October 31, 2014

বন্ধু'রা ..............
হায়! কান পেতে শুনি ওই বিদায়ের ঘন্টা
তোমাদের ছেড়ে যেতে কেঁদে ওঠে মনটা
তবু জানি যেতে হবে হোক যত কষ্ট
নিয়মের নীতি এই জানি সবে পষ্ট
তোমাদের থেকে তাই নিলাম বিদায়
ভুল কিছু হলে ক্ষমা করিও আমায় !!
sp



October 18, 2014

ধুমকেতু সুখ চাই না এমন
...........................
তীর্থের কাক হয়ে দিন গুনেছি
চাতকী চোখে পথ চেয়ে থেকেছি

জীবনের ভাড়ার-এ বাড়ন্ত সময়
.................................
সুলতানা পারভীন
...................
জীবনের দেয়াল জুড়ে চৌচির ফাটল-
মুখ ব্যদন করা হাহাকার যত..
কালের আঁচড়ে ক্ষত বিক্ষত,
আল্পনাময় সমান্তরাল দীঘল উঠোন-
খিড়কি দরজার চৌকাঠ জুড়ে,
উপোসী উইপোকার সদর্প চারণ-
উপুড় করা শুন্য হাঁড়ি-কলস,
আলো-তাপহীন অনাহারি ক্ষণ-
অশরীরী সময়ের অস্থির পলায়ন..
sp 

অকারণে মুখ খোলো না অনর্গল
অকাতরে বিবেক, বোধ-এর চোখ খুলে দাও....  
অনাচারে সুখ খুঁজো না সুনির্মল
অন্বেষণে দিগদিগন্তে জ্ঞানের প্রদীপ জ্বালাও....   
sp 

October 16, 2014

ঘুমায়োনা আর , জাগো , জেগে ওঠো সব একবার ফের
আর নয় পরাধীন- এখন হতে চির 'স্বাধীনতা' আমাদের

