November 28, 2014

সময় চলে যায় ।
কি ভাবে যায় ?

___ কারো যায় খুড়িয়ে
___কারো যায় গড়িয়ে
কারো নাকি হুড়মুড়িয়ে !!

আমার ?
____কখনো বা খুড়িয়ে-
____কখনো বা গড়িয়ে-
মাঝে মাঝে...............!!
একদম স্থির-------------
জগদ্দল এক পাথর যেন !!
সবার বেলায় একই রকম
আমার বেলায় এমন কেন ? 
sp

কালের সাক্ষী ঐ বুড়ো বট গাছ ?
নাকি গাছের সাক্ষী কাল ?
বুদ্ধি-টা কেমন গুলাচ্ছে আজ
লাগছে ভীষণ গোলমাল !
sp

যখন-
প্রেমিকার একটি তিলের জন্য
বিলিয়েছিল কবি রাজ্য তার
তখন-
ছড়িয়েছিলে কাঁটা আমার পথে
আজও রয়ে গেছে বিষ তার !
sp 

দফা ঘোষণা করা হয়-ই
দফা গুলোর রফা করার জন্য..
কথা দেওয়া হয়..না রাখার জন্য
নিয়ম তৈরী হয় নিয়ম ভাঙ্গার জন্য
-------------------------------------
দেখছি সবই শুনছি কানে
বলছি না কেউ কিছু
বলতে গেলেই সবাই জানে
ধরবে মরণ পিছু
ওরে__
যখন এক দুঃখের জনক হাজার-
তখন এই দুঃখ তো নয় খন্ডাবার !
sp 
 

November 27, 2014

নিয়ত নির্ঘুম নিশীথে...... 
--------------------------
সুলতানা পারভীন
-------------------------
আঁধারের ঢেউ ঠেলে এগিয়ে চলি ক্রমাগত-
নির্মম বেদনার বিষন্ন ভেলায় চেপে ,
কোচড় ভরে নিয়ে আলোকের বীজ-
যেখানে জীবন স্থবির , অন্ধকারের বন্ধ
স্রোতে- মন-মননের অন্ধ জগৎ-
ভিড়বে সেথায় তরণী আমার.......  
কোচড় শুন্য করে- পুঁতে দেবো এক একটি
আলোর কণা -
নিড়ানি দেবো হতাশার আগাছা যত-
আঁধারের খাল করবো খনন- বইয়ে দেবো
আলোর স্রোত- মনের অন্ধ চোখে জ্বালাবো
আলোর প্রদীপ.....  অতঃপর ক্ষান্ত হবো আমি    




যে- নিজের কাছে সৎ থাকার চেষ্টা করে না
সে- অন্যের প্রতি-ও সৎ আচরণ করতেই পারে না
অসম্ভব................. !!!
sp


দেখে যাও.....
অহঙ্কারী ঐ
সাগর'টা মরে গেছে.... প্রথমে শুকিয়ে কাঠ
প্রবল খরায় তৃষ্ণার্ত ছিলো....বেচারা  !!
মন্বন্তরের দহন বুকে নিয়ে ক্রমাগত শুকিয়ে
নিঃস্ব মরুময় ! কঙ্কালসার অবয়ব জুড়ে-
দৈন্যতার শৈল্পিক আভরণ !

কি কারণ ..কি কারণ ?
সে অনেক কথা...
দিনকে দিন নাকি.... শা.....র  দম্ভ আরো ...
ধরাকে সরা জ্ঞানে ধরাশায়ি....
হুমম- বোঝেনি নাদান...
বাপের-ও বাপ আছে..... 
ধর্মের কল বাতাসে নড়ে !!
পাহাড়-টাকে ছুঁতে চেয়েছিল...
ভেঙ্গে চুরে ভাসাতে চেয়েছিল !!
যাহ- তাই কি হয় ?
পাহাড় তার দৌরাত্ম দেখে....
ঠোঁট টিপে হেসেছিল খানিক'টা !
তারপর ?
বুকের ফোয়ারা ঝরনা'টাকে....
বুকেই আটকে রাখলো.....
আর নদী ?
শুনেছি সে-ও জ্বলছে চিতায়...
নিয়েছে সহমরণ !!  
--------------------------------
সুলতানা পারভীন  







November 26, 2014

যাচ্ছে সময় মন্দ !!
--------------------------
আজ কবিতার শুন্য ভাঁড়ার
'শব্দ' দুয়ার বন্ধ !
হারিয়ে গেছে বর্ণে'রা সব
ভাবছে বসে 'ছন্দ' -
কবি পাড়া- ঘুমিয়ে সারা
লিখনী- তাই দিশেহারা !
ভাবুক হৃদয় তোলপাড় হয়
যাচ্ছে সময় মন্দ !!
----------------------------
সুলতানা পারভীন  

November 24, 2014

"একটি নদীর গল্প"
----------------------
সুলতানা পারভীন
---------------------
নদী'টা......
একদিন কানায় কানায় ভরা ছিলো ,
কূলে কূলে আছড়ে পড়তো সোহাগিনী ঢেউ !
কাশফুলের বাহারে মোহময়ী ছিলো ,
নীলাম্বরী অম্বর ছিলো নতমুখী মুগ্ধ চোখে !
আনাচে কানাচে সবুজ গালিচা মোড়া মাঠ প্রান্তর
রাখালিয়া বাঁশিতে সুর সুমধুর- গোধুলী লগন
অদূরে নিবিড় ছায়া ঢাকা বনে-
উদাসী হাওয়ার কাঁপন , পাখির কলতানে
মুখরিত ক্ষণ- দূর দিগন্ত ছুঁয়ে ঢেউ খেলানো
পাহাড় চূড়া- কখনো ধীর, কখনো অস্থির
জল তরঙ্গ কেটে তরণী এপার-ওপার
সাম্পান মাঝির উদাত্ত কন্ঠে ভাটিয়ালি গান-
ঘাটে ঘাটে উচ্ছল কিশোরের ডুব সাঁতারের খেলা
পল্লী বধুর কলসী ভরণ- অশান্ত প্রলয়ে কূলের ভাঙ্গন
অন্য কূলে জেগে ওঠা চর- নক্ষত্র খচিত আলো
ঝিলমিল নিঃশব্দ রাতের আকাশ -আনন্দ-বেদনায়
সাজানো সোনালী সময়-  একদিন সব-ই ছিলো
সুহাসিনী গরবিনী নদীটার-
কিছু নেই আজ....কালের গর্ভে বিলীন নিঃস্ব নদী
শুধু পড়ে আছে রেখা কিছু তার........!!


  
আম্মা গো-
-----------------------
সুলতানা পারভীন
------------------------
শোনো বলি , তুমি জাতির আম্মা
করছো তুমি এমন কেমন কাম' মা !
এই জনগণ "আমড়া" দেশের !
নষ্ট পঁচা আম' মা ?
তাই- জনতার রক্ত ঘামে
চামচা চরাও ডাইনে বামে !
ওদের জ্বালায় সদাই মোদের
হয় যে বিধি বাম' মা !
ও-মাগো তুমি এমন কেন ?
মোদের ভাবো পিপড়া যেন !
রাজ্যে তোমার- নেই কি প্রানের
কানাকড়ি দাম' মা !
মাগো-
দুঃশাসনের বেড়ি যতই
বজ্র আঁটো- ছিঁড়বে ততই
ওই  জনতা জনার্দনের 
প্রতিরোধী - প্রতিবাদের
দাবানল আসছে ধেয়ে
স্বৈরাচারের পতন চেয়ে
সুযোগ বুঝে কোপ'টি মেরে
তুলবে পিঠের চাম' মা !
তাই বলি মা-
থাকতে সময় এবার নাহয়
একটু'খানি থাম' মা !!
  



