हाय हम कालें हैं टह केय हुआ दिलवालें हैं
November 23, 2012
স্বপ্নচারী
তুমি মিশে আছ - আমার সকল প্রাণে
রক্ত-মাংস দেহে অস্থিমজ্জায় ;
শয়নে-স্বপনে , কর্মে-অবসরে বিশ্রামে
তুমি মিশে আছ - আমার ক্লান্তিতে
প্রতিটি পদক্ষেপে আলস্যে-শ্রান্তিতে
স্থবিরতায় -- চরণধ্বনিতে
আমার চোখের দৃষ্টিতে -
বিশ্বময়ের সৃষ্টিতে !
তুমি মিশে আছ-আমার শিল্পে
সাহিত্যে - প্রতিনিয়ত ;
আমার গল্প-কবিতায় অনুক্ষণ
আমার গানের সুরে-ছন্দে
পরম নির্ভরতায় - দ্বিধা-দ্বন্দে !
তুমি মিশে আছ-আমার সকল
চাওয়া-পাওয়ায় , আনন্দ-বেদনায়
দুঃখে-বিনোদনে ----
স্বাধীনতা আমার --চির স্বপ্নচারী !!
প্রত্যাশা
একটি জীবন নতুন
নতুন একটি মন
প্রত্যাশার প্রান্তরে খাবি খাচ্ছে
প্রতিটি মুহুর্তে ;
কোন দুরাশার পানে চেয়ে --
সজল বৃষ্টি ধারায় -
সজীব নিঃশ্বাসে উঠবে বেঁচে ,
সচ্ছন্দ সতেজ অনুভুতি নিয়ে
বাসনার প্রবল উচ্ছাসে -
ভুলে পারিপার্শ্বিক
সকল প্রতিবন্ধকতা !!!!!!!!
আহবান
চলরে সবাই জোর কদমে
চল এগিয়ে চল
উষার রবির রাঙ্গা আলোয়
নবীন কিশোর দল
সোনার এ দেশ মনের মত
তুলবি তোরা গড়ে
দুঃখী জনের দুঃখ নাশি
সুখে দিবি ভরে
এই দেশেরই গরব তোরা
তোরা-ই আশার রবি
সবার মুখে ফুটবে হাঁসি
মানুষ যেদিন হবি !
তুমি মিশে আছ - আমার সকল প্রাণে
রক্ত-মাংস দেহে অস্থিমজ্জায় ;
শয়নে-স্বপনে , কর্মে-অবসরে বিশ্রামে
তুমি মিশে আছ - আমার ক্লান্তিতে
প্রতিটি পদক্ষেপে আলস্যে-শ্রান্তিতে
স্থবিরতায় -- চরণধ্বনিতে
আমার চোখের দৃষ্টিতে -
বিশ্বময়ের সৃষ্টিতে !
তুমি মিশে আছ-আমার শিল্পে
সাহিত্যে - প্রতিনিয়ত ;
আমার গল্প-কবিতায় অনুক্ষণ
আমার গানের সুরে-ছন্দে
পরম নির্ভরতায় - দ্বিধা-দ্বন্দে !
তুমি মিশে আছ-আমার সকল
চাওয়া-পাওয়ায় , আনন্দ-বেদনায়
দুঃখে-বিনোদনে ----
স্বাধীনতা আমার --চির স্বপ্নচারী !!
প্রত্যাশা
একটি জীবন নতুন
নতুন একটি মন
প্রত্যাশার প্রান্তরে খাবি খাচ্ছে
প্রতিটি মুহুর্তে ;
কোন দুরাশার পানে চেয়ে --
সজল বৃষ্টি ধারায় -
সজীব নিঃশ্বাসে উঠবে বেঁচে ,
সচ্ছন্দ সতেজ অনুভুতি নিয়ে
বাসনার প্রবল উচ্ছাসে -
ভুলে পারিপার্শ্বিক
সকল প্রতিবন্ধকতা !!!!!!!!
আহবান
চলরে সবাই জোর কদমে
চল এগিয়ে চল
উষার রবির রাঙ্গা আলোয়
নবীন কিশোর দল
সোনার এ দেশ মনের মত
তুলবি তোরা গড়ে
দুঃখী জনের দুঃখ নাশি
সুখে দিবি ভরে
এই দেশেরই গরব তোরা
তোরা-ই আশার রবি
সবার মুখে ফুটবে হাঁসি
মানুষ যেদিন হবি !
সেই ছেলেটি আমি
একটি ছেলে কখনো যে পায়নি আদর-স্নেহ
ভালোবাসাও কোনোদিনও দেয়নি তারে কেহ
সেই ছেলেটি আমি !
রাত কাটে যার পথের ধারে-ইষ্টিশানে অনাদরে
ডাস্টবিনের ঐ নোংরা এটো খাবারে যে পেটটি ভরে
সেই ছেলেটি আমি !
বাপ-মা কে তার , যেই ছেলেটির হয়নি জানা কভু
দুঃখে গড়া জীবনটি যার , বেঁচে আছে তবু
সেই ছেলেটি আমি !
বড় লোকের রঙিন নেশার নোংরা কামনাতে
জন্ম নিল যেই ছেলেটি খোদার দুনিয়াতে
সেই ছেলেটি আমি !
তাদের পাপের ফসল হয়ে অন্ধ গলির মাঝে
যেই ছেলেটি কোনমতে বেঁচে থাকে -লাজে
সেই ছেলেটি আমি !
বুক জুড়ে যার প্রতিশোধের তীব্র আগুন জ্বলে
বেঁচে আছে প্রতিক্ষাতে ভেসে চোখের জলে
সেই ছেলেটি আমি !!!
একটি ছেলে কখনো যে পায়নি আদর-স্নেহ
ভালোবাসাও কোনোদিনও দেয়নি তারে কেহ
সেই ছেলেটি আমি !
রাত কাটে যার পথের ধারে-ইষ্টিশানে অনাদরে
ডাস্টবিনের ঐ নোংরা এটো খাবারে যে পেটটি ভরে
সেই ছেলেটি আমি !
বাপ-মা কে তার , যেই ছেলেটির হয়নি জানা কভু
দুঃখে গড়া জীবনটি যার , বেঁচে আছে তবু
সেই ছেলেটি আমি !
বড় লোকের রঙিন নেশার নোংরা কামনাতে
জন্ম নিল যেই ছেলেটি খোদার দুনিয়াতে
সেই ছেলেটি আমি !
তাদের পাপের ফসল হয়ে অন্ধ গলির মাঝে
যেই ছেলেটি কোনমতে বেঁচে থাকে -লাজে
সেই ছেলেটি আমি !
বুক জুড়ে যার প্রতিশোধের তীব্র আগুন জ্বলে
বেঁচে আছে প্রতিক্ষাতে ভেসে চোখের জলে
সেই ছেলেটি আমি !!!
"মুই তো ছিনু চালাক ........"
