March 31, 2014

অবোধ্য কবিতা'রা ........
মোম ছুঁয়েছে আগুন-
আগুন ছুঁয়েছে জল
জল ছুঁয়েছে চোখের পাতা  
চোখে শ্রাবণ ঢল!!
শ্রাবণ ছুঁয়েছে মেঘ-
মেঘ ছুঁয়েছে আকাশ  
আকাশ ছুঁয়েছে সাগর-
সাগর ছুঁয়েছে ঢেউ
ঢেউ ছুঁয়েছে সৈকতি মন
মনের নাই তো কেউ !!
sp
 

March 30, 2014

 "যা জেনে রাখা জরুরি"
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও পরিবেশ

বাংলাদেশ, দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ, যা ২৬° ৩৮' উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২০° ৩৪' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮° ০১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯২° ৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত। এই দেশটির পশ্চিম, উত্তর, আর পূর্ব সীমান্ত জুড়ে রয়েছে ভারত। পশ্চিমে রয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য। উত্তরে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয় রাজ্য। পূবে আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম। তবে পূর্বদিকে ভারত ছাড়াও মিয়ানমারের (বার্মা) সাথে সীমান্ত রয়েছে। দক্ষিণে রয়েছে বঙ্গোপসাগর। ভূতাত্ত্বিকভাবে, দেশটি থেকে উত্তর দিকে রয়েছে সুউচ্চ হিমালয় পার্বত্যাঞ্চল, যেখান থেকে বরফগলা পানির প্রবাহে সৃষ্ট বড় বড় নদী (গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, মেঘনা ইত্যাদি) বাংলাদেশের ভিতর দিয়ে প্রবহমান এবং নদীগুলো গিয়ে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে পড়ছে। বর্ষাকালে নদীবাহিত পানির প্রবাহ বেড়ে গেলে নদী উপচে পানি লোকালয়ে পৌঁছে যায়, এবং দেশটি এভাবে প্রায় প্রতি বছরই বন্যায় আক্রান্ত হয়।[৬] এই দেশটির প্রায় মাঝখান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে এবং এর আবহাওয়াতে নিরক্ষীয় প্রভাব লক্ষ করা যায়। বছরে বৃষ্টিপাতের মাত্রা ১৫০০-২৫০০মিলিমিটার (৬০-১০০ইঞ্চি); পূর্ব সীমান্তে এই মাত্রা ৩৭৫০ মিলিমিটার (১৫০ইঞ্চির বেশি)। স্বাভাবিক অবস্থায় গড় তাপমাত্রা ২৫° সেলসিয়াস। আবহমান কাল থেকে এদেশে ঋতুবৈচিত্র্য বর্তমান ছিল, ছয়টি ঋতুর বৈশিষ্ট্য আলাদা আলাদাভাবে এই দেশে উপলব্ধ হয়; গ্রীষ্ম-বর্ষা-শরৎ-হেমন্ত-শীত-বসন্ত -এই ছয় ঋতুর কারণে দেশটিকে ষড়ঋতুর দেশও বলা হয়ে থাকে। নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত হালকা শীত অনুভূত হয়। মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত গ্রীষ্মকাল চলে। জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এদেশে মৌসুমী বায়ু সক্রীয় থাকে[৭], তাই জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত চলে বর্ষা মৌসুম। এসময় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়, যা অনেক সময়ই বন্যায় ভাসিয়ে দেয়। এছাড়াও মৌসুমী বায়ুপ্রবাহের আগমুহূর্তে কিংবা বিদায়ের পরপরই স্থলভাগে ঘূর্ণিঝড়, টর্নেডো, কিংবা সাগরে নিম্নচাপ, জল-ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ সৃষ্টি হয়[৭], যার আঘাতে বাংলাদেশ প্রায় নিয়মিতই আক্রান্ত হয়। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের প্রত্যক্ষ প্রভাবে বাংলাদেশের এই স্বাভাবিক চিত্রটি এখন অনেকখানি বদলে গেছে। তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত, বায়ুপ্রবাহ, সমুদ্রস্তর -সর্বদিক দিয়ে সংঘটিত এ সকল পরিবর্তন বাংলাদেশে, জলবায়ুগত স্থূল পরিবর্তন সৃষ্টি করেছে।

১. বাংলাদেশ
২. মিয়ানমার
৩. হন্ডুরাস
৪. ভিয়েতনাম
৫. নিকারাগুয়া
৬. হাইতি
৭. ভারত
৮. ডমিনিক প্রজাতন্ত্র
৯. ফিলিপাইন
১০. চীন
জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকায় শীর্ষে বাংলাদেশ। সূত্র: জার্মান ওয়াচ।[১]

বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ;





বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বলতে বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশে যে অস্থায়ী কিংবা স্থায়ী নেতিবাচক এবং ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে, তার যাবতীয় চুলচেরা বিশ্লেষণকে বোঝাচ্ছে। UNFCCC বৈশ্বিক উষ্ণায়নকে মানুষের কারণে সৃষ্ট[২], আর জলবায়ুর বিভিন্নতাকে অন্য কারণে সৃষ্ট জলবায়ুর পরিবর্তন বোঝাতে ব্যবহার করে। কিছু কিছু সংগঠন মানুষের কারণে সৃষ্ট পরিবর্তনসমূহকে মনুষ্যসৃষ্ট (anthropogenic) জলবায়ুর পরিবর্তন বলে। তবে একথা অনস্বীকার্য যে, বিশ্বব্যাপি জলবায়ুর পরিবর্তন শুধুমাত্র প্রাকৃতিক কারণেই নয়, এর মধ্যে মানবসৃষ্ট কারণও সামিল। এই নিবন্ধে "বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন" বলতে শ্রেফ প্রাকৃতিক কারণে জলবায়ু পরিবর্তনকে বোঝানো হচ্ছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পরিবেশের বিপর্যয়ের এই ঘটনাকে বাংলাদেশ সরকারের বাংলাদেশ বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় কর্তৃক নব্বইয়ের দশকে প্রণীত ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্ট ম্যানেজমেন্ট এ্যাকশন প্ল্যান (NEMAP)-এ দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।[৩] কোনো দেশে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সত্যিই পড়ছে কিনা, তা চারটি মানদন্ডে বিবেচনা করা হয়:
১. জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ
২. কোথায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ বেশি হচ্ছে
৩. সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা কোথায় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে
৪. ক্ষতিগ্রস্থ দেশটি ক্ষতি মোকাবিলায় বা অভিযোজনের জন্য এরই মধ্যে কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে।
বাংলাদেশে একাধারে সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা সমস্যা, হিমালয়ের বরফ গলার কারণে নদীর দিক পরিবর্তন, বন্যা ইত্যাদি সবগুলো দিক দিয়েই ক্ষতিগ্রস্থ হবে এবং হচ্ছে। এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাত্রাও অনেক অনেক বেশি। মালদ্বীপ, টুভ্যালু, টোবাগো -এদের সবার ক্ষেত্রেই এই সবগুলো মানদন্ডই কার্যকর নয়। তাছাড়া মালদ্বীপের মোট জনসংখ্যা বাংলাদেশের অনেক জেলার জনসংখ্যার চেয়েও কম।[৪] তাই এই চারটি মানদন্ডেই বাংলাদেশ, জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকায় শীর্ষে।
আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান জার্মান ওয়াচ-এর ২০১০ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত গ্লোবাল ক্লাইমেট রিস্ক ইনডেক্স (CRI) অনুযায়ী জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে ক্ষতির বিচারে শীর্ষ ১০টি ক্ষতিগ্রস্থ দেশের মধ্যে প্রথমেই অবস্থান করছে বাংলাদেশ। এই সমীক্ষা চালানো হয় ১৯৯০ থেকে ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ১৯৩টি দেশের উপর। উল্লেখ্য, উক্ত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রকাশিত ২০০৭ এবং ২০০৮ খ্রিস্টাব্দের প্রতিবেদনেও বাংলাদেশ সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ দেশ।[১][৫] জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে ক্ষতিগ্রস্থতার বিচারে বিশ্বব্যাপী গবেষকগণ বাংলাদেশকে পোস্টার চাইল্ড (Poster Child) হিসেবে আখ্যা দিয়ে থাকেন।[৫]
চলবে....
"জলবায়ু পরিবর্তন" (climate change)
এই অধ্যায়ে আপনারা জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে একটি ধারাবাহিক নির্দেশনা পাবেন।
জলবায়ু পরিবর্তন কি?
এর কারণ কি?
এর জন্য মানুষ কিভাবে দায়ী?
আমাদের হাতে অতীত ও বর্তমান জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত কিধরনের বাস্তব প্রমাণ রয়েছে?
দৃশ্যত আমাদের ভবিষ্যত কেমন হতে পারে?
জলবায়ু পরিবর্তন বলতে আমরা কি বুঝি?
জলবায়ু পরিবর্তন বলতে ৩০ বছর বা তার বেশি সময়ে জলবায়ুর উপাদান যেমন তাপমাত্রা বা বৃষ্টিপাতের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনকে বোঝায়। যদি সত্যি জলবায়ু পরিবর্তন ঘটে থাকে তাহলে ৩০ বছরের গড় তাপমাত্রা, বা বৃষ্টিপাত অথবা রোদ্রোজ্জ্বল দিনের সংখ্যা পরিবর্তিত হচ্ছে।
আবহাওয়া এবং জলবায়ুকে খুব সহজেই মিলিয়ে ফেলা যায়।
