January 29, 2014

কৃষি সঙ্কট এখন জীবনের সঙ্কট

 সব সাধকের বড় সাধক আমার
 
(পরিবেশ উন্নয়নে গাছপালা ও বায়ু মন্ডলে কার্বন হ্রাস-এ
গাছের ভুমিকা-)
জলবায়ু পরিবর্তনে মানবিক বিপর্যয় ও আমাদের করণীয় -৩

প্রাকৃতিক দুর্যোগ  বাংলাদেশের নিত্যসঙ্গী-

প্রতি বছর বাংলাদেশর ওপর দিয়ে বয়ে যায় নানা রকম
প্রাকৃতিক দুর্যোগ...বাংলাদেশ হয় লন্ড ভন্ড, আবার মাথা
তুলে ঘুরে দাঁড়ায় এ দেশের মানুষ.. নতুন করে বাঁচার জন্য
সংগ্রাম করে... ইউএনডিপি কর্তৃক "প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি
কমানো উন্নয়নের জন্য চ্যালেন্জ" শীর্ষক বিশ্বব্যাপী রিপোর্টে
বলা হয়- এশিয়ার সবচেয়ে বেশি ঘুর্নিঝড়ের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে
বাংলাদেশ... ১৯৮০-২০০১ সাল পর্যন্ত সারা বিশ্বে ঘুর্নিঝড়ে মারা
গেছে আড়াই লাখ মানুষ, যার ৬০ শতাংশই বাংলাদেশর...ঘুর্নিঝড়ে
বাংলাদেশের চেয়ে ফিলিপাইন তিনগুন বেশি ঝুঁকিতে থাকলেও আমাদের
 দেশে মৃতের সংখ্যা ফিলিপাইনের থেকে দশগুণ বেশি...১৯৯১ সালের
২৯ এপ্রিলের পর থেকে ২০০৭ সালের অক্টোবর পর্যন্ত দেশে চার বার
ঘূর্ণিঝড় হলেও তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি.. কিন্তূ ২০০৭ সালের ১৫
নভেম্বর সিডরের আঘাতে দেশ যে ভাবে লন্ডভন্ড হয়েছে সেটা কেউ আগে
থেকে ভাবতেই পারেনি..সিডর আঘাত হানার ৬ মাস পর আঘাত হানে
ঘূর্ণিঝড় নার্গিস....২০০৮ সালের ২৬ অক্টোবর ঘূর্ণিঝড় রেশমি, ১৫
নভেম্বর খাইমুক, ২৬ নভেম্বর সিনা, ২০১০ সালের ১৭ এপ্রিল বিজলি এবং
২৫ মে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় আইলা.. ১৬ ডিসেম্বর ২০০৯ কোপেনহেগেনে
বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে আমাদের প্রধানমন্ত্রী  "দ্যা ইন্টারন্যাশনাল স্ট্রাটেজি-
ফর ডিজাস্টার রিডাকশন" এর এক সমীক্ষার বরাত দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ
বর্তমান বিশ্বে বন্যার ঝুঁকিতে প্রথম, সুনামির ঝুঁকিতে তৃতীয়, ও ঘুর্নিঝড়ের
ঝুঁকিতে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে...
চলবে ....     

 

গবেষণা :
এক গবেষণায় দেখা গেছে, ১৯৬১-১৯৯০ সাল পর্যন্ত
বাংলাদেশে তাপমাত্রা বেড়েছে ০.৩৭ ডিগ্রী সেলসিয়ার্স ,
১৯৬১-২০০০ সাল পর্যন্ত তাপমাত্রা বেড়েছে ০.৭২ ডিগ্রী
সেলসিয়ার্স ... শেষ ১০ বছরে তাপমাত্রা বাড়ার হার এতো
বেশি পরিমান যে.. গত ৪০ বছরের গড় তাপমাত্রার প্রায়
দ্বিগুন ... জলবায়ু বিশেষজ্ঞ আহসান উদ্দীন আহমেদ -
"জলবায়ু পরিবর্তনে গভীর সঙ্কটে বাংলাদেশ" বইয়ে লিখেছেন-
২০২০ সালের মধ্যে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়বে ০.৬৫
ডিগ্রী সেলসিয়ার্স, ২০৫০ সালে বাড়বে ১.৮ ডিগ্রী সেলসিয়ার্স-
এদিকে আবার ২০৩০ সাল নাগাদ বাংলাদেশের গড় তাপমাত্রা
বাড়বে ১ ডিগ্রী সেলসিয়ার্স- ২০৫০ সালে সেটা বেড়ে হবে ১.৪ -
২১০০ সালে গিয়ে এদেশে ঐ তাপমাত্রা বাড়বে কম করে হলেও..
২.৪ ডিগ্রী সেলসিয়ার্স ... শুধু তাই নয়..শীত কালের শীত কমে
গিয়ে বাড়বে গরম আর গ্রীষ্ম মৌসুম লম্বা হয়ে উষ্ণতা বাড়বে অনেক...
আর তখন বাংলাদেশে ছয় ঋতুর স্থানে থাকবে দুই ঋতু গ্রীষ্ম-বর্ষা
চার ঋতু যাবে হারিয়ে .
চলবে .....  