মোর নাম চিমঠু , মোর বাড়ি পীরগঞ্জ
মোর একখান দেওনিয়া ছিল ---
একদিন মোর দেওনিয়া মোক কহিল -
চিমঠু তোক সাফাই দিবা যাবা হবে রে -
মুই কহেনু সাফাই ফের কাক কহেগে দেওনিয়া -
দেওনিয়া কহিল , সাক্ষী রে সাক্ষী -
মুই কহেনু কেত্খুন যাবা হবে ?
-কাইল বেডডি বেহানে -
মুই তো বেডডি বেহানে মোর
ভাঙ্গা ছাতিখান বগলওত আর
ছিড়া পিরহান টা ঘারত নে হেনে -
চল -চল একদম পীরগঞ্জ ইশটিশোনত
ইশটিশোনত যায়ে হেনে টিকিট কাটে --
ছোটট ঘরখানত বসে আছু -
তাহার দেখেছু উত্তর ভিতিতে
আজরাইলের মতন এলগারীখান চলি আসিল
এলগারীর কাথা কি আর কহিম তোমহাক
মাইনঝা খান সিমিট করা - চারহপাখে -
-দেওয়াললা খুটা দে হেনে বানাইছে ,
একখান ছোট কদুলার মতন -
উটা ভেলে নাইট - আর একখান -
- তিন হাত ওয়ালা উটা ভেলে পাখা '
ঝিকঝাক-ঝিকঝাক করি চলি আসীন দিনাজপুর -
চলে গেন কাচারী -
মোর দেওনিয়া মোক সওব বাতায় দিল
মুই ঠিক-ঠিক করে কহে দিনু হাকিমেরঠি ;
কাচারিথে বার হোনে-
মোর দেওনিয়া কহিল চল চিমঠু হোটেলত -
ভাত খায়েনি ;
হোটেলত যায়ে হেনে বসেছু -
একটা লোক আসে হেনে পুছিল কি খাইবেন ?
মুই কহেনু - ভাত , লোকটা কহিল -
হাফ খাইবেন না ফুল ? মুই তো ছিনু চালাক -
মুই কহেনু হাফ খাইম - হাফায় যাম আর খায়ে যাম -
এখন তোমরায় বুঝেন কি হইল !!
কাচারিতে বার হোনে -
মোর দেওনিয়া কহিল চল চিমঠু টুকি দেখি -
মুই কহেনু টুকি ফের কাক কহেগে দেওনিয়া ?!!!
দেওনিয়া কহিল-বাইস্কোপ রে বাইস্কোপ -
চলে গেন টুকি দেখবা - টিকিট কেটে হেনে
টুকি ঘরের ভিতর বসেছু ,
মনটা মোর খারাপ হয়ে গেল্ ...
মুই কহেনু দেওনিয়া মোক টুকি দেখাবু তো -
হয় ফাস কেলাশত নাহয় সেকেন কেলাশত
তা না করে নিকুয়ে হেনে পাছাভিতি !!!
মোর দেওনিয়া কহিল উটায় ভেলে ফাসকেলাশ ,
কি আর কহিম চুপ করে বসে সাদা কাপড়খানের-
-ভিতিবা দেখেছু--তাহার দেখেছু ---
কাপড়খানত ভক করে আগুন ধরে গেল !!
মুই তো কদদে ওঠে মালকাছ মারে হেনে কহেনু
দেওনিয়া পানি আন পানি !!
মোর দেওনিয়া কহিল চুপ বোকা !
টুকি শুরু হইল !
কি আর কহু আবারও চুপ করে সাদা কাপড়খানের ভিতিবা দেখেছু
তাহার দেখেছু অনেকলা লোক লাঠি নে হেনে আসেছে মারবা -
মুই তো দিশ পে'হেনে মোর ভাঙ্গা ছাতিটা দে'হেনে দিনু মাথাত বাড়ি --
তো ওমমা !! উ'লোগ লাগ নি'লেগে হেনে ----
মোর আগাভীতি একটা লোকের মাথা ফাটে রক্ত বার হৈছে --
তখুন সব লোগলা কদদে উঠে হেনে কহিল --
-ধর চাষাক ধর ----
মুই তো মোর ভাঙ্গা ছাতিটা বগলত নে'হেনে দিনু দৌড় ---
sp
November 21, 2012
jaago bibek jaago
এই দেশ/দেশের সাধারণ মানুষ আজ-গুটিকয়েক ক্ষমতা লোভী বর্বর পিশাচের হাতের
খেলার পুতুল , অদৃশ্য সুতোয় বেধে যেমন ইচ্ছে নাচিয়ে চলেছে ,
সাম্রাজ্যবাদী-সম্প্রসারংবাদীর হাতের পুতুল এই শিখণ্ডি সরকার ইহুদি-নাসারা,
আর বিধর্মীদের ”গঙ্গাজল” । কাগজে দু’পাতা লিখে এই সমস্যার সমাধান কিংবা
বিপদের মোকাবেলা সম্ভব নয় , শুধু মুখে বলে bole ফেনা তুলে লাভ নেই , সময়
এসেছে কার্যকরী কিছু পদক্ষেপ নেয়ার , মন্তব্যকারিগণ আসুন শুধু মন্তব্য
টিকা-টিপপনি নয় এ দেশের নিপীড়িত মানুষের জন্য সত্যিকারের কিছু কাজ করি
………..
" ফেরারী "
স্বাধীনতা তোমায় খুঁজে ফিরেছি
তিন'টি যুগ ধরে -
গ্রাম হতে গ্রামান্তরে-অলিতে গলিতে
খুঁজেছি প্রতিটি ফুলের কলিতে
শহরে পুঁজিপতির অটরালিকায়
হাজার নদীর অববাহিকায়
রাতের আকাশে তারার মেলায়
দিনান্তে রঙিন গোধুলি বেলায়
প্রভাত পাখির কলকাকলীতে
পথচারী ভিখারীর শুন্য ঝুলিতে
পুরো তি-ন যুগ- খুঁজে পেলাম তোমায়
অবশেষে-আমার সকল বিষন্নতায় !!!
( sp )
অনাকাঙ্খিত
স্বাধীনতা আজ রঙিন গোলাপ নয়
বিরহী প্রেমের কাঁটার জ্বালা
গোধুলির সোনা রং সূর্যটা নয়
দুঃখের আঁধারে শুধু পথ চলা !!
তুলসী তলার সন্ধ্যা প্রদীপ নয়
দুঃখিনী মায়ের বুকে ব্যাথার অনল
পল্লী বধুর সিথির সিঁদুর নয়
বিধবার হাহাকার চোখ ভরা জল
এ " স্বাধীনতা যেন শুধু "
দুঃখের অনলে , চোখের জলে গাঁথা মালা !!
( sp )
কুহকী আশা
একাত্তরে সদ্য বিধবা সন্তান হারা দুঃখিনী মা
এক-এক করে চল্লিশ বছর ধরে
খুঁজে ফিরেছে এখানে-সেখানে
হারানো মানিক , নয়নের নিধি
আগলে বুকে মুক্তির আশা -
হাহাকারে ভরা একবুক ভালবাসা
নিয়ে চলার বাহন-দু'খানি চরণ
করেছে ক্ষত-বিক্ষত , তবুও থাকেনি থেমে
ক্ষুধায় নেই অন্ন-পরণে বস্ত্র শত চ্ছিন্ন
বয়সের ভারে পড়েছে নুইয়ে
করেছে লাঠিতে ভর , ক্ষুইয়েছে রক্ত-মাংস
রয়েছে ক'খানা হাড় ;
আর বুকের পাঁজরে একটুখানি
কেবল ধুকপুকানি !
