November 21, 2012

      আহা !!

স্বাধীন দেশে ভালই আছি আমরা সবাই 
চামড়া পিঠের নিচ্ছে তুলে নিক না কসাই 
 চড়-চাপরটা খেয়েও তো বেশ ভালই আছি 
ভাত-কাপড়টা না পেয়েও তো থাকছি বাঁচি ,
দিনে মাছি রাতে মশার প্যানপেনানি 
ঘরে-ঘরে অন্ন জলের টানাটানি 
কি হয়েছে তা'তে এমন বিরাট ক্ষতি ?
কাজ নেইতো বুঝে কারো মতিগতি 
কেউবা খায় কোর্মা-পোলাও খাক না ওরা 
দু'মুঠো ভাত সাথে খানিক বেগুন পোড়া 
স্বাধীন দেশে আমাদের এই কম বা কিসে ?
মহাজনের সুদের বাজার দশ-এ বিশে 
নিয়ে দিয়ে ভালই আছি আহা কি বেশ !
হাজার হলে-ও রক্তে কেনা স্বাধীন এ দেশ !!
                                                                 ( sp )

    অমর একাত্তর 

প্রভাতের লাল সূর্যটা দেখলে 'একাত্তর' 
শুধু তোমাকেই মনে পড়ে ,
লাখো শহীদের পুঞ্জিভূত রক্তে গড়া 
মনে হয় সূর্যটাকে 
রাতের রজনীগন্ধা দেখলেও মনে পড়ে তোমাকে 
শত রাঙ্গা বধু লাল বেনারসী হারিয়ে-
স্তব্ধ বিমূর বিধবা যেন !
শরতের সকালে ঝরা-বাসি শিউলি দেখেও 
তোমাকেই মনে পড়ে ,
লালমুখো বাঁদরেরা যেমন-ছোট বোনটির 
সমস্ত সম্ভ্রম নিংড়ে নিয়ে ফেলে দিয়েছিল 
লাঞ্ছনার আস্তাকুঁড়ে ,
একাত্তর অ-নেক নিয়েছ তুমি , তবুও দোষী নও ,
একটি-শুধুমাত্র একটি কারণে----
দিয়েছ কাঙ্খিত স্বাধীনতা 
তাই তুমি অমর-হে স্মৃতিময় 'একাত্তর' !!
                                                              ( sp )

November 20, 2012

           "যোগ বনাম যোগ"
  
 জীবনের পথে চলবো বলে  হিসেবের খাতায় হাত  রাখি 
 মনে-মনে খুশির বলাকা উড়ে , বাস্ত পৃথিবী-আমি একা 
 অন্ধকারের দেয়াল  ভেঙ্গে ----
 ফোঁটে চোখের কোণায় ভোরের আলো - 
 যেখনে আকাশ-মাটি দাঁড়ায় মুখোমুখি । 
 আমি হিসেবের খাতায় হাত রাখি ....
 সময় যখন মৌন - মুখর 
 বিস্ফোরণের গুনছে প্রহর 
 উঠছে তুফান বুকের বাগান জুড়ে ,
 অশ্রুঝরা রুপকথা নয় - স্বপ্নে বিভোর-অঙ্ক মেলে 
 স্বাধীনতার সূর্য --সাথী। 
 হিসেবের খাতা গুটিয়ে রাখি ...
                                             sp 

