December 3, 2014

ছাত্র আমি মন্দ তো নই.....
------------------------
আহা মুর্খ আমি সব কিছুতেই যতই করি চেষ্টা
হারিয়ে যায় সব কিছু মোর মনে পড়ে শেষ'টা
সদাই স্কুলেতে ক্লাসের পড়া মোটেই মনে রয় না
অংকের বেলায় এলোমেলো একটাও তো হয় না
পড়তে গেলে বাংলা পড়া আসে ঢকের পর ঢক
ব্যকরণ শিখতে গিয়ে স্যারের কাছে খাই ধমক
বিজ্ঞানেতে সব জ্ঞান মোর হয়ে যায় যে লুপ্ত
চোখ রাঙিয়ে মাস্টার মশাই হয়ে ওঠেন ক্ষিপ্ত
ঐ ইংরেজিটা বেজায় কঠিন কটর মটর অতি
ভয়েই মরি এবার বুঝি ভাঙ্গলো দাঁতের পাটি
ভূগোলের ক্লাসে রোজ অজুহাতের পাহাড় গড়ি
পিরিয়ড ধর্ম এলে মাথা ব্যথায় মিছেই মরি
সমাজ বই নাইকো মোর পরের কাছে ধার করি
ইতিহাসের নাম ঠিকানা মনে মনে যত-ই স্মরি
ভ্রু কুঁচকিয়ে মাস্টার বাবু প্রশ্ন করেন যখন মোরে
ইতিহাসের নাম ঠিকানা হারিয়ে যায় তেপান্তরে !!
হুমম..তবু ছাত্র আমি মন্দ তো নই
পেলেই..খেলার সুযোগ ধন্য যে হই !!
:D :D :D
সুলতানা পারভীন
 
 


December 2, 2014

'বোধ'-এর বধ ....
মনেও পড়ে না- 'বোধ' কি কদাপি জেগেছিল
নাকি জন্মায়ইনি আদৌ-
অথবা- যদিও জন্মে থাকে কোনো অলক্ষ্যে-
অন্ধকারের আঁতুড় ঘরেই....সজ্ঞানে মেরেছিল
নির্মম- গলা টিপে কেউ !!
sp 


November 28, 2014

সময় চলে যায় ।
কি ভাবে যায় ?

___ কারো যায় খুড়িয়ে
___কারো যায় গড়িয়ে
কারো নাকি হুড়মুড়িয়ে !!

আমার ?
____কখনো বা খুড়িয়ে-
____কখনো বা গড়িয়ে-
মাঝে মাঝে...............!!
একদম স্থির-------------
জগদ্দল এক পাথর যেন !!
সবার বেলায় একই রকম
আমার বেলায় এমন কেন ? 
sp

কালের সাক্ষী ঐ বুড়ো বট গাছ ?
নাকি গাছের সাক্ষী কাল ?
বুদ্ধি-টা কেমন গুলাচ্ছে আজ
লাগছে ভীষণ গোলমাল !
sp

যখন-
প্রেমিকার একটি তিলের জন্য
বিলিয়েছিল কবি রাজ্য তার
তখন-
ছড়িয়েছিলে কাঁটা আমার পথে
আজও রয়ে গেছে বিষ তার !
sp 

দফা ঘোষণা করা হয়-ই
দফা গুলোর রফা করার জন্য..
কথা দেওয়া হয়..না রাখার জন্য
নিয়ম তৈরী হয় নিয়ম ভাঙ্গার জন্য
-------------------------------------
দেখছি সবই শুনছি কানে
বলছি না কেউ কিছু
বলতে গেলেই সবাই জানে
ধরবে মরণ পিছু
ওরে__
যখন এক দুঃখের জনক হাজার-
তখন এই দুঃখ তো নয় খন্ডাবার !
sp 
 

November 27, 2014

নিয়ত নির্ঘুম নিশীথে...... 
--------------------------
সুলতানা পারভীন
-------------------------
আঁধারের ঢেউ ঠেলে এগিয়ে চলি ক্রমাগত-
নির্মম বেদনার বিষন্ন ভেলায় চেপে ,
কোচড় ভরে নিয়ে আলোকের বীজ-
যেখানে জীবন স্থবির , অন্ধকারের বন্ধ
স্রোতে- মন-মননের অন্ধ জগৎ-
ভিড়বে সেথায় তরণী আমার.......  
কোচড় শুন্য করে- পুঁতে দেবো এক একটি
আলোর কণা -
নিড়ানি দেবো হতাশার আগাছা যত-
আঁধারের খাল করবো খনন- বইয়ে দেবো
আলোর স্রোত- মনের অন্ধ চোখে জ্বালাবো
আলোর প্রদীপ.....  অতঃপর ক্ষান্ত হবো আমি    




যে- নিজের কাছে সৎ থাকার চেষ্টা করে না
সে- অন্যের প্রতি-ও সৎ আচরণ করতেই পারে না
অসম্ভব................. !!!
sp


দেখে যাও.....
অহঙ্কারী ঐ
সাগর'টা মরে গেছে.... প্রথমে শুকিয়ে কাঠ
প্রবল খরায় তৃষ্ণার্ত ছিলো....বেচারা  !!
মন্বন্তরের দহন বুকে নিয়ে ক্রমাগত শুকিয়ে
নিঃস্ব মরুময় ! কঙ্কালসার অবয়ব জুড়ে-
দৈন্যতার শৈল্পিক আভরণ !

কি কারণ ..কি কারণ ?
সে অনেক কথা...
দিনকে দিন নাকি.... শা.....র  দম্ভ আরো ...
ধরাকে সরা জ্ঞানে ধরাশায়ি....
হুমম- বোঝেনি নাদান...
বাপের-ও বাপ আছে..... 
ধর্মের কল বাতাসে নড়ে !!
পাহাড়-টাকে ছুঁতে চেয়েছিল...
ভেঙ্গে চুরে ভাসাতে চেয়েছিল !!
যাহ- তাই কি হয় ?
পাহাড় তার দৌরাত্ম দেখে....
ঠোঁট টিপে হেসেছিল খানিক'টা !
তারপর ?
বুকের ফোয়ারা ঝরনা'টাকে....
বুকেই আটকে রাখলো.....
আর নদী ?
শুনেছি সে-ও জ্বলছে চিতায়...
নিয়েছে সহমরণ !!  
--------------------------------
সুলতানা পারভীন  







November 26, 2014

যাচ্ছে সময় মন্দ !!
--------------------------
আজ কবিতার শুন্য ভাঁড়ার
'শব্দ' দুয়ার বন্ধ !
হারিয়ে গেছে বর্ণে'রা সব
ভাবছে বসে 'ছন্দ' -
কবি পাড়া- ঘুমিয়ে সারা
লিখনী- তাই দিশেহারা !
ভাবুক হৃদয় তোলপাড় হয়
যাচ্ছে সময় মন্দ !!
----------------------------
সুলতানা পারভীন  

November 24, 2014

"একটি নদীর গল্প"
----------------------
সুলতানা পারভীন
---------------------
নদী'টা......
একদিন কানায় কানায় ভরা ছিলো ,
কূলে কূলে আছড়ে পড়তো সোহাগিনী ঢেউ !
কাশফুলের বাহারে মোহময়ী ছিলো ,
নীলাম্বরী অম্বর ছিলো নতমুখী মুগ্ধ চোখে !
আনাচে কানাচে সবুজ গালিচা মোড়া মাঠ প্রান্তর
রাখালিয়া বাঁশিতে সুর সুমধুর- গোধুলী লগন
অদূরে নিবিড় ছায়া ঢাকা বনে-
উদাসী হাওয়ার কাঁপন , পাখির কলতানে
মুখরিত ক্ষণ- দূর দিগন্ত ছুঁয়ে ঢেউ খেলানো
পাহাড় চূড়া- কখনো ধীর, কখনো অস্থির
জল তরঙ্গ কেটে তরণী এপার-ওপার
সাম্পান মাঝির উদাত্ত কন্ঠে ভাটিয়ালি গান-
ঘাটে ঘাটে উচ্ছল কিশোরের ডুব সাঁতারের খেলা
পল্লী বধুর কলসী ভরণ- অশান্ত প্রলয়ে কূলের ভাঙ্গন
অন্য কূলে জেগে ওঠা চর- নক্ষত্র খচিত আলো
ঝিলমিল নিঃশব্দ রাতের আকাশ -আনন্দ-বেদনায়
সাজানো সোনালী সময়-  একদিন সব-ই ছিলো
সুহাসিনী গরবিনী নদীটার-
কিছু নেই আজ....কালের গর্ভে বিলীন নিঃস্ব নদী
শুধু পড়ে আছে রেখা কিছু তার........!!


  
আম্মা গো-
-----------------------
সুলতানা পারভীন
------------------------
শোনো বলি , তুমি জাতির আম্মা
করছো তুমি এমন কেমন কাম' মা !
এই জনগণ "আমড়া" দেশের !
নষ্ট পঁচা আম' মা ?
তাই- জনতার রক্ত ঘামে
চামচা চরাও ডাইনে বামে !
ওদের জ্বালায় সদাই মোদের
হয় যে বিধি বাম' মা !
ও-মাগো তুমি এমন কেন ?
মোদের ভাবো পিপড়া যেন !
রাজ্যে তোমার- নেই কি প্রানের
কানাকড়ি দাম' মা !
মাগো-
দুঃশাসনের বেড়ি যতই
বজ্র আঁটো- ছিঁড়বে ততই
ওই  জনতা জনার্দনের 
প্রতিরোধী - প্রতিবাদের
দাবানল আসছে ধেয়ে
স্বৈরাচারের পতন চেয়ে
সুযোগ বুঝে কোপ'টি মেরে
তুলবে পিঠের চাম' মা !
তাই বলি মা-
থাকতে সময় এবার নাহয়
একটু'খানি থাম' মা !!
  



আমি গেয়ে যাই জীবনের গান
স্বর্গীয় আলো রথে
স্বপ্নীল ছায়া পথে
করে চলি অমৃতের সন্ধান
 sp

আমি-
একটি ভালো কবিতার জন্য
একটি সুরেলা গানের জন্য
একটি বসন্ত দিনের জন্য
বিসর্জন দিতে পারি তাবৎ.....
বিকিয়ে দিতে পারি সর্ব সত্বা -
sp

দেবে ? দাও তবে---
----------------------
সুলতানা পারভীন
-------------------
আমায় এমন একটি 'শব্দ' এনে দাও-
যে শব্দের বারুদে দাউ দাউ জ্বলবে ,
অসমতার অস্পৃশ্য জঞ্জাল-
আমায় এমন একটি 'বাক্য' এনে দাও-
যে বাক্যের বন্যায় ভেসে ধুয়ে মুছে
যাবে , সব নিগ্রহ অনাচার- 
সর্বোপরি----
আমায় এমন একটি 'কবিতা' দাও-
যে কবিতার প্রাণ ছুঁয়ে-
অনন্ত ঐশ্বরিক হয়ে উঠবে , সমস্ত
দানবীয় কুলাঙ্গার যতো !!




ধনীদের ধনে- মানে চোখ থাকে অন্ধ
নাকে দেখে- শুঁকে শুধু টাকার-ই গন্ধ


November 23, 2014

জানি____
কেউ ভাবেনা আমার কথা-
কেউ রাখেনি মনে ,
তাই____
আপনায় আড়াল রাখি-
নিবিড় সঙ্গোপনে !!
sp   

কবিতা !
অনেক তো হলো সাজ
আভরণ খোলো 
ছুঁড়ে দাও মালা তাজ
অভিমান ভোলো 
হাতে ধরো হাতিয়ার
চোখে ভরো আঁধিয়ার
পড়ে থাক কারুকাজ
পিড়িতের দেখো আজ
আঁখি ছলো ছলো !!
sp 

ক্রমাগত দু'হাতে সরাই...
অনাবৃত অসমের জঞ্জাল
কেবলি দু'পায়ে মাড়াই
পৃথিবীর এলায়িত কঙ্কাল !!
sp 


পূর্ণ চন্দ্র তিথি-ক্ষনিক অতিথি-


November 21, 2014

কেন জল পিয়াসী- নিতুই জলে ভাসি-
জলেই বসবাস ,
তবু- নিয়ে এক নদী জল তৃষ্ণা বুকে-
কাটাই বারো মাস !
আপন অন্তঃপুরে- এ কোন ভবঘুরে
মনের আনাগোনা !
ঐ হাতছানি দেয়- কৈ দূর ডেকে নেয়
নেইতো জানাশোনা !!
sp 
কেন____তিলকে তুমি তাল করো
ওই ঘাস'কে বলো বাঁশ !
দেখলে ____কারেও ঘুমের ঘোরে
বল ঠিক দেখেছি লাশ !
তুমি আর কত কাল এমন চাপা
মারবে  চাপাবাজ !!
sp 


বিধি আর কি বলবে ?
তার তো দু'চোখ অন্ধ
বলার মুখ-ও থাকে বন্ধ


কবি.....
শব্দের ফুলে বর্ণের মালা
গাঁথবে কতই আর
সব-ই....
একদিন লুটাবে ধুলায়
রবে  শুধু হাহাকার


  

November 20, 2014


মন্বন্তর.. 
নাচে না আলো-নির্বাক চোখে 
পড়েনা পলক-কাঁদেনা শোকে
খেলে না হাসি- মেলে না খুশি 
দোলে না স্বপন-অন্তরলোকে !!
-------------------------------
 সুলতানা পারভীন

 

November 19, 2014

.......>>>>>>>>......
সুলতানা পারভীন
-----------------------
জীবনের জরাজীর্ণ কার্নিস ছুঁয়ে-
শব্দহীন সময়ের দ্রুত চলে যাওয়া
ঠেকাতে পারিনা- অশরীরি মুঠো বন্ধনে ।
বাসনার কচ্ছপ গতি , বিলম্বিত ছায়া ফেলে
নির্বাক চৌকোনী ঘুলঘুলি জুড়ে-
দৃষ্টির সীমানায় নিরুত্তাপ অন্ধকারের
চিরকালীন গোড়া পত্তন-
ঠেকাতে পারিনা- নির্বিষ আস্ফালনে ।
সিথান পৈথানে আবেগী নিশুতি রাত-
সহসাই নিয়ে ফেলে কৃষ্ণ বিবরে-
অধঃপতনের পিচ্ছিল গতি ,
ঠেকাতে পারিনা- দ্রোহের নিস্ফল ক্রন্দনে ।


আমি এখন ঘুমাবো-----------------------
----------------------আমি এখন ঘুমাবো
আমি এখন ঘুমাবো-----------------------
----------------------আমি এখন ঘুমাবো
এখন ঘুমাবো আমি-----------------------
----------------------এখন ঘুমাবো আমি
এখন ঘুমাবো আমি-----------------------
----------------------এখন ঘুমাবো আমি
ঘুমাবো আমি এখন----------------------
----------------------ঘুমাবো আমি এখন
ঘুমাবো আমি এখন----------------------
----------------------ঘুমাবো আমি এখন
****************************
 কেউ ডেকোনা আমায় আর-
সত্যি-ই আমি ঘুমাবো এবার।


বিচ্ছুরিত আলোর কাঁপন বর্ণহীন করে দৃষ্টির

November 16, 2014

বেঁচে থাকো কবিতা !
ঘনায়মান আঁধারের মাঝে 

মনোলোভা চন্দ্রিমাসম
দূর কর মিছে ভনিতা
সত্যের আলো হয়ে তুমি
বেঁচে থাকো হৃদয়ে মম!
sp

দাও হাল খুলে পাল তুলে দাও
ভাসাও ডিঙ্গা জলেতে ভাসাও

ভালো থেকো জল , সাগর অতল ভালো থেকো
ভালো থেকো সাধ -ঝগড়া বিবাদ ভালো থেকো
ভালো থেকো মন- সুখে আজীবন ভালো থেকো
ভালো থেকো গান- হাসি অফুরাণ ভালো থেকো
ভালো থেকো সুর- মিষ্টি মধুর ভালো থেকো

মন্বন্তর.. 
নাচে না আলো-নির্বাক চোখে 
পড়েনা পলক-কাঁদেনা শোকে
খেলে না হাসি- মেলে না খুশি 
দোলে না স্বপন 

November 14, 2014

আমার সমাধি সাজিওনা তুমি
তাজমহলের মত
গেয়োনা গো তুমি আমার সে গান
কান্না জড়ায়ে শত ..