January 28, 2014

পরিবেশ উন্নয়নে গাছপালা ...ও বায়ু মন্ডলে কার্বন হ্রাস-এ
গাছের ভুমিকা....

জলবায়ু পরিবর্তনে মানবিক বিপর্যয় ও আমাদের করণীয় -

আধুনিক চলমান বিশ্বে নানা সময়ে হরেক রকম বিষয় নিয়ে আলোচনার 
ঝড় ওঠে..  আলোচনার বিষয়বস্তু ও গতি প্রকৃতি অনুযায়ী কিছু বিষয়
জোয়ারের গর্জনে ভেসে আসে আবার ভাটার টানে সমুদ্রে মিলিয়ে যায়..কিছু বিষয়
স্থায়ীরূপ লাভ করে, কিছু বিষয় আছে যার জন্য আমাদের করণীয় কিছু থাকে না ...
আবার কিছু বিষয় আছে যা আমাদের বেঁচে থাকা, বেড়ে ওঠা ও অস্তিত্বের প্রতি
চরম হুমকি হয়ে দেখা দেয় ..তাই বিশ্বের শান্তিকামী, মুক্তিকামী মানবতাবাদী মানুষের
চোখের পাতায় ঘুম থাকে না- সঙ্কট নিরসন না হওয়া পর্যন্ত ..এমনই একটি বিষয় বর্তমান
সময়ের জলবায়ু পরিবর্তন..
        জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়টি নিয়ে বর্তমান বিশ্বে একদিকে বিতর্কের চরম ঝড়
উঠেছে..জলবায়ু পরিবর্তন বা পরিবেশের ভারসাম্যহীনতা পরিবেশকে কলুষিত করার
পাশাপাশি মানব জীবনকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে- অন্য দিকে বিশ্ব বিবেককে প্রশ্ন
করে যাচ্ছে যে, এর কি কোনো প্রতিকার নেই ? যদি প্রশ্ন করা হয় এর জন্য দায়ী কে ?
তাহলে এক বাক্যে উত্তর বেরিয়ে আসবে উন্নত বিশ্বের দেশগুলো ..
জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম কারণ সমূহ হলো- উন্নত বিশ্বের বল্গাহীন শিল্পায়ন,
মাত্রাতিরিক্ত কার্বন নিঃসরণ, উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক উন্নয়ন, ভোগ-বিলাস ..যার দ্বারা
বাংলাদেশ সহ অন্যান্য উন্নয়নশীল দরিদ্র দেশসমূহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে-হচ্ছে-হবে...
পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার ২.৫ শতাংশ বাস করে বাংলাদেশে..বৈশ্বিক কার্বন নির্গমন
মাথা পিছু ১২৩.৩ কেজি ..যাতে বাংলাদেশ কার্বন নিঃসরণ করে মাথা পিছু মাত্র ০.১ শতাংশ..
অথচ জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশে আজ সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ.. হিসেবে
ইতিমধ্যে ঘোষিত হয়েছে..আন্তর্জাতিক সংস্থা জার্মান ওয়াচ- এর সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্বের
জলবায়ু ঝুঁকি সূচক ২০১৩ শীর্ষক প্রতিবেদন কর্তৃক বাংলাদেশকে বিশ্বের সবচেয়ে
জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে ..      চলবে