এক্ষেত্রে সাধারণভাবে চিন্তা করার উপায় আছে: জলবায়ু হচ্ছে আমরা কি আশাকরি (যেমন: অত্যন্ত ঠান্ডা শীতকাল) এবং আবহাওয়া হচ্ছে আমরা কি দেখি (যেমন: বৃষ্টি)। আবহাওয়া হচ্ছে কোন একটি নির্দিষ্ট স্থানের নির্দিষ্ট সময়ের (সর্বোচ্চ ৭ দিনের) বায়ুমন্ডলের অবস্থা যা সাধারণত ঠান্ডা, গরম, আর্দ্রতা, বাতাসের গতিবেগ, মেঘের অবস্থা, বৃষ্টিপাত ইত্যাদির অবস্থা বুঝায়। আর জলবায়ু হচ্ছে কোন অঞ্চলের আবহাওয়া বা বায়ুমন্ডলের উপাদানসমূহের দীর্ঘদিনের (কমপক্ষে ৩০ বছরের) গড়।
১৯০০ সাল থেকে পৃথিবীর জলবায়ু উত্তপ্ত হচ্ছে। তবে এই উষ্ণতা বৃদ্ধি পৃথিবীর সর্বত্র সমানভাবে ঘটেনি বরং ভৌগলিক অবস্থানগত কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন মাত্রায় তাপমাত্রার এই পরিবর্তন ঘটেছে।
সূর্য কি জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী?
এটা সত্য যে, সূর্য থেকে আগত আলো ও তাপের তারতম্য বৈশ্বিক তাপমাত্রাকে প্রভাবিত করে। পৃথিবীর জলবায়ুর উপর সূর্য থেকে আগতশক্তি (মূলত আলো ও তাপ) এবং সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর কক্ষপথের পরিবর্তনের একটি প্রভাব রয়েছে। আনুমানিক ৩০ লক্ষ বছর ধরে প্রাকৃতিক নিয়মেই বরফ যুগের আবির্ভাব ও পরিসমাপ্তি ঘটেছে। এসকল ঘটনা যে মিলানকোভিচ এর ন্যায় কক্ষপথের নিয়মিত তারতম্যের সাথে সম্পর্কযুক্ত তার যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। এই চক্রগুলো পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান কর্তৃক গৃহীত সৌরশক্তির মাত্রাতে পরিবর্তন আনে তবে গত ৫০ বছরে সৌরশক্তির পরিবর্তনের চেয়ে গ্রীণহাউজ গ্যাসের ঘনত্ব বৃদ্ধির প্রভাব পরিলক্ষিত হয়েছে অনেক বেশি।
বিগত ১০০ বছরে কি কারণে তাপমাত্রা বেড়েছে
বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে বায়ুমন্ডলে গ্রীনহাউজ গ্যাসের মাত্রা বৃদ্ধি এবং সূর্যরশ্মি থেকে নির্গত শক্তির পরিবর্তনের কারনে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বেড়েছে । বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধ্বে মূলত গ্রীণহাউজ গ্যাসের ঘনত্ব বৃদ্ধির কারণেই উষ্ণতা বেড়েছে।
শিল্পকারখানা থেকে নিঃসরিত সালফেট কণা সৌর বিকিরণকে প্রতিফলিত করে এবং এর ফলে এটি জলবায়ুকে শীতল রাখতে ভূমিকা রাখে । এই কণিকা ১৯৪০ থেকে বেশ কিছু দশক পর্যন্ত উষ্ণতাকে আড়াল করে রাখতে সাহায্য করতো, কিন্তু এই বিষাক্ত পদার্থগুলোর কমে যাওয়ায় এবং সেই সাথে গ্রীণহাউজ গ্যাসের নিয়মিত ঘনত্ব বৃদ্ধিতে ১৯৭০ সাল থেকে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি নতুন করে বাড়িয়ে তোলে।
গ্রীণ হাউজ ইফেক্ট কি?
বায়ুমন্ডলে বিভিন্ন গ্যাস সূর্যরশ্মির তাপ আটকে রেখে পৃথিবীকে উষ্ণ রাখে। এ ধরণের গ্যাসসমূহকে গ্রীণহাউজ গ্যাস বলে। গ্রীণহাউজ গ্যাসগুলোর প্রভাবেই পৃথিবীর গড় উষ্ণতা বসবাসযোগ্য পর্যায়ে এসেছে। তা না হলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা দাঁড়াত ও হিমাঙ্কের নিচে ১৭ ডিগ্রি সেঃ বা তারও কম।
পৃথিবীর তাপমাত্রা নির্ধারিত হয় সূর্য থেকে আগত দৃশ্যমান আলোকরশ্মির বিকিরণ শক্তি এবং ভূ-পৃষ্ঠের উপরিভাগ থেকে ধারাবাহিকভাবে নিঃসরিত নিম্নশক্তির অদৃশ্য তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের আকারে তাপশক্তি হিসেবে মহাশূণ্যে ফিরে যাওয়ার মধ্যকার ভারসাম্যের উপর।
সূর্য থেকে আগত শক্তি মোটামুটি অপরিবর্তিতভাবে স্বচছ বায়ুমন্ডলকে ভালভাবে ভেদ করে এবং ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগকে উত্তপ্ত করে। বায়ুমন্ডলের কিছু গ্যাস ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগ থেকে আগত নিম্ন শক্তির তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের অংশবিশেষকে ধরে রাখে এবং এর কিছু অংশ নিচের দিকে পুনরায় বিকিরিত হতে থাকে। এর ফলে ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগ এবং বায়ুমন্ডলের নিচের অংশ উত্তপ্ত হয়ে উঠে। একেই গ্রীণহাউজ প্রতিক্রিয়া বলে।
প্রাথমিকভাবে বায়ুমন্ডলে তাপ শোষণকারী গ্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে জলীয়বাষ্প (দুই-তৃতীয়াংশ ইফেক্টের জন্য দায়ী) এবং কার্বন-ডাই-অক্সাইড। মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ওজোন এবং অন্যান্য গ্যাসগুলো বায়ুমন্ডলে স্বল্পমাত্রায় রয়েছে যা গ্রীণহাউজ ইফেক্টে ভূমিকা রাখে। গ্রীণহাউজ ইফেক্ট ছাড়া পৃথিবী বর্তমানের তুলনায় গড়ে ৩৩ ডিগ্রী সেলসিয়াস শীতল থাকতো।
জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য আর কি দায়ী হতে পারে?
আগ্নেয়গিরির উদগিরণ নিশ্চিতভাবে বেশ ভালো ভূমিকা রাখে। বিংশ শতাব্দীতে জলবায়ু পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পারে এরূপ তিনটি বড় বড় উদগিরণ হয়েছে - ইন্দেনেশিয়ার আগাং (১৯৬৩), মেক্সিকোর এলচিখোন (১৯৮২) এবং ফিলিপিনসের পিনাতুবো (১৯৯১) তে।