আমি গেয়ে যাই জীবনের গান
স্বর্গীয় আলো রথে
স্বপ্নীল ছায়া পথে
করে চলি অমৃতের সন্ধান
 sp

আমি-
একটি ভালো কবিতার জন্য
একটি সুরেলা গানের জন্য
একটি বসন্ত দিনের জন্য
বিসর্জন দিতে পারি তাবৎ.....
বিকিয়ে দিতে পারি সর্ব সত্বা -
sp

দেবে ? দাও তবে---
----------------------
সুলতানা পারভীন
-------------------
আমায় এমন একটি 'শব্দ' এনে দাও-
যে শব্দের বারুদে দাউ দাউ জ্বলবে ,
অসমতার অস্পৃশ্য জঞ্জাল-
আমায় এমন একটি 'বাক্য' এনে দাও-
যে বাক্যের বন্যায় ভেসে ধুয়ে মুছে
যাবে , সব নিগ্রহ অনাচার- 
সর্বোপরি----
আমায় এমন একটি 'কবিতা' দাও-
যে কবিতার প্রাণ ছুঁয়ে-
অনন্ত ঐশ্বরিক হয়ে উঠবে , সমস্ত
দানবীয় কুলাঙ্গার যতো !!




ধনীদের ধনে- মানে চোখ থাকে অন্ধ
নাকে দেখে- শুঁকে শুধু টাকার-ই গন্ধ


November 23, 2014

জানি____
কেউ ভাবেনা আমার কথা-
কেউ রাখেনি মনে ,
তাই____
আপনায় আড়াল রাখি-
নিবিড় সঙ্গোপনে !!
sp   

কবিতা !
অনেক তো হলো সাজ
আভরণ খোলো 
ছুঁড়ে দাও মালা তাজ
অভিমান ভোলো 
হাতে ধরো হাতিয়ার
চোখে ভরো আঁধিয়ার
পড়ে থাক কারুকাজ
পিড়িতের দেখো আজ
আঁখি ছলো ছলো !!
sp 

ক্রমাগত দু'হাতে সরাই...
অনাবৃত অসমের জঞ্জাল
কেবলি দু'পায়ে মাড়াই
পৃথিবীর এলায়িত কঙ্কাল !!
sp 


পূর্ণ চন্দ্র তিথি-ক্ষনিক অতিথি-


November 21, 2014

কেন জল পিয়াসী- নিতুই জলে ভাসি-
জলেই বসবাস ,
তবু- নিয়ে এক নদী জল তৃষ্ণা বুকে-
কাটাই বারো মাস !
আপন অন্তঃপুরে- এ কোন ভবঘুরে
মনের আনাগোনা !
ঐ হাতছানি দেয়- কৈ দূর ডেকে নেয়
নেইতো জানাশোনা !!
sp 
কেন____তিলকে তুমি তাল করো
ওই ঘাস'কে বলো বাঁশ !
দেখলে ____কারেও ঘুমের ঘোরে
বল ঠিক দেখেছি লাশ !
তুমি আর কত কাল এমন চাপা
মারবে  চাপাবাজ !!
sp 


বিধি আর কি বলবে ?
তার তো দু'চোখ অন্ধ
বলার মুখ-ও থাকে বন্ধ


কবি.....
শব্দের ফুলে বর্ণের মালা
গাঁথবে কতই আর
সব-ই....
একদিন লুটাবে ধুলায়
রবে  শুধু হাহাকার


  

November 20, 2014


মন্বন্তর.. 
নাচে না আলো-নির্বাক চোখে 
পড়েনা পলক-কাঁদেনা শোকে
খেলে না হাসি- মেলে না খুশি 
দোলে না স্বপন-অন্তরলোকে !!
-------------------------------
 সুলতানা পারভীন

 

November 19, 2014

.......>>>>>>>>......
সুলতানা পারভীন
-----------------------
জীবনের জরাজীর্ণ কার্নিস ছুঁয়ে-
শব্দহীন সময়ের দ্রুত চলে যাওয়া
ঠেকাতে পারিনা- অশরীরি মুঠো বন্ধনে ।
বাসনার কচ্ছপ গতি , বিলম্বিত ছায়া ফেলে
নির্বাক চৌকোনী ঘুলঘুলি জুড়ে-
দৃষ্টির সীমানায় নিরুত্তাপ অন্ধকারের
চিরকালীন গোড়া পত্তন-
ঠেকাতে পারিনা- নির্বিষ আস্ফালনে ।
সিথান পৈথানে আবেগী নিশুতি রাত-
সহসাই নিয়ে ফেলে কৃষ্ণ বিবরে-
অধঃপতনের পিচ্ছিল গতি ,
ঠেকাতে পারিনা- দ্রোহের নিস্ফল ক্রন্দনে ।


আমি এখন ঘুমাবো-----------------------
----------------------আমি এখন ঘুমাবো
আমি এখন ঘুমাবো-----------------------
----------------------আমি এখন ঘুমাবো
এখন ঘুমাবো আমি-----------------------
----------------------এখন ঘুমাবো আমি
এখন ঘুমাবো আমি-----------------------
----------------------এখন ঘুমাবো আমি
ঘুমাবো আমি এখন----------------------
----------------------ঘুমাবো আমি এখন
ঘুমাবো আমি এখন----------------------
----------------------ঘুমাবো আমি এখন
****************************
 কেউ ডেকোনা আমায় আর-
সত্যি-ই আমি ঘুমাবো এবার।


বিচ্ছুরিত আলোর কাঁপন বর্ণহীন করে দৃষ্টির

November 16, 2014

বেঁচে থাকো কবিতা !
ঘনায়মান আঁধারের মাঝে 

মনোলোভা চন্দ্রিমাসম
দূর কর মিছে ভনিতা
সত্যের আলো হয়ে তুমি
বেঁচে থাকো হৃদয়ে মম!
sp

দাও হাল খুলে পাল তুলে দাও
ভাসাও ডিঙ্গা জলেতে ভাসাও

ভালো থেকো জল , সাগর অতল ভালো থেকো
ভালো থেকো সাধ -ঝগড়া বিবাদ ভালো থেকো
ভালো থেকো মন- সুখে আজীবন ভালো থেকো
ভালো থেকো গান- হাসি অফুরাণ ভালো থেকো
ভালো থেকো সুর- মিষ্টি মধুর ভালো থেকো

মন্বন্তর.. 
নাচে না আলো-নির্বাক চোখে 
পড়েনা পলক-কাঁদেনা শোকে
খেলে না হাসি- মেলে না খুশি 
দোলে না স্বপন 

November 14, 2014

আমার সমাধি সাজিওনা তুমি
তাজমহলের মত
গেয়োনা গো তুমি আমার সে গান
কান্না জড়ায়ে শত ..