হতাশার হত টাকে হত্যা করুন ..... 
দেখবেন-
আশার আলোয় ভরেছে উঠোন-

প্রতিটি মানুষ জীবনে কত কিছুই চায় -
সব কি পায় ? পায় না -
তবু মনে হয় - যত টুকু পায় -
তা যেন কখনো হারায় না  


খোঁড়ারে কভু বলোনা খোঁড়া 
কানারে বলোনা কানা 
কষ্টেরে তেমন বলোনা কষ্ট 
শাস্ত্রে আছে যে মানা 
নেই মাছে ভাতে ?
কি হয়েছে তাতে ?


মানুষের জীবন এমন কেন ? কেন অকারণেই -
দুঃখ নেমে আসে ভয়ঙ্কর কাল বৈশাখী ঝড়ের মত !
সব কিছু এক নিমেষেই তছনছ করে দেয় ?
 

চন্দ্র-সূর্য্য নইকো আমি ছিলাম অতি নগন্য
কাঙ্গাল ছিলাম একটুখানি ভালবাসার জন্য
হৃদয় জুড়ে ছিল কত বেদনার-ই  ঢেউ
কোনদিনও উঁকি মেরে দেখেনি তো কেউ 



নেতাদের কাছে আজ রাজনীতি নয়
কাজ নীতি চাই
হানা হানি খুনো খুনী হাঙ্গামা নয়
প্রেম প্রীতি চাই


আমার চোখের জল জমলে চোখে 
শত হিমালয় হয়ে যাবে 
দুঃখের ঝড়ে যদি ঝরাও তাকে 
হাজারো সাগর বয়ে যাবে 


আনন্দে যে হাঁসায় -
কষ্ট-দুঃখে কাঁদায় -
সেই জাগিয়ে তোলে
শোয়ায় ঘুমের কোলে    
 
   

November 13, 2014

বাহ্ ! আজ দেখি কবি/এঁকেছে অনেক ছবি !
এক-ই সঙ্গে কত না রঙ্গে- হয়েছে শশী রবি !

১৪৬.
না .. আমি নই শুধু নারী ..
আমিও মানুষ
আমারও তো মন আছে ..
আছে জ্ঞান হুঁশ । 

November 12, 2014

১১১.
জ্বলে পুড়ে আলো দিয়ে- নিঃশেষ মোম
তুমি বলো দূর- তোর্ আলো বড় কম !

১১২.
ভালবাসা মানে- শুধু কি  আশা 
ভালবাসা মানে- শুধু কি দুজনের প্রত্যাশা
ভালবাসা মানে- শুধু কি আকাশ-কুসুম কল্পনা
ভালবাসা মানে- শুধু কি স্বপ্ন-সুখের জালবোনা











১১৩.
আছে কাঁটার বিষম জ্বালা
তবু-ও প্রিয় ফুলের মালা

১১৪.
শতেক ছলে- নদীর জলে

১১৫.
ছাই চমত্কার / বৃথা চিত্কার
সেদিন ঝড় ছিলো বৃষ্টিও ছিল
সেই মধুক্ষণে অনাসৃষ্টিও ছিলো
হুমম...... তাই তো..........
ভুলি নাই ভুলি নাই
দোর্ তাই খুলি নাই

১১৬.
"ভালবাসা" 
বাতাসে ওড়ে/আকাশে চড়ে
বিকোয় দরে/বাইরে-ঘরে
আরো আছে বলবো পরে
বুঝি একেই বলে "পাগলামী"
আপনাদের সাথে আমার দ্বিমত নেই ...
আমি দুষ্টুমি করে "পাগলামী" বলেছি .. 
আর এমন পাগলামী তো আমিও করি ভাই
পাগলে পাগল চেনে ছাগলে চেনে ঘাস-
পাগল ছাগলে মিলে আড্ডা বারোমাস!!
sp 
১১৭.
এই রুটি স্যাঁকা গরমে-
উফ- মেজাজ'টা চরমে !
বৈশাখে নাই কাল বৈশাখী
হচ্ছে এ কি অনাসৃষ্টি !
তোমরা যা বলো তাই বলো
চাই এক পশলা বৃষ্টি !

১১৮.
তুমি বদলাও কিসে ?
খানিক'টা আলিসে-
মাথা রেখে বালিশে-

"বলেছো বেশ খাসা"
১১৯.
মশারি খাটানো....
রাতে মশা দিনে মাছি
এই গরমে বেশ আছি
১২০. 
তুমি উদার টেকো মাথা 
 আমি ঘন কালো অলকা 

১২১.
অসংলগ্ন অবান্তর....
হাজার কথার ফুলঝুরিতে
আর যাই হোক মন ভরে না


১২২.
আমি আর লিখবো না কিছু
কিচ্ছু লিখবো না..........
আঁধারে নিলাম স্বেচ্ছা নির্বাসন

১২৩.
"নিশীথিনী"
 দৃশ্যত- ও মুখ যখন থাকে মুখোশের মোহন ফাঁদে
শঙ্কিত চেতনার প্রহরী দু'চোখ নিরব-নিভৃতে কাঁদে !!

১২৪.
ভালো লাগছে না আজ
কিচ্ছু ভালো লাগছে না
কেন... ঠিক বুঝতে পারছি না
কেমন যেন একটা অস্বস্তির কাঁটা
খঁচ-খঁচ করে বিধছে মর্ম মূলে-

১২৫.
উফ !পাগল- ছাগলে ভরে গেছে দেশ'টা
কি যে হবে কে জানে- এ দেশের শেষ'টা !!

১২৬.
ভাবছি আজ আর লিখবো না কিছু
এ দু'টি চোখ জুড়ে ঘুম নিয়েছে পিছু

১২৭.
ত্থুঃ  
!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
ক্ষমতার দম্ভে বাঘিনী- বিড়াল 
নির্বাক বেপথু বে-লাজ বিবেক
উত্তাল বৈভবে- নেশায় মাতাল ...

১২৮.
 আলুক ফুলুক মখমলে সুখ চাইনা এমন
পাহাড় প্রমান কষ্টে পাথর কৈতরী মন

১২৯.
 চলো না যাই বহুদূর
পেরিয়ে সাত সমুদ্দুর !        

১৩০.
বেশ উদাসীনতাই সই ... 
তাই দিলাম দু'হাত ভরে
হৃদয়ে রেখো যতন করে

১৩১.
যে পাখি'টা বুকের খাঁচায়
অন্তবিহীন ডানা ঝাপটায় 

১৩২.
আমার চোখের জল জমলে চোখে
শত হিমালয় হয়ে যাবে
দুঃখের ঝড়ে যদি ঝরাও তাকে
হাজারো সাগর বয়ে যাবে

১৩৩.
এসো নাকো পিছু পিছু
বলো নাকো আর কিছু 

১৩৪.
সময়-তোমার কাছে আমার
আছে অনেক ঋণ
তুমি দিয়েছিলে আ-শৈশবের
স্বপ্ন মাখা দিন

১৩৫.
 পৃথিবীতে নির্মোহ মানুষ সবচেয়ে সুখী,
লোভ-লালসা উচ্চাকাঙ্খা মানুষকে
অসুখী করে তোলে ....

১৩৬.
শোকে শব্দেরা পলাতক কথা নেই মুখে 
থাকে অশ্রু'রা হুঁশিয়ার ক্ষত নিয়ে বুকে          

১৩৭.
আমিতো আছি এই তোমাদেরি মাঝে
সম্মুখে আড়ালে দেখো রয়েছি কাছে !!

১৩৮.
কেন সাত সাগরের জল দু'চোখে অষ্টপ্রহর ঝরে ,
হারিয়ে তোমায় ব্যকুল হৃদয় অগ্নিচিতায় পোড়ে !

১৩৯.
 বুকের পাঁজর ভাঙ্গছে ঝড়ে
আর কত'টা সয় ..
নিত্য দহন হৃদয় পোড়ে 
ভালবাসার ক্ষয়

১৪০.
অতঃপর 
সেই তো অনেক ভালো ...
দিও নাকো ভালবাসা 
মুছে দিয়ে সব আশা
ঘৃণার আগুন জ্বালো ..

১৪১.
তুমি ভুল মানুষ নও .
আমি-ই অচল নারী..
তুমি অনেক গুনে গুণী
আমি-ই হতচ্ছাড়ি ! 

১৪২.
'কত যে ভালবাসি'
কথা'টা আজ বাসী
শুনলেই পায় হাঁসি !


১৪৩.
ছলা-কলা'য় মিথ্যে বলায়
একলা তুমি হিরো

১৪৪. 
সবটা'ই তোমার ছল ছিলো !!
চোখে কুমিরে'র জল ছিলো

১৪৫.
আজ কাল সেল ফোন
করে বড় জ্বালাতন !!     সুলতানা পারভীন

November 11, 2014

২৩.
ওরে তোর হাঁসিতে চাঁদের আলো উছলে যখন পড়ে
তারা ঝিলমিল খুশির মিছিল আমার উঠোন জুড়ে !

২৪.
তোর ঐ মিথ্যে মায়ার মোহন ফাঁদে
বন্দিনী মন হয় উচাটন নিত্য কাঁদে !

২৫.
মনের আর দোষ কি বলো
মন মেলে না মনের মতন
তাইতো মনে বিষাদ বেদন

২৬.
বৃথা সকল তন্ত্র মন্ত্র
যথা বিকল মনঃযন্ত্র
 
২৭.
আহা! চিঠির যুগ তো আর নাই রে ভাই
পোস্ট অফিসে আনাগোনা করছো বৃথাই

২৮.
ভুল শুনেছেন ভূল/কেউ মেরেছে গুল/নারী নয়কো শুধুই ফুল


২৯.
যে মানুষ মাথায় এত্তো বুদ্ধি ধরে!
সে খায় কি আর ঘুমায় কি করে?



৩০.
আহা ধন্য ধন্য /হে কবি তুমি বরেন্য/
কবিতা তোমার জন্য/ হলো গর্বিত অনন্য

৩১.
সত্যি-ই চমত্কার !
প্রশংসার দাবিদার
এমন এক কবিতার
বিষয়ে কি বলবো আর
ভাষা জানা নেই আমার

৩২.
bondhura------
tomader sokoler jonno--
-1 mutho roddur
-1 peyala kore gorom tae
-1 jhuri ushnota
roilo prodaner protishruti-
binimoye--------
na--na vote chai na
protyeker tore protyeke rekho---

-1 mutho sukh-valobasa
-1 peyala bachar asha
-1 jhuri accha khasa
maya-momota-sohanuvuti-

রাত পোহাবার আর কত দেরী পাঞ্জেরী ?!!
এই নষ্ট গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি মানুষের বিত্শ্রদ্ধা জাগতে- আর কত ধুম ধাম ঢাক ঢোল/ হুড়ুম দুড়ুম ককটেল পিস্তল ফুটতে/ছুড়তে হবে ? রাত পোহাবার আর কত দেরী পাঞ্জেরী ?!!

৩৩.
কি দেবো তোমায় ?
এই দু'চোখের জল মনের অনল ছাড়া আমার
আজ তোমায় দেবার মত নেইতো কিছুই আর

৩৪.
???
আজকাল সোজা কথা বলা সহজ বড় নয়
সরল পথে চলতে গেলেও হোঁচট খেতে হয়!!
sp

৩৫.
চোখের দেখা'ই সব টুকু নয়,
মুখের কথাও মনের কি হয়!!


৩৬.
যদি কান পেতে শোনো ঐ শুকনো পাতার মর্মর ধ্বনি
বুঝে নিও সে আমারি ব্যথিত হিয়ার সকরুণ রাগিনী
sp


৩৭.
কেন কাছে আসো ?
মিছে ভাল বাসো ?
কেন ফিরে চাও ?
যাও দূরে যাও



৩৮.
খোলা জানালায় চপলা জোছনার লুকোচুরি
দেখা হয় না কতদিন ..... কতদিন....!!
sp


৩৯.
কেন ? যখন তখন ছুঁয়ে যাও অন্তর
মনের আঙ্গিনায় কি সুখে বাঁধো ঘর !

৪০.
যাই-ই হোক কথা বলো বুঝে শুনে কৌশলে
কথা শুনে কেউ যেন ভাসে না চোখের জলে
sp

৪১.
আমার সমাধি সাজিয়ো  না তুমি
তাজমহলের মতো
গেয়োনা গো তুমি আমার সে গান
কান্না জড়ায়ে শত

৪২.
ওগো দুঃখ জাগানিয়া ...................
রিক্ত বুকে কি করে ধরো এতো সুর- হাঁসি গান !
সিক্ত চোখে কি করে জ্বালো দীপ্ত শিখা অনির্বান !
sp 

৪৩.
মনের কুঠি'তে শক্ত মুঠি'তে
নিয়ত্ বন্দী স্বপ্নমালা!
নীরব আঁধারে অকূল পাথারে
তরণী বাহিয়া চলা !!

৪৪.
অতীতের স্মৃতি গুলো ফেলে এসেছি রে..
মন ভাঙ্গা ঢেউ ছোঁয়া ভুলো নদী তীরে !

৪৫.
'ব' বর্ণনা ......
বিষে বিষাক্ত বেদম বিবস হৃদয়
বেদনার বালুচরে বেঁধেছে নিলয় !

৪৬.
তুমি বিষাক্ত অতল গহ্বরে
করো অমৃতের সন্ধান !
কি বোধে চলো সে পথে যার
নেই কোনো অবসান !

৪৭.
 হও আগুয়ান
ভুলে অভিমান

৪৮.
অতীতের ভিড়ে
ফেলে এসেছি রে
মধুময় স্মৃতির 
হারানো দিনের গান
ছিলো স্বপ্ন রঙিন
শত স্মৃতিময় দিন


৪৯.
মন পবনের দোলায় চড়ে বেশতো সুখে দুলছিলাম
বিমুগ্ধ চোখে আনন্দলোকে স্বপ্ন কমল তুলছিলাম!
তাপর................. ?
তার আর পর নাই.........ধপাস...... !!!!!!

৫০.
ভুলের রাজ্যে যার নিয়ত আবাস
শুদ্ধতা তারে কি কভু দেয় আশ্বাস!

৫১.
এই জীবনের আলো যদি নিভিয়ে গেলে !
বলো লাভ কি সমাধি পরে প্রদীপ জ্বেলে ?
sp 

৫২.
আজকাল...................
তোমার কথার ফুলঝুরিতে হৃদয় ভরে না,
তোমায় নিয়ে এই কবি মন কাব্য গড়ে না! 
sp

৫৩.
মূর্তিমান দুঃস্বপ্নের ধুসর ডানায় চেপে
নিয়ত ভেসে চলা অনন্ত আঁধার কেটে!

৫৪.
তুই.........!! 
দিলি আমার চোখে লোনা জল !
ফোটালি সেই জলেতে হৃদকমল !
কি সুখ পেলি! কি সুখ পেলি বল !
---------------------------
৫৫.
আমি..........
ঐ মন ভাঙ্গা বেদনার হাহাকার দেখেছি
সেই কান্নার সাত রঙ্গে জল ছবি এঁকেছি!
sp

৫৬.
হাঃ হাঃ হাঃ.............
আমাকে ভয় দেখিয়ে কোনো লাভ নেই আলো
আমি অনেক সুখী- নিয়ে ঐ আঁধারের কালো !
 sp

৫৭.
ভাগ্য সে তো আপন হাতে, কর্মেই তার ফলাফল
যেমন খুশি ভাগ্য গড়, আর বাঁকি সব রসাতল  

৫৮.
 ভাবিস না......... মেয়ে..........
মেয়ে তোর্ চোখের জলে ভাঁসবো আমি
নাইবো সুখে সাঁতার দেবো দিবস যামী
মেয়ে তোর্ দুঃখ শোকের গাঁথবো মালা
গাইবো সুরে তোর্ বিষাদের দহন জ্বালা

৫৯.
!?
তার ছোট্ট দু'টি মেঘলা চোখে
সে এক নদী জল কেমনে ধরে!
যার কষ্ট বুকে একলা শোকে
সে হাঁসবে বলো কেমন করে!

৬০.
হয়তো .......
ভালো বাসা কি আজও বুঝিনি
সে ভাবে তোমাকে তাই খুঁজিনি 

৬১.
- প্রেম যেন এক আত্মা- অশরীরি 
প্রেমিকের কাঁধে চেপে করে- বাবুগিরি
করে- যত সব কান্ড কারখানা- অদ্ভুত 
দিনে দেখে-চাঁদ তারা আলো ছায়া ভুত 
ভাবে মজে- প্রেম খোঁজে পেত্নীর আবাসে  

৬২.
জীবন যখন যেখানে যেমন
যদি পারো দেখতে তেমন
দুঃখ  কিছু থাকেনা এমন  


৬৩.
হেই....
না-আমি নই শুধু নারী ..
আমিও মানুষ...
আমারও তো মন আছে ..
আছে জ্ঞান হুঁশ !

