পরিবেশ উন্নয়নে গাছপালা ...ও বায়ু মন্ডলে কার্বন হ্রাস-এ
গাছের ভুমিকা....
জলবায়ু পরিবর্তনে মানবিক বিপর্যয় ও আমাদের করণীয় -
আধুনিক চলমান বিশ্বে নানা সময়ে হরেক রকম বিষয় নিয়ে আলোচনার
ঝড় ওঠে.. আলোচনার বিষয়বস্তু ও গতি প্রকৃতি অনুযায়ী কিছু বিষয়
জোয়ারের গর্জনে ভেসে আসে আবার ভাটার টানে সমুদ্রে মিলিয়ে যায়..কিছু বিষয়
স্থায়ীরূপ লাভ করে, কিছু বিষয় আছে যার জন্য আমাদের করণীয় কিছু থাকে না ...
আবার কিছু বিষয় আছে যা আমাদের বেঁচে থাকা, বেড়ে ওঠা ও অস্তিত্বের প্রতি
চরম হুমকি হয়ে দেখা দেয় ..তাই বিশ্বের শান্তিকামী, মুক্তিকামী মানবতাবাদী মানুষের
চোখের পাতায় ঘুম থাকে না- সঙ্কট নিরসন না হওয়া পর্যন্ত ..এমনই একটি বিষয় বর্তমান
সময়ের জলবায়ু পরিবর্তন..
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়টি নিয়ে বর্তমান বিশ্বে একদিকে বিতর্কের চরম ঝড়
উঠেছে..জলবায়ু পরিবর্তন বা পরিবেশের ভারসাম্যহীনতা পরিবেশকে কলুষিত করার
পাশাপাশি মানব জীবনকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে- অন্য দিকে বিশ্ব বিবেককে প্রশ্ন
করে যাচ্ছে যে, এর কি কোনো প্রতিকার নেই ? যদি প্রশ্ন করা হয় এর জন্য দায়ী কে ?
তাহলে এক বাক্যে উত্তর বেরিয়ে আসবে উন্নত বিশ্বের দেশগুলো ..
জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম কারণ সমূহ হলো- উন্নত বিশ্বের বল্গাহীন শিল্পায়ন,
মাত্রাতিরিক্ত কার্বন নিঃসরণ, উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক উন্নয়ন, ভোগ-বিলাস ..যার দ্বারা
বাংলাদেশ সহ অন্যান্য উন্নয়নশীল দরিদ্র দেশসমূহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে-হচ্ছে-হবে...
পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার ২.৫ শতাংশ বাস করে বাংলাদেশে..বৈশ্বিক কার্বন নির্গমন
মাথা পিছু ১২৩.৩ কেজি ..যাতে বাংলাদেশ কার্বন নিঃসরণ করে মাথা পিছু মাত্র ০.১ শতাংশ..
অথচ জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশে আজ সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ.. হিসেবে
ইতিমধ্যে ঘোষিত হয়েছে..আন্তর্জাতিক সংস্থা জার্মান ওয়াচ- এর সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্বের
জলবায়ু ঝুঁকি সূচক ২০১৩ শীর্ষক প্রতিবেদন কর্তৃক বাংলাদেশকে বিশ্বের সবচেয়ে
জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে .. চলবে
গাছের ভুমিকা....
জলবায়ু পরিবর্তনে মানবিক বিপর্যয় ও আমাদের করণীয় -
আধুনিক চলমান বিশ্বে নানা সময়ে হরেক রকম বিষয় নিয়ে আলোচনার
ঝড় ওঠে.. আলোচনার বিষয়বস্তু ও গতি প্রকৃতি অনুযায়ী কিছু বিষয়
জোয়ারের গর্জনে ভেসে আসে আবার ভাটার টানে সমুদ্রে মিলিয়ে যায়..কিছু বিষয়
স্থায়ীরূপ লাভ করে, কিছু বিষয় আছে যার জন্য আমাদের করণীয় কিছু থাকে না ...
আবার কিছু বিষয় আছে যা আমাদের বেঁচে থাকা, বেড়ে ওঠা ও অস্তিত্বের প্রতি
চরম হুমকি হয়ে দেখা দেয় ..তাই বিশ্বের শান্তিকামী, মুক্তিকামী মানবতাবাদী মানুষের
চোখের পাতায় ঘুম থাকে না- সঙ্কট নিরসন না হওয়া পর্যন্ত ..এমনই একটি বিষয় বর্তমান
সময়ের জলবায়ু পরিবর্তন..
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়টি নিয়ে বর্তমান বিশ্বে একদিকে বিতর্কের চরম ঝড়
উঠেছে..জলবায়ু পরিবর্তন বা পরিবেশের ভারসাম্যহীনতা পরিবেশকে কলুষিত করার
পাশাপাশি মানব জীবনকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে- অন্য দিকে বিশ্ব বিবেককে প্রশ্ন
করে যাচ্ছে যে, এর কি কোনো প্রতিকার নেই ? যদি প্রশ্ন করা হয় এর জন্য দায়ী কে ?
তাহলে এক বাক্যে উত্তর বেরিয়ে আসবে উন্নত বিশ্বের দেশগুলো ..
জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম কারণ সমূহ হলো- উন্নত বিশ্বের বল্গাহীন শিল্পায়ন,
মাত্রাতিরিক্ত কার্বন নিঃসরণ, উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক উন্নয়ন, ভোগ-বিলাস ..যার দ্বারা
বাংলাদেশ সহ অন্যান্য উন্নয়নশীল দরিদ্র দেশসমূহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে-হচ্ছে-হবে...
পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার ২.৫ শতাংশ বাস করে বাংলাদেশে..বৈশ্বিক কার্বন নির্গমন
মাথা পিছু ১২৩.৩ কেজি ..যাতে বাংলাদেশ কার্বন নিঃসরণ করে মাথা পিছু মাত্র ০.১ শতাংশ..
অথচ জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশে আজ সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ.. হিসেবে
ইতিমধ্যে ঘোষিত হয়েছে..আন্তর্জাতিক সংস্থা জার্মান ওয়াচ- এর সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্বের
জলবায়ু ঝুঁকি সূচক ২০১৩ শীর্ষক প্রতিবেদন কর্তৃক বাংলাদেশকে বিশ্বের সবচেয়ে
জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে .. চলবে
No comments:
Post a Comment