হতাশার হত টাকে হত্যা করুন ..... 
দেখবেন-
আশার আলোয় ভরেছে উঠোন-

প্রতিটি মানুষ জীবনে কত কিছুই চায় -
সব কি পায় ? পায় না -
তবু মনে হয় - যত টুকু পায় -
তা যেন কখনো হারায় না  


খোঁড়ারে কভু বলোনা খোঁড়া 
কানারে বলোনা কানা 
কষ্টেরে তেমন বলোনা কষ্ট 
শাস্ত্রে আছে যে মানা 
নেই মাছে ভাতে ?
কি হয়েছে তাতে ?


মানুষের জীবন এমন কেন ? কেন অকারণেই -
দুঃখ নেমে আসে ভয়ঙ্কর কাল বৈশাখী ঝড়ের মত !
সব কিছু এক নিমেষেই তছনছ করে দেয় ?
 

চন্দ্র-সূর্য্য নইকো আমি ছিলাম অতি নগন্য
কাঙ্গাল ছিলাম একটুখানি ভালবাসার জন্য
হৃদয় জুড়ে ছিল কত বেদনার-ই  ঢেউ
কোনদিনও উঁকি মেরে দেখেনি তো কেউ 



নেতাদের কাছে আজ রাজনীতি নয়
কাজ নীতি চাই
হানা হানি খুনো খুনী হাঙ্গামা নয়
প্রেম প্রীতি চাই


আমার চোখের জল জমলে চোখে 
শত হিমালয় হয়ে যাবে 
দুঃখের ঝড়ে যদি ঝরাও তাকে 
হাজারো সাগর বয়ে যাবে 


আনন্দে যে হাঁসায় -
কষ্ট-দুঃখে কাঁদায় -
সেই জাগিয়ে তোলে
শোয়ায় ঘুমের কোলে    
 
   

November 13, 2014

বাহ্ ! আজ দেখি কবি/এঁকেছে অনেক ছবি !
এক-ই সঙ্গে কত না রঙ্গে- হয়েছে শশী রবি !

১৪৬.
না .. আমি নই শুধু নারী ..
আমিও মানুষ
আমারও তো মন আছে ..
আছে জ্ঞান হুঁশ । 

November 12, 2014

১১১.
জ্বলে পুড়ে আলো দিয়ে- নিঃশেষ মোম
তুমি বলো দূর- তোর্ আলো বড় কম !

১১২.
ভালবাসা মানে- শুধু কি  আশা 
ভালবাসা মানে- শুধু কি দুজনের প্রত্যাশা
ভালবাসা মানে- শুধু কি আকাশ-কুসুম কল্পনা
ভালবাসা মানে- শুধু কি স্বপ্ন-সুখের জালবোনা











১১৩.
আছে কাঁটার বিষম জ্বালা
তবু-ও প্রিয় ফুলের মালা

১১৪.
শতেক ছলে- নদীর জলে

১১৫.
ছাই চমত্কার / বৃথা চিত্কার
সেদিন ঝড় ছিলো বৃষ্টিও ছিল
সেই মধুক্ষণে অনাসৃষ্টিও ছিলো
হুমম...... তাই তো..........
ভুলি নাই ভুলি নাই
দোর্ তাই খুলি নাই

১১৬.
"ভালবাসা" 
বাতাসে ওড়ে/আকাশে চড়ে
বিকোয় দরে/বাইরে-ঘরে
আরো আছে বলবো পরে
বুঝি একেই বলে "পাগলামী"
আপনাদের সাথে আমার দ্বিমত নেই ...
আমি দুষ্টুমি করে "পাগলামী" বলেছি .. 
আর এমন পাগলামী তো আমিও করি ভাই
পাগলে পাগল চেনে ছাগলে চেনে ঘাস-
পাগল ছাগলে মিলে আড্ডা বারোমাস!!
sp 
১১৭.
এই রুটি স্যাঁকা গরমে-
উফ- মেজাজ'টা চরমে !
বৈশাখে নাই কাল বৈশাখী
হচ্ছে এ কি অনাসৃষ্টি !
তোমরা যা বলো তাই বলো
চাই এক পশলা বৃষ্টি !

১১৮.
তুমি বদলাও কিসে ?
খানিক'টা আলিসে-
মাথা রেখে বালিশে-

"বলেছো বেশ খাসা"
১১৯.
মশারি খাটানো....
রাতে মশা দিনে মাছি
এই গরমে বেশ আছি
১২০. 
তুমি উদার টেকো মাথা 
 আমি ঘন কালো অলকা 

১২১.
অসংলগ্ন অবান্তর....
হাজার কথার ফুলঝুরিতে
আর যাই হোক মন ভরে না


১২২.
আমি আর লিখবো না কিছু
কিচ্ছু লিখবো না..........
আঁধারে নিলাম স্বেচ্ছা নির্বাসন

১২৩.
"নিশীথিনী"
 দৃশ্যত- ও মুখ যখন থাকে মুখোশের মোহন ফাঁদে
শঙ্কিত চেতনার প্রহরী দু'চোখ নিরব-নিভৃতে কাঁদে !!

১২৪.
ভালো লাগছে না আজ
কিচ্ছু ভালো লাগছে না
কেন... ঠিক বুঝতে পারছি না
কেমন যেন একটা অস্বস্তির কাঁটা
খঁচ-খঁচ করে বিধছে মর্ম মূলে-

১২৫.
উফ !পাগল- ছাগলে ভরে গেছে দেশ'টা
কি যে হবে কে জানে- এ দেশের শেষ'টা !!

১২৬.
ভাবছি আজ আর লিখবো না কিছু
এ দু'টি চোখ জুড়ে ঘুম নিয়েছে পিছু

১২৭.
ত্থুঃ  
!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
ক্ষমতার দম্ভে বাঘিনী- বিড়াল 
নির্বাক বেপথু বে-লাজ বিবেক
উত্তাল বৈভবে- নেশায় মাতাল ...

১২৮.
 আলুক ফুলুক মখমলে সুখ চাইনা এমন
পাহাড় প্রমান কষ্টে পাথর কৈতরী মন

১২৯.
 চলো না যাই বহুদূর
পেরিয়ে সাত সমুদ্দুর !        

১৩০.
বেশ উদাসীনতাই সই ... 
তাই দিলাম দু'হাত ভরে
হৃদয়ে রেখো যতন করে

১৩১.
যে পাখি'টা বুকের খাঁচায়
অন্তবিহীন ডানা ঝাপটায় 

১৩২.
আমার চোখের জল জমলে চোখে
শত হিমালয় হয়ে যাবে
দুঃখের ঝড়ে যদি ঝরাও তাকে
হাজারো সাগর বয়ে যাবে

১৩৩.
এসো নাকো পিছু পিছু
বলো নাকো আর কিছু 

১৩৪.
সময়-তোমার কাছে আমার
আছে অনেক ঋণ
তুমি দিয়েছিলে আ-শৈশবের
স্বপ্ন মাখা দিন

১৩৫.
 পৃথিবীতে নির্মোহ মানুষ সবচেয়ে সুখী,
লোভ-লালসা উচ্চাকাঙ্খা মানুষকে
অসুখী করে তোলে ....

১৩৬.
শোকে শব্দেরা পলাতক কথা নেই মুখে 
থাকে অশ্রু'রা হুঁশিয়ার ক্ষত নিয়ে বুকে          

১৩৭.
আমিতো আছি এই তোমাদেরি মাঝে
সম্মুখে আড়ালে দেখো রয়েছি কাছে !!

