joint implementation ( JI )
কিয়োটো প্রটোকলের আর্টিকেল-৬ অনুযায়ী উক্ত
প্রটোকলের এনেক্স-বি (annex-B) ভুক্ত একটি
দেশ আরেকটি এনেক্স-বি ভুক্ত দেশের কার্বন নিঃসরণ
হ্রাসমূলক প্রকল্প হতে নিঃসরণ হ্রাস ইউনিট (Emission
Reduction Unit) বা ERU সংগ্রহ করতে পারে
স্থিরকৃত নিঃসরণ হ্রাস অর্জন করার স্বার্থে এভাবে Annex-B
ভুক্ত দু'টো দেশের সহযোগিতামূলক নিঃসরণ হ্রাস করার
প্রক্রিয়াকে Joint Implementation ( JI ) বলে
উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা -
বায়ুমন্ডলে গ্রিনহাউজ গ্যাসগুলোর নিঃসরণের হার হ্রাস
করা সম্ভব , বৈশ্বিক উষ্ণতার গতিও মন্থর করা যাবে
যদিও গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ হ্রাসে উন্নত দেশগুলোর
দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি , বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন প্রশমনে
নানা ধরনের পদ্ধতি বিবেচনা করা হচ্ছে : যেমন পরিত্যক্ত
খনিতে Carbon Capture and Storage (CCS),
জীবাশ্ম জ্বালানী নির্ভর বিদ্যুত উত্পাদনের পরিবর্তে
নবায়নযোগ্য জ্বালানীর থেকে বিদ্যুত উত্পাদন, শিল্পত্পাদন
প্রক্রিয়া আরও জ্বালানী সাশ্রয়ী করা ইত্যাদি
ইউএনএফসিসিসি ( UNFCCC )
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার জন্য বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি
রোধে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ( United Nations
General Assembly ) ১৯৯০ সালে Intergovernmental
Negotiating Committee (INC) গঠন করে
এরপর INC- United Nations Framework
Convention on Climate Change ( UNFCCC )-এর
খসড়া তৈরী করে যা ১৯৯২ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত হয় এবং
১৯৯৪ সাল থেকে কার্যকর হয় - এতে স্বাক্ষর করার মাধ্যমে
পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে গ্রিনহাউজ গ্যাস হ্রাস করতে দেশসমূহ সম্মতি
জ্ঞাপন করে এরই মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে জলবায়ু পরিবর্তন
নিয়ে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি হয়- বর্তমানে ১৯৪ টি দেশ
UNFCCC-এর সদস্য
কিয়োটো প্রটোকল ( Kyoto Protocal )
১৯৯৭ সালের ডিসেম্বর মাসে জাপানের কিয়োটো শহরে
UNFCCC এর ৩য় সভায় (COP৩) জলবায়ু
পরিবর্তনজনিত সমস্যাবলী মোকাবেলায় একটি চুক্তি
স্বাক্ষরিত হয় যা কিয়োটো প্রটোকল নামে পরিচিত
এতে কার্বন-ডাই-অক্সাইড (CO২), নাইট্রাস
অক্সাইড (N২O), মিথেন (CH৪) সহ ৬টি
গ্রিনহাউজ গ্যাস কমানোর লক্ষ্যমাত্রা ও সময়সীমা
উল্লেখ করা আছে
কিয়োটো প্রটোকলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে-
১৯৯০ সালকে ভিত্তি বছর ধরে গ্রিনহাউজ গ্যাসের
নিঃসরণ ২০০৮-২০১২ সালের মধ্যে গড়ে ৫%
কমানোর লক্ষ্যে ৩৯টি উন্নত দেশ একটি অঙ্গীকার করে
যা প্রথম অঙ্গীকার পিরিয়ড ( First Commitment-
period ) হিসেবে পরিচিত
ক্লিন ডেভেলপমেন্ট ম্যাকানিজম-
( Clean Develop-ment Mechanism )