November 3, 2012

*আমার জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় সময়*
*******************************************************************
              হৃদয়ের সুপ্ত আগ্নেয়গিরির প্রজ্বলিত অগ্নির লেলিহান শিখা হৃদয় কন্দর হতে উর্ধ্বমুখী হয়ে মেরুদন্ড বেয়ে মগজিক শীতলতার কোমল
       পরশে লজ্জা-দ্বিধা-ভয়-সঙ্কোচ-নিজের প্রতি ঘৃণার মিশ্রণ দুচোখের জলে বেয়ে নেমে আসে ঠোঁটে,পঞ্চানুভুতিকে কালী করে জিহ্বাকে কলম
       বানিয়ে তোমায় আজ লিখতে বসেছি আমার অন্তর নিঃসৃত নিয়ম ভাঙ্গার বিষাক্ত-কলঙ্কের ইতিহাস--যা আমার এই জীবনমৃতের  জীবনে অমর-অক্ষয় হয়ে থাকবে চিরকাল ।
       সেদিন আমি চলে আসি তোমার নিকট হতে চির বিদায় নিয়ে। আর যেন কখনো-ই আমার এই চেহারা তোমায় দেখতে না হয় ।
      আমি গত পাঁচ'টি বছর নিজেকে সংরক্ষণ করে চলেছি , শত প্রলোভনেও নিজেকে বিকিয়ে দেইনি , সেই আমি কোন অশুভো ক্ষণে তোমার .....
     
 .....চলে আসার মুহুর্তে আমি যে দৃষ্টিকটু আচরণ করেছি তোমার সাথে সেটাও তুমি কোনদিন ভুলবে না এ-ও জানি , আমি যদি সেদিন ওরকম না 
      করতাম  চোখের জল আটকে রাখার কোনো উপায়ই আমার ছিল না  , এত লোকজনের সামনে যা অত্যন্ত দৃষ্টি কটু  লাগতো , তুমি-ও 
      অস্বস্তিতে পড়তে .....সে যা-ই হোক ...আমি ভুলে যেতে চাই উল্লেখিত সময়ের কলঙ্কিত অধ্যায় টুকু । মনে থাক  শুধু তোমার দেয়া .... তিক্ত যন্ত্রণা  টুকু- দৃষ্টি কটু 
   -যা আমার আগামী জীবনে বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন হিসেবে আমি গ্রহণ করেছি ......
            
 আমি ভালো নাকি মন্দ এই বিষয়ে কোনো  কৈফিয়ত দেব না , আমি শুধু এটুকুই বলবো 
 "আমি" যা-ই হই..... তুমি আমার জন্য এইটুকু দোআ কর ...
যা হয়েছে তোমার সাথে এই জীবনে দ্বিতীয় বার যেন না হয় ... আজ আর পারছি না মাথায় ভীষণ যন্ত্রণা হচ্ছে। ..... ইতিহাস আর একদিন শুরু করব ---চলবে 

October 30, 2012


memory , an emptiness
*****************

memory , an emptiness green-you become
green slowly the soul fills with night eyelesh 
dew tides heave up on new moon night
waxing muddiness, swelling love i sink in a 
roiling netherworld the game starts afresh.
making me up near the crumbling door to the
ruins sound of water all day . memory, an
emptiness only wet sounds.
                                                                           sp
        

October 23, 2012




স্মৃতি বলে কিছু নেই 

স্মৃতি বলে কিছু নেই  
সবুজ সবুজ তুমি ক্রমেই সবুজ  হয়ে যাও 
আমার বুকের মধ্যে
স্মৃতি বলে কিছু নেই  
সারা রাত্রি চোখের শিশিরে ।
অমাবস্যার দিনে প্রবল কটাল 
আরো ঘোলা জল বাড়ে  
ভালবাসা বাড়ে 
আমাকে ডুবিয়ে দিয়ে 
গভীর পাতালে শুরু হয় 
আবার নতুন খেলা 
সারাবেলা ধরে ভরে ওঠো 
চোরাকুঠুরির ভাঙ্গা খিলানের কাছে কলকল 
স্মৃতি বলে কিছু নেই 
বাড়ে শুধু জোয়ারের জল ।
সংগৃহীত 