১৩৮.
কেন সাত সাগরের জল দু'চোখে অষ্টপ্রহর ঝরে ,
হারিয়ে তোমায় ব্যকুল হৃদয় অগ্নিচিতায় পোড়ে !

১৩৯.
 বুকের পাঁজর ভাঙ্গছে ঝড়ে
আর কত'টা সয় ..
নিত্য দহন হৃদয় পোড়ে 
ভালবাসার ক্ষয়

১৪০.
অতঃপর 
সেই তো অনেক ভালো ...
দিও নাকো ভালবাসা 
মুছে দিয়ে সব আশা
ঘৃণার আগুন জ্বালো ..

১৪১.
তুমি ভুল মানুষ নও .
আমি-ই অচল নারী..
তুমি অনেক গুনে গুণী
আমি-ই হতচ্ছাড়ি ! 

১৪২.
'কত যে ভালবাসি'
কথা'টা আজ বাসী
শুনলেই পায় হাঁসি !


১৪৩.
ছলা-কলা'য় মিথ্যে বলায়
একলা তুমি হিরো

১৪৪. 
সবটা'ই তোমার ছল ছিলো !!
চোখে কুমিরে'র জল ছিলো

১৪৫.
আজ কাল সেল ফোন
করে বড় জ্বালাতন !!     সুলতানা পারভীন

November 11, 2014

২৩.
ওরে তোর হাঁসিতে চাঁদের আলো উছলে যখন পড়ে
তারা ঝিলমিল খুশির মিছিল আমার উঠোন জুড়ে !

২৪.
তোর ঐ মিথ্যে মায়ার মোহন ফাঁদে
বন্দিনী মন হয় উচাটন নিত্য কাঁদে !

২৫.
মনের আর দোষ কি বলো
মন মেলে না মনের মতন
তাইতো মনে বিষাদ বেদন

২৬.
বৃথা সকল তন্ত্র মন্ত্র
যথা বিকল মনঃযন্ত্র
 
২৭.
আহা! চিঠির যুগ তো আর নাই রে ভাই
পোস্ট অফিসে আনাগোনা করছো বৃথাই

২৮.
ভুল শুনেছেন ভূল/কেউ মেরেছে গুল/নারী নয়কো শুধুই ফুল


২৯.
যে মানুষ মাথায় এত্তো বুদ্ধি ধরে!
সে খায় কি আর ঘুমায় কি করে?



৩০.
আহা ধন্য ধন্য /হে কবি তুমি বরেন্য/
কবিতা তোমার জন্য/ হলো গর্বিত অনন্য

৩১.
সত্যি-ই চমত্কার !
প্রশংসার দাবিদার
এমন এক কবিতার
বিষয়ে কি বলবো আর
ভাষা জানা নেই আমার

৩২.
bondhura------
tomader sokoler jonno--
-1 mutho roddur
-1 peyala kore gorom tae
-1 jhuri ushnota
roilo prodaner protishruti-
binimoye--------
na--na vote chai na
protyeker tore protyeke rekho---

-1 mutho sukh-valobasa
-1 peyala bachar asha
-1 jhuri accha khasa
maya-momota-sohanuvuti-

রাত পোহাবার আর কত দেরী পাঞ্জেরী ?!!
এই নষ্ট গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি মানুষের বিত্শ্রদ্ধা জাগতে- আর কত ধুম ধাম ঢাক ঢোল/ হুড়ুম দুড়ুম ককটেল পিস্তল ফুটতে/ছুড়তে হবে ? রাত পোহাবার আর কত দেরী পাঞ্জেরী ?!!

৩৩.
কি দেবো তোমায় ?
এই দু'চোখের জল মনের অনল ছাড়া আমার
আজ তোমায় দেবার মত নেইতো কিছুই আর

৩৪.
???
আজকাল সোজা কথা বলা সহজ বড় নয়
সরল পথে চলতে গেলেও হোঁচট খেতে হয়!!
sp

৩৫.
চোখের দেখা'ই সব টুকু নয়,
মুখের কথাও মনের কি হয়!!


৩৬.
যদি কান পেতে শোনো ঐ শুকনো পাতার মর্মর ধ্বনি
বুঝে নিও সে আমারি ব্যথিত হিয়ার সকরুণ রাগিনী
sp


৩৭.
কেন কাছে আসো ?
মিছে ভাল বাসো ?
কেন ফিরে চাও ?
যাও দূরে যাও



৩৮.
খোলা জানালায় চপলা জোছনার লুকোচুরি
দেখা হয় না কতদিন ..... কতদিন....!!
sp


৩৯.
কেন ? যখন তখন ছুঁয়ে যাও অন্তর
মনের আঙ্গিনায় কি সুখে বাঁধো ঘর !

৪০.
যাই-ই হোক কথা বলো বুঝে শুনে কৌশলে
কথা শুনে কেউ যেন ভাসে না চোখের জলে
sp

৪১.
আমার সমাধি সাজিয়ো  না তুমি
তাজমহলের মতো
গেয়োনা গো তুমি আমার সে গান
কান্না জড়ায়ে শত

৪২.
ওগো দুঃখ জাগানিয়া ...................
রিক্ত বুকে কি করে ধরো এতো সুর- হাঁসি গান !
সিক্ত চোখে কি করে জ্বালো দীপ্ত শিখা অনির্বান !
sp 

৪৩.
মনের কুঠি'তে শক্ত মুঠি'তে
নিয়ত্ বন্দী স্বপ্নমালা!
নীরব আঁধারে অকূল পাথারে
তরণী বাহিয়া চলা !!

৪৪.
অতীতের স্মৃতি গুলো ফেলে এসেছি রে..
মন ভাঙ্গা ঢেউ ছোঁয়া ভুলো নদী তীরে !

৪৫.
'ব' বর্ণনা ......
বিষে বিষাক্ত বেদম বিবস হৃদয়
বেদনার বালুচরে বেঁধেছে নিলয় !

৪৬.
তুমি বিষাক্ত অতল গহ্বরে
করো অমৃতের সন্ধান !
কি বোধে চলো সে পথে যার
নেই কোনো অবসান !

৪৭.
 হও আগুয়ান
ভুলে অভিমান

৪৮.
অতীতের ভিড়ে
ফেলে এসেছি রে
মধুময় স্মৃতির 
হারানো দিনের গান
ছিলো স্বপ্ন রঙিন
শত স্মৃতিময় দিন


৪৯.
মন পবনের দোলায় চড়ে বেশতো সুখে দুলছিলাম
বিমুগ্ধ চোখে আনন্দলোকে স্বপ্ন কমল তুলছিলাম!
তাপর................. ?
তার আর পর নাই.........ধপাস...... !!!!!!

৫০.
ভুলের রাজ্যে যার নিয়ত আবাস
শুদ্ধতা তারে কি কভু দেয় আশ্বাস!

৫১.
এই জীবনের আলো যদি নিভিয়ে গেলে !
বলো লাভ কি সমাধি পরে প্রদীপ জ্বেলে ?
sp 

৫২.
আজকাল...................
তোমার কথার ফুলঝুরিতে হৃদয় ভরে না,
তোমায় নিয়ে এই কবি মন কাব্য গড়ে না! 
sp

৫৩.
মূর্তিমান দুঃস্বপ্নের ধুসর ডানায় চেপে
নিয়ত ভেসে চলা অনন্ত আঁধার কেটে!