কিয়োটো প্রটোকলের আওতায় গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ
কমানোর তিনটি ম্যাকানিজম রয়েছে-
Clean Development Mechanism ( CDM ),
Emission Trading (ET) এবং Joint Imple-
mentation ( JI )
কিয়োটো প্রটোকলের আর্টিকেল-১২ অনুযায়ী সিডিএম এর
প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে উন্নত দেশসমূহ তাদের নিজেদের দেশে
উদ্যোগ নেয়ার পাশাপাশি গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ
কমানোর লক্ষ্যে উন্নয়নশীল দেশসমূহেও উন্নয়নমূলক প্রকল্প
গ্রহণ করবে এক্ষেত্রে অর্জিত সাফল্য নিজেদের খাতে জমা
করে তারা তাদের দেশের গ্যাস নিঃসরণ হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা
পূরণের উদ্যোগ নিবে এভাবে উন্নয়নশীল দেশে হ্রাসকৃত
প্রতি টন গ্রিনহাউজ গ্যাস (CER) বা কার্বন ক্রেডিট
একটি নির্দিষ্ট মূল্যে উন্নত দেশসমূহ ক্রয় করে তাদের
হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করবে
CDM প্রকল্পের মাধ্যমে অর্জিত Certifide Emission-
Reduction (CER) এবং অর্থ প্রবাহের ধারাটি-
এরকম -উন্নত (এনেক্স-বি) দেশসমুহ CERs ক্রেতা
উন্নয়নশীল দেশসমূহ CERs বিক্রেতা
এটি চলমান প্রক্রিয়া -
প্রকল্প উন্নয়ন :
বিশ্ব পরিস্থিতি
ক্লিন ডেভেলপমেন্ট ম্যাকানিজম ( CDM )
বর্তমান প্রেক্ষাপটে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জ ন্য
একটি বড় বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করেছে
তবে দুখঃজনক হলেও সত্য , যে সকল উন্নয়নশীল
দেশ যত বেশি গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ করে সে
দেশের তত বেশি CDM প্রকল্প গহন করার সুযোগ
রয়েছে বর্তমানে বিশ্বে কয়লানির্ভর উন্নয়নশীল
দেশসমূহ CDM এর বড় সুবিধাভোগী হিসেবে
আবির্ভুত হয়েছে বর্তমানে চীন- ভারত- ব্রাজিল
মেক্সিকো ইত্যাদি দেশে সবচেয়ে বেশি CDM প্রকল্প
বাস্তবায়িত হচ্ছে
ইউএনএফসিসিসি-এর বার্ষিক প্রতিবেদন ২০১০ অনুযায়ী -
বিশ্বব্যাপী ২৪৫৩টি সিডিএম প্রকল্প উন্নয়নের
মাধ্যমে মোট ৪৪৮,৮৫৮,২৩১ টন CERs
(CO২e) উত্পাদিত হয়েছে
পাশাপাশি ২০১০ সালে যুক্তরাজ্য সিডিএম প্রকল্পে
বিনিয়োগে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে আছে যা মোট
বিনিয়োগের ৩০% দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে
সুইজারল্যান্ড ১৯% , এবং নেদারল্যান্ড ও জাপান
যৌথভাবে তৃতীয় (উভয় দেশ CDM প্রকল্পে মোট
বিনিয়োগের ১১% বিনিয়োগ করেছে
CER এর বর্তমান বাজার মূল্য :
প্রতি টন CO২ সমতুল্য CER এর বর্তমান
বাজার মূল্য ১২-১৫ ইউ এস ডলার বিগত বেশ
কয়েক বছর যাবত CER এর মূল্য ১২-১৪ ডলারে
স্থিতিশীল রয়েছে
CER এর Crediting Time
একত্রে CDM প্রকল্পের Emission Reduction
সর্বোচ্চ ১০ বছরের জন্য দাবী করা যায় অথবা
প্রথমে ৭ বছরের জন্য যা পরবর্তিতে আরও দুই বার
বর্ধিত করা যায় অর্থাৎ সর্বমোট ২১ বছরের জন্য
দাবী করা যেতে পারে তবে প্রতিবার extension
করার পূর্বে প্রকল্পের beseline revise করতে হয়
তথ্যসুত্র : ইউএনএফসিসি-এর বার্ষিক প্রতিবেদন ২০১০