January 25, 2014

"লক্ষ্য করুন প্লিজ .."
-জাতীসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন-

আর কত দিন বাঁচবে বাংলাদেশ ?
কত দিন টিকে থাকবে পৃথিবীর
মানচিত্রে পলি মাটির ছোট্ট সবুজ দেশটি ?
জাতীসংঘের মতে, শিল্পোন্নত দেশের
কারখানা গুলো থেকে উত্পাদিত হওয়া
গ্রিনহাউজ গ্যাস বায়ু মন্ডলে মারাত্মক
প্রভাব বিস্তার করে চলেছে , যার ফলে
বাড়ছে হিংস্র ঘূর্ণিঝড় উঁচু হচ্ছে সমুদ্র
জলের স্তর . আর এই জলের স্তর আরো
বাড়লে দুর্ভাগা বাংলাদেশই হবে প্রথম
শিকার ..বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন ,
জলের স্তর বাড়লে ২০৫০ সালের মধ্যে
বাংলাদেশের অর্ধেক তলিয়ে যাবে সমুদ্রে ..
আর একুশ শতকের শেষ নাগাদ হয়তো
ডুবে যাবে সমগ্র বাংলাদেশ .. কোটি কোটি
মানুষ প্রাণ হারাবে, দেশহীন উদ্বাস্তু হবে
বেঁচে যাওয়া বাংলাদেশীরা
বিজ্ঞানীদের এসব সাবধানবাণী ও আশঙ্কা
থেকে আঁচ করা যায় , কত বড় সংকটের
দিকে এগোচ্ছে বাংলাদেশ
অথচ এ নিয়ে এতটুকু আগ্রহ নেই-দুর্ভাবনা নেই
কোনো হাহাকার নেই দেশপ্রেমিকদের মনে-মুখে
বরং খবরটা চেপে রাখার চেষ্টা চারদিকে
নির্বাচন আর হরতাল ছাড়া যেন কোনো সমস্যাই
নেই বাংলাদেশে
বাইশ শতকে বাংলাদেশ নামে কোনো দেশ থাকবে
না এই পৃথিবীর মানচিত্রে .. বাংলাদেশীরা হয়ে উঠবে
রোহিঙ্গাদের মত উদ্বাস্তু
পৃথিবীর মানচিত্র থেকে বাংলাদেশের বিলুপ্তির জন্য
কেয়ামত পর্যন্ত অপেক্ষার প্রয়োজন নেই এরকম আশংকা
আর বিজ্ঞানীদের ভবিষ্যদ্বানির পরও বাংলাদেশ
সরকারও যেন এটাকে অমূলক মনে করে স্বাভাবিকভাবেই
নিয়েছে .. গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়ার ফলে বাংলাদেশ যে
ভয়াবহ ক্ষতির শিকার হচ্ছে, এ বিষয়ে বাংলাদেশের
নিজের কোনো দোষ নেই ; বরং সব চেয়ে বেশি দায়ী
শিল্পোন্নত দেশগুলো .. জাতিসংঘ "জলবায়ু তহবিল" বাংলাদেশকে
একটি মোটা অঙ্কের তহবিল দিচ্ছে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ..
পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত খবর থেকে জানা যাচ্ছে, আমাদের বন ও
পরিবেশ মন্ত্রনালয় এই তহবিলকে উত্সবের উপলক্ষ হিসেবে
নিয়েছে .. তহবিলের এই টাকা নয়ছয় করে বিলিবন্টনের
একটি তালিকার কথা ইতিমধ্যে প্রকাশিতও হয়েছে

মানুষ নানাভাবে হতভাগ্য হতে পারে জীবনে .. তবে যার দেশ
নেই, সেই সবচেয়ে হতভাগ্য .. উদ্বাস্তুরা শিকড়হীন, পরভূমে ভ্রাম্যমান
প্রতিটি মানুষের চাওয়া তার নিজের ঘর-দেশ, যে দেশের জন্য
বাঙালি ৩০ লাখ প্রাণের- অজস্র অশ্রুর বিনিময়ে বাংলাদেশ নামের
এই ছোট্ট সুন্দর ভুখন্ডটিকে স্বাধীন করেছে