৫৪.
তুই.........!! 
দিলি আমার চোখে লোনা জল !
ফোটালি সেই জলেতে হৃদকমল !
কি সুখ পেলি! কি সুখ পেলি বল !
---------------------------
৫৫.
আমি..........
ঐ মন ভাঙ্গা বেদনার হাহাকার দেখেছি
সেই কান্নার সাত রঙ্গে জল ছবি এঁকেছি!
sp

৫৬.
হাঃ হাঃ হাঃ.............
আমাকে ভয় দেখিয়ে কোনো লাভ নেই আলো
আমি অনেক সুখী- নিয়ে ঐ আঁধারের কালো !
 sp

৫৭.
ভাগ্য সে তো আপন হাতে, কর্মেই তার ফলাফল
যেমন খুশি ভাগ্য গড়, আর বাঁকি সব রসাতল  

৫৮.
 ভাবিস না......... মেয়ে..........
মেয়ে তোর্ চোখের জলে ভাঁসবো আমি
নাইবো সুখে সাঁতার দেবো দিবস যামী
মেয়ে তোর্ দুঃখ শোকের গাঁথবো মালা
গাইবো সুরে তোর্ বিষাদের দহন জ্বালা

৫৯.
!?
তার ছোট্ট দু'টি মেঘলা চোখে
সে এক নদী জল কেমনে ধরে!
যার কষ্ট বুকে একলা শোকে
সে হাঁসবে বলো কেমন করে!

৬০.
হয়তো .......
ভালো বাসা কি আজও বুঝিনি
সে ভাবে তোমাকে তাই খুঁজিনি 

৬১.
- প্রেম যেন এক আত্মা- অশরীরি 
প্রেমিকের কাঁধে চেপে করে- বাবুগিরি
করে- যত সব কান্ড কারখানা- অদ্ভুত 
দিনে দেখে-চাঁদ তারা আলো ছায়া ভুত 
ভাবে মজে- প্রেম খোঁজে পেত্নীর আবাসে  

৬২.
জীবন যখন যেখানে যেমন
যদি পারো দেখতে তেমন
দুঃখ  কিছু থাকেনা এমন  


৬৩.
হেই....
না-আমি নই শুধু নারী ..
আমিও মানুষ...
আমারও তো মন আছে ..
আছে জ্ঞান হুঁশ !

৬৪.
কবি- প্রার্থনা করি নিরন্তর
যেন- তব হৃদয়ের এই সুর
বেজে চলে অবিরাম সুমধুর

৬৫.
শরাহত ইচ্ছে পাখির অন্তবিহীন বিষম বেদন 
ওই ডানার কাঁপন আনবে জানি প্রলয় মাতম

৬৬.
আমার দেবার মত কি আর আছে দোস্ত
শুধু পোড়া মন খরা চোখ, নষ্ট যে সমস্ত

৬৭.
মিথ্যে সময়ের ছলনায় ভরা মানুষের বিদ্বেষী মন
বোঝা বড় দায় `মিছে ভালবাসায় ভোলাবে কখন

৬৮.
চুপি চুপি চমকিত চঞ্চল চরণে
কে এলে অতিথি দুয়ারে স্মরণে !

৬৯.
আমাদের ছোট গ্রাম- নাম রানিপুর
মিলে মিশে থাকি সেথা জীবন মধুর

৭০.
ছলের নদী জলের নাও-
মন পবনের বৈঠা বাও

৭১.
পুরোনো আঁধারে একাকীনি/নিভৃতে নীরবে-নিশীথিনী !
তন্দ্রাহারা নিশীথে গোপনে/স্বপনো আঁকে নযনো কোণে !

৭২.
এই হৃদয়- এখন অহর্নিশী নিত্য শোকে
অচেনা পথে তারেই খোঁজে সিক্ত চোখে

৭৩.
জল চেয়েছি তোমার কাছে তৃষ্ণার্ত ঠোঁটে
দিলে- তবে নোনতা জল আমার দুটি চোখে

৭৪.
আমার শুধু ভুল , আমি ছিলাম সাদামাঠা..
তাই চেয়েছিলাম ফুল ,তুমি দিয়েছিলে কাঁটা

৭৫.
 আমি সেই যে কবে ভুল করেছি- খুন করেছি আমার আমিকেই
সেই শব দেহটা নিয়ে আজো- চলছি একা নিজের কাধেতেই.

৭৬.
ওরে- ও চড়ুই হাওয়া.......
কেন ভাঙ্গা বেড়ার ফাঁকে
করিস আসা যাওয়া....... 

৭৭.

উফ.............................. 
এমন ছাঁচাচোলা চাপা কে ঝাড়ে !
অনাবৃষ্টির অনাসৃষ্টি যার দ্বারে , 
সে বৃষ্টির জলে কি লিখতে পারে ?

৭৮.
চিতার আলোয় ঘর বেঁধেছি শ্মশানে
পুড়ছে কায়া উড়ছে ধোঁয়া শব জানে
sp

৭৯. 
তোর্ বিরাগের আগুনে- মন পুড়ে ছাই
দেখি অন্তরে হাহাকার- কোথা কেহ নাই

৮০.
তুমি আছ চিন্তা চেতনা ভাবনায়
বিচরণ কর সর্বসত্ত্বা জুড়ে আমার
মনে মনে অনুভবে অনুক্ষণে- হায়
স্মরণে মরমে স্মৃতিযে বড় যাতনার  

৮১.
উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে !
বুধো কি তায় আপনি ছাড়ে !

৮২.
 যার অন্তরে- শুধু বিষাদের বিষ বিষম কালো
সে কি পারে- অথৈ আঁধার ছাড়া দিতে আলো
sp

৮৩.
ঐ আকাশ কুসুম কল্পনা'টা র জাল ছিঁড়ে
স্বপ্নেরা সব বেরিয়ে গেছে মনের ভুলে

৮৪.
স্বপ্ন বিহীন জীবন নদীর আঁধার কুলে
রুপকথা সব চুপ করা এক পানসি ভিড়ে
sp


৮৫.
জীবন মানে ভাঙ্গা-গড়া জোয়ার-ভাটার স্রোত
জীবন মানে ক্লান্তি বিহীন এগিয়ে চলার পথ

৮৬.
ভোর ভোর ভোর
চোর-বদমাস সাধু-সন্যাস
সবাই উঠে পড়

৮৭.
বেঁচে থেকো কবিতা !
ঘনায়মান আঁধারের মাঝে মনোলোভা চন্দ্রিমাসম

সেই সাথে কবি বেঁচে থাকো তুমি হৃদয়ে মম

৮৮.
কক্ষনো না- কক্ষনো না ..
ভুল বুঝেছিস- ভুল বুঝেছিস...
ওরে থাক- থাক
আর হোসনে অবাক

৮৯.
আমি তো বড়-ই স্বার্থপর তাই/
সুখ-দুঃখ সব টুকু আমার চাই  

৯০.
ছেলেবেলার ভাবনা সকল ভুলে ভরা ছিল- 
নগরবাসী হীনমনা যে সেই পরিচয় দিলো ।

৯১.
নীড়ে প্রত্যাবর্তন শুভ হোক
খুশিতে উঠুক ভরে গৃহলোক 

৯২.
আমার-ও ঠিক ওই রকমই একটা কবর চাই
নিলা'পা বলো প্লিজ........কোথায় গেলে পাই ?