অবশেষে "আজকে" এসে --
মুখ থুবড়ে পড়ল পথের পাশে -
কোটরাগত শুন্য চোখে তবু-ও
রইলো চেয়ে আকাশপানে
ছেলে আসবে তার---আসবেই
পরম চাওয়া স্বাধীনতা নিয়ে !!!!!
( sp )
স্বাধীনতা তোমায় খুঁজে ফিরেছি
তিন'টি যুগ ধরে -
গ্রাম হতে গ্রামান্তরে-অলিতে গলিতে
খুঁজেছি প্রতিটি ফুলের কলিতে
শহরে পুঁজিপতির অটরালিকায়
হাজার নদীর অববাহিকায়
রাতের আকাশে তারার মেলায়
দিনান্তে রঙিন গোধুলি বেলায়
প্রভাত পাখির কলকাকলীতে
পথচারী ভিখারীর শুন্য ঝুলিতে
পুরো তি-ন যুগ- খুঁজে পেলাম তোমায়
অবশেষে-আমার সকল বিষন্নতায় !!!
( sp )
অনাকাঙ্খিত
স্বাধীনতা আজ রঙিন গোলাপ নয়
বিরহী প্রেমের কাঁটার জ্বালা
গোধুলির সোনা রং সূর্যটা নয়
দুঃখের আঁধারে শুধু পথ চলা !!
তুলসী তলার সন্ধ্যা প্রদীপ নয়
দুঃখিনী মায়ের বুকে ব্যাথার অনল
পল্লী বধুর সিথির সিঁদুর নয়
বিধবার হাহাকার চোখ ভরা জল
এ " স্বাধীনতা যেন শুধু "
দুঃখের অনলে , চোখের জলে গাঁথা মালা !!
( sp )
কুহকী আশা
একাত্তরে সদ্য বিধবা সন্তান হারা দুঃখিনী মা
এক-এক করে চল্লিশ বছর ধরে
খুঁজে ফিরেছে এখানে-সেখানে
হারানো মানিক , নয়নের নিধি
আগলে বুকে মুক্তির আশা -
হাহাকারে ভরা একবুক ভালবাসা
নিয়ে চলার বাহন-দু'খানি চরণ
করেছে ক্ষত-বিক্ষত , তবুও থাকেনি থেমে
ক্ষুধায় নেই অন্ন-পরণে বস্ত্র শত চ্ছিন্ন
বয়সের ভারে পড়েছে নুইয়ে
করেছে লাঠিতে ভর , ক্ষুইয়েছে রক্ত-মাংস
রয়েছে ক'খানা হাড় ;
আর বুকের পাঁজরে একটুখানি
কেবল ধুকপুকানি !
অবশেষে "আজকে" এসে --
মুখ থুবড়ে পড়ল পথের পাশে -
কোটরাগত শুন্য চোখে তবু-ও
রইলো চেয়ে আকাশপানে
ছেলে আসবে তার---আসবেই
পরম চাওয়া স্বাধীনতা নিয়ে !!!!!
( sp )
আহা !!
স্বাধীন দেশে ভালই আছি আমরা সবাই
চামড়া পিঠের নিচ্ছে তুলে নিক না কসাই
চড়-চাপরটা খেয়েও তো বেশ ভালই আছি
ভাত-কাপড়টা না পেয়েও তো থাকছি বাঁচি ,
দিনে মাছি রাতে মশার প্যানপেনানি
ঘরে-ঘরে অন্ন জলের টানাটানি
কি হয়েছে তা'তে এমন বিরাট ক্ষতি ?
কাজ নেইতো বুঝে কারো মতিগতি
কেউবা খায় কোর্মা-পোলাও খাক না ওরা
দু'মুঠো ভাত সাথে খানিক বেগুন পোড়া
স্বাধীন দেশে আমাদের এই কম বা কিসে ?
মহাজনের সুদের বাজার দশ-এ বিশে
নিয়ে দিয়ে ভালই আছি আহা কি বেশ !
হাজার হলে-ও রক্তে কেনা স্বাধীন এ দেশ !!
( sp )
অমর একাত্তর
প্রভাতের লাল সূর্যটা দেখলে 'একাত্তর'
শুধু তোমাকেই মনে পড়ে ,
লাখো শহীদের পুঞ্জিভূত রক্তে গড়া অমর একাত্তর
প্রভাতের লাল সূর্যটা দেখলে 'একাত্তর'
শুধু তোমাকেই মনে পড়ে ,
লাখো শহীদের পুঞ্জিভূত রক্তে গড়া
মনে হয় সূর্যটাকে
রাতের রজনীগন্ধা দেখলেও মনে পড়ে তোমাকে
শত রাঙ্গা বধু লাল বেনারসী হারিয়ে-
স্তব্ধ বিমূর বিধবা যেন !
শরতের সকালে ঝরা-বাসি শিউলি দেখেও
তোমাকেই মনে পড়ে ,
লালমুখো বাঁদরেরা যেমন-ছোট বোনটির
সমস্ত সম্ভ্রম নিংড়ে নিয়ে ফেলে দিয়েছিল
লাঞ্ছনার আস্তাকুঁড়ে ,
একাত্তর অ-নেক নিয়েছ তুমি , তবুও দোষী নও ,
একটি-শুধুমাত্র একটি কারণে----
দিয়েছ কাঙ্খিত স্বাধীনতা
তাই তুমি অমর-হে স্মৃতিময় 'একাত্তর' !!
( sp )
মনে হয় সূর্যটাকে
রাতের রজনীগন্ধা দেখলেও মনে পড়ে তোমাকে
শত রাঙ্গা বধু লাল বেনারসী হারিয়ে-
স্তব্ধ বিমূর বিধবা যেন !
শরতের সকালে ঝরা-বাসি শিউলি দেখেও
তোমাকেই মনে পড়ে ,
লালমুখো বাঁদরেরা যেমন-ছোট বোনটির
সমস্ত সম্ভ্রম নিংড়ে নিয়ে ফেলে দিয়েছিল
লাঞ্ছনার আস্তাকুঁড়ে ,
একাত্তর অ-নেক নিয়েছ তুমি , তবুও দোষী নও ,
একটি-শুধুমাত্র একটি কারণে----
দিয়েছ কাঙ্খিত স্বাধীনতা
তাই তুমি অমর-হে স্মৃতিময় 'একাত্তর' !!
( sp )
আহা !!
স্বাধীন দেশে ভালই আছি আমরা সবাই
চামড়া পিঠের নিচ্ছে তুলে নিক না কসাই
চড়-চাপরটা খেয়েও তো বেশ ভালই আছি
ভাত-কাপড়টা না পেয়েও তো থাকছি বাঁচি ,
দিনে মাছি রাতে মশার প্যানপেনানি
ঘরে-ঘরে অন্ন জলের টানাটানি
কি হয়েছে তা'তে এমন বিরাট ক্ষতি ?