September 12, 2012

Chirachorit

আমি প্রতিনিয়ত নির্যাতিতা হয়েই চলেছি । আমার কি করা উচিত ? এ অবমাননার করাল গ্রাস হতে আমায় উদ্ধার করতে পারে এমন কি কেউ আছে পুরুষ শাসিত এই বিশ্ব সংসারে ? কোথায় সে সুহৃদ ?
             যদিও এ বাসনা নিপীড়িত সকল নারী-ই চিরকাল করে এসেছে , আমিও করেছি  কিনতু চরম সত্য টুকু জানার পর এ রকম বাসনার প্রকাশ  
আমার নিকট ভন্দামির-ই নামান্তর । তথাপি কুহকি আশার কু-মন্ত্রণায় হতবুদ্ধি হয়ে পড়ছি  ক্রমশ: 
              এতদিন নিজেকে সাহসী-দৃড়চেতা বলেই  ভেবে এসেছি । বাস্তবের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে অবাক -বিস্ময়ে লক্ষ্য করলাম যে- কত ভীরু কত দুর্বল আমি ।   তবে যতটা রাগ বা  ঘৃনা অত্যাচারীর প্রতি আমার হওয়ার কথা তা হচ্ছে না ।  বরং আমার নির্বুদ্ধিতা-আমার হঠকারিতা-ই এ অবস্থার জন্য দায়ী 
তা-ও বুঝতে পারছি , সব কিছু জেনে-বুঝেও যদি আমি এতবড় ভূল করতে পারি , তাহলে নির্যাতন কারীরা না জেনে-বুঝে ভূল কেন ওদের অস্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গিতে তো সঠিক কাজ-ই করেছে । এ ক্ষেত্রে আমার এ ধারণার প্রকাশ টুকু খোঁড়া-যুক্তির মত শোনাচ্ছে কিনা অথবা " পাড়তে না পেরে আঙ্গুর ফল টক " এর মত ধূর্ত শেয়ালের মানসিকতা বলে মনে হচ্ছে কিনা তা বুদ্ধিমান-সত্যদর্শিরাই বলতে পারেন । আমি শুধু অন্তর থেকে যা উপলব্ধি করেছি তা-ই প্রকাশ করছি । আমার এই দৃষ্টিভঙ্গির মূল্যায়ন সর্বসাধারণের বোধগম্য হবে না এ-ও জানি । জনে-জনে বোঝানোর দায়ভার-ও তাই নিচ্ছি না , তবে যার বা যে বোঝার সে ঠিক বুঝবে বলেই আমার বিশ্বাস । 
            এখন প্রসঙ্গ হলো যে , যে পরিস্থিতির শিকার হয়ে আমার এই রোজ-নামচার সৃষ্টি তার জের সহজে মিটবে না জানি , কারণ লাটাই আমার হাতে থাকলে-ও ঘুরি উড়ে গেছে সূতো ছিঁড়ে । 
          তা-ই বাতাসের গতি-প্রকৃতি না বুঝে ................ আমার ভূলের প্রায়শ্চিত্য আমাকেই করতে হবে । চিরাচরিত প্রথার বিরুদ্ধাচরণ করে , অনিয়মের নিয়ম ভেঙ্গে একবার যে শেকল ছিঁড়ে ফেলার দুঃসাহস দেখিয়েছি তা আর রোধ বা নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা-ইচ্ছে কোনটাই আমার নেই । আমার  সামনে এখন পথ আছে দু'টো । সব কিছু জেনে-বুঝেও নাদানের আওতায় থাকা এবং দৈন্য দশায় নিপতিত হয়ে ওদের যাবতীয় নির্যাতন মুখ বুজে সহ্য করে যাওয়া । আর তা-ই যদি করতে হয় তাহলে বক ধার্মিক সদৃশ বুদ্ধিমানদের সত্যাশ্রয়ী সংস্পর্শ ত্যাগ করা-ই আমার জন্য শ্রেয় । যদিও তা হবে আমার জীবন্মৃত হয়ে থাকা । আর দ্বিতীয় পথ হচ্ছে আত্মহত্যা -কেননা ধৈর্য-সহ্যশক্তির বহু অপচয় করেছি বিগত জীবনে , আর তেমন অবশিষ্ট কিছু নেই । 
             তা'ছাড়া এতকাল ধৈর্য ধরার বা সহ্য করার একটা কারণ ছিল সেটা হচ্ছে " আত্মহত্যা মহাপাপ " কিন্তু এখন আর .............। জানি পৃথিবী নামক এই ছোট্ট সুন্দর গ্রহটিতে আমার অনোবস্থানে কারুর বিশেষ কিছু আসবে-যাবে না । কারণ আমি এমন কোনো অতীব মূল্যবান-প্রয়োজনীয় অদ্বিতীয় কিছু নই ।  
             আর মানুষের মন নাকি নিয়ন্ত্রনহীন পাগলা ঘোড়ার মত , তা-ই তার গতি অবাধ-যত্রতত্র । যারা নাকি মন নামক এই পাগলা ঘোড়াটির মুখে ধৈর্য-সহ্য , বুদ্ধি-বিবেচনা , ত্যাগ-তিতিক্ষা , সংযম-সাধনা ইত্যাদির মিশ্রণে শক্তিশালী লাগাম তৈরী করে মনের মুখে লাগাতে পেরেছে এবং নীয়মতন্ত্র নামের চাবুক দিয়ে নিজের ইচ্ছে মত পিটিয়ে নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে তারা-ই হলেন বুদ্ধিমান-সাধক , মহান , মহামানব । 