৯৩.
সাগরটা ছিল দৃষ্টির বড় কাছাকাছি !
তবু যেন কাছে নেই দুরে পড়ে আছি 

৯৪.
দুঃসময়ের ঘোড়ায় সোওয়ার চৈতালি মন ছুটছে
যেথায় দুর্ভাবনার অন্তরালে আঁধার পাহাড় টুটছে 


৯৫.
কি করে বিক্রি হবে ? অসম্ভব !
এই কলম যে বড়-ই অমূল্য
দাম দিয়ে কি কেনা যায় তারে ?
নাকি আছে কিছু সমতুল্য ?

৯৬.
দেড় কেজি মগজে মানুষ এত্তো বুদ্ধি ধরে !
ভেবে পাই নাতো কুল- আহা কেমন করে ?

৯৭.
সুখের অন্বেষণে- হাহাকার করে না যে
সেই তো- চিরসুখী হয় এই ধরণী মাঝে 

৯৮.
আজকাল....
হারিয়ে গেছে শান্তি- সুখ ফুরিয়ে গেছে হাঁসি
আর বাজে না হৃদয় মাঝে মধুর সুরে বাঁশি

৯৯.
জানো না ! সেই দিন হতে মানুষ হলো কুসুম কলি
যেদিন হতে তার কানে কানে গান- শোনালো অলি 

১০০.
ভুলের প্রান্তরে মুক্তির আশ্বাস পেতে চাইলে..
অন্তর জ্বলবেই... মর্ম বেদনার বিলাপে...
বিশ্বাস বিলীন হবেই...
তাই কনফিউজড হওয়া'টাই তো
স্বাভাবিক.. দাদা ভাই !

১০১.
আকাশ ভরা তারা
দিইনা আমি ভাড়া

১০২.
কি যে বলো..শত্রু ছিলাম ভালোই ছিলাম
তোমাকে বানাতে মানুষ নাহয় বন্ধু হলাম

১০৩.
এতোটা স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি তোমার !!
আমি চমকিত/মুগ্ধ  সুমন
তোমায় অনেক অভিনন্দন

১০৪.
তোমার না হাঁসা/তোমার না ভাসা-য়
আমারও কি তেমন কিছু আসে যায় !

১০৫.
ঠিক- ঠিক ...এমন-ই হয়
রাত কারো জন্যে বসে থাকে নাকি 

১০৬.
মন- যার চির নবীন
সে কখনো হয় প্রবীন ?

১০৭.
জানি ক্ষত-বিক্ষত হৃদয় দিয়ে কখনো 
ভালবাসা যায় নাতো তাই-
তোমার হৃদয় ক্ষত-বিক্ষত হলে, 
আমার যে কোনো লাভ নাই

১০৮.
তুমি কেমন করে মধুর স্বরে ডাক দিলে হে গুনি /
তাই তো সে অন্তরের ডাক কান পেতে রোজ শুনি 

১০৯.
যখন আমার আয়নায় আমি বেদনা ঢাকি
তখন হৃদয়- আঁধারে খোঁজে আলোর পাখি

১১০.
চ্ছঃ!শালীনতা আজ পঙ্গু যেন কঠিন পক্ষাঘাতে
নিরুপায় ভর দিয়েছে বিবস, নি-লাজের কাঁধে !

November 10, 2014

***
বাহ্! হচ্ছে রে তোর্ হচ্ছে চমত্কার
এগিয়ে যা তুই- নেই কিছু হারাবার
**
আজ গল্প হবে আজ আড্ডা হবে
আজ এই আসরে হাসি ঠাট্টা হবে
*
হারিয়ে গেছে চাঁদের বুড়ি
গায়ে মেঘের বোরকা 
খায়না তো আর পান সুপুরি
আর কাটেনা চরকা
১.
থাকো তলানিতে- আর পড়ো উছলে-ই
জ্বালানি যা জেনে রাখো তা' জ্বালাবেই

২.
আগুন জলে সাবান গুলে
ধুইয়েছিলি সোনার গা !
পুড়িয়েছিলি আগা গোড়াই
অঙ্গ জুড়ে বিষম ঘা !!

৩.
যখন তোমার চোখে আলোর নাচন
তখন হায় ! আমার বুকে রক্তক্ষরণ !

৪.
মানবতা আজ -
হাপুস নয়নে অঝোরে কাঁদে নাতো আর
ভুলে শোক-লাজ
বেঁধেছে পাষাণ বুকে- নির্বাক হাহাকার !!

৫.
আগুন-আগুন-আগুন 
পলাতকা জল 
ধোঁওয়া-ধোঁওয়া-ধোঁওয়া 

আকাশের তল
sp 

৬.
শ্রেণী বৈশিষ্ঠ জানা থাকা সত্বেও..................... !!!
এই সব পতিত বেবুশ্যেদের আচরণে 'আপনি' অবাক ?
আমি 'আপনার' এ হেনো অবাক হওয়া দেখে নির্বাক !!

৭.
হায় হায় ! কি কয় পাগলে !
গদি ! ছাড়ে কোন ছাগলে ?
নাহ এখন কেউ রাখেনা খবর
মানবতা কবে-ই নিয়েছে কবর !!


৮.
কেঁদেছিলাম- তোমার আগমনে (সুখে)
কেঁদেছিলাম- তোমার প্রস্থানে !(দুঃখে)
এই নিয়ে কেঁদেছি যে দুই বার- ( হ্যা )
পারবোনা কাঁদতে আমি আর  ( না )

৯.
ভালবাসার কাছে মূল্য'টাও মাঝে মাঝে অর্থহীন ..

১০.
জীবন যেন বেদের বহর
ঘাটে ঘাটে ফেলে নোঙ্গর

১১.
জলের স্রোতে আগুন জ্বলে ! অগ্নি পথে জলের ঢেউ !
আগুন জলের খুনসুটি'তে ভিজে-পুড়ে মরলো কেউ !! 

১২.
হতেও যে পারি আমি আণবিক বোমা
তুমিও তো মানবিক তাই করিও ক্ষমা
জানি-কভু তুমি দানবিক হতে পারবেনা

১৩.
 ----যেদিন ঐ
হৃদয়ের চৌকাঠে ঘুন ধরেছে
----সেদিন-ই 
অন্তপুরে থাকা ঐ মন মরেছে

১৪.
বাক-বাকুম ভোলা কৈতরী মন
উদাসী হাওয়ায়- মেলেছে পেখম
যেন চঞ্চলা মেঘমালা ছুঁয়ে ধায়..
আপোনারে খুঁজে দূর নীলিমায় !!

১৫.
আজ আমার সমস্ত মন- মগজ জুড়ে জ্বলছে আগুন
প্রার্থনা করছি-দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠা সে আগুনে
জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে যাক আমার আপাদমস্তক... !!

১৬.
বিশ্বাস শব্দ'টা যখন...
বিষ-- শ্বাসে বিষাক্ত হয়ে ওঠে তখন...
সে যাতনা ভার/মন বহিবার....
ক্ষমতা অনেক'টাই  হারিয়ে ফেলে..

১৭.
উচিত কথার মুখ কালা ...
দুর্জনের বাড়ায় জ্বালা !!