কাজ নেইতো বুঝে কারো মতিগতি
কেউবা খায় কোর্মা-পোলাও খাক না ওরা
দু'মুঠো ভাত সাথে খানিক বেগুন পোড়া
স্বাধীন দেশে আমাদের এই কম বা কিসে ?
মহাজনের সুদের বাজার দশ-এ বিশে
নিয়ে দিয়ে ভালই আছি আহা কি বেশ !
হাজার হলে-ও রক্তে কেনা স্বাধীন এ দেশ !!
( sp )
অমর একাত্তর
প্রভাতের লাল সূর্যটা দেখলে 'একাত্তর'
শুধু তোমাকেই মনে পড়ে ,
লাখো শহীদের পুঞ্জিভূত রক্তে গড়া
মনে হয় সূর্যটাকে
রাতের রজনীগন্ধা দেখলেও মনে পড়ে তোমাকে
শত রাঙ্গা বধু লাল বেনারসী হারিয়ে-
স্তব্ধ বিমূর বিধবা যেন !
শরতের সকালে ঝরা-বাসি শিউলি দেখেও
তোমাকেই মনে পড়ে ,
লালমুখো বাঁদরেরা যেমন-ছোট বোনটির
সমস্ত সম্ভ্রম নিংড়ে নিয়ে ফেলে দিয়েছিল
লাঞ্ছনার আস্তাকুঁড়ে ,
একাত্তর অ-নেক নিয়েছ তুমি , তবুও দোষী নও ,
একটি-শুধুমাত্র একটি কারণে----
দিয়েছ কাঙ্খিত স্বাধীনতা
তাই তুমি অমর-হে স্মৃতিময় 'একাত্তর' !!
( sp ) November 20, 2012
"যোগ বনাম যোগ"
জীবনের পথে চলবো বলে হিসেবের খাতায় হাত রাখি
মনে-মনে খুশির বলাকা উড়ে , বাস্ত পৃথিবী-আমি একা
অন্ধকারের দেয়াল ভেঙ্গে ----
ফোঁটে চোখের কোণায় ভোরের আলো -
যেখনে আকাশ-মাটি দাঁড়ায় মুখোমুখি ।
আমি হিসেবের খাতায় হাত রাখি ....
সময় যখন মৌন - মুখর
বিস্ফোরণের গুনছে প্রহর
উঠছে তুফান বুকের বাগান জুড়ে ,
অশ্রুঝরা রুপকথা নয় - স্বপ্নে বিভোর-অঙ্ক মেলে
স্বাধীনতার সূর্য --সাথী।
হিসেবের খাতা গুটিয়ে রাখি ...
sp
জীবনের পথে চলবো বলে হিসেবের খাতায় হাত রাখি
মনে-মনে খুশির বলাকা উড়ে , বাস্ত পৃথিবী-আমি একা
অন্ধকারের দেয়াল ভেঙ্গে ----
ফোঁটে চোখের কোণায় ভোরের আলো -
যেখনে আকাশ-মাটি দাঁড়ায় মুখোমুখি ।
আমি হিসেবের খাতায় হাত রাখি ....
সময় যখন মৌন - মুখর
বিস্ফোরণের গুনছে প্রহর
উঠছে তুফান বুকের বাগান জুড়ে ,
অশ্রুঝরা রুপকথা নয় - স্বপ্নে বিভোর-অঙ্ক মেলে
স্বাধীনতার সূর্য --সাথী।
হিসেবের খাতা গুটিয়ে রাখি ...
sp
November 3, 2012
*আমার জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় সময়*
*******************************************************************
হৃদয়ের সুপ্ত আগ্নেয়গিরির প্রজ্বলিত অগ্নির লেলিহান শিখা হৃদয় কন্দর হতে উর্ধ্বমুখী হয়ে মেরুদন্ড বেয়ে মগজিক শীতলতার কোমল
পরশে লজ্জা-দ্বিধা-ভয়-সঙ্কোচ-নিজের প্রতি ঘৃণার মিশ্রণ দুচোখের জলে বেয়ে নেমে আসে ঠোঁটে,পঞ্চানুভুতিকে কালী করে জিহ্বাকে কলম
বানিয়ে তোমায় আজ লিখতে বসেছি আমার অন্তর নিঃসৃত নিয়ম ভাঙ্গার বিষাক্ত-কলঙ্কের ইতিহাস--যা আমার এই জীবনমৃতের জীবনে অমর-অক্ষয় হয়ে থাকবে চিরকাল ।
সেদিন আমি চলে আসি তোমার নিকট হতে চির বিদায় নিয়ে। আর যেন কখনো-ই আমার এই চেহারা তোমায় দেখতে না হয় ।
আমি গত পাঁচ'টি বছর নিজেকে সংরক্ষণ করে চলেছি , শত প্রলোভনেও নিজেকে বিকিয়ে দেইনি , সেই আমি কোন অশুভো ক্ষণে তোমার .....
.....চলে আসার মুহুর্তে আমি যে দৃষ্টিকটু আচরণ করেছি তোমার সাথে সেটাও তুমি কোনদিন ভুলবে না এ-ও জানি , আমি যদি সেদিন ওরকম না
করতাম চোখের জল আটকে রাখার কোনো উপায়ই আমার ছিল না , এত লোকজনের সামনে যা অত্যন্ত দৃষ্টি কটু লাগতো , তুমি-ও
অস্বস্তিতে পড়তে .....সে যা-ই হোক ...আমি ভুলে যেতে চাই উল্লেখিত সময়ের কলঙ্কিত অধ্যায় টুকু । মনে থাক শুধু তোমার দেয়া .... তিক্ত যন্ত্রণা টুকু- দৃষ্টি কটু
-যা আমার আগামী জীবনে বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন হিসেবে আমি গ্রহণ করেছি ......
-যা আমার আগামী জীবনে বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন হিসেবে আমি গ্রহণ করেছি ......
আমি ভালো নাকি মন্দ এই বিষয়ে কোনো কৈফিয়ত দেব না , আমি শুধু এটুকুই বলবো
"আমি" যা-ই হই..... তুমি আমার জন্য এইটুকু দোআ কর ...
