March 31, 2016

আমি চেয়েছি...সমগ্র বিশ্ব জানুক...
চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেও...
যখন কোনো অন্যায়- দৃষ্টিগোচরে
আসে না-অন্যায় যারা করেছে/করছে
তাদেরকে যদি বলা হতো-
"তোমরা অন্যায় করেছো-
শাস্তি তোমাদের প্রাপ্য".... দণ্ডমুণ্ডের
কর্তারা যদি শাস্তির বিধান করেই
নিশ্চিন্তে নিষ্কর্মা হয়ে চোখ বন্ধ না করতেন....
আজ আমি শুধু নই...আমার মত আরো
অনেককেই অশালীন ভাষা ব্যবহার করে
ছিঃ ছিঃ ধিক্কার শুনতে হতো না।
এড়িয়ে যেতে যেতে আজ আমরা.. হারিয়ে যেতে বসেছি।    

ওই বেজন্মা কুকুরের বাচ্চারা..........!
আমরা- শত শত নারী
আজ চৌপথে দাঁড়িয়ে বিবস্ত্র-
নির্বাক চোখে সারি সারি-
তোদের মা- বোন- কন্যা
ধর্ষণ কর শুওরের বাচ্চারা.............!
বইয়ে দে নষ্ট বীর্যের বন্যা !


-কিছু কিছু অশালীন শব্দ কিছু কিছু "শুভানুধ্যায়ীদের" মর্মমূলে আঘাত করেছে-
আমি কৃতজ্ঞ তাঁদের প্রতি- কৃতজ্ঞ এই কারণে যে.... এত কাকুতি-মিনতি
সুবিচারের আশায়....এত মিটিং-মিছিল প্রশাসনের নিকট করজোড়ে প্রার্থনা-
বিনিময়ে....! রেপিস্টদের বাঁচানোর জোর প্রচেষ্টা...যখন দিনের আলোর মতোই
প্রকট....তখনও তিল পরিমাণ টনক নড়েনি তথাকথিত সুশীল- শালীন ভাষাভাসি
সভ্য সমাজের... এমত পরিস্থিতিতে... সু-বাতাসে আয়েসী চেতনার ঘুম ভাঙাতে
বাধ্য হয়েছি...অশালীন ভাষার দূর্গন্ধ সুতীব্র চিত্কারে... ছড়িয়ে দিতে।. ইচ্ছাকৃত নয়...
বাধ্য হয়েছি।
ঘুম ভাঙানো যদি আমার অপরাধ হয়.... তবে এমন অপরাধ... সুশীল বক্তারা দ্বিতীয় বার
আমায় করতে বাধ্য করবেন না ... এই নিশ্চয়তা দিলে...আমিও হলফ করে বলতে পারি...
"যাহা বলিব শালীনতা বজায় রাখিয়া'ই বলিব"... অন্যথায় সমস্ত দণ্ড নত মস্তকে মানিয়া লইবো।
 sp  


 

March 30, 2016

"ওদের ধরো "
ওরা -যে আর্শ্বীনের-ই কুকুর 
ওদের মাথায় মারো মুগুর 
ওরা-তো পশুর চেয়ে অধম 
ওদের- জুতিয়ে করো যখম 
ওরা - সব কলঙ্কিত পুরুষ 
ওদের পিটিয়ে করো বেহুশ  
ওরা ধর্ষক খুনি দল ছিঃ ছিঃ 
আমরা দর্শক- কেবল দেখছি !!
ওই বেজন্মা কুকুরের বাচ্চারা..........!
আমরা- শত শত নারী
আজ চৌপথে দাঁড়িয়ে বিবস্ত্র-
নির্বাক চোখে সারি সারি-
তোদের মা- বোন- কন্যা
ধর্ষণ কর শুওরের বাচ্চারা.............!
বইয়ে দে নষ্ট বীর্যের বন্যা !
sp
 
যে রাজ্যে কায়েম চির দুঃশাসন
বিচারের নামে চলে শত প্রহসন
না-চাইনা বিচার সেথা অকারণ
তারচেয়ে বিধি তুমি দাও গো মরণ ........!
sp 

আর নয়- নয় আর চাপা কান্না-
নয়কো শুধু নয় কোনো প্রতিবাদ !
নয় কোনো কিছুতেই ক্ষমা ঘেন্না -
চলো-গড়ে তুলি প্রতিরোধ-
গড়েছে যারা আজ পাহাড় লাশের
কেবলি পেতেছে ফাঁদ সর্বনাশের-
নিতে হবে- নির্মম প্রতিশোধ ...
 তাহাদের যেন আর মাফ করোনা
ওদের ঘাড়ে ধরে মারো কষে লাথ !
অকালে ঝরে গেল তনুর জীবন-
ধর্ষক খুনিদের লোভের কারণ !
ওদের ভুলেও যেন ছেড়ে দিও না
ওরাই তো প্রাণখেকো শকুনের জাত !
 sp 
    

March 19, 2016

সাধক কবি- মোঃ নূরুজ্জামান ওরফে শাহজামানের 
কাব্যগ্রন্হ- "প্রকৃতির পাঠশালা" বিষয়ে কিছু কথা।  
 "কথা"
কোথা হতে আসে
এত 'কথা' ভাসি !
কিছু আনে অশ্রু
আনে কিছু হাসি-
কিছু কিছু কথা
বড় সর্বনাশা ,
কিছু বা জাগায়
মনে ভালবাসা !!