আগ্নেযগিরির প্রবল উদগিরণ থেকে নির্গত পদার্থকণা (অংশবিশেষ) মেঘমালার সবচেয়ে উঁচু স্তরে এবং স্ট্রেটোস্ফিয়ার স্তর পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যেখানে এগুলো সূর্য থেকে আগত সৌরশক্তির প্রতিফলনের পরিমানকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করে। আগ্নেয়গিরির প্রবল উদগিরণ কখনও বৈশ্বিক তাপমাত্রাকে মাস খানিকের জন্য অথবা কয়েক বছরের জন্য ০.৫ ডিগ্রী সেঃ এর মত হ্রাস করতে পারে।
যাইহোক শুধুমাত্র আগ্নেয়গিরির উদগিরণই জলবায়ুকে প্রভাবিত করে না। পৃথিবীতে শক্তির বিকিরণের ভারসাম্য পরিবর্তনের তিনটি উপায় আছে:
১. সূর্য থেকে আগত শক্তির পরিবর্তনের মাধ্যমে, উদাহরণস্বরূপ, পৃথিবীর কক্ষপথের পরিবর্তন বা সূর্যের নিজস্ব কোন পরিবর্তন,
২. সৌর বিকিরণের যে অংশ প্রতিফলিত হয় তার পরিবর্তনের মাধ্যমে উদাহরণস্বরূপ, মেঘের আবরণ, উদ্ভিদসমূহ (মেঘের স্তর, ভূপৃষ্ঠের সবুজ আচ্ছাদন) বা বায়ুমমণ্ডলে উপস্থিত কণিকার পরিবর্তন; যেমন: আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুতপাত থেকে নির্গত পদার্থ সমূহ বা সালফেট এরোসল,
৩. গ্রীণহাউজ গ্যাসের ঘনত্বের পরিবর্তন, উদাহরণস্বরূপ, শিল্পবিপ্লবের যুগে বায়ুমন্ডলে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমান ৩৫% এর মত বৃদ্ধি পায়, এবং অতি পরিচিত মানব কর্মকান্ডের ফলে এই বৃদ্ধি ঘটে, প্রাথমিকভাবে এর মধ্যে রয়েছে জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো এবং বনভূমি উজাড়।
কিভাবে গ্রীণ হাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলে জলবায়ু পরিবর্তিত হয়েছে?
আমাদের বায়ুমন্ডলে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট গ্যাস যেমন: কার্বন-ডাই-অক্সাইড এবং মিথেনের এক ধরনের তাপ ধারণক্ষম প্রভাব রয়েছে, যা ছাড়া আমাদের পৃথিবী হয়তো বরফ আচ্ছাদিত হয়ে থাকতো। তবে বায়ুমন্ডলে গ্রীণহাউজ গ্যাসের মাত্রা বেড়ে গিয়ে মহাশূণ্যে তাপ নির্গমনে বাধার সৃষ্টি করছে যার ফলাফল হচ্ছে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন।
যখন বায়ুমন্ডলে গ্রীণহাউজ গ্যাসের মাত্রা বেড়ে যায় তখন স্বাভাবিকভাবেই মহাশূণ্যে তাপের বিকিরণ কমে যায় এবং বৈশ্বিক তাপমাত্রা বেড়ে যায়- যা “বৈশ্বিক উষ্ণায়ন'' হিসেবে পরিচিত।
গত দেড়শ বছরে শিল্পবিপ্লবের সূচনা লগ্ন থেকে মানুষের কর্মকান্ডই মূলত, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, মিথেন, এবং নাইট্রাস অক্সাইড এই তিনটি প্রধান গ্রীণহাউজ গ্যাসের নির্গমন বাড়িয়েছে। সময়ের সাথে সাথে আমাদের বায়ুমন্ডলে এই গ্যাসগুলো জমে জমে ঘনত্ব বাড়িয়ে তুলছে।
কার্বন-ডাই-অক্সাইড (CO₂)
পরিবহন, শক্তি, দালানকোঠা শীতলীকরণ ইত্যাদি কাজের জন্য আমাদের জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কার্বন-ডাই-অক্সাইডের (CO₂) নির্গমন বাড়িয়ে দেয়। বনউজাড় এর ফলেও কার্বন ডাই অক্সাইডের নিঃসরণ বাড়ে কারণ এতে গাছপালা দ্বারা কার্বন শোষণ কমে যায়।
মিথেন (CH₄)
কৃষি, প্রাকৃতিক গ্যাসের বন্টন এবং ল্যান্ডফিলের সাথে সম্পৃক্ত মানুষের কর্মকান্ড মিথেনের (CH₄)
নির্গমন দ্বিগুন করেছে। নিমজ্জিত ধানক্ষেত এবং গবাদি পশু বিশেষত গরু ও মহিষের শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথেও মিথেন গ্যাস নির্গত হয়।
নাইট্রাস অক্সাইড
সার ব্যবহার এবং জীবাশ্ম জ্বালানি দহনের মত মনুষ্য কর্মকান্ডের দরুণ নাইট্রাস অক্সাইডের নির্গমন ঘটে।
আরও যা জানা উচিত
বায়ুমন্ডলের নিম্নস্তরে আরও কিছু গ্যাস যেমন: সিএফসি (যেগুলোর নির্গমন উল্লেখযোগ্য হারে কমছে) এবং ওজোন রয়েছে, যেগুলো “গ্রীণহাউজ প্রতিক্রিয়ায়” অংশগ্রহণ করে।
জলীয়বাষ্প বায়ুমন্ডলে পরিমাণে সর্বাধিক এবং অত্যন্ত গুরূত্বপূর্ণ একটি গ্রীণহাউজ গ্যাস। তবে বায়ুমন্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণের উপর মানুষের কর্মকান্ড খুবই সামান্য প্রভাব রাখে। পরোক্ষভাবে মানুষ জলবায়ু পরিবর্তনের মাধ্যমে বায়ুমন্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণকে প্রভাবিত করতে পারে কারণ উষ্ণ বায়ুমন্ডল অধিক জলীয়বাষ্প ধারণ করতে পারে।
এ্যারোসল হল বিভিন্ন আকারের ঘনত্বের ও রাসায়নিক গঠনের ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র কণিকা যা বায়ুমন্ডলে অবস্থান করে। জীবাশ্ম জ্বালানী এবং জৈব বস্তু দহন সালফার, জৈব যৌগ এবং কালো কার্বনে সমৃদ্ধ এরোসলের বৃদ্ধি ঘটায়।
.....................