৬৪.
কবি- প্রার্থনা করি নিরন্তর
যেন- তব হৃদয়ের এই সুর
বেজে চলে অবিরাম সুমধুর

৬৫.
শরাহত ইচ্ছে পাখির অন্তবিহীন বিষম বেদন 
ওই ডানার কাঁপন আনবে জানি প্রলয় মাতম

৬৬.
আমার দেবার মত কি আর আছে দোস্ত
শুধু পোড়া মন খরা চোখ, নষ্ট যে সমস্ত

৬৭.
মিথ্যে সময়ের ছলনায় ভরা মানুষের বিদ্বেষী মন
বোঝা বড় দায় `মিছে ভালবাসায় ভোলাবে কখন

৬৮.
চুপি চুপি চমকিত চঞ্চল চরণে
কে এলে অতিথি দুয়ারে স্মরণে !

৬৯.
আমাদের ছোট গ্রাম- নাম রানিপুর
মিলে মিশে থাকি সেথা জীবন মধুর

৭০.
ছলের নদী জলের নাও-
মন পবনের বৈঠা বাও

৭১.
পুরোনো আঁধারে একাকীনি/নিভৃতে নীরবে-নিশীথিনী !
তন্দ্রাহারা নিশীথে গোপনে/স্বপনো আঁকে নযনো কোণে !

৭২.
এই হৃদয়- এখন অহর্নিশী নিত্য শোকে
অচেনা পথে তারেই খোঁজে সিক্ত চোখে

৭৩.
জল চেয়েছি তোমার কাছে তৃষ্ণার্ত ঠোঁটে
দিলে- তবে নোনতা জল আমার দুটি চোখে

৭৪.
আমার শুধু ভুল , আমি ছিলাম সাদামাঠা..
তাই চেয়েছিলাম ফুল ,তুমি দিয়েছিলে কাঁটা

৭৫.
 আমি সেই যে কবে ভুল করেছি- খুন করেছি আমার আমিকেই
সেই শব দেহটা নিয়ে আজো- চলছি একা নিজের কাধেতেই.

৭৬.
ওরে- ও চড়ুই হাওয়া.......
কেন ভাঙ্গা বেড়ার ফাঁকে
করিস আসা যাওয়া....... 

৭৭.

উফ.............................. 
এমন ছাঁচাচোলা চাপা কে ঝাড়ে !
অনাবৃষ্টির অনাসৃষ্টি যার দ্বারে , 
সে বৃষ্টির জলে কি লিখতে পারে ?

৭৮.
চিতার আলোয় ঘর বেঁধেছি শ্মশানে
পুড়ছে কায়া উড়ছে ধোঁয়া শব জানে
sp

৭৯. 
তোর্ বিরাগের আগুনে- মন পুড়ে ছাই
দেখি অন্তরে হাহাকার- কোথা কেহ নাই

৮০.
তুমি আছ চিন্তা চেতনা ভাবনায়
বিচরণ কর সর্বসত্ত্বা জুড়ে আমার
মনে মনে অনুভবে অনুক্ষণে- হায়
স্মরণে মরমে স্মৃতিযে বড় যাতনার  

৮১.
উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে !
বুধো কি তায় আপনি ছাড়ে !

৮২.
 যার অন্তরে- শুধু বিষাদের বিষ বিষম কালো
সে কি পারে- অথৈ আঁধার ছাড়া দিতে আলো
sp

৮৩.
ঐ আকাশ কুসুম কল্পনা'টা র জাল ছিঁড়ে
স্বপ্নেরা সব বেরিয়ে গেছে মনের ভুলে

৮৪.
স্বপ্ন বিহীন জীবন নদীর আঁধার কুলে
রুপকথা সব চুপ করা এক পানসি ভিড়ে
sp


৮৫.
জীবন মানে ভাঙ্গা-গড়া জোয়ার-ভাটার স্রোত
জীবন মানে ক্লান্তি বিহীন এগিয়ে চলার পথ

৮৬.
ভোর ভোর ভোর
চোর-বদমাস সাধু-সন্যাস
সবাই উঠে পড়

৮৭.
বেঁচে থেকো কবিতা !
ঘনায়মান আঁধারের মাঝে মনোলোভা চন্দ্রিমাসম

সেই সাথে কবি বেঁচে থাকো তুমি হৃদয়ে মম

৮৮.
কক্ষনো না- কক্ষনো না ..
ভুল বুঝেছিস- ভুল বুঝেছিস...
ওরে থাক- থাক
আর হোসনে অবাক

৮৯.
আমি তো বড়-ই স্বার্থপর তাই/
সুখ-দুঃখ সব টুকু আমার চাই  

৯০.
ছেলেবেলার ভাবনা সকল ভুলে ভরা ছিল- 
নগরবাসী হীনমনা যে সেই পরিচয় দিলো ।

৯১.
নীড়ে প্রত্যাবর্তন শুভ হোক
খুশিতে উঠুক ভরে গৃহলোক 

৯২.
আমার-ও ঠিক ওই রকমই একটা কবর চাই
নিলা'পা বলো প্লিজ........কোথায় গেলে পাই ?

৯৩.
সাগরটা ছিল দৃষ্টির বড় কাছাকাছি !
তবু যেন কাছে নেই দুরে পড়ে আছি 

৯৪.
দুঃসময়ের ঘোড়ায় সোওয়ার চৈতালি মন ছুটছে
যেথায় দুর্ভাবনার অন্তরালে আঁধার পাহাড় টুটছে 


৯৫.
কি করে বিক্রি হবে ? অসম্ভব !
এই কলম যে বড়-ই অমূল্য
দাম দিয়ে কি কেনা যায় তারে ?
নাকি আছে কিছু সমতুল্য ?

৯৬.
দেড় কেজি মগজে মানুষ এত্তো বুদ্ধি ধরে !
ভেবে পাই নাতো কুল- আহা কেমন করে ?

৯৭.
সুখের অন্বেষণে- হাহাকার করে না যে
সেই তো- চিরসুখী হয় এই ধরণী মাঝে 

৯৮.
আজকাল....
হারিয়ে গেছে শান্তি- সুখ ফুরিয়ে গেছে হাঁসি
আর বাজে না হৃদয় মাঝে মধুর সুরে বাঁশি

৯৯.
জানো না ! সেই দিন হতে মানুষ হলো কুসুম কলি
যেদিন হতে তার কানে কানে গান- শোনালো অলি 

১০০.
ভুলের প্রান্তরে মুক্তির আশ্বাস পেতে চাইলে..
অন্তর জ্বলবেই... মর্ম বেদনার বিলাপে...
বিশ্বাস বিলীন হবেই...
তাই কনফিউজড হওয়া'টাই তো
স্বাভাবিক.. দাদা ভাই !

১০১.
আকাশ ভরা তারা
দিইনা আমি ভাড়া

১০২.
কি যে বলো..শত্রু ছিলাম ভালোই ছিলাম
তোমাকে বানাতে মানুষ নাহয় বন্ধু হলাম

১০৩.
এতোটা স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি তোমার !!
আমি চমকিত/মুগ্ধ  সুমন
তোমায় অনেক অভিনন্দন

১০৪.
তোমার না হাঁসা/তোমার না ভাসা-য়
আমারও কি তেমন কিছু আসে যায় !

১০৫.
ঠিক- ঠিক ...এমন-ই হয়
রাত কারো জন্যে বসে থাকে নাকি 

১০৬.
মন- যার চির নবীন
সে কখনো হয় প্রবীন ?

১০৭.
জানি ক্ষত-বিক্ষত হৃদয় দিয়ে কখনো 
ভালবাসা যায় নাতো তাই-
তোমার হৃদয় ক্ষত-বিক্ষত হলে, 
আমার যে কোনো লাভ নাই

১০৮.
তুমি কেমন করে মধুর স্বরে ডাক দিলে হে গুনি /
তাই তো সে অন্তরের ডাক কান পেতে রোজ শুনি 

১০৯.
যখন আমার আয়নায় আমি বেদনা ঢাকি
তখন হৃদয়- আঁধারে খোঁজে আলোর পাখি

১১০.
চ্ছঃ!শালীনতা আজ পঙ্গু যেন কঠিন পক্ষাঘাতে
নিরুপায় ভর দিয়েছে বিবস, নি-লাজের কাঁধে !

November 10, 2014

***
বাহ্! হচ্ছে রে তোর্ হচ্ছে চমত্কার
এগিয়ে যা তুই- নেই কিছু হারাবার
**
আজ গল্প হবে আজ আড্ডা হবে
আজ এই আসরে হাসি ঠাট্টা হবে
*
হারিয়ে গেছে চাঁদের বুড়ি
গায়ে মেঘের বোরকা 
খায়না তো আর পান সুপুরি
আর কাটেনা চরকা
১.
থাকো তলানিতে- আর পড়ো উছলে-ই
জ্বালানি যা জেনে রাখো তা' জ্বালাবেই

২.
আগুন জলে সাবান গুলে
ধুইয়েছিলি সোনার গা !
পুড়িয়েছিলি আগা গোড়াই
অঙ্গ জুড়ে বিষম ঘা !!

৩.
যখন তোমার চোখে আলোর নাচন
তখন হায় ! আমার বুকে রক্তক্ষরণ !

৪.
মানবতা আজ -
হাপুস নয়নে অঝোরে কাঁদে নাতো আর
ভুলে শোক-লাজ
বেঁধেছে পাষাণ বুকে- নির্বাক হাহাকার !!

৫.
আগুন-আগুন-আগুন 
পলাতকা জল 
ধোঁওয়া-ধোঁওয়া-ধোঁওয়া 

আকাশের তল
sp 

৬.
শ্রেণী বৈশিষ্ঠ জানা থাকা সত্বেও..................... !!!
এই সব পতিত বেবুশ্যেদের আচরণে 'আপনি' অবাক ?
আমি 'আপনার' এ হেনো অবাক হওয়া দেখে নির্বাক !!

৭.
হায় হায় ! কি কয় পাগলে !
গদি ! ছাড়ে কোন ছাগলে ?
নাহ এখন কেউ রাখেনা খবর
মানবতা কবে-ই নিয়েছে কবর !!


৮.
কেঁদেছিলাম- তোমার আগমনে (সুখে)
কেঁদেছিলাম- তোমার প্রস্থানে !(দুঃখে)
এই নিয়ে কেঁদেছি যে দুই বার- ( হ্যা )
পারবোনা কাঁদতে আমি আর  ( না )

৯.
ভালবাসার কাছে মূল্য'টাও মাঝে মাঝে অর্থহীন ..

১০.
জীবন যেন বেদের বহর
ঘাটে ঘাটে ফেলে নোঙ্গর

১১.
জলের স্রোতে আগুন জ্বলে ! অগ্নি পথে জলের ঢেউ !
আগুন জলের খুনসুটি'তে ভিজে-পুড়ে মরলো কেউ !! 

১২.
হতেও যে পারি আমি আণবিক বোমা
তুমিও তো মানবিক তাই করিও ক্ষমা
জানি-কভু তুমি দানবিক হতে পারবেনা

১৩.
 ----যেদিন ঐ
হৃদয়ের চৌকাঠে ঘুন ধরেছে
----সেদিন-ই 
অন্তপুরে থাকা ঐ মন মরেছে

১৪.
বাক-বাকুম ভোলা কৈতরী মন
উদাসী হাওয়ায়- মেলেছে পেখম
যেন চঞ্চলা মেঘমালা ছুঁয়ে ধায়..
আপোনারে খুঁজে দূর নীলিমায় !!

১৫.
আজ আমার সমস্ত মন- মগজ জুড়ে জ্বলছে আগুন
প্রার্থনা করছি-দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠা সে আগুনে
জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে যাক আমার আপাদমস্তক... !!

১৬.
বিশ্বাস শব্দ'টা যখন...
বিষ-- শ্বাসে বিষাক্ত হয়ে ওঠে তখন...
সে যাতনা ভার/মন বহিবার....
ক্ষমতা অনেক'টাই  হারিয়ে ফেলে..

১৭.
উচিত কথার মুখ কালা ...
দুর্জনের বাড়ায় জ্বালা !!


১৮.
বড় নিষ্ঠুর এই দুনিয়া........
তারও চেয়ে বেশি যেন মানুষের মন
সবে- অর্থেই খুঁজে মিছে সুখ প্রাণপণ

১৯.
 চিরটা'কাল..........
অকাতরে আমি- এসেছি ফেলে চোখের জল
আর নয় অপচয়......
আজ এই ক্ষণে অঝোর নয়নে দিলাম অর্গল !!
sp

২০.
ঘুমায়োনা আর , জাগো , জেগে
ওঠো সব একবার ফের
আর নয় পরাধীন- এখন হতে
চির 'স্বাধীনতা' আমাদের


২১.
করেছো মিছেই সাধন ভজন

রাখোনি তো কোনো খবর 
বিবাগী এ মন বোঝনি কখন
অভিমানে নিয়েছে কবর 
 
২২.
 *!!!!!!!*
ভুল দেখেছ
ভুল শুনেছ
ভুল ভেবেছ
ভুল বুঝেছ
ভুল করেছ ম্যালা !
ভুলের বাসায়
ভুল সে আশায়
তাই তো আজ একেলা !!
sp
 

November 8, 2014

চেহারা মাকাল/মনের আকাল
-------------------------------
সুলতানা পারভীন
-------------------
সুন্দর মুখ মানেই সুন্দর মন ?
সৌন্দর্যের আড়ালে কত
নষ্ট ব্যধির ক্ষত- লুকিয়ে থাকতে পারে
খবর জানে ক'জন ?
কুতসিত চেহারার অন্তরালে
থাকতে পারে পরম মমতায় ঘেরা
মহৎ হৃদয়ের আবাস !!
কঠিন শিলাময় পাহাড়ের বুকেই
জন্ম নেয় চঞ্চলা ঝরনা  ,
মরুময় বিস্তীর্ণ চোরাবালির 
হৃদয় কন্দরে বহে অতল জলধি !!




"চাল চুলোহীন"
-----------------
সুলতানা পারভীন
-------------------
উদরপুরে আগুন-নিত্য আগুন
পোড়ায় জীবনের আশালতা-
ঝোপঝাড় ,
ছাতি ফাটে ক্রমশ.......
তেষ্টার জল প্রবল খরায়-
বেমালুম গায়েব ,
বিবস হৃদয় সমাহিত
বিধি বিধানের চোরাবালিতে
ছায়াঘন অন্ধকারে
নৈশব্দের প্রহরী-পিপিলিকারা
সিথান- পৈথানে বাঁধে
বিচ্ছিন্নের বেড়াজাল ,
গুপ্ত ঘাতকের খল চোখে
ছলনার বিভীষিকা ,
মোলায়েম সুরে-স্পর্শে চলে
প্রহসনের কোমল প্রলেপ !!  

