেঁদে কেঁদে সবাইকে অনুরোধ করে চলেছে 
টেপূকে তুলে দাও... কেউ একজন ওকে তুলে দাও...
ভিড়ের মধ্যে থেকে একজন সাহসী মানুষ এগিয়ে এলো... 
অনেক পুরনো পোড়া মাটির রিঙ...পূর্ণ বয়স্ক একজন মানুষের 
ভারে ভেঙ্গে পড়তে পারে... কি ভাবে কি করা যায়...এই নিয়ে চললো 
গবেষণা...আমি সেই ভিড়ের মাঝ থেকে বেরিয়ে...ভো দৌড়...
আমাদের গরু'র যতো রশি ছিলো সব নিয়ে এলাম...সেই সাহসী মানুষ'টার 
কোমরে বেঁধে নামিয়ে দেওয়া হলো... টেপু- বিখ্যাত টেপু দাঁতে-দাঁতে ঠোক্কর 
 খেতে খেতে কুচকুচে কালো চেহারার দিগ্বিজয়ী টেপু আরও কালো হয়ে 
উঠে এলো... তাকে রুটি সেঁকা করতে জ্বালানো হলো আগুন...সকলের-ই 
হৈ চৈ জিজ্ঞাসা- কি রে টেপু কেমন করে পড়লি কুয়ায় ? কেন গিয়েছিলি 
কুয়ার ধারে ? পানি খুব ঠান্ডা ছিলো ? ভয় পেয়েছিলি ? কি মনে হচ্ছিলো 
তোর্ ? টেপু'র তখন ঠোঁট টেপানো রহস্যময় মুচকি হাসি...টেপুর মায়ের 
চোখে জল মুখে কপট গজগজানি কেন তোমরা তুললে ওকে... থাকতো পড়ে 
বুঝতো মজা... কতো বারণ করেছি...কুয়ার ধারে যাইস না আজ কি হলো ?
মরতি... ভালো হতো...হাড় জুড়াতো আমার- টেপু হাসে হি হি করে... 
আমি বললাম হ্যা রে টেপু সত্যি করে বল তো তুই পড়লি কি করে ? 
কালো টেপু সব গুলো সাদা দাঁত বের করে বললো... আপা- আমি পড়ি নাই তো...
অবাক হয়ে বললাম...পড়িসনি !! টেপু'র চটপট জবাব... না আপা-
আমি পড়ি নাই ঝাঁপ দিছি...সমস্বরে অবাক প্রশ্ন- বলিস কি রে ? কেন ?
এপাস ওপাস মাথা দুলিয়ে গম্ভীর হয়ে টেপু বললো...কেন ? নাহ বলা 
যাবে না- বললে তোমরা বিশ্বাস করবে না- টেপুর ভনিতা দেখে মেজাজ 
বিগড়ে গেল আমার... ওর  কান'টা টেনে ধরে বললাম বলতে হবে না 
তোকে- কেউ শুনবে না তোর্ কথা... টেপু'র চিত্কার ও-ও-ওহ ছাড়ো 
আপা ছাড়ো লাগছে তো...বলছি বলছি...কান ছেড়ে দিলাম...
সে আরাম করে বসলোবেশ সময় নিয়ে প্রায় ফিস ফিস করে বললো...
"আমি কুয়া'টার পানি কত টুকু আছে তাই মাপতে গেছিলাম"...
আবার সমস্বরে অবাক প্রশ্ন কেন ?পানি মাপা'র দরকার হলো কেন ? 
টেপু বিজ্ঞের মতো মাথা দুলিয়ে বলল.......
"আসছে চৈত মাসে পানি থাকবে কি না- কুয়া'টা আবার খুঁড়তে হবে কি না 
এটা জানতে হবে না" !! আর সহ্য হলো না আমার...ঠাস করে একটা চড় মেরে 
ওর কান ধরে সোজা হিড়্ হিড়্ করে টেনে নিয়ে চললাম বাড়ি... 
গোয়ালের সব গরু ততক্ষণে বেরিয়ে এসে... লাউ-কুমড়া-সিম-বরবটির গাছ 
সাবাড় করে দিয়েছে...আমার নিজের তখন ভয়ে- দোআ দরূদ পড়ার অবস্থা- !!
    
     

August 7, 2014

মন'টা আইজ ভালো নাই
---------------------
মোর মন'টা আইজ এংনাও ভালো নাই.....
এগজনের সাথে ভুল নাহায় এক্কেলে শুদ্ধ বুঝাবুঝি হইল
মোর নিজের উপর নিজের বেজায় আগ চড়েছে.....
মোর বুঝা উচিত আছেলো.... দুনিয়ার সবায়...
এখে রকম মানুষ নাহায়- এখেক জন এখেক রকম..
তাঁহো মুই কেনে সবাখে এখে পাল্লাত মাপো ?!!
sp   

August 6, 2014

হায় বাপ ! কাঁয় বাহে তহমরা......................... ?
কুন্ঠেকার কাথা কুন্ঠে আইল্লেন ? চৈত মাসোত বান !!
তোমহার কাথা শুনিয়া মুই তো বাহে হাসিয়া খান খান


সুলতানা পারভীন
---------------
"নিষেধাজ্ঞা" 
------------------
ফিরে যাও কবিতা'রা
এসো নাকো আর 
ফিরে যাও এখন আমার
শ্রেষ্ঠ সময়- যুদ্ধে যাবার
--------------------