‘পদ্য জিনিসটা সমুদ্রের মতো-তার যা বৈচিত্র্য তা প্রধানত তরঙ্গের-কিন্তু গদ্যটা স্থলদৃশ্য, তাতে নানা মেজাজের রূপ আনা যায়-অরণ্য পাহাড় মরুভূমি সমতল অসমতল প্রান্তর কান্তার ইত্যাদি ইত্যাদি। জানা আছে, পৃথিবীর জলময় রূপ আদিম যুগের, স্থলের আবির্ভাব হাল আমলের। সাহিত্যে পদ্যটাও প্রাচীন, গদ্য ক্রমে ক্রমে জেগে উঠছে-তাকে ব্যবহার করা অধিকার করা সহজ নয়, সে তার আপন বেগে ভাসিয়ে নিয়ে যায় না-নিজের শক্তি প্রয়োগ করে তার উপর দিয়ে চলতে হয়-ক্ষমতা অনুসারে সেই চলার বৈচিত্র্য কত তার ঠিক নেই, ধীরে চলা, লাফিয়ে চলা, নেচে চলা, মার্চ করে চলা; তারপর না-চলারও কত আকার, কত রকমের শোয়া বসা দাঁড়ানো। বস্তুত গদ্যরচনায় আত্মশক্তির সুতরাং আত্মপ্রকাশের ক্ষেত্র খুবই প্রশস্ত। হয়তো ভাবীকালে সংগীতটাও বন্ধনহীন গদ্যের গূঢ়তর বন্ধনকে আশ্রয় করবে। কখনো কখনো গদ্যরচনায় সুরসংযোগ করবার ইচ্ছে হয়। লিপিকা কি গানে গাওয়া যায় না ভাবছো। মনে রাখা দরকার ভাষা এখন সাবালক হয়েছে, ছন্দের কোলে চড়ে বেড়াতে তার লজ্জা হবার কথা। ছন্দ বলতে বোঝাবে বাঁধা ছন্দ।’
[পথে ও পথের প্রান্তেঃ ৩৮ : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]
শুরুতেই স্বীকার করা ভালো, গদ্য-সম্পর্কিত এই রবীন্দ্রকথনটি আমার গোচরে ছিল বলেই, প্রস্তাবিত রচনা-প্রতিযোগিতায় আমি অংশ নিতে রাজি হয়েছি। পুরোটা না হলেও রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে আমি অনেকটাই একমত। আজকাল রবীন্দ্রনাথের কবিতার চেয়ে তাঁর রচিত গদ্যই আমি বেশি আগ্রহসহকারে পাঠ করি। আমি নিজে আজকাল কবিতার চেয়ে গদ্যরচনায় বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছি, তা বেশি আনন্দ পাচ্ছি, বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করছি বা পাঠক আমার গদ্যকে পছন্দ করছেন বলে নয়, রবীন্দ্রনাথের আত্মজৈবনিক গদ্য ও প্রবন্ধসাহিত্যবাচ্য রচনাসমূহ জ্ঞানের পরিধিকে বিস্তৃত করার পাশাপাশি আমার রসতৃষ্ণাকেও প্রবলভাবে নিবৃত্ত করে বলে।
‘জলময় আদিম পৃথিবীর মতো সাহিত্যে পদ্যটাও প্রাচীন-’ রবীন্দ্রনাথের এই ধারণার বিপরীতে আমাদের সামনে এক হাজার বছর পূর্বে রচিত জাপানি গদ্যের যে নিদর্শনটি রয়েছে, তার নাম দি টেইল অব গেঞ্জি। এবং ওই বিশাল গদ্যগ্রন্থের রচয়িত্রী হচ্ছেন জনৈকা মহিলা। রচয়িত্রীর নামটা ভুলে গেছি। এর ব্যাখ্যা কী তবে? মানুষ কি পদ্যের ভাষায় কথা বলতে শুরু করেছিল? এখনো বলে? না। আমার ধারণা, গদ্যটাই আগের। মানুষের বুকের ভাষা পদ্য হলেও তার মুখের ভাষা গদ্যই ছিল, আছে এবং থাকবে।
অলঙ্ঘনীয় ভেবে রবীন্দ্রনাথের পর্বতপ্রতিম কাব্যসমগ্রর সামনে আমি এখনো থমকে দাঁড়াই-এ রকম বললে নিজের সঙ্গে প্রতারণা করা হবে। তাঁর কাব্যের মুগ্ধতা থেকে নিজেকে মুক্ত করার সংগ্রামে আমার কিছুটা সাফল্য যে ফলেছে, তা কোনো কাব্যবেত্তার স্বীকৃতিলব্ধ তথ্য নয়, আমার নিজেরই বিনীত প্রত্যয়মাত্র। আশা করি, রবীন্দ্রভক্তরা আমার অপরাধ নেবেন না। আমার রবীন্দ্রভক্তির নিদর্শন তো আমার কাব্যসমগ্রর বহু পাতায়, বহুভাবে ছড়িয়ে রয়েছে। এখন আমার ভক্তি চাইছে প্রীতির প্রসাদ।