November 4, 2014

( কন্টিনিউ রিডিং হলেও- কষ্ট করে শেষ পর্যন্ত পড়ুন- প্লীজ )

"বাংলা ও বাঙালির দুরবস্থা"
-------------------------
অনেক দিন নয় ....অল্পদিন আগে ....
এক গ্রামে একজন আল্লাহ ভক্ত বুজুর্গ লোক বাস করতেন-
নামাজ রোজা দান খয়রাত এবং আল্লাহর ধ্যান-এ  মশগুল
থাকতেন সর্বদা-
একদিন গভীর রাতে তাহাজ্জুদ নামাজ শেষে নিজের অজান্তেই
ঘুমিয়ে পড়েছিলেন ..... এবং স্বপ্নে দেখলেন ঐশী বাণী বাহক
ফেরেস্তা জিব্রাইল আঃ তার নিকটে এসে বলছেন-
হে আল্লাহর প্রিয় বান্দা , তোমার ঈমান আমল এবং একনিষ্ঠ
ইবাদাতে পাক-পরওয়ারদিগার দো-জাহানের মালিক পরম
করুনাময় মহান আল্লাহতা'য়ালা অত্যন্ত সন্তুষ্ট হয়েছেন-
তিনি তোমাকে এই পার্থিব জগতেই পুরস্কৃত করতে চান
বলো তুমি কি চাও ?
বুজুর্গ লোকটি আল্লাহর প্রতি শুকরিয়াহ আদায় করে দুই রাকয়াত
নামাজ আদায় করে বললেন.... আমি জীবিত অবস্থাতেই বেহেস্ত
এবং দোজখ পরিদর্শন করতে চাই , এই দুনিয়ার মানুষকে স্বচোক্ষে
দেখা দোজখের ভয়াবহতা হতে সতর্ক করতে চাই আর বেহেস্তের
পরম সুখ শান্তির সুসংবাদ দিতে চাই-
অন্তর্যামী মহান আল্লাহতা'য়ালা তৎক্ষনাত তাঁর প্রার্থনা মঞ্জুর করলেন
জিব্রাইলকে করণীয় বিষয়ে নির্দেশ দিলেন-
জিব্রাইল আঃ লোকটিকে বললেন- আগামী শুক্রবার বাদ জুম্মা তুমি মৃত
ব্যক্তির ন্যায় পবিত্র গোসল নিয়ে কাফনাবৃত হয়ে কবরে অবস্থান নিবে-
ঠিক তিন দিন পর একই সময়ে তোমার আত্মীয় পরিজনেরা যেন তোমায়
কবর হতে উত্তোলন করে , এই বলে তিনি বিদায় নিলেন-
যথারীতি লোকটি শুক্রবার বাদ জুম্মা তাঁর ছেলেদের সহায়তায় কবরে
সমাহিত হলেন- আল্লাহর আদেশে জিব্রাইল তাঁকে নিয়ে চললেন বেহেস্তের পথে
     বেহেস্তের মনোরম পরিবেশ আর সুখ শান্তির সর্ব ব্যবস্থায় মুগ্ধ হয়ে সেখানেই
আল্লাহর প্রতি শুকরিয়াহ আদায় করে দু'রাকয়াত নামাজ আদায় করলেন
সমস্ত দিক ঘুরে ঘুরে দেখার সময় এক জায়গায় এসে তিনি দেখতে পেলেন-
একজন বেহেস্তবাসী তার সন্মুখে সুখের সমস্ত উপকরণ থাকা সত্বেও তিনি তা
উপভোগ না করে অঝোরে কেঁদে চলেছেন-
জিব্রাইলকে এর কারণ জিজ্ঞেস করে জানতে পারলেন- আগামী সোমবার
ওই ব্যক্তি বেহেস্ত থেকে বিতাড়িত হয়ে জাহান্নামবাসী হবে- কারণ জীবিতাবস্থায়
সে আল্লাহর যাবতীয় বিধি নিষেধ মেনে চলেছিল আদেশ পালন করেছিল কোনো
পাপ বা অন্যায় করেনি তাই তার কর্মফলের পুরস্কার স্বরূপ তাকে বেহেস্ত দেয়া হয়েছিল
কিন্তু সে তার সন্তানকে সুশিক্ষা দিয়ে আসেনি ...তার ছেলে দুনিয়াতে অপকর্মে লিপ্ত হয়ে
আছে ... আগামী সোমবার সেই ছেলে একজন অবলা নারীকে ধর্ষণ করে হত্যা করতে
যাচ্ছে ... তার দ্বারা উক্ত দুস্কর্মটি সংঘটিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই ব্যক্তিকে জাহান্নামের
আগুনে নিক্ষেপ করা হবে তাই সে কাঁদছে - আফসোস করছে - হায় ! আমি কি করেছি !
নিজে বেহেস্তবাসী হওয়ার নেশায় এতই মশগুল থেকেছি যে--- সন্তানদের সুপথে পরিচালিত
করার দায়িত্ব ভুলেই ছিলাম -
পরিদর্শনকারী ব্যক্তি যারপরনাই ব্যথিত হয়ে জিব্রাইলকে জিজ্ঞেস করলেন- এর কি কোনো
প্রতিকার নেই ? জিব্রাইল বললেন আছে - এই ব্যক্তির পুত্র যদি ওই অপকর্ম হতে বিরত থাকে
আর মহান আল্লাহ তা'য়ালার নিকট সমস্ত পাপের জন্য তওবা করে ক্ষমা ভিক্ষা করে তবেই
এই ব্যক্তি আশু বিপদ হতে পরিত্রান পেতে পারে-
পরিদর্শনকারী ব্যক্তি অত্যন্ত বেদনা বোধ করছিলেন- তিনি জিব্রাইল আঃ-এর নিকট থেকে
ওই লোকের ছেলেটির নাম ধাম সংগ্রহ করলেন এবং মনে মনে অঙ্গীকার করলেন দুনিয়ায় ফিরে
গিয়েই তিনি সেই ছেলেটিকে খুঁজে বের করে তার বাবার সমস্ত অবস্থা তাকে অবহিত করবেন
এবং বিবৃত দুস্কর্ম হতে তাকে নিরস্ত করবেন-
এরপর জিব্রাইল তাঁকে বেহেস্ত পরিদর্শনে নিয়ে চললেন - দোজখের ভয়াবহ রূপ দর্শন করে তিনি
ভয়ে বিস্ময়ে শিহরিত হয়ে উঠলেন তাঁর অন্তরাত্মা কেঁপে উঠলো --- হু-হু করে কেঁদে উঠলেন
আল্লাহের নিকট এর থেকে পানাহ চেয়ে দুই রাকয়াত নামাজ আদায় করলেন - বর্ণনাতীত শাস্তি
ভোগ করছে দোজখবাসীগণ , দোজখ গুলি একেকটি বৃহৎএবং গভীর চৌবাচ্চার ন্যায় যার প্রত্যেকটি
গনগনে আগুনের তৈরী সাপ-বিচ্ছু নানানরকম বিষাক্ত প্রাণীতে ভর্তি , যে গুলো প্রত্যেকের ব্রম্মতালু
হতে পায়ের আঙ্গুল পর্যন্ত ছিঁড়ে খুঁড়ে নিমেষেই খেয়ে ফেলছে আর শাস্তি ভোগকারী মানুষগুলোর
গগনবিদারী ভয়ানক আর্তচিত্কারে কানে তালা লেগে যাচ্ছে ...
পরিদর্শনকারী ব্যক্তি একটি জিনিস লক্ষ্য করলেন - প্রত্যেকটি আগ্নেয় চৌবাচ্চার ধারে একেকটি করে দেশের
নাম লেখা সাইনবোর্ড লাগানো আছে এবং প্রত্যেক চৌবাচ্চার চতুর্পাশ ঘিরে ভয়ংকর চেহারার প্রাণী- হাতে
আগুনের লাঠি নিয়ে পাহারা দিচ্ছে - কেউ উপরে উঠে আসবার চেষ্টা করলে তাকে লাঠির আঘাতে পুনরায়
ঠেলে ফেলে দিচ্ছে - পরিদর্শনকারী ব্যক্তি আমেরিকার একটি চৌবাচ্চার ধারে গিয়ে ভালো করে দেখার চেষ্টা
করলেন , এরা কি করে এত গভীর হতে উঠে আসছে... যা দেখলেন - প্রত্যেকেই নিজেদের কাঁধ এগিয়ে দিচ্ছে
একজন আরেকজনকে উপরে উঠতে সাহায্য করতে... এখানে পাহারাদার প্রানীগুলো সর্বদা ব্যস্ত ক্লান্ত- এদেরকে
ঠেকিয়ে রাখতে- রাখতে !  আরেকটা অদ্ভুত বিষয় লক্ষ্য করলেন তিনি.. এত ভয়াবহ যন্ত্রণার মাঝেও একজন
হি হি করে খুব হাসছে.... জিব্রাইলের নিকট তিনি এর কারণ জানতে চাইলেন- জিব্রাইল বললেন- এই ব্যক্তি
আগামীকাল বেহেস্তবাসী হবে - কারণ এর স্ত্রী একমাত্র শিশু পুত্রকে আগামীকাল আরবি শিক্ষার জন্য মক্তবে
ভর্তি করতে যাচ্ছে , যেই মুহুর্তে ছেলেটি বিছমিল্লাহ শেষে আলিফ শব্দটি উচ্চারণ করবে ঠিক সেই মুহুর্তেই এই
ব্যক্তিকে বেহেস্তে নেয়া হবে।  

এরপর তিনি জিব্রাইলের নিকট জানতে চাইলেন আমার বাংলাদেশ কোথায় ? জিব্রাইল আঙ্গুল তুলে অনতি দূরেই
সাইনবোর্ড এবং পাহারাবিহীন একটা চৌবাচ্চা দেখালেন ... লোকটি আশ্চর্য হয়ে বললেন সেখানে সাইনবোর্ড বা
পাহারা কিছুই নেই কেন ? জিব্রাইল মুচকি হেসে বললেন- এটা ওয়ান পিস- এর মত আর একটিও নেই। .. লোকটি ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে বললো... মানে ! জিব্রাইল ইষৎ হেসে বললেন কাছে গিয়ে দেখো নিজেই বুঝতে পারবে
আগ্রহের আতিশয্যে লোকটি এক প্রকার দৌড়েই গেলেন নির্দেশিত চৌবাচ্চার দিকে - গিয়ে যা দেখলেন তার চক্ষু
ছানাবড়া হয়ে গেল - আমেরিকার চৌবাচ্চার ঠিক উল্টো দৃশ্য ....  সকলেই উঠে আসবার প্রতিযোগিতায় নেমেছে
সকলেই নিজে আগে উঠতে চায় এই নিয়ে চলছে মারামারি , কেউ যদি খানিকটা উঠে আসছে অন্যজন তার পা ধরে
টেনে নামিয়ে দিচ্ছে.... শেষ পর্যন্ত কেউ-ই উঠতে পারছে না , তাই পাহাদার এখানে নিস্প্রয়োজন -

পরিদর্শনকারী ব্যক্তি ভীষণ লজ্জিত এবং দুঃখিত বোধ করলেন , বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা'টা এক নিমেষেই তাঁর
মনের চোখে ভেসে উঠলো .... হায়  বাঙালি ! হায় বাংলাদেশ ! পরকালে এসেও প্রতিহিংসা ভোলেনি !!
                                            "হায় একেই বুঝি বলে
                                             যায়না স্বভাব ম'লে !!"
(প্রচলিত গল্প - সত্যি নয় মোটে- একেবারে মিথ্যেও নয় - বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে )
সুলতানা পারভীন
'যখন-তখন'
----------------
সুলতানা পারভীন
----------------
যখন বুকের বারুদ
মুখের তপ্ত কথায় !!
দাউ দাউ জ্বলে ওঠে ! 
তখন হৃদয় পোড়ে
অন্তর উঠোন জুড়ে
বিষাক্ত ধোঁয়ার বিষাদ !
মনের এক ফালি চাঁদ
নিমেষে জোছনা হারায় !!
বেদনার বিলাপ চোখে !

October 31, 2014

বন্ধু'রা ..............
হায়! কান পেতে শুনি ওই বিদায়ের ঘন্টা
তোমাদের ছেড়ে যেতে কেঁদে ওঠে মনটা
তবু জানি যেতে হবে হোক যত কষ্ট
নিয়মের নীতি এই জানি সবে পষ্ট
তোমাদের থেকে তাই নিলাম বিদায়
ভুল কিছু হলে ক্ষমা করিও আমায় !!
sp



October 18, 2014

ধুমকেতু সুখ চাই না এমন
...........................
তীর্থের কাক হয়ে দিন গুনেছি
চাতকী চোখে পথ চেয়ে থেকেছি

জীবনের ভাড়ার-এ বাড়ন্ত সময়
.................................
সুলতানা পারভীন
...................
জীবনের দেয়াল জুড়ে চৌচির ফাটল-
মুখ ব্যদন করা হাহাকার যত..
কালের আঁচড়ে ক্ষত বিক্ষত,
আল্পনাময় সমান্তরাল দীঘল উঠোন-
খিড়কি দরজার চৌকাঠ জুড়ে,
উপোসী উইপোকার সদর্প চারণ-
উপুড় করা শুন্য হাঁড়ি-কলস,
আলো-তাপহীন অনাহারি ক্ষণ-
অশরীরী সময়ের অস্থির পলায়ন..
sp 

অকারণে মুখ খোলো না অনর্গল
অকাতরে বিবেক, বোধ-এর চোখ খুলে দাও....  
অনাচারে সুখ খুঁজো না সুনির্মল
অন্বেষণে দিগদিগন্তে জ্ঞানের প্রদীপ জ্বালাও....   
sp 

October 16, 2014

ঘুমায়োনা আর , জাগো , জেগে ওঠো সব একবার ফের
আর নয় পরাধীন- এখন হতে চির 'স্বাধীনতা' আমাদের