-----------------------------------
"মোঃ নূরুজ্জামান ওরফে শাহজামান"
শুধু একটি নাম নয়- 
এই নামটির সাথে জড়িয়ে আছে অনেক 
বিশেষণ- তিনি একজন 
-কথা শিল্পী- গবেষক- গীতিকার- সাধক 
তাঁর সৃষ্টকর্মের অমৃত রসে অবিরাম সিক্ত 
করে চলেছেন এই সমাজ সংসারিস্থ সাধারণ 
মানুষকে। 
এবার একুশের বইমেলা ২০১৬-এ তাঁর অনবদ্য 
সৃষ্টি প্রকৃতির নানান বিষয়ের পরিচিতিসমৃদ্ধ 
একক কাব্য গ্রন্থ "প্রকৃতির পাঠশালা" 
তিনি শিশু-কিশোরদের উপহার দিলেন যা-
অধ্যায়ন করে শুধু আনন্দ'ই উপভোগ করবে না 
শিক্ষাও লাভ করবে।  
তাঁর রচিত এই কাব্যগ্রন্থে যেমন ঠাঁই পেয়েছে- 
মাটি- পানি- আগুন- বিদ্যুত-বাতাস- সময়-ঘড়ি
মেঘ প্রভৃতির মত বস্তুর পরিচয়-কার্যকলাপ 
তেমনি... মানুষ-পিপিলিকা- প্রজাপতি- সাপ- ঊট-
কোকিল এই রকম প্রাণীর গতি প্রকৃতি নিয়েও 
লিখেছেন...  স্বাধীনতা- বিরাঙ্গণা- মাতৃভাষা'র 
ইতিহাসও সহজবোধ্য ভাবে উপস্থাপন করেছেন 
কৃতি এই প্রবীণ লেখক- 
তাঁর রচিত কাব্য সঙ্কলন "প্রকৃতির পাঠশালা"য় 
ভাব-বস্তু সকল বিষয়ের চমত্কার বর্ণণা শিশু-
কিশোরদের চমত্কৃত করবে সেই সঙ্গে জ্ঞানের 
ভাণ্ডারকেও সমৃদ্ধ করে তুলবে।
কবি মোঃ নূরুজ্জামান ওরফে শাহ্জামানের এই 
কাব্যগ্রন্থে শিক্ষামূলক রচনা সমগ্র আমার জ্ঞান 
পিপাসু মনকে ভীষণ ভাবে আলোড়িত এবং....
অভিভূত করেছে.... তাই বলতে দ্বিধা নেই- 

হয়নি দেখা- শেখা কিছুই চোখ মেলেছি মাত্র 
প্রকৃতির এই পাঠশালা'য় আমরা সবাই ছাত্র
-----------------------------------------------
কবি তুমি-
চিরদিন যেন এমনি করেই জ্ঞানের আলো 
ছড়িয়ে করো দূর আমাদের মনের কালো!

এই প্রত্যাশায় শুভকামনা নিরন্তর......
সুলতানা পারভীন  
    

      
 

March 17, 2016

বেঁচে থাকো কবিতা !
ঘনায়মান আঁধারের মাঝে 

মনোলোভা চন্দ্রিমাসম
দূর কর মিছে ভনিতা
সত্যের আলো হয়ে তুমি-
বেঁচে থাকো হৃদয়ে মম!
..............................................
কবিতা বাঁচে পাঠকের তৃপ্ততায়
কবিতা বাঁচে জীবনের চাহিদায়
কবিতা বাঁচে সত্যের সরলতায়
কবিতা বাঁচে শৈল্পীক চেতনায় !!
কবি- শিল্পী
কবি- স্রষ্টা
কবি- দাতা
কবি- ত্রেতা
জীবনের পরতে পরতে জড়ানো
আনন্দ বেদনার ঘটনা ছড়ানো
কবি- তুলে ধরে দৃষ্টির সন্মুখে !
কবির কলম সততই .............
ইচ্ছে পূরণের ধারালো হাতিয়ার যা-
কখনো হয়ে ওঠে কৃষকের লাঙ্গলের ফলা-
চষে অন্তর জমিন-
চেতনার ফসলে ভরে তলে মগজের গলা !
কখনো সে হয়ে ওঠে ক্ষিপ্ত দাবানল-
পুড়িয়ে ছাই করে অনাচারের জঙ্গল !