 undefinedundefinedundefinedundefined

undefined      
পরবর্তী আলোচনা....                                          
বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব-

March 27, 2014

"ধুসর পৃথিবী"
চোখের জলে শ্যাওলা সময়ের 
পরতে পরতে প্রগাড় ছায়া-
মুখব্যদন করে আছে বিমূর্ত
বিভীষিকা...... !!
তবু বেঁচে থাকা-
নিয়ে জীবনের আগাগোড়াই স্যাঁতস্যাঁতে
নিরুত্তাপ কারুকাজ হীন অন্তপুরে আকন্ঠ 
বিবমিষা ...... !!
১.
দোহাই কবিতারা-
এসো নাকো আর ..
এখন শ্রেষ্ঠ সময় 
যুদ্ধে যাবার...
২.
শপথের সংসারে স্বার্থ অহংকারে  
করি পদাঘাত....
গতানুগতিক ছোঁকে বাঁধা বর্ণ বিহীন
জীবনের গন্ডি পেরিয়ে চলো..
ভেসে যাই...... 
উথাল পাথাল হৃদয় মাতাল স্বপ্ন রঙিন  
তরী ভাসিয়ে স্রোতে ....
বর্ণিল কোনো মোহনায় ....!!
৩.
আজকে তোমার স্মৃতির মিনার
অবহেলায় গুড়িয়ে দিলাম !
তোমার আশায় পথো চাওয়ার 
দৃষ্টি'টাকে ঘুরিয়ে নিলাম !

















March 26, 2014

ভীরু.... 
হৃদয়ের প্রান্তরে নিরাশার দাবানলে
পুড়ে ছাই স্বপনের কলি ,
তবু..... 
বেদনার আঁখি জলে কষ্টের রং গুলে  
জীবনের ছবি এঁকে চলি !
sp

March 25, 2014

"অঙ্গীকার" 
সত্যি এবার আমি উঠে দাঁড়াবো
অনাচার যত দু'পায়ে মাড়াবো !
নিরবে সইবোনা কোনো অবিচার
রুখে দেবো নির্মম যতো অত্যাচার !!
সজোরে ছিনিয়ে নেবো সে অধিকার
স্ব-জাতীর কাছে এ মম অঙ্গীকার !
২.
অনাদি কাল ধরে অন্তবিহীন চলেছি ছুটে
যেন উল্কার বেগে .. দিশাহীন দিগ্ভ্রান্ত সম ..
প্রবাহিনী সময়ের হাত ধরে....
অবসর নাই থামিবার ! 
৩.
চেতনার আঁতুড় ঘরে স্তব্ধ মহাকাল-
শুষে নেয় মর্ম বেদন ফেলি তার জাল
৪.
আঁধার আঁধার আঁধার কেমন আঁধার চারিপাশে
সাঁতরে চলি অথৈ আঁধার খানিক আলোর আশে