‘পদ্য জিনিসটা সমুদ্রের মতো-তার যা বৈচিত্র্য তা প্রধানত তরঙ্গের-কিন্তু গদ্যটা স্থলদৃশ্য, তাতে নানা মেজাজের রূপ আনা যায়-অরণ্য পাহাড় মরুভূমি সমতল অসমতল প্রান্তর কান্তার ইত্যাদি ইত্যাদি। জানা আছে, পৃথিবীর জলময় রূপ আদিম যুগের, স্থলের আবির্ভাব হাল আমলের। সাহিত্যে পদ্যটাও প্রাচীন, গদ্য ক্রমে ক্রমে জেগে উঠছে-তাকে ব্যবহার করা অধিকার করা সহজ নয়, সে তার আপন বেগে ভাসিয়ে নিয়ে যায় না-নিজের শক্তি প্রয়োগ করে তার উপর দিয়ে চলতে হয়-ক্ষমতা অনুসারে সেই চলার বৈচিত্র্য কত তার ঠিক নেই, ধীরে চলা, লাফিয়ে চলা, নেচে চলা, মার্চ করে চলা; তারপর না-চলারও কত আকার, কত রকমের শোয়া বসা দাঁড়ানো। বস্তুত গদ্যরচনায় আত্মশক্তির সুতরাং আত্মপ্রকাশের ক্ষেত্র খুবই প্রশস্ত। হয়তো ভাবীকালে সংগীতটাও বন্ধনহীন গদ্যের গূঢ়তর বন্ধনকে আশ্রয় করবে। কখনো কখনো গদ্যরচনায় সুরসংযোগ করবার ইচ্ছে হয়। লিপিকা কি গানে গাওয়া যায় না ভাবছো। মনে রাখা দরকার ভাষা এখন সাবালক হয়েছে, ছন্দের কোলে চড়ে বেড়াতে তার লজ্জা হবার কথা। ছন্দ বলতে বোঝাবে বাঁধা ছন্দ।’
[পথে ও পথের প্রান্তেঃ ৩৮ : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]
শুরুতেই স্বীকার করা ভালো, গদ্য-সম্পর্কিত এই রবীন্দ্রকথনটি আমার গোচরে ছিল বলেই, প্রস্তাবিত রচনা-প্রতিযোগিতায় আমি অংশ নিতে রাজি হয়েছি। পুরোটা না হলেও রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে আমি অনেকটাই একমত। আজকাল রবীন্দ্রনাথের কবিতার চেয়ে তাঁর রচিত গদ্যই আমি বেশি আগ্রহসহকারে পাঠ করি। আমি নিজে আজকাল কবিতার চেয়ে গদ্যরচনায় বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছি, তা বেশি আনন্দ পাচ্ছি, বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করছি বা পাঠক আমার গদ্যকে পছন্দ করছেন বলে নয়, রবীন্দ্রনাথের আত্মজৈবনিক গদ্য ও প্রবন্ধসাহিত্যবাচ্য রচনাসমূহ জ্ঞানের পরিধিকে বিস্তৃত করার পাশাপাশি আমার রসতৃষ্ণাকেও প্রবলভাবে নিবৃত্ত করে বলে।
‘জলময় আদিম পৃথিবীর মতো সাহিত্যে পদ্যটাও প্রাচীন-’ রবীন্দ্রনাথের এই ধারণার বিপরীতে আমাদের সামনে এক হাজার বছর পূর্বে রচিত জাপানি গদ্যের যে নিদর্শনটি রয়েছে, তার নাম দি টেইল অব গেঞ্জি। এবং ওই বিশাল গদ্যগ্রন্থের রচয়িত্রী হচ্ছেন জনৈকা মহিলা। রচয়িত্রীর নামটা ভুলে গেছি। এর ব্যাখ্যা কী তবে? মানুষ কি পদ্যের ভাষায় কথা বলতে শুরু করেছিল? এখনো বলে? না। আমার ধারণা, গদ্যটাই আগের। মানুষের বুকের ভাষা পদ্য হলেও তার মুখের ভাষা গদ্যই ছিল, আছে এবং থাকবে।
অলঙ্ঘনীয় ভেবে রবীন্দ্রনাথের পর্বতপ্রতিম কাব্যসমগ্রর সামনে আমি এখনো থমকে দাঁড়াই-এ রকম বললে নিজের সঙ্গে প্রতারণা করা হবে। তাঁর কাব্যের মুগ্ধতা থেকে নিজেকে মুক্ত করার সংগ্রামে আমার কিছুটা সাফল্য যে ফলেছে, তা কোনো কাব্যবেত্তার স্বীকৃতিলব্ধ তথ্য নয়, আমার নিজেরই বিনীত প্রত্যয়মাত্র। আশা করি, রবীন্দ্রভক্তরা আমার অপরাধ নেবেন না। আমার রবীন্দ্রভক্তির নিদর্শন তো আমার কাব্যসমগ্রর বহু পাতায়, বহুভাবে ছড়িয়ে রয়েছে। এখন আমার ভক্তি চাইছে প্রীতির প্রসাদ।
কিন্তু তাঁর গদ্যের গহিন অরণ্যে আমি আজও নিজেকে ‘পথহারা এক পথিক’ হিসেবেই বিবেচনা করি। পথহারা নাবিকের কাছে সমুদ্রতীরের বাতিঘর যেমন, আমার কাছে তেমনি তিনি, রবীন্দ্রনাথ, তাঁর রসঋদ্ধ গদ্যভাণ্ডার নিয়ে।
সম্প্রতি আমার একজন সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী আমার কাছে জানতে চেয়েছেন, ‘আপনার গদ্যও তো চমৎকার পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে। কখনো কি গদ্য লিখতে গিয়ে কবিতার চেয়ে বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করেছেন?’
তার প্রশ্নের উত্তরে আমি বলেছি-হ্যাঁ, আমার আত্মকথা ১৯৭১ প্রকাশের তিন মাসের মধ্যেই ফুরিয়ে গেছে। প্রায় ৩০০ পৃষ্ঠার ৩০০ টাকা দামের বই এটি। আশ্চর্য বটে, বইয়ের এই চড়া মূল্য বই বিক্রির পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। আমার কোনো কবিতার বই কখনোই এত দ্রুত ফুরিয়ে যায়নি। সুতরাং আমার গদ্যের ব্যাপারে ‘পাঠকপ্রিয়তা’র অভিযোগটি এখন উঠতেই পারে। পত্রিকাগুলোও লক্ষ করছি, আজকাল আমার কাছে কবিতার চেয়ে আমার গদ্যরচনাই বেশি করে চাইছে। এটা সুলক্ষণ কি না, এ নিয়ে তর্ক হতে পারে। কিন্তু এটা একটা নতুন লক্ষণ যে তা অস্বীকার করবার জো নেই। এর জন্য কাব্যকার আমি ও গদ্যকার আমির মধ্যে আমি কোনো বিরোধ দেখি না।
অনেক সময় কবিতা লেখার চেয়ে আমি গদ্যরচনায় বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করি। বিশেষ করে আমার আত্মজৈবনিক রচনা বা ভ্রমণকথা লেখার সময় আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি যে আমি যে গদ্যটি রচনা করতে চলেছি, তা আমার কাব্য-রচনার চেয়ে কোনো অর্থেই ঊনকর্ম নয়। কাব্যকে যদি আমি আমার কন্যা বলে ভাবি, তবে গদ্যকে পুত্রবৎ। ওরা দুজন তো আমারই সন্তান।
কাব্যলক্ষ্মী কন্যা যদি,
গদ্যপ্রবর পুত্রবৎ।
তবে, গদ্যরচনার জন্য আমি কৃতজ্ঞ যে যন্ত্রটির কাছে, সে হচ্ছে কম্পিউটার। বহু বছর ধরে আমি এই চমৎকার লিখনযন্ত্রটির ওপর নির্ভরশীল। কাগজের ওপর বলপেন বা ঝরনাকলম দিয়ে অক্ষরের পর অক্ষর বসিয়ে, বাক্যের পর বাক্য সাজানোর কথা আমি ভাবতে পারি না। যান্ত্রিক কারণে আমার কম্পিউটার বিকল হয়ে গেলে আমার লেখাও বন্ধ হয়ে যায়। যে বিজ্ঞানীরা এই যন্ত্রটি আবিষ্কার করে আমার গদ্যরচনার পথ সহজ করে দিয়েছেন, তাঁদের সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। অন্যথায় আমি গদ্যের মরুপথে পা বাড়াতাম বলে মনে হয় না। শুধু পদ্য নিয়ে থাকলে নিশ্চয়ই আমাকে অনেক আর্থিক কষ্ট ভোগ করতে হতো। আমার গদ্যসাধনা আমাকে অনিবার্য অর্থকষ্টের হাত থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছে।
এখন পুস্তকবাজারে আমার তিন খণ্ড কাব্যসমগ্রর পাশাপাশি তিন খণ্ড গদ্যসমগ্রও রয়েছে। খণ্ডবিচারে সমসংখ্যক হলেও পৃষ্ঠাসংখ্যার বিচারে আমার রচিত গদ্যের পরিমাণ কবিতার চেয়ে ঢের বেশি। ঈশ্বর আমাকে আরও অধিক, আরও উত্তম গদ্যরচনার তওফিক দান করুন, এই প্রার্থনা।
নির্মলেন্দু গুণ
- See more at: http://www.ebanglalibrary.com/nirmalendu/?p=1#more-1
দুরাশার মৃত্যু
-----------
সুকান্ত ভট্রাচার্য্য
-------------
দ্বারে মৃত্যু ,
বনে বনে লেগেছে জোয়ার ,
পিছনে কি পথ নেই আর ?
আমাদের এই পলায়ন
জেনেছে মরণ ,
অনুগামী ধুর্ত পিছে পিছে ,
প্রস্থানের চেষ্টা হলো মিছে

দাবানল !
ব্যর্থ হলো শুষ্ক অশ্রু জল ,
বেনামী কৌশল
জেনেছে যে আরণ্যক প্রাণী
তাই শেষে নির্মুল বনানী

 "কলম"
-------
সুকান্ত ভট্রাচার্য্য
-------------
কলম , তুমি কত না যুগ কত না কাল ধরে
অক্ষরে অক্ষরে
গিয়েছ শুধু ক্লান্তিহীন কাহিনী শুরু করে
কলম , তুমি কাহিনী লেখো , তোমার কাহিনী কি
দুঃখে জ্বলে তলোয়ারের মতন ঝিকিমিকি ?
কলম, তুমি শুধু বারংবার,
আনত করে ক্লান্ত ঘা'ড়
গিয়েছ লিখে স্বপ্ন আর পুরনো কত কথা ,
সাহিত্যের দাসত্বের ক্ষুধিত বশ্যতা
ভগ্ন নিব , রুগ্ন দেহ , জলের মত কালি ,
কলম , তুমি নিরাপদ তবুও গালাগালি
খেয়েছ আর সয়েছ কত লেখকদের ঘৃনা ,
কলম ,তুমি চেষ্টা কর ,দাঁড়াতে পারো কি না
হে কলম , তুমি ইতিহাস গিয়েছ লিখে
লিখে লিখে শুধু ছড়িয়ে দিয়েছ চতুর্দিকে।
কত না শতাব্দী , যুগ থেকে তুমি আজও আছ দাস ,
প্রত্যেক লেখায় শুনি কেবল তোমার দীর্ঘশ্বাস
দিন নেই , রাত্রি নেই , শ্রান্তিহীন , নেই কোনো ছুটি ,
একটু অবাধ্য হলে তক্ষুনি ভ্রুকুটি ;
এমনি করেই কাটে দুর্ভাগা তোমার বারো মাস ,
কয়েকটি পয়সায় কেনা , হে কলম , তুমি ক্রীতদাস
তাই যত লেখ ,তত পরিশ্রম এসে হয় জড়ো :
-কলম। বিদ্রোহ আজ। দল বেঁধে ধর্মঘট করো
লেখক স্তম্ভিত হোক , কেরানীরা ছেড়ে দিক হাঁফ ,
মহাজনী বন্ধ হোক , বন্ধ হোক মজুরের পাপ ;
উদ্বেগ-আকুল হোক প্রিয়া যত দূর দূর দেশে ,
কলম। বিদ্রোহ আজ , ধর্মঘট , হোক অবশেষে ;
আর কালো কালি নয় , রক্তে আজ ইতিহাস লিখে
দেওয়ালে দেওয়ালে এঁটে , হে কলম ,
আনো দিকে দিকে ।।

October 15, 2014


সুকান্ত ভট্রাচার্য্য
-------------
বিদ্রোহ আজ বিদ্রোহ চারিদিকে ,
আমি যাই তারি দিন-পঞ্জিকা লিখে ,
এত বিদ্রোহ কখনো দেখেনি কেউ ,
দিকে দিকে ওঠে অবাধ্যতার ঢেউ ;
স্বপ্ন-চুড়ার থেকে নেমে এসো সব ,
শুনেছো ? শুনছো উদ্দাম কলরব ?
নয়া ইতিহাস লিখছে ধর্মঘট ;
রক্তে রক্তে আঁকা প্রচ্ছদপট-
প্রত্যহ যারা ঘৃণিত ও পদানত ,
দেখো আজ তারা সবেগে সমুদ্যত ;
তাদেরই দলের পেছনে আমিও আছি ,
তাদেরই মধ্যে আমিও যে মরি-বাঁচি-
তাই তো চলেছি দিন-পঞ্জিকা লিখে-
বিদ্রোহ আজ , বিপ্লব চারিদিকে-



ঐতিহাসিক
-----------
সুকান্ত ভট্রাচার্য্য
--------------
আজ এসেছি তোমাদের ঘরে ঘরে
পৃথিবীর আদালতের পরোয়ানা নিয়ে
তোমরা কি দেবে আমার প্রশ্নের কৈফিয়ৎ






  

October 12, 2014

আমি তো যাইনি কোথাও
---------------------
যেখানে ছিলাম আছি তো সেখানেই
কোথাও যাইনি চলে !
অজানার পথে পাড়ি দিয়ে নিজেই
অচেনা তুমিই হলে !

October 11, 2014

বাঙালীর দূরবস্থা....
------------------
সুলতানা পারভীন
------------------
সম্প্রতি কোনো এক বিশেষ বুজুর্গ ব্যক্তি...
(নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক)- তিনি আল্লাহের
রাহে- তার ইবাদত বন্দেগীতে জীবন উত্সর্গ
করেছেন.... আল্লহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে
তিনি সাত দিনের জন্য গভীর জঙ্গলে চলে গেলেন
নিরবে নিশ্চিন্তে আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায়
ধ্যানমগ্ন হবেন-
একদিন গেলো দুইদিন গেলো...তৃতীয় দিন ঐ ব্যক্তি
নিজের অজান্তেই খানিক'টা ঘুমিয়ে পড়লেন-
তিনি স্বপ্নে দেখলেন... আল্লাহর আরশ থেকে...
হযরত জিব্রাইল (আ:)তার জন্য ওহী (বার্তা) নিয়ে এসেছেন...
 তিনি বলছেন , হে আল্লাহর প্রিয় বান্দা-
আল্লাহ পাক পরওয়ারদিগার তোমার ইবাদাতে সন্তুষ্ট...
বলো তুমি কি চাও ? আল্লাহ তোমার মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করবেন...
বুজুর্গ ব্যক্তি যারপর নাই খুশি হয়ে আল্লাহর শুকরিয়াহ আদায়
করলেন... এবং বললেন....আমি জীবিত অবস্থায়-ই বেহেস্তের সুখ-
-দোজখের যন্ত্রণা অবলোকন করতে চাই...
জিব্রাইল (আ:) বললেন- তথাস্তু... তুমি আগামী বৃহস্পতি-শুক্র-শনি
এই তিন দিন মৃত ব্যক্তির ন্যায় কাফন দাফন নিয়ে কবরে অবস্থান
নিবে- ঠিক তিন দিন পর যেন তোমার স্বজনেরা তোমাকে কবর হতে
তুলে নেয়- এই বলে জিব্রাইল (আ:) বিদায় নিলেন... লোকটির ঘুম
ভেঙ্গে গেলো... জঙ্গল হতে বাড়ি ফিরে এলেন তিনি , ছেলেদের নিকট
বিস্তারিত বর্ণনা করলেন এবং নির্দেশ দিলেন আল্লাহর আদেশ পালনের-
ছেলেরা বাবার কথা মত কাফন দাফন করে তাকে কবরস্থ করলো-
অতঃপর যথা নিয়মে মুনকির-নকির দুই ফেরেস্তা এলেন সওয়াল-জওয়াব
পর্ব শেষ হলো , পরিশেষে এলেন জিব্রাইল (আ:)- তাকে নিয়ে চললেন
বেহেস্তের পথে... বেহেস্তে প্রবেশ করেই..তিনি চারিদিকের নয়নাভিরাম দৃশ্য
দেখে... শান্তিতে চোখ বুজে ফেললেন... ঘুরতে ঘুরতে

October 10, 2014

বাঙালীর দূরবস্থা....
------------------
সুলতানা পারভীন
------------------
সম্প্রতি কোনো এক বিশেষ বুজুর্গ ব্যক্তি...
(নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক)- তিনি আল্লাহের
রাহে- তার ইবাদত বন্দেগীতে জীবন উত্সর্গ
করেছেন.... আল্লহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে
তিনি সাত দিনের জন্য গভীর জঙ্গলে চলে গেলেন
নিরবে নিশ্চিন্তে আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায়
ধ্যানমগ্ন হবেন-
একদিন গেলো দুইদিন গেলো...তৃতীয় দিন ঐ ব্যক্তি
নিজের অজান্তেই খানিক'টা ঘুমিয়ে পড়লেন-
তিনি স্বপ্নে দেখলেন... আল্লাহর আরশ থেকে...
হযরত জিব্রাইল (আ:)তার জন্য ওহী (বার্তা) নিয়ে এসেছেন...
 তিনি বলছেন , হে আল্লাহর প্রিয় বান্দা-
আল্লাহ পাক পরওয়ারদিগার তোমার ইবাদাতে সন্তুষ্ট...
বলো তুমি কি চাও ? আল্লাহ তোমার মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করবেন...
বুজুর্গ ব্যক্তি যারপর নাই খুশি হয়ে আল্লাহর শুকরিয়াহ আদায়
করলেন... এবং বললেন....আমি জীবিত অবস্থায়-ই বেহেস্তের সুখ-
-দোজখের যন্ত্রণা অবলোকন করতে চাই...
জিব্রাইল (আ:) বললেন- তথাস্তু... তুমি আগামী বৃহস্পতি-শুক্র-শনি
এই তিন দিন মৃত ব্যক্তির ন্যায় কাফন দাফন নিয়ে কবরে অবস্থান
নিবে- ঠিক তিন দিন পর যেন তোমার স্বজনেরা তোমাকে কবর হতে
তুলে নেয়- এই বলে জিব্রাইল (আ:) বিদায় নিলেন... লোকটির ঘুম
ভেঙ্গে গেলো... জঙ্গল হতে বাড়ি ফিরে এলেন তিনি , ছেলেদের নিকট
বিস্তারিত বর্ণনা করলেন এবং নির্দেশ দিলেন আল্লাহর আদেশ পালনের-
ছেলেরা বাবার কথা মত কাফন দাফন করে তাকে কবরস্থ করলো-
অতঃপর যথা নিয়মে মুনকির-নকির দুই ফেরেস্তা এলেন সওয়াল-জওয়াব
পর্ব শেষ হলো , পরিশেষে এলেন জিব্রাইল (আ:)- তাকে নিয়ে চললেন
বেহেস্তের পথে... বেহেস্তে প্রবেশ করেই..তিনি চারিদিকের নয়নাভিরাম দৃশ্য
দেখে... শান্তিতে চোখ বুজে ফেললেন

বাঙালীর দূরবস্থা....
------------------
সুলতানা পারভীন
------------------
সম্প্রতি কোনো এক বিশেষ বুজুর্গ ব্যক্তি...
(নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক)- তিনি আল্লাহের
রাহে- তার ইবাদত বন্দেগীতে জীবন উত্সর্গ
করেছেন.... আল্লহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে
তিনি সাত দিনের জন্য গভীর জঙ্গলে চলে গেলেন
নিরবে নিশ্চিন্তে আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায়
ধ্যানমগ্ন হবেন-
একদিন গেলো দুইদিন গেলো...তৃতীয় দিন ঐ ব্যক্তি
নিজের অজান্তেই খানিক'টা ঘুমিয়ে পড়লেন-
তিনি স্বপ্নে দেখলেন... আল্লাহর আরশ থেকে হযরত জিব্রাইল (আঃ)
তার জন্য ওহী (বার্তা) নিয়ে এসেছেন... তিনি বলছেন ,
হে আল্লাহর প্রিয় বান্দা- আল্লাহ পাক পরওয়ারদিগার তোমার
ইবাদাতে সন্তুষ্ট  
 ।

October 9, 2014

থৈ থৈ জোনাকের জোয়ারে
..........................