যা হয়েছে তোমার সাথে এই জীবনে দ্বিতীয় বার যেন না হয় ... আজ আর পারছি না মাথায় ভীষণ যন্ত্রণা হচ্ছে। ..... ইতিহাস আর একদিন শুরু করব ---চলবে
যা হয়েছে তোমার সাথে এই জীবনে দ্বিতীয় বার যেন না হয় ... আজ আর পারছি না মাথায় ভীষণ যন্ত্রণা হচ্ছে। ..... ইতিহাস আর একদিন শুরু করব ---চলবে
October 30, 2012
memory , an emptiness
*****************
memory , an emptiness green-you become
green slowly the soul fills with night eyelesh
dew tides heave up on new moon night
waxing muddiness, swelling love i sink in a
roiling netherworld the game starts afresh.
making me up near the crumbling door to the
ruins sound of water all day . memory, an
emptiness only wet sounds.
spOctober 23, 2012
স্মৃতি বলে কিছু নেই
স্মৃতি বলে কিছু নেই
সবুজ সবুজ তুমি ক্রমেই সবুজ হয়ে যাও
আমার বুকের মধ্যে
স্মৃতি বলে কিছু নেই
সারা রাত্রি চোখের শিশিরে ।
অমাবস্যার দিনে প্রবল কটাল
আরো ঘোলা জল বাড়ে
ভালবাসা বাড়ে
ভালবাসা বাড়ে
আমাকে ডুবিয়ে দিয়ে
গভীর পাতালে শুরু হয়
গভীর পাতালে শুরু হয়
আবার নতুন খেলা
সারাবেলা ধরে ভরে ওঠো
সারাবেলা ধরে ভরে ওঠো
চোরাকুঠুরির ভাঙ্গা খিলানের কাছে কলকল
স্মৃতি বলে কিছু নেই
বাড়ে শুধু জোয়ারের জল ।
সংগৃহীত
বাড়ে শুধু জোয়ারের জল ।
সংগৃহীত
September 12, 2012
Chirachorit
আমি প্রতিনিয়ত নির্যাতিতা হয়েই চলেছি । আমার কি করা উচিত ? এ অবমাননার করাল গ্রাস হতে আমায় উদ্ধার করতে পারে এমন কি কেউ আছে পুরুষ শাসিত এই বিশ্ব সংসারে ? কোথায় সে সুহৃদ ?
যদিও এ বাসনা নিপীড়িত সকল নারী-ই চিরকাল করে এসেছে , আমিও করেছি কিনতু চরম সত্য টুকু জানার পর এ রকম বাসনার প্রকাশ
আমার নিকট ভন্দামির-ই নামান্তর । তথাপি কুহকি আশার কু-মন্ত্রণায় হতবুদ্ধি হয়ে পড়ছি ক্রমশ:
এতদিন নিজেকে সাহসী-দৃড়চেতা বলেই ভেবে এসেছি । বাস্তবের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে অবাক -বিস্ময়ে লক্ষ্য করলাম যে- কত ভীরু কত দুর্বল আমি । তবে যতটা রাগ বা ঘৃনা অত্যাচারীর প্রতি আমার হওয়ার কথা তা হচ্ছে না । বরং আমার নির্বুদ্ধিতা-আমার হঠকারিতা-ই এ অবস্থার জন্য দায়ী
তা-ও বুঝতে পারছি , সব কিছু জেনে-বুঝেও যদি আমি এতবড় ভূল করতে পারি , তাহলে নির্যাতন কারীরা না জেনে-বুঝে ভূল কেন ওদের অস্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গিতে তো সঠিক কাজ-ই করেছে । এ ক্ষেত্রে আমার এ ধারণার প্রকাশ টুকু খোঁড়া-যুক্তির মত শোনাচ্ছে কিনা অথবা " পাড়তে না পেরে আঙ্গুর ফল টক " এর মত ধূর্ত শেয়ালের মানসিকতা বলে মনে হচ্ছে কিনা তা বুদ্ধিমান-সত্যদর্শিরাই বলতে পারেন । আমি শুধু অন্তর থেকে যা উপলব্ধি করেছি তা-ই প্রকাশ করছি । আমার এই দৃষ্টিভঙ্গির মূল্যায়ন সর্বসাধারণের বোধগম্য হবে না এ-ও জানি । জনে-জনে বোঝানোর দায়ভার-ও তাই নিচ্ছি না , তবে যার বা যে বোঝার সে ঠিক বুঝবে বলেই আমার বিশ্বাস ।
এখন প্রসঙ্গ হলো যে , যে পরিস্থিতির শিকার হয়ে আমার এই রোজ-নামচার সৃষ্টি তার জের সহজে মিটবে না জানি , কারণ লাটাই আমার হাতে থাকলে-ও ঘুরি উড়ে গেছে সূতো ছিঁড়ে ।
তা-ই বাতাসের গতি-প্রকৃতি না বুঝে ................ আমার ভূলের প্রায়শ্চিত্য আমাকেই করতে হবে । চিরাচরিত প্রথার বিরুদ্ধাচরণ করে , অনিয়মের নিয়ম ভেঙ্গে একবার যে শেকল ছিঁড়ে ফেলার দুঃসাহস দেখিয়েছি তা আর রোধ বা নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা-ইচ্ছে কোনটাই আমার নেই । আমার সামনে এখন পথ আছে দু'টো । সব কিছু জেনে-বুঝেও নাদানের আওতায় থাকা এবং দৈন্য দশায় নিপতিত হয়ে ওদের যাবতীয় নির্যাতন মুখ বুজে সহ্য করে যাওয়া । আর তা-ই যদি করতে হয় তাহলে বক ধার্মিক সদৃশ বুদ্ধিমানদের সত্যাশ্রয়ী সংস্পর্শ ত্যাগ করা-ই আমার জন্য শ্রেয় । যদিও তা হবে আমার জীবন্মৃত হয়ে থাকা । আর দ্বিতীয় পথ হচ্ছে আত্মহত্যা -কেননা ধৈর্য-সহ্যশক্তির বহু অপচয় করেছি বিগত জীবনে , আর তেমন অবশিষ্ট কিছু নেই ।
তা'ছাড়া এতকাল ধৈর্য ধরার বা সহ্য করার একটা কারণ ছিল সেটা হচ্ছে " আত্মহত্যা মহাপাপ " কিন্তু এখন আর .............। জানি পৃথিবী নামক এই ছোট্ট সুন্দর গ্রহটিতে আমার অনোবস্থানে কারুর বিশেষ কিছু আসবে-যাবে না । কারণ আমি এমন কোনো অতীব মূল্যবান-প্রয়োজনীয় অদ্বিতীয় কিছু নই ।
আর মানুষের মন নাকি নিয়ন্ত্রনহীন পাগলা ঘোড়ার মত , তা-ই তার গতি অবাধ-যত্রতত্র । যারা নাকি মন নামক এই পাগলা ঘোড়াটির মুখে ধৈর্য-সহ্য , বুদ্ধি-বিবেচনা , ত্যাগ-তিতিক্ষা , সংযম-সাধনা ইত্যাদির মিশ্রণে শক্তিশালী লাগাম তৈরী করে মনের মুখে লাগাতে পেরেছে এবং নীয়মতন্ত্র নামের চাবুক দিয়ে নিজের ইচ্ছে মত পিটিয়ে নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে তারা-ই হলেন বুদ্ধিমান-সাধক , মহান , মহামানব ।
আমার এতদিন মিথ্যে অহংকারে মাটিতে পা পড়ত না । মিথ্যে দম্ভোটা হলো " আমি-ও মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি বা জানি " । কেননা লোভ-মোহ , হিংসা , পরশ্রীকাতরতা আমায় তেমন ভাবে স্পর্শ করতে পারে না । কিন্তু আমার স্ব-নির্মিত লাগাম +চাবুক-এ আরও বহু +এর - ছিল বলে ..