অথচ এই দেশ - দেশের মানুষের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত রথী-
মহারথিগণ বেশ নির্বিকার এই বিষয়ে , বন ও পরিবেশ মন্ত্রনালয়েরও
কোনো জনসচেতনামূলক ভাবনার কথা আজও জানা যায়নি
দুর্যোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাপনার কোনো প্রস্তুতি নেই
দুর্যোগ মোকাবেলার কৌশল নির্ধারণে কিছু এনজিওকে পরিবেশ
রক্ষার দায়িত্ব দিয়েই বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় তাদের কর্তব্য
শেষ করেছে ..
বিবিসি বলছে, সাগরের জল ২০৫০ সালের মধ্যে এক মিটার বাড়লে
বাংলাদেশের তিন কোটি মানুষ উদ্বাস্তু হবে ...তলিয়ে যাবে প্রচুর সমভূমি
ছয় ঋতু জায়গায় শুধুমাত্র গ্রীষ্ম - বর্ষা ঋতুই দীর্ঘস্থায়ী হবে জলবায়ুর
পরিবর্তনে বৃষ্টি-স্বভাবেও অনিয়ম দেখা দেবে , ফলে ফসল উত্পাদন বিঘ্নিত
হবে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে উত্পাদন কমে যাবে ৩২ শতাংশ ..
যদি পানির স্তর এক মিটার বাড়ে তাহলে সুন্দরবনের কোনো অস্তিত্ব
থাকবে না- বাংলাদেশের মত্স্যশিল্প ধ্বংস হবে- ভূমি হারানো উদ্বাস্তু
মানুষের সংখ্যা বাড়বে, যা দেশের আর্থসামাজিক কাঠামোয় এক বিরাট
পরিবির্তন আনবে ..সমুদ্রসীমা বিস্তৃত হলে সুপেয় পানির সংকট দেখা দেবে

এই অদূরবর্তী ভয়াবহ সঙ্কট থেকে পরিত্রান পেতে হলে ... 'কাল নয়, আজও নয়,
এখনিই' সময় বাংলাদেশের ভবিষ্যত নিয়ে  সচেতন হওয়ার ... যদি এই দেশের
ভৌগলিক ভবিষ্যত নিয়ে আমরা এই মুহুর্তেই সচেতন না হই, তাহলে বড়
নির্মমতা অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য ... হয়তো বঙ্গোপসাগরের অতল গহ্বরে
মৃত ঝিনুকের ন্যায় চিরকালের জন্য হারিয়ে যাবে 'বাংলাদেশ' নামের সুজলা সুফলা
শষ্য শ্যামলা এই দেশটি ..
সুত্র : কালের কন্ঠ
২৬ নভেম্বর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
লক্ষ্য করুন প্লিজ .. 

January 20, 2014

ওয়াক ... !
আদি অনন্তের মধ্য প্রান্তে
তোমার আমার ইতিবৃত্তে
নিরবচ্ছিন্ন .....
পুরনো কাঁসুন্দি আজ
এক মুঠো গুড়-
এক চিমটি লবন-
আধা লিটার জল
সহযোগে ....
হাতে বানানো স্যালাইন
ওয়াও !
বার-বার খাও ...
সব ঠিক হয়ে যাবে !!
sp 
হেই ....
কি ভেবেছ ?
মন পেয়েছ ?
সস্তা দরে-বস্তা ভরে
গুদাম ঘরে-অনাদরে
রাখবে ফেলে-অবহেলে ?
যাঃ ....
দেখনা ছেলে
দু'চোখ মেলে
দু'হাত ভরা-গোবর পোরা
নয়ন ঝরা-বন্যা ধারা
দহন জ্বালা-কাঁটার মালা
দিলেম তোরে-উজাড় করে
রাখিস মনে-এই জীবনে
যার যেমন চাওয়া তেমন মেলে !!
sp     


?
তুমি আজ
সৃষ্টি ছাড়া
বাঁধন হারা
এমন হলে
কেমন করে ?

ফেলো বাজ
আঁধার ঘেরা
মনের ডেরা
বেদম জ্বলে
হৃদয় পোড়ে !
sp 

January 19, 2014



কেন ?
যখন 
মন ছুঁয়েছে মনের নদী
জল ছুঁয়েছে ঢেউ
তখন 

কষ্ট চোখের নষ্ট জলে
সুখ ধুয়েছে কেউ ?