এই হৃদয়ের মানচিত্র ক্ষত বিক্ষত
হানাদার হায়নার আঘাতে নিহত

তুই ব্যাটা বেয়াদব মহা বজ্জাত
চড়িয়ে ফেলে দেবো বত্রিশ দাঁত
খেয়েছিস যতটুকু আমারই নুন
গেয়েছিস কখনো খানিক'টা গুন !
যা কিছু তোর্ বলে করিস দাবী
কানাকড়ি কিছু ভেবেছিস পাবি !
ওরে বোকা মূর্খ হুঁশ নাই তোর্
নিয়েছিলি কর্জ বাঁধা রেখে ঘর !
 

October 8, 2014

নারী কি শুধুই নারী !
পুরো নারী জাতীকে কটাক্ষ করে যারা
কোন শিক্ষা-সভ্যতায় মানুষ হয় তারা !
যে নারীর গর্ভে ১০ মাস নির্বিঘ্নে বেঁচে...


করেছো মিছেই সাধন ভজন
রাখোনি তো কোনো খবর 
বিবাগী এ মন বোঝনি কখন
অভিমানে নিয়েছে কবর

October 7, 2014

করছো মিছেই সাধন ভজন 
রাখোনি তো কোনো খবর 
বিবাগী এই হৃদয় যে কখন 

সুলতানা পারভীন 
------------------------
মরণোত্তর ........
-------------------------
হায় সাজাসনে আমারে তোরা
ঐ আতর গোলাপ চন্দনে 
ওরে ধুপের গন্ধে ভরাসনে দিক
ঢাকিসনা আমায় কাফনে
চার কান্ধেতে নিস না আমায় 
শোওয়াসনে যেন কবরে 
আহা ডাকিসনা রে পাড়া পড়শী 
রাখিসনা কোনো খবরে 
আমি ছিলাম বেঁচে থাকবো সদা 
পঁচাসনে ওই মাটির তলে 
ওরে বিধির দান এই অঙ্গ আমার 
পোড়াসনে তোরা অনলে 
"দু'নয়ন মোর অন্ধ জনে-
দান করে দে খুশি মনে "
সে আমার চোখে দেখুক জগৎ 
কাঁদাসনে গো অভাজনে !!   

October 2, 2014

শব্দ পাখিরা ডানা ঝাপটায়
-----------------------
না- দেবোনা তোমায় আর...
কিচ্ছু দেবোনা-
সে তুমি যা খুশি তাই ...
অনেক দিয়েছি- শুন্য হয়েছি...
অবশেষে........
যে টুকু রেখেছি ধরে
হৃদয়ের গোপন ঘরে
----------------------
মুঠো বন্দী স্বপ্ন রাশি

September 15, 2014

 যাহ্.............!!
---------------------
সুলতানা পারভীন
-------------------------
কত সহজেই বলে দিলে....
"আমার প্রয়োজন ফুরিয়েছে
এবার তোমার মুক্তি"
বাহ্ !
চির বিদায়ের পথে এগিয়ে দিলে
বেশ অনেকটা-ই...বন্ধু'র বেশে
দেঁতো হাসির ফাঁকে অনায়াসে
লুকিয়ে অকৃতজ্ঞের কালো ছায়া....
অতঃপর............ ?
ফিরে গেলে চেনা পথে অচেনার আহ্বানে ।
আর আমি ?
নাহ্ ......
ভেবো না- তোমার শোকে কাতর চোখে
প্লাবন এনে ভেসেই গেছি....।।








?.....এবং কেন ?
--------------------
সুলতানা পারভীন
--------------------
আমি কি তোমায় ভালোবাসি ?
ঠিক জানিনা ।
আমি কি তোমায় ঘৃণা করি ?
হ্যাঁ এটা নিশ্চিত ।
ভাবছো... তবে তো সব চুকে'ই গেল !
প্রশ্নবিহীন সমাধান... সরল অতি.... ?
আমি ভাবছি... উঁহুঁ...মোটেই তা নয়...
ঘৃণা করি- এটা যেমন সত্য আর স্পষ্ট,
ভালোও বাসি মিথ্যে নয়- তবে অস্পষ্ট
তাই যদি না হবে-----
বলতে পারো নিয়তির কোন্ অমোঘ টানে-
ফিরে আসি কেন ছেড়ে আসা পথের পানে ?
জানি না কেন....
ঘৃণার অনির্বাণ শিখায় পোড়াই তোমায় যত
সেই সে অনলে আঁখিজল ঢেলে নেভাই তত !!



 চিরটা'কাল..........
অকাতরে আমি- এসেছি ফেলে চোখের জল
আর নয় অপচয়......
আজ এই ক্ষণে অঝোর নয়নে দিলাম অর্গল !!
sp

August 26, 2014

তুমি কি সুখ পাও কাঁদিয়ে আমায় ?
আঁখি জলে মেটে কি তৃষ্ণা তোমার ?
অবহেলা দিয়ে কি মন পাওয়া যায় ?
কি অনলে পোড়াও এই হৃদয় আমার ?
sp

বড় নিষ্ঠুর এই দুনিয়া........
তারও চেয়ে বেশি যেন মানুষের মন
সবে- অর্থেই খুঁজে মিছে সুখ প্রাণপণ
sp

 

August 24, 2014

আর কত নীচে নামবে তুমি ? আর কত
ছোট করবে নিজেকে ? কাউকে নীচে নামাতে হলে-
নিজেকেও নামতে হবে তার চেয়ে বেশি- বোঝনি আগে ?
অন্যকে ছোট দেখতে হলে....
নিজেকে উঠতে হবে অনেক ওপরে ভুলেছিলে বুঝি ?
sp

একই সাথে তিন'টা পোস্টে কেউ আড্ডা মারে ?
যে কোনো এক খানে হলে আড্ডার মজা বাড়ে

August 22, 2014

রহস্য লুকিয়ে আছে চুল আর দাড়িতে

পারো যদি কেউ এনে দিতে...
নাই গাছের ছাল
বাতাসের আগাল
আকাশের ঝুল
বাতাসের মূল
এসো তবে সেই জন ঔষধ নিতে

শুন্যতা.........
---------------------------
সুলতানা পারভীন
---------------------------
সেই চির চেনা পথ- চির চেনা জন
হারালো কোথা হলো অচেনা কখন !!
খুঁজি অজানা সে পথে
দুরে বয়ে চলা স্রোতে
ভাসিয়ে ভেলা তারে ছিল যে আপন !!
বহে অতল জলধি...
তরী ভাসে নিরবধি
চলে ঠিকানা বিহীন- হিয়া উচাটন !!

sp

বাহ্......
মোহময় মনো মাধুরী টুকু নিঃশেষে করে পান ..
উচ্ছিষ্ট পর্যন্ত চেটে পুটে ধীর পায়ে হেটে চলে গেলে..
দৃষ্টি সীমা হতে দূর বহু দুর নিয়ে মুখে হাসি অম্লান..
 sp

উচিত কথার মুখ কালা ...দুর্জনের বাড়ায় জ্বালা

কইতে কইতে মুখে ব্যথা মনে ছাতা কইমু কতই আর

আমিও তোমাদের-ই একজন..........
যাইবার মন চায় গো আপা আছি তো অনেক দূর
মনের ইচ্ছার গান বান্ধিয়া পাঠাইলাম তার সুর
আপাগো তুমি সে গান খানি গাইয়ো আমার সুরে
জানি মনের কানে শুনবো আমি থাকি যতই দুরে
sp

 

August 21, 2014

তীর্থ যাত্রী............
-----------------!!
কারা চলে ওই দলে দলে
স্বর্গ পিয়াসী সদলবলে..!!
মক্কা-মদিনা!গয়া-কাশী ধাম!
পুণ্য লোভী- জপে আল্লাহু-রাম
নিয়ে পাপের বোঝা করে গঙ্গায় স্নান
ছুটে সাফা মারওয়া ঝরে পতিতের ঘাম!
!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
sp

August 20, 2014

এই হৃদয়ের মানচিত্র ক্ষত বিক্ষত
হানাদার হায়না-র আঘাতে হত

কত কাল
কত'টা কাল কেটে গেল- কিভাবে কে জানে
বয়ে গেছে কত বসন্ত বাতাস- গানে গানে
এসে ফিরে গেছে হৃদয়ের বন্ধ দুয়ার হতে 
বৈশাখী ঝড়- শ্রাবণ অঝোর অগম পথে
  

August 19, 2014

বিশ্বাস শব্দ'টা যখন...
 বিষ-- শ্বাসে বিষাক্ত হয়ে ওঠে তখন...
সে যাতনা ভার/মন বহিবার....
 ক্ষমতা অনেক'টাই  হারিয়ে ফেলে..

হৃদয়ের মানচিত্র ক্ষত বিক্ষত


তারপর বলো তুমি কেমন আছো মায়া ?
অনেক দিন হলো দেখিনা তোমার ছায়া  

August 18, 2014

ঘুমাও রাত্রি ঘুমাও......
--------------------
সুলতানা পারভীন
--------------------
ওগো রাত্রি তুমি আঁধারে শয্যা পাতো
থাকো- নিস্প্রান নিদ্রা বিভোর থাকো-
শিয়রে জোত্স্নালোক- স্বপ্নাচলে ঢাকো..
শুধু নির্ঘুম জাগি একা তোমারই বুকে
বাঁধি বীণা তারে সুর আঁকি স্বপ্ন চোখে!!
sp 

কবি ও কবিতা সমাচার
---------------------
সুলতানা পারভীন
---------------------
কবিতা আলয়ে অবাক সবাক
নির্বোধ বাক্যেরা মূক নির্বাক!!
ছুটন্ত সময়ের নিঠুর চাকায়....
!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
দলিত যত শব্দ- বর্নেরা হয় জব্দ
চলে আর্তনাদ- এর করুণ নিনাদ
কবিতার বুকে- অবিরাম দুঃখে
কবি মন কাঁদে বন্দী খাঁচায়....!!

sp 

প্রমিস........
---------------
সুলতানা পারভীন
---------------

দাও যদি এক ফোঁটা বিষ-
করি মধু যোগ-এ পান !
চাও যদি আমি দেব তার-
বিনিময়ে হাসি অফুরাণ !
sp 
১৮/০৮/২০১৪


August 17, 2014



-----------------------
কি আজব দেশ গজবের বেশ
বিত্তহীনে'রা রাখে না খবর
নামেই মানুষ হারিয়েছে হুঁশ
মানবতা আজ নিয়েছে কবর
"হ্যা ঠিক তাই"
------------------------
সুলতানা পারভীন
------------------------ 
না- গোলাপ হতে চাই না কভু
চাই না হতে তার ঘ্রাণ
ঐ গোলাপ চাষের মাটি'ই হবো
দেবো গোলাপেই প্রাণ !!
------------------------
আমি মাটি'ই হতে চাই .......
sp
'ওপারে' যাবো.......
-------------------
সুলতানা পারভীন
-------------------
আলোর ওপারে  গহীন আঁধার-
তবুও.....সেখানেই যাবো আমি
যদি ডিঙ্গোতে হয় বাধার পাহাড়
পেরোতে হয় অথৈ সাগর...... 
হেঁটে পাড়ি দিতে হয় তপ্ত মরূ-
যাবো আমি 'ওপারেই' তবু...
ঝাঁ চকচকে মেকি আলো ছেড়ে
নিয়ত বন্দী স্বপ্নমালা নিয়ে-
ঘন অন্ধকারের বুক চিরে খুঁড়ে
করবো গ্রহ-নক্ষত্রের চাষ !! 
sp

আজ আমার সমস্ত মন- মগজ জুড়ে জ্বলছে আগুন
প্রার্থনা করছি-দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠা সে আগুনে
জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে যাক আমার আপাদমস্তক...
sp
  
  

August 16, 2014

বায়না গাড়ি মন................
আয়না ধারী বায়না গাড়ি মন-
ছুটে যায় দূর অজানায়
আয়না'তে কার ছায়ার কাঁপন...
মুগ্ধ চোখের মন্ত্র মায়ায়
আনছে তুলে বাঁধন খুলে গোপন
প্রণয় দোদুল দোলায় !!
sp 

তুই ব্যাটা বেয়াদব মহা বজ্জাত
চড়িয়ে ফেলে দেবো বত্রিশ দাঁত
খেয়েছিস যতটুকু আমারই নুন
গেয়েছিস কখনো খানিক'টা গুন !
যা কিছু তোর্ বলে করিস দাবী
কানাকড়ি কিছু ভেবেছিস পাবি !
ওরে বোকা মূর্খ- হুঁশ নাই তোর্

August 15, 2014

তুই ব্যাটা বেয়াদব মহা বজ্জাত
চড়িয়ে ফেলে দেবো বত্রিশ দাঁত
খেয়েছিস যতটুকু আমারই নুন
গেয়েছিস কখনো খানিক'টা গুন !
যা কিছু তোর্ বলে করিস দাবী
ভেবেছিস কানাকড়ি কিছু পাবি !
ওরে বোকা মূর্খ- হুঁশ নাই তোর্



বাক-বাকুম ভোলা কৈতরী মন
উদাসী হাওয়ায়- মেলেছে পেখম
যেন চঞ্চলা মেঘমালা ছুঁয়ে ধায়..
আপোনারে খুঁজে দূর নীলিমায় 

আয়না ধারী বায়না গাড়ি মন
ছুটে যায় দূর অজানায়
আয়না'তে কার ছায়ার কাঁপন
মুগ্ধ চোখের মন্ত্র মায়ায়
আনছে তুলে বাঁধন খুলে গোপন



  

যেদিন
হৃদয়ের চৌকাঠে ঘুন ধরেছে
সেদিন-ই 
অন্তপুরে থাকা ঐ মন মরেছে
sp


August 14, 2014


এবার আমি যাবো.....
-----------------
সুলতানা পারভীন
------------------
অনেক তো হলো...
এবার আমি যাবো-
না- চেনা কোনো পথে নয়......
সে পথে...
যেখানে কেউ/কোনো কিছুই আমার নয়-
ছিলো না কখনো কিছু...
যে পথে চেনা সুরে, চির চেনা নাম ধরে
কেউ ডাকবে না পিছু-!!


জাগরণ.....!!
----------------------
সুলতানা পারভীন
----------------------
কে জানে... 
কুম্ভকর্ণ ঘুমে কেটে গেলো কত'টা কাল
হয়নি রাখা খোঁজ- জীবনের কিযে হাল !
হৃদয়ের নাগরিক পথে-ঘাটে খানা-খন্দ !
অন্তর অলিন্দে....
বেয়াড়া পরগাছা'র দুঃসাহসিক পদচারণা-!
মনের জানালা জুড়ে-দরজায় ছাদে কার্ণিশে
পিচ্ছিল জলজ শ্যাওলার শিথিল আড়মোড়া-!
 উমমম......থাকুক পড়ে যেখানে যা আছে
যেমন-তেমনিই...
আমার পুনঃপ্রস্থান বেমালুম চির নিদ্রায়.....!!   

জলের স্রোতে আগুন জ্বলে ! অগ্নি পথে জলের ঢেউ !
আগুন জলের খুনসুটি'তে ভিজে-পুড়ে মরলো কেউ !!