 
 বন্দী থাকো বন্দী-
যতেক শব্দ 
মেরে তালা মুখে
হও নিস্তব্ধ
ভুলে হাসি-গান 
ভুলে আনন্দ
সুখ-স্বপ্ন দুয়ার 
রাখো বন্ধ 
তোমরা ঘুমাও এবার 
কেন না এখন আমার 
শ্রেষ্ঠ সময় যুদ্ধে যাবার!!
sp 

August 5, 2014

আগুন-আগুন-আগুন 
পলাতকা জল 
ধোঁওয়া-ধোঁওয়া-ধোঁওয়া 
আকাশের তল
sp 


August 4, 2014

সুলতানা পারভীন
----------------------------
জানা-জানি
---------------------------- 
কেউ না জানুক............
----------- মিলন মায়ার অন্তরালে-
----------- কি বিরহের আগুন জ্বলে
আমি তো জানি............
---------- দাঁত কেলানো হাসির ফাঁকে  
---------- বিষাদ বেদন লুকিয়ে থাকে
তুমি-ই জানো.............                  
---------- তারে কোন ছলনার মন্ত্রবলে
---------- করবে আড়াল কি কৌশলে!!

সুলতানা পারভীন
-------------------------
কিছু কিছু
-------------------------
কিছু কিছু কথা- নয় তো বলার
কিছু কিছু ব্যথা- নয় যে ভোলার
কিছু কিছু আশা- হয় না পূরণ
কিছু ভালবাসা- দেয় যে বেদন
কিছু কিছু গান- পায়না যে সুর
কিছু অভিমান- হয়না তো দূর
কিছু কিছু ফুলে- থাকেনা যে ঘ্রাণ
কিছু নদী কূলে- ভিড়েনা সাম্পান
কিছু দুর্দশায়- কভু নেই পরিত্রান
কিছু কিছু xy-পায় না তো প্রাণ!!  


August 3, 2014

এফবি বন্ধু'রা....
যেন কান পেতে শুনি ঐ বিদায়ের ঘন্টা
তোমাদের ছেড়ে যেতে কেঁদে ওঠে মনটা
তবু জানি যেতে হবে হোক যতো কষ্ট
নিয়মের নীতি এই- জানি সবে পষ্ট
তোমাদের ছেড়ে আজ নিলাম বিদায়...
ভুল কিছু হলে- ক্ষমা করিও আমায় !!
sp

মানবতা আজ -
হাপুস নয়নে অঝোরে কাঁদে নাতো আর
ভুলে শোক-লাজ
বেঁধেছে পাষাণ বুকে- নির্বাক হাহাকার

যখন তোমার চোখে আলোর নাচন
তখন আমার বুকে হায় রক্ত ক্ষরণ

হিটলার ওহ হিটলার
ফিরে এসো আরবার
যতো সব ইহুদির বংশ
আজ করে দাও ধ্বংস
ওই সব ইহুদি কুত্তার
এই ধ্বংসের কারবার


 

August 2, 2014

ঘুমিয়ে গেছে চাঁদের বুড়ি
চরকা তো আর কাটে না
দাও গো এনে পান সুপুরি
নইলে বুড়ি

আগুন জলে সাবান গুলে
ধুইয়েছিলি সোনার গা !
পুড়িয়েছিলি আগা গোড়াই
অঙ্গ জুড়ে বিষম ঘা !!
sp
 

August 1, 2014

চোখ মেলো কবিতা
---------------
সুলতানা পারভীন
----------------
আফিমের নেশায় বুঁদ হয়ে কাটাবে কতো আর!
বলো কবিতা- এখনো কি হয়নি সময় তোমার?
কবির কথার ফুলঝুরি নয় ধারালো তলোয়ার
হয়ে- এই নষ্ট সমাজের পষ্ট জঞ্জাল মুক্ত করার?


কবিতা তুমি আমার চোখে-
বসন্ত দিন কৃষ্ণচুড়ার লাল
কবিতা তুমি আমার বুকে-
বৈশাখী ঝড় সিডর বেসামাল 
 

তলানিতেই থাকো আর উছলে-ই পড়ো
জ্বালানি যা জ্বালাবেই তা  
হে কবিতা......
------------------------
সুলতানা পারভীন
-----------------------
অন্বেষণের অস্থির প্রহরে-
নির্ঘুম চোখ, নিভু নিভু জোছনায়
উন্মুখ চেতনার নৈশ প্রহরী...
হে কবিতা- তোমায় খোঁজে
কেবল খোঁজে তোমাকেই-
আঁধার- আঁধার- নিঃসীম
আঁধারের গোলক ধাঁধায় ঘুরপাক
নিয়ত বিবস অন্তরে......
অনুভূতি যবে আপাদমস্তক
শিহরিত.. প্রবল বিবমিষায়-
কৃষ্ণচুড়ার লাল চোখ.....
হে কবিতা-তোমারি অন্বেষণে
ব্যপৃত সদা
অদৃশ্য আলোর কাঁপন স্তিমিত
হতে- হতে মিলিয়ে যায়
কোন সুউচ্চ পর্বত প্রাচীরের ওপারে
নিরলস জেগে থাকে তখনও মন-
হৃদয় দুয়ারে জুবুথুবু রাত......
হে কবিতা- শুধু তোমারই প্রতিক্ষায় !!
০১/০৮/২০১৪