১৮.
বড় নিষ্ঠুর এই দুনিয়া........
তারও চেয়ে বেশি যেন মানুষের মন
সবে- অর্থেই খুঁজে মিছে সুখ প্রাণপণ

১৯.
 চিরটা'কাল..........
অকাতরে আমি- এসেছি ফেলে চোখের জল
আর নয় অপচয়......
আজ এই ক্ষণে অঝোর নয়নে দিলাম অর্গল !!
sp

২০.
ঘুমায়োনা আর , জাগো , জেগে
ওঠো সব একবার ফের
আর নয় পরাধীন- এখন হতে
চির 'স্বাধীনতা' আমাদের


২১.
করেছো মিছেই সাধন ভজন

রাখোনি তো কোনো খবর 
বিবাগী এ মন বোঝনি কখন
অভিমানে নিয়েছে কবর 
 
২২.
 *!!!!!!!*
ভুল দেখেছ
ভুল শুনেছ
ভুল ভেবেছ
ভুল বুঝেছ
ভুল করেছ ম্যালা !
ভুলের বাসায়
ভুল সে আশায়
তাই তো আজ একেলা !!
sp
 

November 8, 2014

চেহারা মাকাল/মনের আকাল
-------------------------------
সুলতানা পারভীন
-------------------
সুন্দর মুখ মানেই সুন্দর মন ?
সৌন্দর্যের আড়ালে কত
নষ্ট ব্যধির ক্ষত- লুকিয়ে থাকতে পারে
খবর জানে ক'জন ?
কুতসিত চেহারার অন্তরালে
থাকতে পারে পরম মমতায় ঘেরা
মহৎ হৃদয়ের আবাস !!
কঠিন শিলাময় পাহাড়ের বুকেই
জন্ম নেয় চঞ্চলা ঝরনা  ,
মরুময় বিস্তীর্ণ চোরাবালির 
হৃদয় কন্দরে বহে অতল জলধি !!




"চাল চুলোহীন"
-----------------
সুলতানা পারভীন
-------------------
উদরপুরে আগুন-নিত্য আগুন
পোড়ায় জীবনের আশালতা-
ঝোপঝাড় ,
ছাতি ফাটে ক্রমশ.......
তেষ্টার জল প্রবল খরায়-
বেমালুম গায়েব ,
বিবস হৃদয় সমাহিত
বিধি বিধানের চোরাবালিতে
ছায়াঘন অন্ধকারে
নৈশব্দের প্রহরী-পিপিলিকারা
সিথান- পৈথানে বাঁধে
বিচ্ছিন্নের বেড়াজাল ,
গুপ্ত ঘাতকের খল চোখে
ছলনার বিভীষিকা ,
মোলায়েম সুরে-স্পর্শে চলে
প্রহসনের কোমল প্রলেপ !!  

November 4, 2014

( কন্টিনিউ রিডিং হলেও- কষ্ট করে শেষ পর্যন্ত পড়ুন- প্লীজ )

"বাংলা ও বাঙালির দুরবস্থা"
-------------------------
অনেক দিন নয় ....অল্পদিন আগে ....
এক গ্রামে একজন আল্লাহ ভক্ত বুজুর্গ লোক বাস করতেন-
নামাজ রোজা দান খয়রাত এবং আল্লাহর ধ্যান-এ  মশগুল
থাকতেন সর্বদা-
একদিন গভীর রাতে তাহাজ্জুদ নামাজ শেষে নিজের অজান্তেই
ঘুমিয়ে পড়েছিলেন ..... এবং স্বপ্নে দেখলেন ঐশী বাণী বাহক
ফেরেস্তা জিব্রাইল আঃ তার নিকটে এসে বলছেন-
হে আল্লাহর প্রিয় বান্দা , তোমার ঈমান আমল এবং একনিষ্ঠ
ইবাদাতে পাক-পরওয়ারদিগার দো-জাহানের মালিক পরম
করুনাময় মহান আল্লাহতা'য়ালা অত্যন্ত সন্তুষ্ট হয়েছেন-
তিনি তোমাকে এই পার্থিব জগতেই পুরস্কৃত করতে চান
বলো তুমি কি চাও ?
বুজুর্গ লোকটি আল্লাহর প্রতি শুকরিয়াহ আদায় করে দুই রাকয়াত
নামাজ আদায় করে বললেন.... আমি জীবিত অবস্থাতেই বেহেস্ত
এবং দোজখ পরিদর্শন করতে চাই , এই দুনিয়ার মানুষকে স্বচোক্ষে
দেখা দোজখের ভয়াবহতা হতে সতর্ক করতে চাই আর বেহেস্তের
পরম সুখ শান্তির সুসংবাদ দিতে চাই-
অন্তর্যামী মহান আল্লাহতা'য়ালা তৎক্ষনাত তাঁর প্রার্থনা মঞ্জুর করলেন
জিব্রাইলকে করণীয় বিষয়ে নির্দেশ দিলেন-
জিব্রাইল আঃ লোকটিকে বললেন- আগামী শুক্রবার বাদ জুম্মা তুমি মৃত
ব্যক্তির ন্যায় পবিত্র গোসল নিয়ে কাফনাবৃত হয়ে কবরে অবস্থান নিবে-
ঠিক তিন দিন পর একই সময়ে তোমার আত্মীয় পরিজনেরা যেন তোমায়
কবর হতে উত্তোলন করে , এই বলে তিনি বিদায় নিলেন-
যথারীতি লোকটি শুক্রবার বাদ জুম্মা তাঁর ছেলেদের সহায়তায় কবরে
সমাহিত হলেন- আল্লাহর আদেশে জিব্রাইল তাঁকে নিয়ে চললেন বেহেস্তের পথে
     বেহেস্তের মনোরম পরিবেশ আর সুখ শান্তির সর্ব ব্যবস্থায় মুগ্ধ হয়ে সেখানেই
আল্লাহর প্রতি শুকরিয়াহ আদায় করে দু'রাকয়াত নামাজ আদায় করলেন
সমস্ত দিক ঘুরে ঘুরে দেখার সময় এক জায়গায় এসে তিনি দেখতে পেলেন-
একজন বেহেস্তবাসী তার সন্মুখে সুখের সমস্ত উপকরণ থাকা সত্বেও তিনি তা
উপভোগ না করে অঝোরে কেঁদে চলেছেন-
জিব্রাইলকে এর কারণ জিজ্ঞেস করে জানতে পারলেন- আগামী সোমবার
ওই ব্যক্তি বেহেস্ত থেকে বিতাড়িত হয়ে জাহান্নামবাসী হবে- কারণ জীবিতাবস্থায়
সে আল্লাহর যাবতীয় বিধি নিষেধ মেনে চলেছিল আদেশ পালন করেছিল কোনো
পাপ বা অন্যায় করেনি তাই তার কর্মফলের পুরস্কার স্বরূপ তাকে বেহেস্ত দেয়া হয়েছিল
কিন্তু সে তার সন্তানকে সুশিক্ষা দিয়ে আসেনি ...তার ছেলে দুনিয়াতে অপকর্মে লিপ্ত হয়ে
আছে ... আগামী সোমবার সেই ছেলে একজন অবলা নারীকে ধর্ষণ করে হত্যা করতে
যাচ্ছে ... তার দ্বারা উক্ত দুস্কর্মটি সংঘটিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই ব্যক্তিকে জাহান্নামের
আগুনে নিক্ষেপ করা হবে তাই সে কাঁদছে - আফসোস করছে - হায় ! আমি কি করেছি !
নিজে বেহেস্তবাসী হওয়ার নেশায় এতই মশগুল থেকেছি যে--- সন্তানদের সুপথে পরিচালিত
করার দায়িত্ব ভুলেই ছিলাম -
পরিদর্শনকারী ব্যক্তি যারপরনাই ব্যথিত হয়ে জিব্রাইলকে জিজ্ঞেস করলেন- এর কি কোনো
প্রতিকার নেই ? জিব্রাইল বললেন আছে - এই ব্যক্তির পুত্র যদি ওই অপকর্ম হতে বিরত থাকে
আর মহান আল্লাহ তা'য়ালার নিকট সমস্ত পাপের জন্য তওবা করে ক্ষমা ভিক্ষা করে তবেই
এই ব্যক্তি আশু বিপদ হতে পরিত্রান পেতে পারে-
পরিদর্শনকারী ব্যক্তি অত্যন্ত বেদনা বোধ করছিলেন- তিনি জিব্রাইল আঃ-এর নিকট থেকে
ওই লোকের ছেলেটির নাম ধাম সংগ্রহ করলেন এবং মনে মনে অঙ্গীকার করলেন দুনিয়ায় ফিরে
গিয়েই তিনি সেই ছেলেটিকে খুঁজে বের করে তার বাবার সমস্ত অবস্থা তাকে অবহিত করবেন
এবং বিবৃত দুস্কর্ম হতে তাকে নিরস্ত করবেন-
এরপর জিব্রাইল তাঁকে বেহেস্ত পরিদর্শনে নিয়ে চললেন - দোজখের ভয়াবহ রূপ দর্শন করে তিনি
ভয়ে বিস্ময়ে শিহরিত হয়ে উঠলেন তাঁর অন্তরাত্মা কেঁপে উঠলো --- হু-হু করে কেঁদে উঠলেন
আল্লাহের নিকট এর থেকে পানাহ চেয়ে দুই রাকয়াত নামাজ আদায় করলেন - বর্ণনাতীত শাস্তি
ভোগ করছে দোজখবাসীগণ , দোজখ গুলি একেকটি বৃহৎএবং গভীর চৌবাচ্চার ন্যায় যার প্রত্যেকটি
গনগনে আগুনের তৈরী সাপ-বিচ্ছু নানানরকম বিষাক্ত প্রাণীতে ভর্তি , যে গুলো প্রত্যেকের ব্রম্মতালু
হতে পায়ের আঙ্গুল পর্যন্ত ছিঁড়ে খুঁড়ে নিমেষেই খেয়ে ফেলছে আর শাস্তি ভোগকারী মানুষগুলোর
গগনবিদারী ভয়ানক আর্তচিত্কারে কানে তালা লেগে যাচ্ছে ...
পরিদর্শনকারী ব্যক্তি একটি জিনিস লক্ষ্য করলেন - প্রত্যেকটি আগ্নেয় চৌবাচ্চার ধারে একেকটি করে দেশের
নাম লেখা সাইনবোর্ড লাগানো আছে এবং প্রত্যেক চৌবাচ্চার চতুর্পাশ ঘিরে ভয়ংকর চেহারার প্রাণী- হাতে
আগুনের লাঠি নিয়ে পাহারা দিচ্ছে - কেউ উপরে উঠে আসবার চেষ্টা করলে তাকে লাঠির আঘাতে পুনরায়
ঠেলে ফেলে দিচ্ছে - পরিদর্শনকারী ব্যক্তি আমেরিকার একটি চৌবাচ্চার ধারে গিয়ে ভালো করে দেখার চেষ্টা
করলেন , এরা কি করে এত গভীর হতে উঠে আসছে... যা দেখলেন - প্রত্যেকেই নিজেদের কাঁধ এগিয়ে দিচ্ছে
একজন আরেকজনকে উপরে উঠতে সাহায্য করতে... এখানে পাহারাদার প্রানীগুলো সর্বদা ব্যস্ত ক্লান্ত- এদেরকে
ঠেকিয়ে রাখতে- রাখতে !  আরেকটা অদ্ভুত বিষয় লক্ষ্য করলেন তিনি.. এত ভয়াবহ যন্ত্রণার মাঝেও একজন
হি হি করে খুব হাসছে.... জিব্রাইলের নিকট তিনি এর কারণ জানতে চাইলেন- জিব্রাইল বললেন- এই ব্যক্তি
আগামীকাল বেহেস্তবাসী হবে - কারণ এর স্ত্রী একমাত্র শিশু পুত্রকে আগামীকাল আরবি শিক্ষার জন্য মক্তবে
ভর্তি করতে যাচ্ছে , যেই মুহুর্তে ছেলেটি বিছমিল্লাহ শেষে আলিফ শব্দটি উচ্চারণ করবে ঠিক সেই মুহুর্তেই এই
ব্যক্তিকে বেহেস্তে নেয়া হবে।  