আমার লাগাম+চাবুকটা তেমন শক্তিশালী হয়নি । আমি ভুলের স্বর্গের নন্দন কানন নয় , ঝোপ-জঙ্গল , সাপ-খোপ সংকুল অরণ্যবাসী । আর এটা বুঝতে এত সময় লাগলো যে .....কতো বড় নাদান আমি .
গুনীজনেরা হয়ত বলবেন , বুঝতে যখন পেরেছ তখন আর সমস্যা কি ? তৈরী করে ফেলো শক্তিশালী লাগাম আর চাবুক । আসলে সত্যি-ই কি তাই ? কোন রকম সমস্যা নেই ? আছে-একশ একটা সমস্যা আছে । সু'জনদের পরামর্শে একশ সমস্যার সমাধান করতে পারি-শুধু একটার পারি না , কারণ ঐ একটা সমস্যা জিইয়ে রাখার মধ্যেই নিহিত আছে একশ সমস্যার সমাধান । যদি ঐ একটা সমস্যার সমাধানে তত্পর হই তাহলে আমি হয়ে যাব জীবন্মৃত-আমার "আমিত্ব " থাকবে না , তা না থাকুক । কিন্তু জীবন্মৃত হয়ে বেঁচে থাকার স্বার্থকতা কি ?
তাই কাজ নেই লাগাম পরিয়ে-মন নামক পাগলা ঘোড়ার নিয়ন্ত্রণ করে । তার চেয়ে যেদিকে যেমন খুশি ছুটুক না । মাঝে-মধ্যে একটু অস্বস্তি-অপ্রীতিকর অবস্থার মুখোমুখি হয়তো পড়তে হবে , তা হোক কষ্ট না পেলে সুখের মর্ম কি অনুভব করা যায় ? সে যা-ই হোক কথা হলো নাকি মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারতাম , পারতাম বলছি এই জন্য যে সেটা এ মুহুর্তে অতীত । স্বপ্নের নন্দন-কানন থেকে বাস্তবতার ঘোরানো-পেঁচানো নাগপাশে পিষ্ট হাঁস-ফাঁস করতে-করতে নিদ্রাবিমুক্ত নয়ন মেলে তাকিয়ে দেখি ....... স্বর্গের নন্দন কানন নয় গভীর জনারন্যে আমি এবং আমরা আরও অনেকেই আক্রান্ত । চারিদিকে হায়েনার হাঁসি-শুকরের ঘৎ-ঘৎ , আপাদমস্তক কচুক্ষেত-নোংরা-নর্দমা , আমি (আমরা ) চলৎ শক্তি রহিত হয়ে নির্যাতিত-নিস্পেষিত হয়ে চলেছি । মৃত্তিকাশ্রয়ী জানোয়ার-ই শুধু নয় শুন্যাশ্রয়ী চিল-শকুনেরাও আমার (আমাদের) ব্রম্মতালু ঠুকরে-ঠুকরে খাচ্ছে মগজের চাটনি । জলাশ্রয়ী হাঙ্গর-কুমির অক্টোপাশেরাও পিছিয়ে নেই । এমনি ঘোর অমানিশাময় কালপ্রহরে পুরুষ নামক অত্যাচারী খাদকদের খপ্পর থেকে খাদ্য বিশেষ নারীকুল-নিপীড়িত তাবৎ দুর্বল শ্রেনীর প্রাণসর্বস্ব প্রাণীদেরকে উদ্ধার করতে আবির্ভাব হলো "মানুষ" নামের সত্যাশ্রয়ী-পরোপকারী-দয়ালু-সাহায্যকারী কিছু পথ-প্রদর্শকের । যারা এই ঘোর অন্ধকারাচ্ছন্ন জীব-জীবনগুলির পতিত-পীড়িত দলিত-মোথিত গলিত-ছিন্নভিন্ন ক্ষুদ্র-ক্ষুদ্র অংশ গুলোকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অবস্থা হতে কুড়িয়ে কাড়িয়ে সংহত করার প্রচেষ্টায় ব্যপৃত হলো । কিছু-কিছু সফলতা-ও অর্জন করলো এ কাজে । পুরোপুরি করতে অনেক সময়ের অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষার প্রয়োজন আচড় -কামড় , শ্যান-বান , বজ্র-বিদ্রুপের কবলে পড়ে হেস্ত-নেস্ত-ও হতে হবে এ-ও তারা জানে-বোঝে
স্বাদ পায় । তবে এর থেকে উত্তরণের পথ-ও তারা জানে , সে পথের নাম ধৈর্য -সহ্য । যুগে-যুগে এই সব মানবিক গুনাবলী সম্পন্ন মহান ব্যক্তিরাই হলো সত্যিকারের মানুষ । অবয়ব সর্বস্ব "পুরুষ" নয় ।
@ সুপা ----------
যদিও এ বাসনা নিপীড়িত সকল নারী-ই চিরকাল করে এসেছে , আমিও করেছি কিনতু চরম সত্য টুকু জানার পর এ রকম বাসনার প্রকাশ
আমার নিকট ভন্দামির-ই নামান্তর । তথাপি কুহকি আশার কু-মন্ত্রণায় হতবুদ্ধি হয়ে পড়ছি ক্রমশ:
এতদিন নিজেকে সাহসী-দৃড়চেতা বলেই ভেবে এসেছি । বাস্তবের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে অবাক -বিস্ময়ে লক্ষ্য করলাম যে- কত ভীরু কত দুর্বল আমি । তবে যতটা রাগ বা ঘৃনা অত্যাচারীর প্রতি আমার হওয়ার কথা তা হচ্ছে না । বরং আমার নির্বুদ্ধিতা-আমার হঠকারিতা-ই এ অবস্থার জন্য দায়ী
তা-ও বুঝতে পারছি , সব কিছু জেনে-বুঝেও যদি আমি এতবড় ভূল করতে পারি , তাহলে নির্যাতন কারীরা না জেনে-বুঝে ভূল কেন ওদের অস্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গিতে তো সঠিক কাজ-ই করেছে । এ ক্ষেত্রে আমার এ ধারণার প্রকাশ টুকু খোঁড়া-যুক্তির মত শোনাচ্ছে কিনা অথবা " পাড়তে না পেরে আঙ্গুর ফল টক " এর মত ধূর্ত শেয়ালের মানসিকতা বলে মনে হচ্ছে কিনা তা বুদ্ধিমান-সত্যদর্শিরাই বলতে পারেন । আমি শুধু অন্তর থেকে যা উপলব্ধি করেছি তা-ই প্রকাশ করছি । আমার এই দৃষ্টিভঙ্গির মূল্যায়ন সর্বসাধারণের বোধগম্য হবে না এ-ও জানি । জনে-জনে বোঝানোর দায়ভার-ও তাই নিচ্ছি না , তবে যার বা যে বোঝার সে ঠিক বুঝবে বলেই আমার বিশ্বাস ।
এখন প্রসঙ্গ হলো যে , যে পরিস্থিতির শিকার হয়ে আমার এই রোজ-নামচার সৃষ্টি তার জের সহজে মিটবে না জানি , কারণ লাটাই আমার হাতে থাকলে-ও ঘুরি উড়ে গেছে সূতো ছিঁড়ে ।