হতেও যে পারি আমি আণবিক বোমা
তুমি তো মানবিক তাই করিও ক্ষমা
জানি- তুমি দানবিক হতে পারবেনা                

 

August 13, 2014

নিরর্থক..........
--------------------
সুলতানা পারভীন
--------------------
আজকাল কি যে অদ্ভুত কিছু বাসনা
জাকিয়ে বসেছে মনের ডেরায়...
নিশী রাতের ঘন অন্ধকার ছায়া পথে
মোহময়ী অলিক জোছনার লুকোচুরি
পেছনে ফেলে... ইচ্ছে করে- বড় ইচ্ছে করে
তোমার হাত ধরে হেটে চলে যাই-
অনেক.... অনেক'টা দূর.....!!
কিংবা...পদ্মা-মেঘনা- যমুনার অথৈ জলে
পাড় ভাঙ্গা ঢেউ হয়ে...বাঁকে বাঁকে আছড়ে
পড়ি- দুর্দম স্রোতের ধারায় ভাসিয়ে দেই-
হৃদয়ের কূলে কূলে জমে ওঠা টুই টুম্বুর যত
কষ্ট-অভিমান.....!! ভেঙ্গে- ছুঁড়ে ফেলি-
নষ্ট যত কল্পনার- প্রাত্যহিক জাল বোনার
 সমস্ত কল কাঠি !!   
১৩/০৮/২০১৪

এবার আমি যাবো.....
-----------------
সুলতানা পারভীন
------------------
অনেক তো হলো... এবার আমি যাবো-
না- চেনা কোনো পথে নয়......
সে পথে...
যেখানে কোনো কিছুই আমার নয়

 
জীবন যেন বেদের বহর
ঘাটে ঘাটে ফেলে নোঙ্গর
  

August 12, 2014


    "পক্করের পক্কর"....(সত্য ঘটনা)
--------------------------
সুলতানা পারভীন
---------------
আমাদের পাশের গ্রামে এক লোক ছিলো...
তার নাম আমি জানি না- সবাই তাকে পক্করের পক্কর
বলেই ডাকতো- আবার কেউ ডাকতো- "হায়রে মেঘের পানি"
তার এই নাম করণের একটা ইতিহাস আছে.....
লোক'টা ছিলো ভীষণ বদরাগি আর একগুঁয়ে.... সামান্য
ছুতোয় বৌ-কে ধরে পেটাতো- তার বউ ছিলো ঠিক উল্টো'টা
সহজ সরল শান্ত ভদ্র.... তবে বুদ্ধিমতিও কিছু'টা- লোক'টার
চাপা মারা অভ্যাস ছিলো.... চাপা'টা মারতো সে তার
বৌয়ের কাছেই বেশি.... বউ সেটা কখনো কখনো ধরে ফেলতো
আর পিটুনি খেতো- বৌকে সে বলতো তর্কবাগিস....
একদিনের ঘটনা বলি- যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে লোক'টার বাবা-মায়ের দেয়া
নাম মুছে গিয়ে......"পক্করের পক্কর" এই নামে অভিহিত হলো-

বর্ষা কাল... তার বউ ক'দিনের জন্য বাপের বাড়ি গিয়েছিলো বেড়াতে-
যেদিন ফিরে এলো সেদিন লোক'টা রাতে খেতে বসে তার বৌয়ের কাছে
তেল চপচপে চাপা চর্চিত গল্প শুর করলো এই ভাবে .....
(তার আঞ্চলিক ভাষাতেই বলি-)
বুঝলু বউ.... তুই তো বাড়িত আছুলুনা- এই পিখে (দিকে) যা মজার
এক খান কান্ড হইছে না.... কি কহিম তোক- মনে পৈল্লে (পড়লে) মোক
ভালোও নাগেছে ফির দুঃখও নাগেছে....বৌয়ের বুঝতে বাকী রইলো না-
শুরু হলো চাপা- তবু অধীর আগ্রহের ভান করে জিজ্ঞাসা করে- মুই কয়'টা
দিন বাড়িত নাই এরে ভিতর ফির কি কান্ডহইল তে....?
বৌয়ের প্রশ্ন শুনে খেঁকিয়ে উঠে লোক'টা- শালীর বেটি শালী শুরু হইল তোর্ পকর পকর !!
বউ থতোমতো খেয়ে চুপ করে থাকে.. তুই যেদিন গেলু বাপের বাড়ি..তার পরের দিন.....
হাট বার আছেলো না ? বউ চুপ.. লোকটা আবার চেঁচিয়ে ওঠে...
কি রে শালীর বেটি চুপ করি আছিস যে ! বউ মুখ ঝামটা দিয়ে বলে....
কি উত্তর দিম তোমহাক....কাথা কহিলেও দোষ না কহিলেও দোষ ?!
তোর্ এই নিহাই (তর্ক) করার অভ্যাসখান গেল না..... অইস (দাঁড়া) আগোত গল্পখান
কহো.... তা সেইদিন হাট বার বুঝুলু ! বৌএর নিরস জবাব- বুঝুনু ...... এখন আসল
কাথাখান কি সেইটা কহি ফেলাওছিনি...মোক ভালো নাগেছে না... নিন (ঘুম) ধৈচ্ছে-
-কি কহুলু ! ধমকে ওঠে লোক'টা- মুই কিছু কহিবা চাহিলে তোর্ নিন ধরে ! বেট্টি শালী....
মারানি.... ছাপার অযোগ্য গালিগালাজে বাড়ি মাথায় তুলে বললো .....মোর কাহিনী শেষ
না হওয়া পয্যন্ত কুন.....বেটি নিনদায় (ঘুমায়)....এই টায় আইজ দেখিম মুই... চিত্কারে
ঘুম ভেঙ্গে জেগে উঠলো তার একমাত্র পুত্র (এগারো বছরের) ছইদুল- বিরক্ত হয়ে বললো-
কি হইছে বা... এত চেঁচাছিস কেনে ? মোক কি তোমরাহ এংনা (একটু) নিনদাবাও দিবেন
নাহেন ? ছেলের দিকে কটমটিয়ে চেয়ে খেঁকিয়ে ওঠে লোক'টা.... বেট্টা শালা মোর... মায়ে
বেটায় শুতি বসি খাই খাই তোমহার নাগিছে তেল... আইত'টা (রাত'টা) পোহাউক খালি
তোমহার মজাগোনা যুদি মুই না মাইচছু...তাহিলে মোর বাপের থোওয়া নাম খান বদলাই দেন-
ছেলের চটপট উত্তর- কাইলকার কাথা কাইল হবে আইজ মুই নিনদাঁও...ছেলের জবাব শুনে
লাফিয়ে উঠে লোক'টা...কি কহুলু ! বেগতিক দেখে বউ বলে ওঠে.. তোমহার মজার কাহিনীখান
কি এলা (এখন) কহিবেন ? বউয়ের নরম নরম সুরের কথা শুনে... ঠান্ডা হলো লোক'টা
শুরু করলো... সেইদিন আছেলো হাট বার... মুই কাম কাজ সারিয়া সানঝত (সন্ধ্যায়) গেনু হাট
একঘড়ি (কিছুক্ষণ) পরেই দেওয়া'টা (আকাশ'টা) সাজি পাড়ি এই যে... হুড়ুম দুড়ুম শুরু কৈল
(করলো).... "হায় রে মেঘের পানি" মুই তো পড়ি মরি করি দে দৌড় বাড়িমুখে...ভিজিমুড়ি
ওই মোটা আইল'টা দিয়া যখন আইসেছো.... কহিলে তুই বিশ্বাসও করিবু না বউ....
এক হাত লম্বা করে অন্য হাতে কাঁধ পর্যন্ত ছুঁয়ে দেখিয়ে বললো... হেই বড় বড় এখেক'টা মাছ...
বউ চোখ কপালে (কপট বিস্ময়ে) তুলে বললো-ছেচ্চায় ? লোক'টা চোখ রাঙিয়ে বললো... কি !
তার মানে মুই মিচ্ছা কাথা কহেছো ? বউ জিভ কেটে বলে উঠলো না-না এমনি-ই কহুনু...
তোমহাক মিচ্ছাবাদী কহিবার আগোত মোর জিব্ভা খান যেন খসি পড়ে...
হইছে হইছে আর তেল দিবা হবে না এখন শুন.... তারপরে তুই তো জানিস মোর মাছ মারার
নিশা (নেশা) কেমন !....ধড়ফড়াইয়া কুনো রকমে বাড়ি আসিয়া... হাড়কিন'টা আর তরোয়াল খান
নিয়া দৌড় আইলবাড়িত- হাড়কিন'টা জ্বালায়ন নাই ? বৌয়ের সরল জিজ্ঞাসা...আর যায় কোথায়...
মাথায় রক্ত উঠে গেল লোক'টার দাঁত কিড়মিড়িয়ে বললো তুই নিহাই (তর্ক) বন্দ করিবু ? আচ্ছা
আচ্ছা কহো তারপর কি কৈল্লেন ? তারপর আর কি..... এক হাতোত হাড়কিন আরেক হাতোত তরোয়াল
নিয়া গেনু আইলের মইধ্যত (মাঝখানে) দেখিনু হেই বড় (দুই হাত দুই পাশে প্রসারিত করে) একটা শৌল মাছ
দুই হাতে তরোয়াল খান মাথার উপর উঠাইয়া দিনু একখান চোট...... চোখ কপালে তুলে বৌয়ের নির্ভেজাল
জিজ্ঞাসা... দুই হাত দিয়া তরোয়াল খান ধৈল্লেন ?! হ্যা ধন্নু (ধরলাম)... দুই হাতে না ধৈল্লে আজদাহা ওই মাছ
কি মারা যায় ? সেইটা তো বুঝুনু কিন্তু..... কিন্তু কি ? দুই হাত দিয়া তরোয়াল খান তো ধৈল্লেন....ভালো কাথা
হাড়কিন'টা কুন্ঠে (কোথায়) থুইলেন ?!........সহ্যের একটা সীমা আছে.......বৌয়ের চুলের মুঠি ধরে কিল
থাপ্পড় বসিয়ে...সেই রাত দুপুরেই......শালীর বেটি শালী একটা কাথাও মাটিত পড়িবা দিন্না খালি 'পক্করের পক্কর"
নিহাই করিস.... যাহ তোক আইজ-এক্ষণে মুই তালাক দিনু.....এক তালাক- বৌয়ের চিত্কার না..আ..আ..আ
দুই তালাক- না...আ...আ- তিন তা..আ বলতেই... দ্বিগুন জোরে বৌয়ের চিত্কার...থো-ও (রাখ) বুড়া হারামজাদা
তিন তালাক'টা মুই-ই দেছো.... তোর্ ভাত মুই আর খাম না- খাম না- খাম না, লোক'টার উদ্যোত ফনা'টা নিমেষেই...
সেদিন সেই "পক্করের পক্কর" নিহাই (তর্ক) করা সহজ সরল বৌটা সত্যি সত্যি-ই চলে গিয়েছিলো....আর ফিরে আসেনি-
এগারো বছরের ছইদুল পরের দিন কাঁদতে কাঁদতে সব কথা পাড়া পড়শিদের কাছে ফাঁস করে দিয়েছিল....
এবং সে-ও তার মায়ের কাছে চলে গিয়েছিল... সেই থেকে বদরাগী লোকটাকে দেখলেই দুষ্ট ছেলের দল
"হায় রে মেঘের পানি" বলে ক্ষেপাতো- আর চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ন্যায় তার নাম হয়ে গেল "পক্করের পক্কর"....
পৈত্রিকসুত্রে পাওয়া নাম'টা আস্তে আস্তে কালের গর্ভে বিলীন হয়ে গেলো।
12/08/2014
                         

August 11, 2014

মরবে না- মরবে না.......
বেদুইনের খা-খা মরুভূমি জুড়ে
নামবে অঝোর কবিতার বৃষ্টি....

পক্করের পক্কর....
---------------
সুলতানা পারভীন
---------------
আমাদের পাশের গ্রামে এক লোক ছিলো...
তার নাম আমি জানি না- সবাই তাকে পক্করের পক্কর
বলেই ডাকতো- তার এই নাম করণের একটা ইতিহাস
আছে.....
লোক'টা ছিলো ভীষণ বদরাগি আর একগুঁয়ে.... সামান্য
ছুতোয় বৌ-কে ধরে পেটাতো- তার বউ ছিলো ঠিক উল্টো'টা
সহজ সরল শান্ত ভদ্র.... তবে বুদ্ধিমতিও কিছু'টা- লোক'টার
কিছু'টা চাপা মারা অভ্যাস ছিলো.... চাপা'টা মারতো সে তার
বৌয়ের কাছেই বেশি.... বউ সেটা কখনো কখনো ধরে  ফেলতো
আর পিটুনি খেতো- বৌকে সে বলতো তর্কবাগিস....

একদিনের ঘটনা বলি- যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে লোক'টার বাবা-মায়ের
দেয়া নাম মুছে গিয়ে...... "পক্করের পক্কর" এই নামে অভিহিত হলো-
বর্ষা কাল তার বউ ক'দিনের জন্য বাপের বাড়ি গিয়েছিলো বেড়াতে
যেদিন ফিরে এলো সেদিন লোক'টা রাতে খেতে বসে তার বৌয়ের কাছে
তেল চপচপে চাপা চর্চিত গল্প শুরু করলো এই ভাবে .....
(তার আঞ্চলিক ভাষাতেই বলি-)

বুঝলু বউ.... তুই তো বাড়িত আছুলু না- এই পিখে (দিকে) যা মজার
এক খান কান্ড হইছে না.... কি কহিম তোক- মনে পৈল্লে  (পড়লে) মোক
ভালোও নাগেছে ফির দুঃখও নাগেছে.... বউয়ের বুঝতে বাকী রইলো না -
শুরু হলো চাপা- তবু অধীর আগ্রহের ভান করে জিজ্ঞাসা করে- মুই কয়'টা
দিন বাড়িত নাই এরে ভিতর ফির কি কান্ড হইল তে....?
বৌয়ের প্রশ্ন শুনে খেঁকিয়ে উঠে লোক'টা- শালীর বেটি শালী শুরু হইল তোর্ পকর পকর !!
বউ থতোমতো খেয়ে চুপ করে থাকে.....   



 

August 10, 2014

সুলতানা পারভীন
---------------
ইব্রাহীমের আইন....
-----------------
আমাদের গ্রামে একজন লোক ছিলো -
নাম ইব্রাহীম- সে দিন মজুরের কাজ করতো-
কাজের চেয়ে কথা বলতো বেশি-
জমিতে কাজ করার সময় তার বকবকানি শুনতে শুনতে
কান ঝালা পালা হতো সকলের -
গ্রাম্য ভাষায় সে যা বলতো, তা ছিলো মোটামুটি এই রকম-
-শুন দহিদ-দা (আমার এক চাচা দহির উদ্দিন ) মুই তোর্
বাড়িত কাম কইল্লে দুই টাকা মুজুরী কম নিম- নাহাইলে
দুই গাস ভাত কম-এ খাম-
কিন্তু দেখেক- ওই  চেরম্যানের (আমার আরেক চাচা) বাড়িত
কাম কইল্লে.....টাকা কম নিম কেনে- আর কম-এ বা খাম কেনে ?
ওই শালারা তো হামার মতন গরীব মানুষগুলার হক মারি মারি এত
বড়লোক হইছে... কহেক দহিদ-দা কাথা সইত্য কি না ? এই তনে তো
কহেছো... এইটা হৈল এব্রাহিমের আইন বুঝিলু ? যুদি না মানিস তাহিলে-
এ-ই থুনু পাসুন.... (নিড়ানি যন্ত্র) চলনু বাড়ি
sp
১০/০৮/২০১৪


 

August 9, 2014

হে ক্ষনিকের অতিথি....
এলে প্রভাতে কারে চাহিয়া
ঝরা শেফালির পথও বাহিয়া
হে ক্ষনিকের অতিথি....
ভালবাসার কাছে মূল্য'টাও মাঝে মাঝে অর্থহীন .......