কিন্তু তাঁর গদ্যের গহিন অরণ্যে আমি আজও নিজেকে ‘পথহারা এক পথিক’ হিসেবেই বিবেচনা করি। পথহারা নাবিকের কাছে সমুদ্রতীরের বাতিঘর যেমন, আমার কাছে তেমনি তিনি, রবীন্দ্রনাথ, তাঁর রসঋদ্ধ গদ্যভাণ্ডার নিয়ে।
সম্প্রতি আমার একজন সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী আমার কাছে জানতে চেয়েছেন, ‘আপনার গদ্যও তো চমৎকার পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে। কখনো কি গদ্য লিখতে গিয়ে কবিতার চেয়ে বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করেছেন?’
তার প্রশ্নের উত্তরে আমি বলেছি-হ্যাঁ, আমার আত্মকথা ১৯৭১ প্রকাশের তিন মাসের মধ্যেই ফুরিয়ে গেছে। প্রায় ৩০০ পৃষ্ঠার ৩০০ টাকা দামের বই এটি। আশ্চর্য বটে, বইয়ের এই চড়া মূল্য বই বিক্রির পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। আমার কোনো কবিতার বই কখনোই এত দ্রুত ফুরিয়ে যায়নি। সুতরাং আমার গদ্যের ব্যাপারে ‘পাঠকপ্রিয়তা’র অভিযোগটি এখন উঠতেই পারে। পত্রিকাগুলোও লক্ষ করছি, আজকাল আমার কাছে কবিতার চেয়ে আমার গদ্যরচনাই বেশি করে চাইছে। এটা সুলক্ষণ কি না, এ নিয়ে তর্ক হতে পারে। কিন্তু এটা একটা নতুন লক্ষণ যে তা অস্বীকার করবার জো নেই। এর জন্য কাব্যকার আমি ও গদ্যকার আমির মধ্যে আমি কোনো বিরোধ দেখি না।
অনেক সময় কবিতা লেখার চেয়ে আমি গদ্যরচনায় বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করি। বিশেষ করে আমার আত্মজৈবনিক রচনা বা ভ্রমণকথা লেখার সময় আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি যে আমি যে গদ্যটি রচনা করতে চলেছি, তা আমার কাব্য-রচনার চেয়ে কোনো অর্থেই ঊনকর্ম নয়। কাব্যকে যদি আমি আমার কন্যা বলে ভাবি, তবে গদ্যকে পুত্রবৎ। ওরা দুজন তো আমারই সন্তান।
কাব্যলক্ষ্মী কন্যা যদি,
গদ্যপ্রবর পুত্রবৎ।
তবে, গদ্যরচনার জন্য আমি কৃতজ্ঞ যে যন্ত্রটির কাছে, সে হচ্ছে কম্পিউটার। বহু বছর ধরে আমি এই চমৎকার লিখনযন্ত্রটির ওপর নির্ভরশীল। কাগজের ওপর বলপেন বা ঝরনাকলম দিয়ে অক্ষরের পর অক্ষর বসিয়ে, বাক্যের পর বাক্য সাজানোর কথা আমি ভাবতে পারি না। যান্ত্রিক কারণে আমার কম্পিউটার বিকল হয়ে গেলে আমার লেখাও বন্ধ হয়ে যায়। যে বিজ্ঞানীরা এই যন্ত্রটি আবিষ্কার করে আমার গদ্যরচনার পথ সহজ করে দিয়েছেন, তাঁদের সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। অন্যথায় আমি গদ্যের মরুপথে পা বাড়াতাম বলে মনে হয় না। শুধু পদ্য নিয়ে থাকলে নিশ্চয়ই আমাকে অনেক আর্থিক কষ্ট ভোগ করতে হতো। আমার গদ্যসাধনা আমাকে অনিবার্য অর্থকষ্টের হাত থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছে।
এখন পুস্তকবাজারে আমার তিন খণ্ড কাব্যসমগ্রর পাশাপাশি তিন খণ্ড গদ্যসমগ্রও রয়েছে। খণ্ডবিচারে সমসংখ্যক হলেও পৃষ্ঠাসংখ্যার বিচারে আমার রচিত গদ্যের পরিমাণ কবিতার চেয়ে ঢের বেশি। ঈশ্বর আমাকে আরও অধিক, আরও উত্তম গদ্যরচনার তওফিক দান করুন, এই প্রার্থনা।
নির্মলেন্দু গুণ
- See more at: http://www.ebanglalibrary.com/nirmalendu/?p=1#more-1
দুরাশার মৃত্যু
-----------
সুকান্ত ভট্রাচার্য্য
-------------
দ্বারে মৃত্যু ,
বনে বনে লেগেছে জোয়ার ,
পিছনে কি পথ নেই আর ?
আমাদের এই পলায়ন
জেনেছে মরণ ,
অনুগামী ধুর্ত পিছে পিছে ,
প্রস্থানের চেষ্টা হলো মিছে