কবি বাদল কৃষ্ণ বণিকের প্রথম কাব্য সঙ্কলন
"নির্বাসনে কবিতা" গ্রন্থে প্রতিটি কবিতায় চিত্রিত
হয়েছে- প্রেম-বিরহ , সত্য-কল্পনা , স্বপ্ন-বাস্তবতা।
কবির "অমৃত ভালবাসা" ছায়ানটের সিঁড়ি বেয়ে-
রবিঠাকুরের অবিনাশী গান হয়ে ভেসে আসে-
"আমি আরেক কাপুরুষ" কবিতায় কবির মর্মবেদনা
"এক মুঠো কষ্ট" হয়ে ঝরে পড়েছে।  জীবনের নিষ্ঠুর
যন্ত্রনায় "ভেঙ্গে যায় স্বপ্ন"- "উতলা মন" "অপূর্ণ নেশা"
নিয়ে "আল্পনা" আঁকে- "জলজ ভালবাসা"র !
"যৌবনের অক্টোপাস" "পদচিহ্ন" ফেলে "অবুঝ কুমারী"র
"নির্মল ভালবাসায়" ! এমনি হাজারো
ভাব-ভালবাসা অন্তর্দহন- প্রতিজ্ঞা-প্রতিবাদে পরিশেষে
কবিতাকে নির্বাসনে দেবার সকল "আয়োজন" সম্পন্ন করেন..
বিদগ্ধ কবি- বাদল কৃষ্ণ বণিক।
দৃষ্টিনন্দিত প্রচ্ছদের অন্তরালে মোট উনচল্লিশ'টি কবিতা
সম্ভার নিয়ে "নির্বাসনে কবিতা" গ্রন্থখানি এবারের ২০১৬-
একুশের বই মেলায় উপহার দিয়েছেন বরেণ্য কবি-
বাদল কৃষ্ণ বণিক।  

আমি "নির্বাসনে কবিতা" গ্রন্থের উপরোল্লিখিত প্রতিটি
কবিতা পড়ে শুধু চমকিত'ই নয় চমত্কৃতও হয়েছি !!

কবি বাদল কৃষ্ণ বণিকের ক্ষুরধার লিখনীর প্রশংসা
করার মত ভাষা আমার জানা নেই... আশা করি....

এমনি করেই যেন পাঠকের পিপাসিত অন্তর-
কবি- তাঁর কবিতা দিয়ে করেন তৃপ্ত নিরন্তর।
সুলতানা পারভীন    

March 8, 2016

যখন-
মন ছুঁয়েছে হৃদয় নদী
জল ছুঁয়েছে ঢেউ
তখন-
নষ্ট চোখের কষ্ট জলে
সুখ ধুয়েছে কেউ ?
sp


আমি একদিন জানি হারিয়ে যাব-
চির চেনা এই পৃথিবী থেকে 
নিয়ে যাব শুধু এই দু'চোখের জল-
হাসি আনন্দটুকু যাব রেখে !!

sp 

হাসান দেওয়ান
তেহারি
উপকরণ: পোলাওর চাল (কালিজিরা), মাংস (গরু বা খাসি) ছোট টুকরা করা,
ছোট আলু, তেল, ঘি, পেঁয়াজ, আদা, রসুন, ছোট এলাচ, দারচিনি, জয়ত্রি, জায়ফল,
লবঙ্গ, শাহি জিরা, টক দই, দুধ, কাঁচামরিচ, সাদা গোলমরিচ, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালি:- কাঁচা পেঁয়াজ, আদা, রসুন, টক দই মাংসের সঙ্গে ভালো করে মেখে চুলায় বসাতে হবে।
মাংসের পরিমাণ অনুযায়ী গরম মসলা গুঁড়া করে মাংসের ওপর দিতে হবে।
ছোট আলু সেদ্ধ করে নিতে হবে।
মাংস ৮০ শতাংশ রান্না হলে আগে থেকে সেদ্ধ করা আলু মাংসের ওপর ঢেলে দিতে হবে।
আলাদা চুলায় নিয়মমতো পোলাও রান্না করে নিতে হবে।
আলাদা রান্না করা পোলাও চুলার ওপর রাখা মাংসের ওপর ঢেলে দিতে হবে।
এ ক্ষেত্রে বলা যায়, পাঁচ কেজি চালের সঙ্গে আট কেজি মাংস দিলে ভালো হয়।
এরপর ঘি আর ভাজা পেঁয়াজ রান্না করা তেহারির ওপর দিয়ে দিতে হবে