March 24, 2014

-হ্যালো.....
-হ্যা বলছি.. কে বলছেন ?
-আপনার একজন শুভাকাঙ্খী
-সে তো বুঝলাম...কিন্তু নাম কি ?
-নাম জানা'টা কি খুব জরুরি ?
-কেন নয় ?
-না মানে ....আপনার যা ইচ্ছে নামে ডাকুন না
-আহ ! এতো পেঁচাচ্ছেন কেন ? কে আপনি-
কি বলতে চান ঝটপট বলে ফেলুন..
-রাগ করছেন ?
-হুঁম
-কেন ? (কাট)
-হ্যালো ..
-লাইন'টা কেটে দিলেন কেন ?
-ফালতু প্যাঁচালের ইচ্ছে সময় কোন'টাই নেই আমার
-খুব ব্যস্ত বুঝি ?
-না-হ ঘুমাচ্ছি
-এত রাগ কেন আপনার ? (কাট)
ফোন কল আননোন
করে কিযে জ্বালাতন !!
sp 
 ১.
যেই চোখে তোর্ ভালবাসার ধুন ছিলো
সে চোখ-ই আজ অন্তপুরে আগুন দিলো !!
২.
তোরে বলেছিলাম একদিন-ভালো বাসি
আজো- সেই অপরাধে আঁখি জলে ভাসি
৩.
কেন ? সব কাজে তোর্ সাত খুন মাফ
আমার বেলায় দোষ !
পান থেকে চুন খসলে আমার - বলিস, 
তুই তো মানুষ নোস্ !! 
৪.
সরো এবার আমি যাবই যাবো
অনাচার যত দু'পায়ে মাড়াবো
করো না বারণ ডাকিও না পিছু
মানবো না কথা শুনবো না কিছু
নিরবে সইবো কতো বলো আর
শাষন- শোষণ যতো অত্যাচার !!
 ৫.
প্রস্তুতি নাও..........
আজ সময় এসেছে অত্যাচারের বদলা নেবার
ঐ রক্তচোষা জোঁকের মুখে নুন ছড়িয়ে দেবার !




     

March 22, 2014

আলুক ফুলুক মখমলে সুখ চাইনা এমন
পাহাড় প্রমান কষ্টে পাথর কৈতরী মন

"অযথা"
হাত বাড়িয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে
যতোই থাকো
মুখে মিষ্টি হেঁসে ভালো বেসে
যতোই ডাকো
আর দেবো না ধরা তোমার
বাহু'র ডরে
ফিরবো নাতো আর কখনো
তোমার ঘরে !!
জানি ভুলে তুমি যেতেই পারো
কীর্তি তোমার
আজো তোমার দেয়া কষ্টে কাঁদে
হৃদয় আমার !!
sp 

March 21, 2014

প্রায়শ্চিত্ত
কত বেদনার কন্টক জ্বালা সয়ে,
শত লাঞ্ছনার চড়াই-উতরাই পেরিয়ে
হাহাকারের ধারালো পাথরে হোচট খেয়ে
রক্তাক্ত ক্ষত-বিক্ষত বিলম্বিত চরণে-
যন্ত্রণার পাহাড় বেয়ে অবশেষ যখন
পৌঁছুলাম তোমার মনোমন্দিরে...
হৃদয়ের পুঞ্জিভূত প্রেমার্ঘ্য তোমায়
নিঃশেষে অর্পণ করবো বলে.....
সেইক্ষণে তুমি ফেরালে আমায়
অনায়াসে কি নিদারুন হেলায় !
অবশেষে ......
ফেলে আসা পথে ঝরা আঁখি জলে 
জলধি অতল- তরঙ্গ গর্জিয়া চলে ...
নিরবে আপনায় দিলাম বিসর্জন !!
sp

kno jani na....................
Aaj likhoni amar jno ronoklanto..
bibosh-bimurh boro Porishranto
hariye sur-taan stobdho beena
nispran-muk jno shobdo heena !!
sp

      
Jo Kagaz Ke Phoolo Me Khushbu Dhund Jate Hai, 
Jo Chhoti Chhoti Khushiyo Me Bada Sukh Pate Hai, 
 Jo Apno Me Farishte Dhund Lete Hai, 
 Aise Hi Log Zindagi Jee Lete Hai…
 **********************************
যে কাগজের ফুলে সুবাস খোঁজে 
যে ছোট ছোট খুশির মাঝে বড় সুখ পায় 
যে আপনজনদের মাঝে ফেরেস্তা খুঁজে পায় 
এমন জন-ই জীবনকে যথার্থ ভাবে উপভোগ করে ...

"যত দোষ- নন্দ ঘোষ"
বাংলাদেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল যেন মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ 
যে দলই ক্ষমতায় যায়/সেই নিজের গুনগান যায়
(যে-ই যায় লঙ্কায় সে-ই হয় রাবণ)
বিরোধী দলে গেলেই সরকারকে করে হেস্ত-ন্যস্ত 
তারা-ই ক্ষমতায় গেলে হয় নিজের ধান্দায় ব্যস্ত 
(কোন রাজনৈতিক দল, কিংবা কোন আমলা দূর্নীতি করে না
বিশ্বাস করুন ..সব করে সাধারন মানুষ..)
নিশ্চিত তারাই সব কিছুর মূল হোতা ..
কারণ তাদের নূন আনতে ফুরায় পানতা  
যারা শ্রমজীবি দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষ 
তাদেরই ক্ষুধার জ্বালায় থাকে না কোনো হুঁশ 
যত সব নেতাদের সুখ/
আর জনগনের দুঃখ 
যেহেতু বহন করে তারা-ই  
সেহেতু আসল দোষী এরা-ই   
তাই বলি সব দূর্নীতির হোতা
ওই বজ্জাত বেটা আমজনতা
(যত দোষ- নন্দ ঘোষ)  

March 20, 2014

অপ-প্রয়াস !!
অবিরাম যে হৃদয়ে জ্বলে বন্হী শিখা
কোন সে চিতায় পোড়াবে তারে ?
নিরন্তর কষ্ট জলে অবগাহন যার ..
কি দুঃখে বলো কাঁদাবে তারে ?
নিয়ত নিঃসীম আঁধার সঙ্গী যার
কোন সে জুজুর ভয় দেখাবে তারে ?
sp

চলো না যাই বহুদূর
পেরিয়ে সাত সমুদ্দুর !