দাবানল !
ব্যর্থ হলো শুষ্ক অশ্রু জল ,
বেনামী কৌশল
জেনেছে যে আরণ্যক প্রাণী
তাই শেষে নির্মুল বনানী

 "কলম"
-------
সুকান্ত ভট্রাচার্য্য
-------------
কলম , তুমি কত না যুগ কত না কাল ধরে
অক্ষরে অক্ষরে
গিয়েছ শুধু ক্লান্তিহীন কাহিনী শুরু করে
কলম , তুমি কাহিনী লেখো , তোমার কাহিনী কি
দুঃখে জ্বলে তলোয়ারের মতন ঝিকিমিকি ?
কলম, তুমি শুধু বারংবার,
আনত করে ক্লান্ত ঘা'ড়
গিয়েছ লিখে স্বপ্ন আর পুরনো কত কথা ,
সাহিত্যের দাসত্বের ক্ষুধিত বশ্যতা
ভগ্ন নিব , রুগ্ন দেহ , জলের মত কালি ,
কলম , তুমি নিরাপদ তবুও গালাগালি
খেয়েছ আর সয়েছ কত লেখকদের ঘৃনা ,
কলম ,তুমি চেষ্টা কর ,দাঁড়াতে পারো কি না
হে কলম , তুমি ইতিহাস গিয়েছ লিখে
লিখে লিখে শুধু ছড়িয়ে দিয়েছ চতুর্দিকে।
কত না শতাব্দী , যুগ থেকে তুমি আজও আছ দাস ,
প্রত্যেক লেখায় শুনি কেবল তোমার দীর্ঘশ্বাস
দিন নেই , রাত্রি নেই , শ্রান্তিহীন , নেই কোনো ছুটি ,
একটু অবাধ্য হলে তক্ষুনি ভ্রুকুটি ;
এমনি করেই কাটে দুর্ভাগা তোমার বারো মাস ,
কয়েকটি পয়সায় কেনা , হে কলম , তুমি ক্রীতদাস
তাই যত লেখ ,তত পরিশ্রম এসে হয় জড়ো :
-কলম। বিদ্রোহ আজ। দল বেঁধে ধর্মঘট করো
লেখক স্তম্ভিত হোক , কেরানীরা ছেড়ে দিক হাঁফ ,
মহাজনী বন্ধ হোক , বন্ধ হোক মজুরের পাপ ;
উদ্বেগ-আকুল হোক প্রিয়া যত দূর দূর দেশে ,
কলম। বিদ্রোহ আজ , ধর্মঘট , হোক অবশেষে ;
আর কালো কালি নয় , রক্তে আজ ইতিহাস লিখে
দেওয়ালে দেওয়ালে এঁটে , হে কলম ,
আনো দিকে দিকে ।।

October 15, 2014


সুকান্ত ভট্রাচার্য্য
-------------
বিদ্রোহ আজ বিদ্রোহ চারিদিকে ,
আমি যাই তারি দিন-পঞ্জিকা লিখে ,
এত বিদ্রোহ কখনো দেখেনি কেউ ,
দিকে দিকে ওঠে অবাধ্যতার ঢেউ ;
স্বপ্ন-চুড়ার থেকে নেমে এসো সব ,
শুনেছো ? শুনছো উদ্দাম কলরব ?
নয়া ইতিহাস লিখছে ধর্মঘট ;
রক্তে রক্তে আঁকা প্রচ্ছদপট-
প্রত্যহ যারা ঘৃণিত ও পদানত ,
দেখো আজ তারা সবেগে সমুদ্যত ;
তাদেরই দলের পেছনে আমিও আছি ,
তাদেরই মধ্যে আমিও যে মরি-বাঁচি-
তাই তো চলেছি দিন-পঞ্জিকা লিখে-
বিদ্রোহ আজ , বিপ্লব চারিদিকে-



ঐতিহাসিক
-----------
সুকান্ত ভট্রাচার্য্য
--------------
আজ এসেছি তোমাদের ঘরে ঘরে
পৃথিবীর আদালতের পরোয়ানা নিয়ে
তোমরা কি দেবে আমার প্রশ্নের কৈফিয়ৎ






  

October 12, 2014

আমি তো যাইনি কোথাও
---------------------
যেখানে ছিলাম আছি তো সেখানেই
কোথাও যাইনি চলে !
অজানার পথে পাড়ি দিয়ে নিজেই
অচেনা তুমিই হলে !