January 18, 2014

joint implementation ( JI )

কিয়োটো প্রটোকলের আর্টিকেল-৬ অনুযায়ী উক্ত
প্রটোকলের এনেক্স-বি (annex-B) ভুক্ত একটি
দেশ আরেকটি এনেক্স-বি ভুক্ত দেশের কার্বন নিঃসরণ
হ্রাসমূলক প্রকল্প হতে নিঃসরণ হ্রাস ইউনিট (Emission
Reduction Unit) বা ERU সংগ্রহ করতে পারে
স্থিরকৃত নিঃসরণ হ্রাস অর্জন করার স্বার্থে এভাবে Annex-B
ভুক্ত দু'টো দেশের সহযোগিতামূলক নিঃসরণ হ্রাস করার
প্রক্রিয়াকে Joint Implementation ( JI ) বলে

উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা -

বায়ুমন্ডলে গ্রিনহাউজ গ্যাসগুলোর নিঃসরণের হার হ্রাস
করা সম্ভব , বৈশ্বিক উষ্ণতার গতিও মন্থর করা যাবে
যদিও গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ হ্রাসে উন্নত দেশগুলোর
দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি , বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন প্রশমনে
নানা ধরনের পদ্ধতি বিবেচনা করা  হচ্ছে : যেমন পরিত্যক্ত
খনিতে Carbon Capture and Storage (CCS),
জীবাশ্ম জ্বালানী নির্ভর বিদ্যুত উত্পাদনের পরিবর্তে
নবায়নযোগ্য জ্বালানীর থেকে বিদ্যুত উত্পাদন, শিল্পত্পাদন
প্রক্রিয়া আরও জ্বালানী সাশ্রয়ী করা ইত্যাদি  

ইউএনএফসিসিসি ( UNFCCC )    

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার জন্য বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি
রোধে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ( United Nations
General Assembly ) ১৯৯০ সালে Intergovernmental
Negotiating Committee (INC) গঠন করে
এরপর INC- United Nations Framework
Convention on Climate Change ( UNFCCC )-এর
খসড়া তৈরী করে যা ১৯৯২ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত হয় এবং
১৯৯৪ সাল থেকে কার্যকর হয় - এতে স্বাক্ষর করার মাধ্যমে
পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে গ্রিনহাউজ গ্যাস হ্রাস করতে দেশসমূহ সম্মতি
জ্ঞাপন করে  এরই মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে জলবায়ু পরিবর্তন
নিয়ে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি হয়- বর্তমানে ১৯৪ টি দেশ
UNFCCC-এর সদস্য

কিয়োটো প্রটোকল ( Kyoto Protocal )  

১৯৯৭ সালের ডিসেম্বর মাসে জাপানের কিয়োটো শহরে
UNFCCC এর ৩য় সভায় (COP৩) জলবায়ু
পরিবর্তনজনিত সমস্যাবলী মোকাবেলায় একটি চুক্তি
স্বাক্ষরিত হয় যা কিয়োটো প্রটোকল নামে পরিচিত
এতে কার্বন-ডাই-অক্সাইড (CO২), নাইট্রাস
অক্সাইড (N২O), মিথেন (CH৪) সহ ৬টি
গ্রিনহাউজ গ্যাস কমানোর লক্ষ্যমাত্রা ও সময়সীমা
উল্লেখ করা আছে
কিয়োটো প্রটোকলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে-
১৯৯০ সালকে ভিত্তি বছর ধরে গ্রিনহাউজ গ্যাসের
নিঃসরণ ২০০৮-২০১২ সালের মধ্যে গড়ে ৫%
কমানোর লক্ষ্যে ৩৯টি উন্নত দেশ একটি অঙ্গীকার করে
যা প্রথম অঙ্গীকার পিরিয়ড ( First Commitment-
period ) হিসেবে পরিচিত

ক্লিন ডেভেলপমেন্ট ম্যাকানিজম-
( Clean Develop-ment Mechanism )                         