              আমার এতদিন মিথ্যে অহংকারে মাটিতে পা পড়ত না । মিথ্যে দম্ভোটা হলো " আমি-ও মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি বা জানি " । কেননা লোভ-মোহ , হিংসা , পরশ্রীকাতরতা আমায় তেমন ভাবে স্পর্শ করতে পারে না । কিন্তু আমার স্ব-নির্মিত লাগাম +চাবুক-এ আরও বহু +এর - ছিল বলে ..
আমার লাগাম+চাবুকটা তেমন শক্তিশালী হয়নি । আমি ভুলের স্বর্গের নন্দন কানন নয় , ঝোপ-জঙ্গল , সাপ-খোপ সংকুল অরণ্যবাসী । আর এটা বুঝতে এত সময় লাগলো যে .....কতো  বড় নাদান আমি . 
            গুনীজনেরা হয়ত বলবেন , বুঝতে যখন পেরেছ তখন আর সমস্যা কি ? তৈরী করে ফেলো শক্তিশালী লাগাম আর চাবুক । আসলে সত্যি-ই কি তাই ? কোন রকম সমস্যা নেই ? আছে-একশ একটা সমস্যা আছে । সু'জনদের পরামর্শে একশ সমস্যার সমাধান করতে পারি-শুধু একটার পারি না , কারণ ঐ  একটা সমস্যা জিইয়ে রাখার মধ্যেই নিহিত আছে একশ সমস্যার সমাধান । যদি ঐ একটা সমস্যার সমাধানে তত্পর হই তাহলে আমি হয়ে যাব জীবন্মৃত-আমার "আমিত্ব " থাকবে না , তা না থাকুক । কিন্তু জীবন্মৃত হয়ে বেঁচে থাকার স্বার্থকতা কি ? 
      তাই কাজ নেই লাগাম পরিয়ে-মন নামক পাগলা ঘোড়ার নিয়ন্ত্রণ করে । তার চেয়ে যেদিকে যেমন খুশি ছুটুক না । মাঝে-মধ্যে একটু অস্বস্তি-অপ্রীতিকর অবস্থার মুখোমুখি হয়তো পড়তে হবে , তা হোক কষ্ট না পেলে সুখের মর্ম কি অনুভব করা যায় ? সে যা-ই হোক কথা হলো নাকি মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারতাম , পারতাম বলছি এই জন্য যে সেটা এ মুহুর্তে অতীত । স্বপ্নের নন্দন-কানন থেকে বাস্তবতার ঘোরানো-পেঁচানো নাগপাশে পিষ্ট হাঁস-ফাঁস করতে-করতে নিদ্রাবিমুক্ত নয়ন মেলে তাকিয়ে দেখি ....... স্বর্গের নন্দন কানন নয় গভীর জনারন্যে আমি এবং আমরা আরও অনেকেই আক্রান্ত । চারিদিকে হায়েনার হাঁসি-শুকরের ঘৎ-ঘৎ , আপাদমস্তক কচুক্ষেত-নোংরা-নর্দমা , আমি (আমরা ) চলৎ শক্তি রহিত হয়ে নির্যাতিত-নিস্পেষিত হয়ে চলেছি । মৃত্তিকাশ্রয়ী জানোয়ার-ই শুধু নয় শুন্যাশ্রয়ী চিল-শকুনেরাও আমার (আমাদের) ব্রম্মতালু ঠুকরে-ঠুকরে খাচ্ছে মগজের চাটনি । জলাশ্রয়ী হাঙ্গর-কুমির অক্টোপাশেরাও পিছিয়ে নেই । এমনি ঘোর অমানিশাময় কালপ্রহরে পুরুষ নামক অত্যাচারী খাদকদের খপ্পর থেকে খাদ্য বিশেষ নারীকুল-নিপীড়িত তাবৎ দুর্বল শ্রেনীর প্রাণসর্বস্ব প্রাণীদেরকে উদ্ধার করতে আবির্ভাব হলো   "মানুষ" নামের সত্যাশ্রয়ী-পরোপকারী-দয়ালু-সাহায্যকারী কিছু পথ-প্রদর্শকের । যারা এই ঘোর  অন্ধকারাচ্ছন্ন জীব-জীবনগুলির পতিত-পীড়িত দলিত-মোথিত গলিত-ছিন্নভিন্ন ক্ষুদ্র-ক্ষুদ্র অংশ গুলোকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অবস্থা হতে কুড়িয়ে কাড়িয়ে সংহত করার প্রচেষ্টায় ব্যপৃত হলো । কিছু-কিছু সফলতা-ও অর্জন করলো এ কাজে । পুরোপুরি করতে অনেক সময়ের অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষার প্রয়োজন  আচড় -কামড় , শ্যান-বান , বজ্র-বিদ্রুপের কবলে পড়ে হেস্ত-নেস্ত-ও হতে হবে এ-ও তারা জানে-বোঝে 
স্বাদ পায় । তবে এর থেকে উত্তরণের পথ-ও তারা জানে , সে পথের নাম ধৈর্য -সহ্য । যুগে-যুগে এই সব মানবিক গুনাবলী সম্পন্ন মহান ব্যক্তিরাই হলো সত্যিকারের মানুষ । অবয়ব সর্বস্ব "পুরুষ" নয় ।
                           