কি ভাবো তুমি ?
কি ভাবো নিজেকে
দুধে ধোয়া তুলসী পাতা ?
আর সকলেই যেমন তেমন
নষ্ট-পঁচা যা-তা ?
আপন হৃদয় হাতড়ে দেখো
কেমন দুষ্ট দোষে কলঙ্কিত
মন-মগজ'টা বেজায় ছোট
অহংকারের হাজার ক্ষত !!
কিসের তুমি করছো বড়াই
বড় ইচ্ছে করে কষে চড়াই !!
sp 
 



ক্ষনিক আলোর ঝলকানিতে
নিজের ছায়া নিজেই দেখে
চমকে উঠি আপন মনে
অতঃপর নিমেষেই.....
সীমা হীন আঁধারে
ভাসি ডুব-সাঁতারে!!
sp 

ডুবুরি ডুবুরি ডুবুরি মন
তমসা সিন্ধুরে করি মন্থন
সদা করিয়া চলে সিঞ্চন..
যেথা প্রত্যহ যেতেছে ভাসি
আ-সুমদ্র আলোক রাশি !
sp


লোনাজল সাগরে ...
হারিয়েছি দু'ফোঁটা অশ্রু
যদি খুঁজে এনে দিতে পারো
তবেই বুঝবো ... কত'টা
ভালোবাসো আমারে .....
sp


চারিদিকে ছাই ...
তার ওপরে বাতাস
আঁধার চারিপাশ
কোনদিকেতে যাই ?
sp
 
 




March 15, 2014

"শুধু আমি"
ছড়াবে যখন উষার আলো -
পাখির কলতানে মুখর সকাল
তখনো .......
নির্ঘুম দুপুর... কর্মক্লান্তিতে
অবসন্ন মন .... শ্রান্তিতে...
বুজে আসবে চোখের পাতা
তখনো .......
বিকেলের আনন্দঘন ......
চায়ের আসরে- চলবে
কথোপকথনের খুনসুটি
তখনো .......
গোধুলির সোনা রং....
বিলীন হবে- নামবে
রাতের আঁধার .......
তখনো .......
নিঝুম গহনো রাতের....
নিঃসীম আকাশ জুড়ে
বসবে মিটি মিটি.....
তারার মেলা-
তখনো ......
নিশুতি রাতে স্বপ্নিল....
নীলাভ আলোয়-
তন্দ্রাচ্ছন্ন আঁখিপাত-
তখনো ......
তোমার আদি-অন্তকাল ধরে 
তোমার সমস্ত অস্তিত্ব জুড়ে  
জানি ......
আমি-ই ছিলাম-আছি-থাকবো
শুধু আমি...আমি...আমি !!
sp 
            


কেন আজো ফেরারী মন
কিছুতেই ছেঁড়ে না বাঁধন
ফিরে চায় বারে বার
অতীতের পানে
কেঁদে যায় অনিবার
কেন কিসের টানে
বৃথা ভুলিবার মিথ্যে সাধন !!

বেশ উদাসীনতাই সই ....
তাই দিলাম দু'হাত ভরে
হৃদয়ে রেখো যতন করে

March 14, 2014

যে পাখি'টা বুকের খাঁচায়
অন্তবিহীন ডানা ঝাপটায়

March 10, 2014

আমার চোখের জল জমলে চোখে
শত হিমালয় হয়ে যাবে
দুঃখের ঝড়ে যদি ঝরাও তাকে
হাজারো সাগর বয়ে যাবে

March 9, 2014

এসো নাকো পিছু পিছু
বলো নাকো আর কিছু


March 7, 2014

☞মেয়ে মানুষের বুদ্ধি কম = বোকা
☞ছেলে মানুষের বোধ কম = গাধা
সময়-তোমার কাছে আমার
আছে অনেক ঋণ
তুমি দিয়েছিলে আ-শৈশবের
স্বপ্ন মাখা দিন

@@@@@@
মান-মন-নীতি-হুঁশ
সব কিছু মিলেই 'মানুষ'
মানুষ হতে গেলে মানুষের কিছু
অপরিহার্য গুনাবলী থাকা আবশ্যক
কিছু দায়বদ্ধতা কিছু নিয়ম নীতি
থাকা বান্ছনীয় .. যা অন্য সব
সৃষ্টি-রাজির জন্য অনাবশ্যক ,
শুধু মানুষের বা মানবের জন্য প্রযোজ্য
বলেই একে মানবিক বলা হয়..
আর মানবিক এই গুণ গুলি মানব
কল্যাণ সম্পর্কিত যাবতীয় কর্মকান্ডেই
নিহীত-প্রকাশিত
তৃষ্ণার্ত কুকুরকে পানি পান করানো
একটি 'মহৎ গুণ' ....কুকুর মানুষের
জন্য উপকারী জীব... আবার কুকুর
পাগল হয়ে গেলে মানুষের নিরাপত্তার
স্বার্থে তাকে হত্যা করা 'প্রয়োজন'..এটা
দোষ-গুন্ বিচারের অপেক্ষা করে না
তাই বলা যায় ... মানবিক গুনাবলী
সমূহকে মানব কল্যানে কাজে লাগানোর
অপর নাম-ই মানবতা

March 5, 2014


আমায় কি তুই  ভালোবাসিস ?