তা-ই বাতাসের গতি-প্রকৃতি না বুঝে ................ আমার ভূলের প্রায়শ্চিত্য আমাকেই করতে হবে । চিরাচরিত প্রথার বিরুদ্ধাচরণ করে , অনিয়মের নিয়ম ভেঙ্গে একবার যে শেকল ছিঁড়ে ফেলার দুঃসাহস দেখিয়েছি তা আর রোধ বা নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা-ইচ্ছে কোনটাই আমার নেই । আমার সামনে এখন পথ আছে দু'টো । সব কিছু জেনে-বুঝেও নাদানের আওতায় থাকা এবং দৈন্য দশায় নিপতিত হয়ে ওদের যাবতীয় নির্যাতন মুখ বুজে সহ্য করে যাওয়া । আর তা-ই যদি করতে হয় তাহলে বক ধার্মিক সদৃশ বুদ্ধিমানদের সত্যাশ্রয়ী সংস্পর্শ ত্যাগ করা-ই আমার জন্য শ্রেয় । যদিও তা হবে আমার জীবন্মৃত হয়ে থাকা । আর দ্বিতীয় পথ হচ্ছে আত্মহত্যা -কেননা ধৈর্য-সহ্যশক্তির বহু অপচয় করেছি বিগত জীবনে , আর তেমন অবশিষ্ট কিছু নেই ।
তা'ছাড়া এতকাল ধৈর্য ধরার বা সহ্য করার একটা কারণ ছিল সেটা হচ্ছে " আত্মহত্যা মহাপাপ " কিন্তু এখন আর .............। জানি পৃথিবী নামক এই ছোট্ট সুন্দর গ্রহটিতে আমার অনোবস্থানে কারুর বিশেষ কিছু আসবে-যাবে না । কারণ আমি এমন কোনো অতীব মূল্যবান-প্রয়োজনীয় অদ্বিতীয় কিছু নই ।
আর মানুষের মন নাকি নিয়ন্ত্রনহীন পাগলা ঘোড়ার মত , তা-ই তার গতি অবাধ-যত্রতত্র । যারা নাকি মন নামক এই পাগলা ঘোড়াটির মুখে ধৈর্য-সহ্য , বুদ্ধি-বিবেচনা , ত্যাগ-তিতিক্ষা , সংযম-সাধনা ইত্যাদির মিশ্রণে শক্তিশালী লাগাম তৈরী করে মনের মুখে লাগাতে পেরেছে এবং নীয়মতন্ত্র নামের চাবুক দিয়ে নিজের ইচ্ছে মত পিটিয়ে নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে তারা-ই হলেন বুদ্ধিমান-সাধক , মহান , মহামানব ।
আমার এতদিন মিথ্যে অহংকারে মাটিতে পা পড়ত না । মিথ্যে দম্ভোটা হলো " আমি-ও মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি বা জানি " । কেননা লোভ-মোহ , হিংসা , পরশ্রীকাতরতা আমায় তেমন ভাবে স্পর্শ করতে পারে না । কিন্তু আমার স্ব-নির্মিত লাগাম +চাবুক-এ আরও বহু +এর - ছিল বলে ..
আমার লাগাম+চাবুকটা তেমন শক্তিশালী হয়নি । আমি ভুলের স্বর্গের নন্দন কানন নয় , ঝোপ-জঙ্গল , সাপ-খোপ সংকুল অরণ্যবাসী । আর এটা বুঝতে এত সময় লাগলো যে .....কতো বড় নাদান আমি .
গুনীজনেরা হয়ত বলবেন , বুঝতে যখন পেরেছ তখন আর সমস্যা কি ? তৈরী করে ফেলো শক্তিশালী লাগাম আর চাবুক । আসলে সত্যি-ই কি তাই ? কোন রকম সমস্যা নেই ? আছে-একশ একটা সমস্যা আছে । সু'জনদের পরামর্শে একশ সমস্যার সমাধান করতে পারি-শুধু একটার পারি না , কারণ ঐ একটা সমস্যা জিইয়ে রাখার মধ্যেই নিহিত আছে একশ সমস্যার সমাধান । যদি ঐ একটা সমস্যার সমাধানে তত্পর হই তাহলে আমি হয়ে যাব জীবন্মৃত-আমার "আমিত্ব " থাকবে না , তা না থাকুক । কিন্তু জীবন্মৃত হয়ে বেঁচে থাকার স্বার্থকতা কি ?
তাই কাজ নেই লাগাম পরিয়ে-মন নামক পাগলা ঘোড়ার নিয়ন্ত্রণ করে । তার চেয়ে যেদিকে যেমন খুশি ছুটুক না । মাঝে-মধ্যে একটু অস্বস্তি-অপ্রীতিকর অবস্থার মুখোমুখি হয়তো পড়তে হবে , তা হোক কষ্ট না পেলে সুখের মর্ম কি অনুভব করা যায় ? সে যা-ই হোক কথা হলো নাকি মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারতাম , পারতাম বলছি এই জন্য যে সেটা এ মুহুর্তে অতীত । স্বপ্নের নন্দন-কানন থেকে বাস্তবতার ঘোরানো-পেঁচানো নাগপাশে পিষ্ট হাঁস-ফাঁস করতে-করতে নিদ্রাবিমুক্ত নয়ন মেলে তাকিয়ে দেখি ....... স্বর্গের নন্দন কানন নয় গভীর জনারন্যে আমি এবং আমরা আরও অনেকেই আক্রান্ত । চারিদিকে হায়েনার হাঁসি-শুকরের ঘৎ-ঘৎ , আপাদমস্তক কচুক্ষেত-নোংরা-নর্দমা , আমি (আমরা ) চলৎ শক্তি রহিত হয়ে নির্যাতিত-নিস্পেষিত হয়ে চলেছি । মৃত্তিকাশ্রয়ী জানোয়ার-ই শুধু নয় শুন্যাশ্রয়ী চিল-শকুনেরাও আমার (আমাদের) ব্রম্মতালু ঠুকরে-ঠুকরে খাচ্ছে মগজের চাটনি । জলাশ্রয়ী হাঙ্গর-কুমির অক্টোপাশেরাও পিছিয়ে নেই । এমনি ঘোর অমানিশাময় কালপ্রহরে পুরুষ নামক অত্যাচারী খাদকদের খপ্পর থেকে খাদ্য বিশেষ নারীকুল-নিপীড়িত তাবৎ দুর্বল শ্রেনীর প্রাণসর্বস্ব প্রাণীদেরকে উদ্ধার করতে আবির্ভাব হলো "মানুষ" নামের সত্যাশ্রয়ী-পরোপকারী-দয়ালু-সাহায্যকারী কিছু পথ-প্রদর্শকের । যারা এই ঘোর অন্ধকারাচ্ছন্ন জীব-জীবনগুলির পতিত-পীড়িত দলিত-মোথিত গলিত-ছিন্নভিন্ন ক্ষুদ্র-ক্ষুদ্র অংশ গুলোকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অবস্থা হতে কুড়িয়ে কাড়িয়ে সংহত করার প্রচেষ্টায় ব্যপৃত হলো । কিছু-কিছু সফলতা-ও অর্জন করলো এ কাজে । পুরোপুরি করতে অনেক সময়ের অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষার প্রয়োজন আচড় -কামড় , শ্যান-বান , বজ্র-বিদ্রুপের কবলে পড়ে হেস্ত-নেস্ত-ও হতে হবে এ-ও তারা জানে-বোঝে
স্বাদ পায় । তবে এর থেকে উত্তরণের পথ-ও তারা জানে , সে পথের নাম ধৈর্য -সহ্য । যুগে-যুগে এই সব মানবিক গুনাবলী সম্পন্ন মহান ব্যক্তিরাই হলো সত্যিকারের মানুষ । অবয়ব সর্বস্ব "পুরুষ" নয় ।
@ সুপা ----------
September 5, 2012
!!!!!!!!!