হ্যা মিষ্টি সালাম নিলাম
নোনতা সালাম দিলাম


নাহ আজও কেউ রাখেনি খবর
কবেই মানবতা নিয়েছে কবর

হায় হায় ! কি কয় পাগলে !
গদি !! ছাড়ে কোন ছাগলে ?
আল্লাহর মাল আল্লাহই নিয়েছেন-


কেঁদেছিলাম- তোমার আগমনে (সুখে)
কেঁদেছিলাম- তোমার প্রস্থানে !(দুঃখে)
এই নিয়ে কেঁদেছি যে দুই বার- ( হ্যা )
পারবোনা কাঁদতে আমি আর  ( না )


 

August 8, 2014

শ্রেণী বৈশিষ্ঠ জানা থাকা সত্বেও.....................
এই সব পতিত বেবুশ্যেদের আচরণে আপনি অবাক ?
আমি আপনার এ হেনো অবাক হওয়া দেখে নির্বাক .....
সুলতানা পারভীন 
(টেপু কাহিনী- গল্প নয় সত্যি)
টেপু'র কুয়োস্নান 
-------------
আমাদের কাজের ছেলে টেপু-২ ফুট ৯ ইঞ্চি-র এই পিচ্চি...
হেনো কাজ নেই যা সে পারে না কথায় কাজে চলনে বলনে বড়ই চৌকস 
কোনো কিছুতেই হার মানতে জানে না- একদিন গরু'র লেজ ধরে টান মেরে... 
খেলো এক রাম লাত্থ...এদিক ওদিক লজ্জিত চোখে চেয়ে দেখলো, 
কেউ দেখতে পায়নি তো ! যেখানে বাঘের ভয়....সেখানেই সন্ধ্যা হয়...
বুয়া দিচ্ছিলো ঝাড়ু- দেখে ফেললো টেপু'র দুর্দশা হি হি করে হেসে বললো... 
কি রে টেপু কেমন খেলি ? হার মানবার পাত্র আর যে-ই হোক টেপু নয় 
বুক চিতিয়ে বললো... দূর দূর দেখছিলাম- গরু'টা সরস নাকি নিরস হে হে হে 
আমাদের বাড়ি থেকে টেপু'র বাড়ি ২০০ গজ দুরে ওদের ছিলো একটা কূয়া 
পোড়া মাটির রিঙ দিয়ে ঘেরা- গ্রাম্য ভাষায় যাকে বলে পাটকুয়া...
ওর মা ভাই-বোন্ ভাবি সবাই ঐ পাট কুয়ার পানি-ই খেতো 
টেপুর একটা অভ্যেস ছিলো...কুয়োর মধ্যে মাথা ঝুকিয়ে নানা রকম শব্দ করা... 
কুয়োর গভীরে যে প্রতিধ্বনি হতো...সেটা সে ভীষণ উপভোগ করতো 
কখনোই কারো নিষেধে কর্ণপাত করতো না...
প্রচন্ড শীত কাল একদিন সন্ধ্যায়... বাড়িতে টেপুর 
ভাবি ছাড়া আর কেউ নেই...টেপু আমাদের বাড়ির 
সব কাজ গুছিয়ে রেখে কাউকে কিছু না বলে ওদের 
বাড়িতে গেছে...সন্ধ্যার আধো আলো আঁধারে কুয়োর 
মধ্যে মাথা ঝুকিয়ে যথা নিয়মে নানা রকম শব্দ করছে,
আর অনেক নিচে অন্ধকারে কালো পানিতে নিজের ছায়া 
দেখে ভীষণ পুলোকিত... আনন্দের  আতিশজ্যে একটু বেশি-ই 
ঝুকে পড়েছিলো হয়তো... আর যায় কোথায়...অমনিই ধপাস-
ওর ভাবি পড়ছিলো নামাজ...শব্দ শুনে চমকে উঠে কোনো 
রকমে ফরজ নানাজ আদায় করেই দৌড়ে গেলো কুয়োর পাড়ে 
আগেই বুঝে ফেলেছিলো কি ঘটেছে...কুয়োর ভেতরে তাকিয়ে 
দেখে টেপু এই প্রচন্ড শীতে কুয়োর হিম শীতল পানিতে পোড়া 
মাটির রিঙ ধরে ভেসে আছে আর ঠক ঠক করে কাঁপছে 
ভাবিকে উপরে দেখতে পেয়ে টেপু চিত্কার করে বললো...
ভাবি-ই-ই-ই আমাকে উপরে তোলো......জমে গেলাম...
ভাবি সমানে চিত্কার শুরু করে দিলো...কে কোথায় আছ 
জলদি আসো আমাদের টেপু কুয়ায় পড়ে গেছে...ওরে বাঁচাও 
গ্রামের বাজার ফেরত কিছু মানুষ ওদের বাড়ির পাশ দিয়ে 
যাচ্ছিলো চিত্কার শুনে সবাই দৌড়ে এলো... কিন্তু ততক্ষণে 
আঁধার অনেক ঘন হয়ে আসায়... কুয়ায় নামতে কেউ সাহস
পাচ্ছিলো না- সবাই ভীড় করে উঁকি ঝুকি মেরে দেখার চেষ্টা 
করছিলো- আর একে অন্যকে কিভাবে নামতে হবে সেই পরামর্শই 
দিচ্ছে...ওদিকে টেপুর অবস্থা আরো শোচনীয়...সে বলছে... 
কেউ একজন নামো রে ভাই... এখানে ভয়ের কিছু নাই... আমি 
তো আছি...এদিকে ভাবি কেঁদে কেঁদে সবাইকে অনুরোধ করে চলেছে 
টেপূকে তুলে দাও... কেউ একজন ওকে তুলে দাও...
ভিড়ের মধ্যে থেকে একজন সাহসী মানুষ এগিয়ে এলো... 
অনেক পুরনো পোড়া মাটির রিঙ...পূর্ণ বয়স্ক একজন মানুষের 
ভারে ভেঙ্গে পড়তে পারে... কি ভাবে কি করা যায়...এই নিয়ে চললো 
গবেষণা...আমি সেই ভিড়ের মাঝ থেকে বেরিয়ে...ভো দৌড়...
আমাদের গরু'র যতো রশি ছিলো সব নিয়ে এলাম...সেই সাহসী মানুষ'টার 
কোমরে বেঁধে নামিয়ে দেওয়া হলো... টেপু- বিখ্যাত টেপু দাঁতে-দাঁতে ঠোক্কর 
 খেতে খেতে কুচকুচে কালো চেহারার দিগ্বিজয়ী টেপু আরও কালো হয়ে 
উঠে এলো... তাকে রুটি সেঁকা করতে জ্বালানো হলো আগুন...সকলের-ই 
হৈ চৈ জিজ্ঞাসা- কি রে টেপু কেমন করে পড়লি কুয়ায় ? কেন গিয়েছিলি 
কুয়ার ধারে ? পানি খুব ঠান্ডা ছিলো ? ভয় পেয়েছিলি ? কি মনে হচ্ছিলো 
তোর্ ? টেপু'র তখন ঠোঁট টেপানো রহস্যময় মুচকি হাসি...টেপুর মায়ের 
চোখে জল মুখে কপট গজগজানি কেন তোমরা তুললে ওকে... থাকতো পড়ে 
বুঝতো মজা... কতো বারণ করেছি...কুয়ার ধারে যাইস না আজ কি হলো ?
মরতি... ভালো হতো...হাড় জুড়াতো আমার- টেপু হাসে হি হি করে... 
আমি বললাম হ্যা রে টেপু সত্যি করে বল তো তুই পড়লি কি করে ? 
কালো টেপু সব গুলো সাদা দাঁত বের করে বললো... আপা- আমি পড়ি নাই তো...
অবাক হয়ে বললাম...পড়িসনি !! টেপু'র চটপট জবাব... না আপা-
আমি পড়ি নাই ঝাঁপ দিছি...সমস্বরে অবাক প্রশ্ন- বলিস কি রে ? কেন ?
এপাস ওপাস মাথা দুলিয়ে গম্ভীর হয়ে টেপু বললো...কেন ? নাহ বলা 
যাবে না- বললে তোমরা বিশ্বাস করবে না- টেপুর ভনিতা দেখে মেজাজ 
বিগড়ে গেল আমার... ওর  কান'টা টেনে ধরে বললাম বলতে হবে না 
তোকে- কেউ শুনবে না তোর্ কথা... টেপু'র চিত্কার ও-ও-ওহ ছাড়ো 
আপা ছাড়ো লাগছে তো...বলছি বলছি...কান ছেড়ে দিলাম...
সে আরাম করে বসলোবেশ সময় নিয়ে প্রায় ফিস ফিস করে বললো...
"আমি কুয়া'টার পানি কত টুকু আছে তাই মাপতে গেছিলাম"...
আবার সমস্বরে অবাক প্রশ্ন কেন ?পানি মাপা'র দরকার হলো কেন ? 
টেপু বিজ্ঞের মতো মাথা দুলিয়ে বলল.......
"আসছে চৈত মাসে পানি থাকবে কি না- কুয়া'টা আবার খুঁড়তে হবে কি না 
এটা জানতে হবে না" !! আর সহ্য হলো না আমার...ঠাস করে একটা চড় মেরে 
ওর কান ধরে সোজা হিড়্ হিড়্ করে টেনে নিয়ে চললাম বাড়ি... 
গোয়ালের সব গরু ততক্ষণে বেরিয়ে এসে... লাউ-কুমড়া-সিম-বরবটির গাছ 
সাবাড় করে দিয়েছে...আমার নিজের তখন ভয়ে- দোআ দরূদ পড়ার অবস্থা- !!
    
     

August 7, 2014

মন'টা আইজ ভালো নাই
---------------------
মোর মন'টা আইজ এংনাও ভালো নাই.....
এগজনের সাথে ভুল নাহায় এক্কেলে শুদ্ধ বুঝাবুঝি হইল
মোর নিজের উপর নিজের বেজায় আগ চড়েছে.....
মোর বুঝা উচিত আছেলো.... দুনিয়ার সবায়...
এখে রকম মানুষ নাহায়- এখেক জন এখেক রকম..
তাঁহো মুই কেনে সবাখে এখে পাল্লাত মাপো ?!!
sp   

August 6, 2014

হায় বাপ ! কাঁয় বাহে তহমরা......................... ?
কুন্ঠেকার কাথা কুন্ঠে আইল্লেন ? চৈত মাসোত বান !!
তোমহার কাথা শুনিয়া মুই তো বাহে হাসিয়া খান খান


সুলতানা পারভীন
---------------
"নিষেধাজ্ঞা" 
------------------
ফিরে যাও কবিতা'রা
এসো নাকো আর 
ফিরে যাও এখন আমার
শ্রেষ্ঠ সময়- যুদ্ধে যাবার
--------------------

 
 বন্দী থাকো বন্দী-
যতেক শব্দ 
মেরে তালা মুখে
হও নিস্তব্ধ
ভুলে হাসি-গান 
ভুলে আনন্দ
সুখ-স্বপ্ন দুয়ার 
রাখো বন্ধ 
তোমরা ঘুমাও এবার 
কেন না এখন আমার 
শ্রেষ্ঠ সময় যুদ্ধে যাবার!!
sp 

August 5, 2014

আগুন-আগুন-আগুন 
পলাতকা জল 
ধোঁওয়া-ধোঁওয়া-ধোঁওয়া 
আকাশের তল
sp 


August 4, 2014

সুলতানা পারভীন
----------------------------
জানা-জানি
---------------------------- 
কেউ না জানুক............
----------- মিলন মায়ার অন্তরালে-
----------- কি বিরহের আগুন জ্বলে
আমি তো জানি............
---------- দাঁত কেলানো হাসির ফাঁকে  
---------- বিষাদ বেদন লুকিয়ে থাকে
তুমি-ই জানো.............                  
---------- তারে কোন ছলনার মন্ত্রবলে
---------- করবে আড়াল কি কৌশলে!!

সুলতানা পারভীন
-------------------------
কিছু কিছু
-------------------------
কিছু কিছু কথা- নয় তো বলার
কিছু কিছু ব্যথা- নয় যে ভোলার
কিছু কিছু আশা- হয় না পূরণ
কিছু ভালবাসা- দেয় যে বেদন
কিছু কিছু গান- পায়না যে সুর
কিছু অভিমান- হয়না তো দূর
কিছু কিছু ফুলে- থাকেনা যে ঘ্রাণ
কিছু নদী কূলে- ভিড়েনা সাম্পান
কিছু দুর্দশায়- কভু নেই পরিত্রান
কিছু কিছু xy-পায় না তো প্রাণ!!  


August 3, 2014

এফবি বন্ধু'রা....
যেন কান পেতে শুনি ঐ বিদায়ের ঘন্টা
তোমাদের ছেড়ে যেতে কেঁদে ওঠে মনটা
তবু জানি যেতে হবে হোক যতো কষ্ট
নিয়মের নীতি এই- জানি সবে পষ্ট
তোমাদের ছেড়ে আজ নিলাম বিদায়...
ভুল কিছু হলে- ক্ষমা করিও আমায় !!
sp

মানবতা আজ -
হাপুস নয়নে অঝোরে কাঁদে নাতো আর
ভুলে শোক-লাজ
বেঁধেছে পাষাণ বুকে- নির্বাক হাহাকার

যখন তোমার চোখে আলোর নাচন
তখন আমার বুকে হায় রক্ত ক্ষরণ

হিটলার ওহ হিটলার
ফিরে এসো আরবার
যতো সব ইহুদির বংশ
আজ করে দাও ধ্বংস
ওই সব ইহুদি কুত্তার
এই ধ্বংসের কারবার


 

August 2, 2014

ঘুমিয়ে গেছে চাঁদের বুড়ি
চরকা তো আর কাটে না
দাও গো এনে পান সুপুরি
নইলে বুড়ি

আগুন জলে সাবান গুলে
ধুইয়েছিলি সোনার গা !
পুড়িয়েছিলি আগা গোড়াই
অঙ্গ জুড়ে বিষম ঘা !!
sp
 

August 1, 2014

চোখ মেলো কবিতা
---------------
সুলতানা পারভীন
----------------
আফিমের নেশায় বুঁদ হয়ে কাটাবে কতো আর!
বলো কবিতা- এখনো কি হয়নি সময় তোমার?
কবির কথার ফুলঝুরি নয় ধারালো তলোয়ার
হয়ে- এই নষ্ট সমাজের পষ্ট জঞ্জাল মুক্ত করার?


কবিতা তুমি আমার চোখে-
বসন্ত দিন কৃষ্ণচুড়ার লাল
কবিতা তুমি আমার বুকে-
বৈশাখী ঝড় সিডর বেসামাল 
 

তলানিতেই থাকো আর উছলে-ই পড়ো
জ্বালানি যা জ্বালাবেই তা  
হে কবিতা......
------------------------
সুলতানা পারভীন
-----------------------
অন্বেষণের অস্থির প্রহরে-
নির্ঘুম চোখ, নিভু নিভু জোছনায়
উন্মুখ চেতনার নৈশ প্রহরী...
হে কবিতা- তোমায় খোঁজে
কেবল খোঁজে তোমাকেই-
আঁধার- আঁধার- নিঃসীম
আঁধারের গোলক ধাঁধায় ঘুরপাক
নিয়ত বিবস অন্তরে......
অনুভূতি যবে আপাদমস্তক
শিহরিত.. প্রবল বিবমিষায়-
কৃষ্ণচুড়ার লাল চোখ.....
হে কবিতা-তোমারি অন্বেষণে
ব্যপৃত সদা
অদৃশ্য আলোর কাঁপন স্তিমিত
হতে- হতে মিলিয়ে যায়
কোন সুউচ্চ পর্বত প্রাচীরের ওপারে
নিরলস জেগে থাকে তখনও মন-
হৃদয় দুয়ারে জুবুথুবু রাত......
হে কবিতা- শুধু তোমারই প্রতিক্ষায় !!
০১/০৮/২০১৪
 

July 31, 2014

নির্লজ্জ 
তুই চেয়েছিস সতেজ সবুজ ঘাস-
দিলাম মেরে আছিলা এক বাঁশ,
তবুও দেখি মেটেনি তোর আশ!
শরম খেকো বল দেখি কি চাস?
সাধ জেগেছে দেখতে সর্বনাশ!!
sp

আগুন জলে সাবান গুলে
ধুইয়েছিলি সোনার গা
পুড়িয়ে দিলি আগা গড়াই
অঙ্গ জুড়ে

ঘুমিয়ে গেছে চাঁদের বুড়ি
চরকা তো আর কাটে না


July 28, 2014

"মন ভোলা মন"............
--------------------------------
এই মন কি যে চায়- জানে না এ মন
কোন সুদূরে হারায়- ভাবে সারা ক্ষন
ঠোঁটে মিষ্টি হাঁসি
চোখে অশ্রু রাশি
কোন দূর অজানায়- খোঁজে সুখের লগন
এই .......................... মন।।
 

বুকে তপ্ত দহন
হৃদে রক্ত ক্ষরণ
কি যে সুর তুলে গায়- হিয়া বিলাপে মগন
এই .......................... মন।।


July 27, 2014

অনন্ত অম্বরে জলধি গহ্বরে এ বিশ্ব চরাচরে

(এর অর্থ হলো).......................
দুই পা তো সবাই চলতে পারে কিন্তু....
সারা জীবন কেউ সঙ্গো দেয় না
যদি কেঁদে ভোলা যেতো স্মৃতি
তবে হাসি দিয়ে কেউ দুঃখ লুকাতো না
(এই হলো অর্থ)
.

 Jo har pal jalti rahe, use roshni kehte hain,
Jo pal pal chalti rahe, use zindagi kehte hain,
Jo pal pal khilti rahe, use mohabbat kehte hain,
Jo saath na chore, use apni dosti kehte hain


সাধারণত কোন একটা জটিল ও কষ্টের কাজ যখন সকলে মিলেই করতে থাকে
তখন এটা আর তেমন জটিল ও অতি কষ্টের বস্তু থাকে না, 
তা সহজ একটা বিষয়ে পরিণত হয়