এরপর তিনি জিব্রাইলের নিকট জানতে চাইলেন আমার বাংলাদেশ কোথায় ? জিব্রাইল আঙ্গুল তুলে অনতি দূরেই
সাইনবোর্ড এবং পাহারাবিহীন একটা চৌবাচ্চা দেখালেন ... লোকটি আশ্চর্য হয়ে বললেন সেখানে সাইনবোর্ড বা
পাহারা কিছুই নেই কেন ? জিব্রাইল মুচকি হেসে বললেন- এটা ওয়ান পিস- এর মত আর একটিও নেই। .. লোকটি ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে বললো... মানে ! জিব্রাইল ইষৎ হেসে বললেন কাছে গিয়ে দেখো নিজেই বুঝতে পারবে
আগ্রহের আতিশয্যে লোকটি এক প্রকার দৌড়েই গেলেন নির্দেশিত চৌবাচ্চার দিকে - গিয়ে যা দেখলেন তার চক্ষু
ছানাবড়া হয়ে গেল - আমেরিকার চৌবাচ্চার ঠিক উল্টো দৃশ্য ....  সকলেই উঠে আসবার প্রতিযোগিতায় নেমেছে
সকলেই নিজে আগে উঠতে চায় এই নিয়ে চলছে মারামারি , কেউ যদি খানিকটা উঠে আসছে অন্যজন তার পা ধরে
টেনে নামিয়ে দিচ্ছে.... শেষ পর্যন্ত কেউ-ই উঠতে পারছে না , তাই পাহাদার এখানে নিস্প্রয়োজন -

পরিদর্শনকারী ব্যক্তি ভীষণ লজ্জিত এবং দুঃখিত বোধ করলেন , বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা'টা এক নিমেষেই তাঁর
মনের চোখে ভেসে উঠলো .... হায়  বাঙালি ! হায় বাংলাদেশ ! পরকালে এসেও প্রতিহিংসা ভোলেনি !!
                                            "হায় একেই বুঝি বলে
                                             যায়না স্বভাব ম'লে !!"
(প্রচলিত গল্প - সত্যি নয় মোটে- একেবারে মিথ্যেও নয় - বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে )
সুলতানা পারভীন
'যখন-তখন'
----------------
সুলতানা পারভীন
----------------
যখন বুকের বারুদ
মুখের তপ্ত কথায় !!
দাউ দাউ জ্বলে ওঠে ! 
তখন হৃদয় পোড়ে
অন্তর উঠোন জুড়ে
বিষাক্ত ধোঁয়ার বিষাদ !
মনের এক ফালি চাঁদ
নিমেষে জোছনা হারায় !!
বেদনার বিলাপ চোখে !