কিয়োটো প্রটোকলের আওতায় গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ
কমানোর তিনটি ম্যাকানিজম রয়েছে-
Clean Development Mechanism ( CDM ),
Emission Trading (ET) এবং Joint Imple-
mentation ( JI )  
কিয়োটো প্রটোকলের আর্টিকেল-১২ অনুযায়ী সিডিএম এর
প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে উন্নত দেশসমূহ তাদের নিজেদের দেশে
উদ্যোগ নেয়ার পাশাপাশি গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ
কমানোর লক্ষ্যে উন্নয়নশীল দেশসমূহেও উন্নয়নমূলক প্রকল্প
গ্রহণ করবে  এক্ষেত্রে অর্জিত সাফল্য নিজেদের খাতে জমা
করে তারা তাদের দেশের গ্যাস নিঃসরণ হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা
পূরণের উদ্যোগ নিবে  এভাবে উন্নয়নশীল দেশে হ্রাসকৃত
প্রতি টন গ্রিনহাউজ গ্যাস (CER) বা কার্বন ক্রেডিট
একটি নির্দিষ্ট মূল্যে উন্নত দেশসমূহ ক্রয় করে তাদের
হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করবে

CDM প্রকল্পের মাধ্যমে অর্জিত Certifide Emission-
Reduction (CER) এবং অর্থ প্রবাহের ধারাটি-
এরকম -উন্নত (এনেক্স-বি) দেশসমুহ CERs ক্রেতা
উন্নয়নশীল দেশসমূহ CERs বিক্রেতা
এটি চলমান প্রক্রিয়া -

প্রকল্প উন্নয়ন :
বিশ্ব পরিস্থিতি

ক্লিন ডেভেলপমেন্ট ম্যাকানিজম ( CDM )
বর্তমান প্রেক্ষাপটে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জ ন্য
একটি বড় বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করেছে
তবে দুখঃজনক হলেও সত্য , যে সকল উন্নয়নশীল
দেশ যত বেশি গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ করে সে
দেশের তত বেশি CDM প্রকল্প গহন করার সুযোগ
রয়েছে বর্তমানে বিশ্বে কয়লানির্ভর উন্নয়নশীল
দেশসমূহ CDM এর বড় সুবিধাভোগী হিসেবে
আবির্ভুত হয়েছে  বর্তমানে চীন- ভারত- ব্রাজিল
মেক্সিকো ইত্যাদি দেশে সবচেয়ে বেশি CDM প্রকল্প
বাস্তবায়িত হচ্ছে
ইউএনএফসিসিসি-এর বার্ষিক প্রতিবেদন ২০১০ অনুযায়ী -
বিশ্বব্যাপী ২৪৫৩টি সিডিএম প্রকল্প উন্নয়নের
মাধ্যমে মোট ৪৪৮,৮৫৮,২৩১ টন CERs
(CO২e) উত্পাদিত হয়েছে
পাশাপাশি ২০১০ সালে যুক্তরাজ্য সিডিএম প্রকল্পে
বিনিয়োগে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে আছে যা মোট
বিনিয়োগের ৩০%  দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে
সুইজারল্যান্ড ১৯% , এবং নেদারল্যান্ড ও জাপান
যৌথভাবে তৃতীয় (উভয় দেশ CDM প্রকল্পে মোট
বিনিয়োগের ১১% বিনিয়োগ করেছে

CER এর বর্তমান বাজার মূল্য :

প্রতি টন CO২ সমতুল্য CER এর বর্তমান
বাজার মূল্য ১২-১৫ ইউ এস ডলার  বিগত বেশ
কয়েক বছর যাবত CER এর মূল্য ১২-১৪ ডলারে
স্থিতিশীল রয়েছে

CER এর Crediting Time

একত্রে CDM প্রকল্পের Emission Reduction
সর্বোচ্চ ১০ বছরের জন্য দাবী  করা যায়  অথবা
প্রথমে ৭ বছরের জন্য যা পরবর্তিতে আরও দুই বার
বর্ধিত করা যায়  অর্থাৎ সর্বমোট ২১ বছরের জন্য
দাবী করা যেতে পারে   তবে প্রতিবার extension
করার পূর্বে প্রকল্পের beseline revise করতে হয়  

তথ্যসুত্র : ইউএনএফসিসি-এর বার্ষিক প্রতিবেদন ২০১০                     

January 17, 2014

Climate Change-
& CDM প্রকল্পের-
-কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক বিষয়-১