October 11, 2014

বাঙালীর দূরবস্থা....
------------------
সুলতানা পারভীন
------------------
সম্প্রতি কোনো এক বিশেষ বুজুর্গ ব্যক্তি...
(নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক)- তিনি আল্লাহের
রাহে- তার ইবাদত বন্দেগীতে জীবন উত্সর্গ
করেছেন.... আল্লহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে
তিনি সাত দিনের জন্য গভীর জঙ্গলে চলে গেলেন
নিরবে নিশ্চিন্তে আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায়
ধ্যানমগ্ন হবেন-
একদিন গেলো দুইদিন গেলো...তৃতীয় দিন ঐ ব্যক্তি
নিজের অজান্তেই খানিক'টা ঘুমিয়ে পড়লেন-
তিনি স্বপ্নে দেখলেন... আল্লাহর আরশ থেকে...
হযরত জিব্রাইল (আ:)তার জন্য ওহী (বার্তা) নিয়ে এসেছেন...
 তিনি বলছেন , হে আল্লাহর প্রিয় বান্দা-
আল্লাহ পাক পরওয়ারদিগার তোমার ইবাদাতে সন্তুষ্ট...
বলো তুমি কি চাও ? আল্লাহ তোমার মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করবেন...
বুজুর্গ ব্যক্তি যারপর নাই খুশি হয়ে আল্লাহর শুকরিয়াহ আদায়
করলেন... এবং বললেন....আমি জীবিত অবস্থায়-ই বেহেস্তের সুখ-
-দোজখের যন্ত্রণা অবলোকন করতে চাই...
জিব্রাইল (আ:) বললেন- তথাস্তু... তুমি আগামী বৃহস্পতি-শুক্র-শনি
এই তিন দিন মৃত ব্যক্তির ন্যায় কাফন দাফন নিয়ে কবরে অবস্থান
নিবে- ঠিক তিন দিন পর যেন তোমার স্বজনেরা তোমাকে কবর হতে
তুলে নেয়- এই বলে জিব্রাইল (আ:) বিদায় নিলেন... লোকটির ঘুম
ভেঙ্গে গেলো... জঙ্গল হতে বাড়ি ফিরে এলেন তিনি , ছেলেদের নিকট
বিস্তারিত বর্ণনা করলেন এবং নির্দেশ দিলেন আল্লাহর আদেশ পালনের-
ছেলেরা বাবার কথা মত কাফন দাফন করে তাকে কবরস্থ করলো-
অতঃপর যথা নিয়মে মুনকির-নকির দুই ফেরেস্তা এলেন সওয়াল-জওয়াব
পর্ব শেষ হলো , পরিশেষে এলেন জিব্রাইল (আ:)- তাকে নিয়ে চললেন
বেহেস্তের পথে... বেহেস্তে প্রবেশ করেই..তিনি চারিদিকের নয়নাভিরাম দৃশ্য
দেখে... শান্তিতে চোখ বুজে ফেললেন... ঘুরতে ঘুরতে

October 10, 2014

বাঙালীর দূরবস্থা....
------------------
সুলতানা পারভীন
------------------
সম্প্রতি কোনো এক বিশেষ বুজুর্গ ব্যক্তি...
(নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক)- তিনি আল্লাহের
রাহে- তার ইবাদত বন্দেগীতে জীবন উত্সর্গ
করেছেন.... আল্লহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে
তিনি সাত দিনের জন্য গভীর জঙ্গলে চলে গেলেন
নিরবে নিশ্চিন্তে আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায়
ধ্যানমগ্ন হবেন-
একদিন গেলো দুইদিন গেলো...তৃতীয় দিন ঐ ব্যক্তি
নিজের অজান্তেই খানিক'টা ঘুমিয়ে পড়লেন-
তিনি স্বপ্নে দেখলেন... আল্লাহর আরশ থেকে...
হযরত জিব্রাইল (আ:)তার জন্য ওহী (বার্তা) নিয়ে এসেছেন...
 তিনি বলছেন , হে আল্লাহর প্রিয় বান্দা-
আল্লাহ পাক পরওয়ারদিগার তোমার ইবাদাতে সন্তুষ্ট...
বলো তুমি কি চাও ? আল্লাহ তোমার মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করবেন...
বুজুর্গ ব্যক্তি যারপর নাই খুশি হয়ে আল্লাহর শুকরিয়াহ আদায়
করলেন... এবং বললেন....আমি জীবিত অবস্থায়-ই বেহেস্তের সুখ-
-দোজখের যন্ত্রণা অবলোকন করতে চাই...
জিব্রাইল (আ:) বললেন- তথাস্তু... তুমি আগামী বৃহস্পতি-শুক্র-শনি
এই তিন দিন মৃত ব্যক্তির ন্যায় কাফন দাফন নিয়ে কবরে অবস্থান
নিবে- ঠিক তিন দিন পর যেন তোমার স্বজনেরা তোমাকে কবর হতে
তুলে নেয়- এই বলে জিব্রাইল (আ:) বিদায় নিলেন... লোকটির ঘুম
ভেঙ্গে গেলো... জঙ্গল হতে বাড়ি ফিরে এলেন তিনি , ছেলেদের নিকট
বিস্তারিত বর্ণনা করলেন এবং নির্দেশ দিলেন আল্লাহর আদেশ পালনের-
ছেলেরা বাবার কথা মত কাফন দাফন করে তাকে কবরস্থ করলো-
অতঃপর যথা নিয়মে মুনকির-নকির দুই ফেরেস্তা এলেন সওয়াল-জওয়াব
পর্ব শেষ হলো , পরিশেষে এলেন জিব্রাইল (আ:)- তাকে নিয়ে চললেন
বেহেস্তের পথে... বেহেস্তে প্রবেশ করেই..তিনি চারিদিকের নয়নাভিরাম দৃশ্য
দেখে... শান্তিতে চোখ বুজে ফেললেন