যদি আমায় ভালোবাসিস
আমায় ভেবে সুখে হাঁসিস
তবে তুই ভুল  করেছিস
মস্ত বড় ভুল করেছিস !!

ওরে বোকা
মোটেও আমি নইকো তেমন
আমারে তুই ভাবিস যেমন
আমার মাঝে নেইতো আলো
হৃদয় পুরোই আঁধার কালো
কষ্ট খাঁচায় বন্দিনী মন
নষ্ট পোঁচা অন্তকরণ !!

তাই বলি
তুই থাকতে সময় যা না সরে
আসিস না আর আমার দোরে
নাম ধরে আর ডাকিস না
আমার আশায় থাকিস না !

না রে না
তোর্ ডাকে'তে কাছে আসা
তোর্ চাওয়াতে ভালো বাসা
না আমার এমন সইবে না 
হৃদে সুখের নদী বইবে না !!
       

March 4, 2014

পৃথিবীতে নির্মোহ মানুষ সবচেয়ে সুখী,
লোভ-লালসা উচ্চাকাঙ্খা মানুষকে
অসুখী করে তোলে ....
? ? ?
যে কাঁদায়...
সে কি পারে হাঁসাতে ?
যে দুঃখ দেয়
সে কি টানে ভালবাসতে ?
কতটুকু কি তুমি করেছো
আমারি জন্য
কি এমন তোমার আছে যে
তুমি হবে অনন্য
যে পোড়ায় 
সে কি ভরায় মন আশাতে ?
তুমি তো শুধু ফুল চেয়েছো
কাঁটা নিতে চাওনি
রয়ে গেলে তাইতো শুন্য আজো
চেয়েও কিছু পাওনি
যে মারতে পারে
সে কি পারে বাঁচাতে ?

March 3, 2014


মানুষ স্বপ্ন নিয়েই বাঁচে...
স্বপ্নের আরেক নাম
আশা-পরিকল্পনা....
স্বপ্নহীন মানুষ মাঝিহীন নৌকার মতো
জীবন সাজাতে-সফলতা অর্জন করতে
স্বপ্ন অপরিহার্য...
মানুষ স্বপ্ন দেখে বলেই
পরিকল্পিত জীবন যাপন করে.....
স্বপ্ন পূরণের উন্মাদনায় জীবনকে
এগিয়ে নেয়...
যার জীবনে স্বপ্ন নেই ...
সে জড় বস্তু সম জীবন্মৃত

'স্বপ্ন'
মানুষ স্বপ্নে বাঁচে স্বপ্নে হাঁসে
তারা স্বপ্নে বাঁধে ঘর
সবাই স্বপ্ন সুখে ভালো বাসে
মনে স্বপ্ন নিরন্তর !!

March 2, 2014

"সেই তুমি"
নিয়েছো শুধু আমার মন মন্দির হতে
প্রজ্জ্বলিত মোমের আলো- অন্ধকারের
দেয়াল ছুঁয়ে, একটু একটু করে এগিয়েছ
প্রাগৈতিহাসিক সরীসৃপের মতো-
কালান্তে পেয়ে মনি-কাঞ্চন অবশেষে
আমায় ছুঁড়ে ফেলেছো আঙ্গুলে ছ্যাঁকা
লেগেছে বলে- ফিরে চাওনি মোমের-
অগ্নিগর্ভো কোলে ক্রমে ক্রমে নিঃশেষ
হয়ে যাওয়া....
sp 

বলো কে ? 
ঘুড়ি তুমি উড়ে চলো
হেলে দুলে আকাশে
ভাবো বুঝি ফিরবেনা 
ভেসে রবে বাতাসে !!
ভুলে গেছো বুকে বাঁধা
সুতো'টায় পলকে
দিলে টান ফিরে আসা
ঠেকাবে'ই বলো কে ?

March 1, 2014

যাহঃ......    
কবিতা লিখবো বলে....
কাগজ কলম তৈরী
ফেরারী শব্দেরা আজ
'কল্পনা মন' বৈরী !

"সুখের নির্দিষ্ট কোনো সংজ্ঞা নেই" ...
সুখ একটি আপেক্ষিক বিষয়-
মানুষের প্রতিটি ক্রিয়া-কলাপের
সাথে এর সম্পর্ক- এটা একটা
অনুভূতি মাত্র, চাওয়া-পাওয়া
অর্জন-বর্জন সব কিছুর মাঝেই
সুখের নির্যাস আছে-

বলা যায়....যা মনকে আনন্দ
দেয় তা-ই সুখ 

অযথা....
মনেতে কষ্ট এতো নিও না তবে
একদিন জানি চলেই যাবে সবে 
পৃথিবী ছেড়ে অন্য কোনো ভবে
কে জানে সেথা কে কেমন রবে
কে কার আপন কেবা পর হবে !!

রাখিনি হিসেব ...
পেরিয়ে গেলো...
কত দিন মাস নাকি বছর
শিউলী ঘ্রাণে মাতানো শরৎ
নবান্নো উত্সবে মুখর হেমন্ত
উত্তুরে হাওয়া-ওম হীন শীত
কৃষ্ণচুড়া নিয়ে বাহারি বসন্ত
গ্রীষ্মের খরতাপ বৈশাখী ঝড়
শ্রাবণ ধারায় বরষা অঝোর
দক্ষিন জানালা খুলে
কখনো মনের ভুলে
চেয়ে দেখবার হয়নি অবসর !!