বেদনার বালুচরে রচিয়া আবাস
'আপনার' 'আপনি' করেছি সর্বনাশ
তবে কেন হাহাকার ? কেন এই মন
দুরাশার পানে চেয়ে করে ক্রন্দন ?
শুনি কার পদধ্বনি ? কি জাদুর বাঁশি ?
ব্যকুল হৃদয়খানি পরে নিল ফাঁসি ?
&&&&&&&&
স্রোতস্বিনীর ধারাসম এক বুক ভালবাসা
নিয়ে নিরন্তর ছুটে চলে মন , আশা
সাগরের বিশালতায় হারাবে
নিজেরে-আবার নতুন করে পাবে
দুর্দান্ত বাসনার প্রবল উচ্ছাসে , হায়
সাগর ! মুহূর্ত-দিন-মাস চলে যায়
নদীর প্রেমে ভরেনা হৃদয় ! তাই
ফিরিয়ে দেয় বারবার । নদীর ঠাঁই
হলনা সাগরের বুকে । নিঃস্ব
একাকিনী চঞ্চলা তটিনী , বিশ্ব
চরাচরে আঁকাবাঁকা পথে
ক্লান্ত পদক্ষেপে শ্রান্ত হতে-
হতে নিথর নিস্প্রান মরু হয়ে যায় !!!!!!!!!!
বেদনার বালুচরে রচিয়া আবাস
'আপনার' 'আপনি' করেছি সর্বনাশ
তবে কেন হাহাকার ? কেন এই মন
দুরাশার পানে চেয়ে করে ক্রন্দন ?
শুনি কার পদধ্বনি ? কি জাদুর বাঁশি ?
ব্যকুল হৃদয়খানি পরে নিল ফাঁসি ?
&&&&&&&&
স্রোতস্বিনীর ধারাসম এক বুক ভালবাসা
নিয়ে নিরন্তর ছুটে চলে মন , আশা
সাগরের বিশালতায় হারাবে
নিজেরে-আবার নতুন করে পাবে
দুর্দান্ত বাসনার প্রবল উচ্ছাসে , হায়
সাগর ! মুহূর্ত-দিন-মাস চলে যায়
নদীর প্রেমে ভরেনা হৃদয় ! তাই
ফিরিয়ে দেয় বারবার । নদীর ঠাঁই
হলনা সাগরের বুকে । নিঃস্ব
একাকিনী চঞ্চলা তটিনী , বিশ্ব
চরাচরে আঁকাবাঁকা পথে
ক্লান্ত পদক্ষেপে শ্রান্ত হতে-
হতে নিথর নিস্প্রান মরু হয়ে যায় !!!!!!!!!!
August 27, 2012
"ভূল"
না- শুভংকর তুমি আমায় আর কিছু বলোনা !
অনেক বলেছ , আমি শুনেছি-জেনেছি ,যা ছিলোনা জানা .
তোমার আপাদমস্তক-চুল থেকে পায়ের নখ ,
সব-ই আমার-নিভৃতে আবিস্কার ।
আমি ছুঁয়েছি-ভেবেছি , নীরবে দেখেছি
মমতায়-অভিমানে , রাগে-বিরাগে
পরতে-পরতে গভীর অনুরাগে ,
একান্ত আপনার করে-অভিজ্ঞতার দুহাত ধরে ।
! ! ! ! ! ! ! ! ! ! ! !
বিশ্বের তাবত জ্ঞানের ভান্ডার হতে সঞ্চিত ,
সুচারু-রূপে সাজিয়েছ তোমার অভিজ্ঞ সরস মগজ ,
জীবনকে খুব কাছ থেকে হাতে ছুয়ে দেখা দৃষ্টি তোমার ।
জীবন সুধায় উদাত্ত কন্ঠ- সাধ-বিষাদের মিশেলে গড়া ,
আমি আরো দেখেছি পাষান বুকে প্রস্রবনের অঝোর ধারা ,
-------------------
হৃদয়কুঞ্জে ফুলের হাসি , ভ্রমরের গুঞ্জন ,
অন্তর গহবরে মানবতার মনি-কাঞ্চন ,
দেখেছি গভীর মমতা - পেয়েছি স্বর্গ-সুধা
তোমার দৃষ্টি বিভ্রম ঘটবে এ অবিশ্বাস্য !!!
তবে কেন ????????????
July 24, 2012
June 20, 2012
চলে যাব
একদিন চলে যাব , সে যে কোনদিন চলে যাব
মিথ্যে মোহের শিকল ছিড়ে চির সন্যাসের দু'হাত ধরে
মিথ্যে মোহের শিকল ছিড়ে চির সন্যাসের দু'হাত ধরে
চলে যাব .
না- চাইবোনা পেছন ফিরে
কালের যাত্রায় সঙ্গী হবো -
পিচ্ছিল জলজ - শ্যওলা সময়ের বাধন খুলে .
পথের হাতে হাত রেখে নামব পথে ,
আজ'কে অতীত করে চলে যাব .
হয়তো স্বপ্নেরা আগলে দাড়াবে পথ ,
কামনা-বাসনা-আশ্বাসেরা জড়াবে প্রলোভনের ফাদে ,
আশা-নিরাশার জলচ্ছাসে পথ হারাবে প্রতিগ্জ্ঞারাও
তবু-ও আমি চলে যাব এই ভালবাসা হীন বাচা থেকে ,
অনন্তের মরুতে দেব আমার নির্বাসন -
স্বপ্ন দেখা-বই পড়া দিন গুলো - কাগজের মত ছিড়ে
টুকরো-টুকরো করে আমার প্রেম দেবতার পায়ে দেব অঞ্জলি
তারপর -----------
তার নির্লিপ্ততার চেয়ে শতগুণ উদাসীনতায় , চোখের জলের
সিড়ি বেয়ে নিরুদ্যেশে চলে যাব ---------
June 2, 2012
Subscribe to:
Posts (Atom)