বাঙালীর দূরবস্থা....
------------------
সুলতানা পারভীন
------------------
সম্প্রতি কোনো এক বিশেষ বুজুর্গ ব্যক্তি...
(নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক)- তিনি আল্লাহের
রাহে- তার ইবাদত বন্দেগীতে জীবন উত্সর্গ
করেছেন.... আল্লহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে
তিনি সাত দিনের জন্য গভীর জঙ্গলে চলে গেলেন
নিরবে নিশ্চিন্তে আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায়
ধ্যানমগ্ন হবেন-
একদিন গেলো দুইদিন গেলো...তৃতীয় দিন ঐ ব্যক্তি
নিজের অজান্তেই খানিক'টা ঘুমিয়ে পড়লেন-
তিনি স্বপ্নে দেখলেন... আল্লাহর আরশ থেকে হযরত জিব্রাইল (আঃ)
তার জন্য ওহী (বার্তা) নিয়ে এসেছেন... তিনি বলছেন ,
হে আল্লাহর প্রিয় বান্দা- আল্লাহ পাক পরওয়ারদিগার তোমার
ইবাদাতে সন্তুষ্ট  
 ।

October 9, 2014

থৈ থৈ জোনাকের জোয়ারে
..........................

এই হৃদয়ের মানচিত্র ক্ষত বিক্ষত
হানাদার হায়নার আঘাতে নিহত

তুই ব্যাটা বেয়াদব মহা বজ্জাত
চড়িয়ে ফেলে দেবো বত্রিশ দাঁত
খেয়েছিস যতটুকু আমারই নুন
গেয়েছিস কখনো খানিক'টা গুন !
যা কিছু তোর্ বলে করিস দাবী
কানাকড়ি কিছু ভেবেছিস পাবি !
ওরে বোকা মূর্খ হুঁশ নাই তোর্
নিয়েছিলি কর্জ বাঁধা রেখে ঘর !
 

October 8, 2014

নারী কি শুধুই নারী !
পুরো নারী জাতীকে কটাক্ষ করে যারা
কোন শিক্ষা-সভ্যতায় মানুষ হয় তারা !
যে নারীর গর্ভে ১০ মাস নির্বিঘ্নে বেঁচে...


করেছো মিছেই সাধন ভজন
রাখোনি তো কোনো খবর 
বিবাগী এ মন বোঝনি কখন
অভিমানে নিয়েছে কবর

October 7, 2014

করছো মিছেই সাধন ভজন 
রাখোনি তো কোনো খবর 
বিবাগী এই হৃদয় যে কখন 

সুলতানা পারভীন 
------------------------
মরণোত্তর ........
-------------------------
হায় সাজাসনে আমারে তোরা
ঐ আতর গোলাপ চন্দনে 
ওরে ধুপের গন্ধে ভরাসনে দিক
ঢাকিসনা আমায় কাফনে
চার কান্ধেতে নিস না আমায় 
শোওয়াসনে যেন কবরে 
আহা ডাকিসনা রে পাড়া পড়শী 
রাখিসনা কোনো খবরে 
আমি ছিলাম বেঁচে থাকবো সদা 
পঁচাসনে ওই মাটির তলে 
ওরে বিধির দান এই অঙ্গ আমার 
পোড়াসনে তোরা অনলে 
"দু'নয়ন মোর অন্ধ জনে-
দান করে দে খুশি মনে "
সে আমার চোখে দেখুক জগৎ 
কাঁদাসনে গো অভাজনে !!   

October 2, 2014

শব্দ পাখিরা ডানা ঝাপটায়
-----------------------
না- দেবোনা তোমায় আর...
কিচ্ছু দেবোনা-
সে তুমি যা খুশি তাই ...
অনেক দিয়েছি- শুন্য হয়েছি...
অবশেষে........
যে টুকু রেখেছি ধরে
হৃদয়ের গোপন ঘরে
----------------------
মুঠো বন্দী স্বপ্ন রাশি