উনিশ শতকে শিল্প বিপ্লব প্রসারের
পর থেকে মানুষ তার প্রাকৃতিক সম্পদকে
বিপুলভাবে ভোগ করতে শুরু করে |
আবাসন, কলকারখানা ও কৃষি জমির প্রয়োজন
মেটানোর জন্য মানুষ প্রতিনিয়ত বনভূমি উজাড়
করে চলেছে , ভরাট করছে জলাভূমি
নগরায়ন ও শিল্পায়নে জীবাশ্ম জ্বালানির (Fossil Fuel )
ব্যবহার অতি দ্রুত বেড়েছে | ফলে কলকারখানা হতে
বায়ুমন্ডলে নিঃসরিত ক্ষতিকর গ্যাস এবং কঠিন ও তরল
বর্জ্য আমাদের চারপাশের পরিবেশকে করছে দুষিত,
যা প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে |

গ্রিনহাউজ গ্যাস ও বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি

বায়ুমন্ডলে যে সকল গ্যাসের উপস্থিতির ফলে গ্রিনহাউজ
প্রতিক্রিয়ার (Greenhouse Effect) সৃষ্টি হয়
সে গ্যাস গুলোকে গ্রিনহাউজ গ্যাস (GHG) বলে |
শিল্প বিপ্লবের পর থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড় (CO২),
নাইট্রাস অক্সাইড় (N২O), মিথেন ইত্যাদি গ্রিনহাউজ
গ্যাসের পরিমান মারাত্মক ভাবে বেড়ে যাচ্ছে এবং
পৃথিবী দ্রুত উত্তপ্ত হচ্ছে |

বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে জলবায়ুর পরিবর্তন

১৯৮০-এর দশকে বৈজ্ঞানিক তথ্য-উপাত্তের মাধ্যমে
প্রমানিত হয় যে, মানব জাতির কর্মকান্ডের ফলে বায়ুমন্ডলে
গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ বাড়ছে এবং এর প্রভাবে বৈশ্বিক
উষ্ণতা (Global Warming) বৃদ্ধি পাচ্ছে |
এভাবে পৃথিবীর উত্তপ্ত হওযাকে "বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি " এবং
তাপমাত্রা বৃদ্ধিজনিত কারণে পৃথিবীর জলবায়ুর পরিবর্তনকে
'জলবায়ু পরিবর্তন' বলে আখ্যায়িত করা হয় |
সেই সময় থেকেই সচেতন মহল বায়ুমন্ডলে গ্রিনহাউজ গ্যাস
নিঃসরণ হ্রাসে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা
উপলদ্ধি করে |
Climate Change-
& CDM প্রকল্পের-
-কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক বিষয়-২
----------------------------
জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহতা সম্পর্কে
আন্তর্জাতিক মহলে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের
প্রেক্ষিতে ১৯৮৮ সালে বিশ্বের বিজ্ঞানীদের-
সমন্বয়ে গঠিত হয় Intergovernmental
panel on Climate change ( IPCC )
১৯৯০ সালে প্রকাশিত এই প্যানেলের প্রথম
প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয় যে,
অব্যাহত গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস করা
সম্ভব না হলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়তে থাকবে
ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাবে , সমুদ্র পৃষ্ঠের
উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে ,ঝড়ঝঞ্জা , বন্যার প্রকোপতা
বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষি উত্পাদন হ্রাস পাবে
সর্বোপরি সারা পৃথিবীর ইকোসিস্টেমের  উপর
নেতিবাচক প্রভাব পড়বে

বাংলাদেশে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব-

বাংলাদেশ একটি স্বল্প গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণকারী দেশ
বাংলাদেশ বছরে মাথাপিছু  ০.২ টন হারে কার্বন ডাই
অক্সাইড নিঃসরণ করে , যেখানে বিশ্বের গ্রিনহাউজ গ্যাস
নিঃসরণের পরিমান মাথাপিছু ৪.৮৬ টন
জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের ভুমিকা নগন্য হলেও বৈশ্বিক
উষ্ণতা বা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের ফলে এ
দেশটিই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে

ক্রমবর্ধমান উষ্ণতার কারণে ইতোমধ্যে আমাদের জলবায়ুর
বেশ কিছু মৌলিক পরিবর্তন ঘটেছে  বৈশ্বিক উষ্ণতা
(Global Warming ) আমাদের ঋতু পরিক্রমায় প্রভাব
ফেলেছে এবং ঋতু বৈচিত্রের রূপকে ক্ষুন্ন করেছে
যার কারণে জলবায়ু সংক্রান্ত দুর্যোগ তথা অতিবৃষ্টি ,বন্যা ,
খরা ,সাইক্লোন ইত্যাদির প্রাদুর্ভাব বেড়েছে ..জলবায়ু
পরিবর্তন জনস্বাস্থ্যের জন্যেও মারাত্মক হুমকি হয়ে দেখা
দিতে পারে  জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে প্রাণী বাহিত
রোগ যেমন - ডেঙ্গু ,ম্যালেরিয়া , ইত্যাদি বাড়ছে
কৃষি জমির উত্পাদনশীলতা হ্রাস পাচ্ছে এবং খাদ্য নিরাপত্তা
হীনতা জনিত অপুষ্টি দেখা দিচ্ছে  অতিরিক্ত গরম-ঠান্ডা
মারাত্মক অসুস্থ্যতার কারণ হিসেবে দেখা দিয়েছে যার ফলে
হাইপোথারমিয়া , হৃদরোগ এবং শ্বাসকষ্টজনিত রোগে
মানুষের মৃত্যুহার বাড়ছে  বৃদ্ধ ও শিশুরা এ সকল রোগে
বেশি আক্রান্ত এবং ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে

বৈশ্বিক উষ্ণতাজনিত জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে নিম্নলিখিত
ক্ষেত্রসমূহে ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়ছে -

* কৃষি
* পানি সম্পদ
* জনস্বাস্থ্য
* জীব বৈচিত্র এবং বনজ সম্পদ
* উপকূলীয় এলাকার প্রাকৃতিক সম্পদ
*অবকাঠামোসমূহ

ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (CDM ) এর
উল্লেখযোগ্য দিকসমূহ :

১. শিল্পোন্নত  (এনেক্স-বি ) দেশগুলোর সরকারী
   এবং বেসরকারী সংস্থাগুলো CDM (সি ডি এম )
   প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিনিয়োগ
   করে অর্জিত CER নিজেদের খাতে জমা করতে পারে

২. উন্নয়নশীল (নন এনেক্স-বি ) দেশগুলোর সরকারী
   বেসরকারী সংস্থাগুলো এ ধরনের প্রকল্পগুলো
   বাস্তবায়ন করবে- CDM প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নয়নশীল
   দেশসমূহে উন্নত প্রযুক্তি হস্তান্তরের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে

৩.উন্নয়নশীল দেশসমূহের CDM প্রকল্প গ্রহনের অন্যতম
   শর্ত হচ্ছে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করণ      

Certified Emission Resuction (CER)

CER হচ্ছে কোনো সিডিএম প্রকল্পের মাধ্যমে এবং
হ্রাসকৃত গ্রিনহাউজ গ্যাসের আন্তর্জাতিকভাবে সম্মত
পদ্ধতির (agreed method) মাধ্যমে নির্ণীত
পরিমান : ১টন CO২ সমতুল্যকে CER এর একক
হিসেবে ব্যবহার করা হয়

Emission Trading  ( ET )

Kyoto Protocal এর Article ১৭ অনুযায়ী
Kyoto protocal  এর Annex B ভুক্ত কোনো
দেশ তাদের জন্য নির্ধারিত emission এর সীমা
অতিক্রম করলে অন্য দেশের emission এর Permit -
এর উদ্বৃত্ত অংশ ক্রয় করে তার emission নির্ধারিত
সীমার মধ্যে রাখার পদ্ধতিই emission trading
পূর্ব ইউরোপের অধিকাংশ দেশ তাদের অনুমোদিত সীমার
কম emission করায় অন্যান্য পশ্চিম ইউরোপের
দেশের নিকট তাদের উদ্বৃত্ত emission ET এর মাধ্যমে
বিক্রয় করার সুযোগ পাচ্ছে - বিশ্বে European Union
Emissions Trading Scheme সবচেয়ে বড় ET
কার্যক্রম পরিচালনা করে
চলবে ..........

January 10, 2014

না .. আমি নই শুধু নারী ..
আমিও মানুষ
আমারও তো মন আছে ..
আছে জ্ঞান হুঁশ ।