                                                                      @ সুপা ----------
       

              

September 5, 2012

!!!!!!!!!
বেদনার বালুচরে রচিয়া আবাস 
'আপনার' 'আপনি' করেছি সর্বনাশ  
তবে কেন হাহাকার ? কেন এই মন 
দুরাশার পানে চেয়ে করে ক্রন্দন ? 
শুনি কার পদধ্বনি ? কি জাদুর বাঁশি ? 
ব্যকুল হৃদয়খানি পরে নিল ফাঁসি ? 

&&&&&&&& 
 স্রোতস্বিনীর ধারাসম এক বুক ভালবাসা 
নিয়ে নিরন্তর ছুটে চলে মন , আশা  
সাগরের বিশালতায় হারাবে  
নিজেরে-আবার নতুন করে পাবে 
দুর্দান্ত বাসনার প্রবল উচ্ছাসে , হায় 
সাগর ! মুহূর্ত-দিন-মাস চলে যায় 
নদীর প্রেমে ভরেনা হৃদয় ! তাই 
ফিরিয়ে দেয় বারবার । নদীর ঠাঁই  
হলনা সাগরের বুকে । নিঃস্ব  
একাকিনী চঞ্চলা তটিনী , বিশ্ব 
চরাচরে আঁকাবাঁকা পথে 
ক্লান্ত পদক্ষেপে শ্রান্ত হতে-
হতে নিথর নিস্প্রান মরু হয়ে যায় !!!!!!!!!!