কিয়োটো প্রটোকলের আর্টিকেল-৬ অনুযায়ী উক্ত
প্রটোকলের এনেক্স-বি (annex-B) ভুক্ত একটি
দেশ আরেকটি এনেক্স-বি ভুক্ত দেশের কার্বন নিঃসরণ
হ্রাসমূলক প্রকল্প হতে নিঃসরণ হ্রাস ইউনিট (Emission
Reduction Unit) বা ERU সংগ্রহ করতে পারে
স্থিরকৃত নিঃসরণ হ্রাস অর্জন করার স্বার্থে এভাবে Annex-B
ভুক্ত দু'টো দেশের সহযোগিতামূলক নিঃসরণ হ্রাস করার
প্রক্রিয়াকে Joint Implementation ( JI ) বলে
উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা -
বায়ুমন্ডলে গ্রিনহাউজ গ্যাসগুলোর নিঃসরণের হার হ্রাস
করা সম্ভব , বৈশ্বিক উষ্ণতার গতিও মন্থর করা যাবে
যদিও গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ হ্রাসে উন্নত দেশগুলোর
দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি , বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন প্রশমনে
নানা ধরনের পদ্ধতি বিবেচনা করা হচ্ছে : যেমন পরিত্যক্ত
খনিতে Carbon Capture and Storage (CCS),
জীবাশ্ম জ্বালানী নির্ভর বিদ্যুত উত্পাদনের পরিবর্তে
নবায়নযোগ্য জ্বালানীর থেকে বিদ্যুত উত্পাদন, শিল্পত্পাদন
প্রক্রিয়া আরও জ্বালানী সাশ্রয়ী করা ইত্যাদি
ইউএনএফসিসিসি ( UNFCCC )
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার জন্য বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি
রোধে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ( United Nations
General Assembly ) ১৯৯০ সালে Intergovernmental
Negotiating Committee (INC) গঠন করে
এরপর INC- United Nations Framework
Convention on Climate Change ( UNFCCC )-এর
খসড়া তৈরী করে যা ১৯৯২ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত হয় এবং
১৯৯৪ সাল থেকে কার্যকর হয় - এতে স্বাক্ষর করার মাধ্যমে
পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে গ্রিনহাউজ গ্যাস হ্রাস করতে দেশসমূহ সম্মতি
জ্ঞাপন করে এরই মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে জলবায়ু পরিবর্তন
নিয়ে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি হয়- বর্তমানে ১৯৪ টি দেশ
UNFCCC-এর সদস্য
কিয়োটো প্রটোকল ( Kyoto Protocal )
১৯৯৭ সালের ডিসেম্বর মাসে জাপানের কিয়োটো শহরে
UNFCCC এর ৩য় সভায় (COP৩) জলবায়ু
পরিবর্তনজনিত সমস্যাবলী মোকাবেলায় একটি চুক্তি
স্বাক্ষরিত হয় যা কিয়োটো প্রটোকল নামে পরিচিত
এতে কার্বন-ডাই-অক্সাইড (CO২), নাইট্রাস
অক্সাইড (N২O), মিথেন (CH৪) সহ ৬টি
গ্রিনহাউজ গ্যাস কমানোর লক্ষ্যমাত্রা ও সময়সীমা
উল্লেখ করা আছে
কিয়োটো প্রটোকলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে-
১৯৯০ সালকে ভিত্তি বছর ধরে গ্রিনহাউজ গ্যাসের
নিঃসরণ ২০০৮-২০১২ সালের মধ্যে গড়ে ৫%
কমানোর লক্ষ্যে ৩৯টি উন্নত দেশ একটি অঙ্গীকার করে
যা প্রথম অঙ্গীকার পিরিয়ড ( First Commitment-
period ) হিসেবে পরিচিত
ক্লিন ডেভেলপমেন্ট ম্যাকানিজম-
( Clean Develop-ment Mechanism )
কিয়োটো প্রটোকলের আওতায় গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ
কমানোর তিনটি ম্যাকানিজম রয়েছে-
Clean Development Mechanism ( CDM ),
Emission Trading (ET) এবং Joint Imple-
mentation ( JI )
কিয়োটো প্রটোকলের আর্টিকেল-১২ অনুযায়ী সিডিএম এর
প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে উন্নত দেশসমূহ তাদের নিজেদের দেশে
উদ্যোগ নেয়ার পাশাপাশি গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ
কমানোর লক্ষ্যে উন্নয়নশীল দেশসমূহেও উন্নয়নমূলক প্রকল্প
গ্রহণ করবে এক্ষেত্রে অর্জিত সাফল্য নিজেদের খাতে জমা
করে তারা তাদের দেশের গ্যাস নিঃসরণ হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা
পূরণের উদ্যোগ নিবে এভাবে উন্নয়নশীল দেশে হ্রাসকৃত
প্রতি টন গ্রিনহাউজ গ্যাস (CER) বা কার্বন ক্রেডিট
একটি নির্দিষ্ট মূল্যে উন্নত দেশসমূহ ক্রয় করে তাদের
হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করবে
CDM প্রকল্পের মাধ্যমে অর্জিত Certifide Emission-
Reduction (CER) এবং অর্থ প্রবাহের ধারাটি-
এরকম -উন্নত (এনেক্স-বি) দেশসমুহ CERs ক্রেতা
উন্নয়নশীল দেশসমূহ CERs বিক্রেতা
এটি চলমান প্রক্রিয়া -
প্রকল্প উন্নয়ন :
বিশ্ব পরিস্থিতি
ক্লিন ডেভেলপমেন্ট ম্যাকানিজম ( CDM )
বর্তমান প্রেক্ষাপটে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জ ন্য
একটি বড় বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করেছে
তবে দুখঃজনক হলেও সত্য , যে সকল উন্নয়নশীল
দেশ যত বেশি গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ করে সে
দেশের তত বেশি CDM প্রকল্প গহন করার সুযোগ
রয়েছে বর্তমানে বিশ্বে কয়লানির্ভর উন্নয়নশীল
দেশসমূহ CDM এর বড় সুবিধাভোগী হিসেবে
আবির্ভুত হয়েছে বর্তমানে চীন- ভারত- ব্রাজিল
মেক্সিকো ইত্যাদি দেশে সবচেয়ে বেশি CDM প্রকল্প
বাস্তবায়িত হচ্ছে
ইউএনএফসিসিসি-এর বার্ষিক প্রতিবেদন ২০১০ অনুযায়ী -
বিশ্বব্যাপী ২৪৫৩টি সিডিএম প্রকল্প উন্নয়নের
মাধ্যমে মোট ৪৪৮,৮৫৮,২৩১ টন CERs
(CO২e) উত্পাদিত হয়েছে
পাশাপাশি ২০১০ সালে যুক্তরাজ্য সিডিএম প্রকল্পে
বিনিয়োগে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে আছে যা মোট
বিনিয়োগের ৩০% দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে
সুইজারল্যান্ড ১৯% , এবং নেদারল্যান্ড ও জাপান
যৌথভাবে তৃতীয় (উভয় দেশ CDM প্রকল্পে মোট
বিনিয়োগের ১১% বিনিয়োগ করেছে
CER এর বর্তমান বাজার মূল্য :
প্রতি টন CO২ সমতুল্য CER এর বর্তমান
বাজার মূল্য ১২-১৫ ইউ এস ডলার বিগত বেশ
কয়েক বছর যাবত CER এর মূল্য ১২-১৪ ডলারে
স্থিতিশীল রয়েছে
CER এর Crediting Time
একত্রে CDM প্রকল্পের Emission Reduction
সর্বোচ্চ ১০ বছরের জন্য দাবী করা যায় অথবা
প্রথমে ৭ বছরের জন্য যা পরবর্তিতে আরও দুই বার
বর্ধিত করা যায় অর্থাৎ সর্বমোট ২১ বছরের জন্য
দাবী করা যেতে পারে তবে প্রতিবার extension
করার পূর্বে প্রকল্পের beseline revise করতে হয়
তথ্যসুত্র : ইউএনএফসিসি-এর বার্ষিক প্রতিবেদন ২০১০
No comments:
Post a Comment