Climate Change-
& CDM প্রকল্পের-
-কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক বিষয়-২
----------------------------
জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহতা সম্পর্কে
আন্তর্জাতিক মহলে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের
প্রেক্ষিতে ১৯৮৮ সালে বিশ্বের বিজ্ঞানীদের-
সমন্বয়ে গঠিত হয় Intergovernmental
panel on Climate change ( IPCC )
১৯৯০ সালে প্রকাশিত এই প্যানেলের প্রথম
প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয় যে,
অব্যাহত গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস করা
সম্ভব না হলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়তে থাকবে
ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাবে , সমুদ্র পৃষ্ঠের
উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে ,ঝড়ঝঞ্জা , বন্যার প্রকোপতা
বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষি উত্পাদন হ্রাস পাবে
সর্বোপরি সারা পৃথিবীর ইকোসিস্টেমের উপর
নেতিবাচক প্রভাব পড়বে
বাংলাদেশে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব-
বাংলাদেশ একটি স্বল্প গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণকারী দেশ
বাংলাদেশ বছরে মাথাপিছু ০.২ টন হারে কার্বন ডাই
অক্সাইড নিঃসরণ করে , যেখানে বিশ্বের গ্রিনহাউজ গ্যাস
নিঃসরণের পরিমান মাথাপিছু ৪.৮৬ টন
জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের ভুমিকা নগন্য হলেও বৈশ্বিক
উষ্ণতা বা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের ফলে এ
দেশটিই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে
ক্রমবর্ধমান উষ্ণতার কারণে ইতোমধ্যে আমাদের জলবায়ুর
বেশ কিছু মৌলিক পরিবর্তন ঘটেছে বৈশ্বিক উষ্ণতা
(Global Warming ) আমাদের ঋতু পরিক্রমায় প্রভাব
ফেলেছে এবং ঋতু বৈচিত্রের রূপকে ক্ষুন্ন করেছে
যার কারণে জলবায়ু সংক্রান্ত দুর্যোগ তথা অতিবৃষ্টি ,বন্যা ,
খরা ,সাইক্লোন ইত্যাদির প্রাদুর্ভাব বেড়েছে ..জলবায়ু
পরিবর্তন জনস্বাস্থ্যের জন্যেও মারাত্মক হুমকি হয়ে দেখা
দিতে পারে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে প্রাণী বাহিত
রোগ যেমন - ডেঙ্গু ,ম্যালেরিয়া , ইত্যাদি বাড়ছে
কৃষি জমির উত্পাদনশীলতা হ্রাস পাচ্ছে এবং খাদ্য নিরাপত্তা
হীনতা জনিত অপুষ্টি দেখা দিচ্ছে অতিরিক্ত গরম-ঠান্ডা
মারাত্মক অসুস্থ্যতার কারণ হিসেবে দেখা দিয়েছে যার ফলে
হাইপোথারমিয়া , হৃদরোগ এবং শ্বাসকষ্টজনিত রোগে
মানুষের মৃত্যুহার বাড়ছে বৃদ্ধ ও শিশুরা এ সকল রোগে
বেশি আক্রান্ত এবং ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে
বৈশ্বিক উষ্ণতাজনিত জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে নিম্নলিখিত
ক্ষেত্রসমূহে ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়ছে -
* কৃষি
* পানি সম্পদ
* জনস্বাস্থ্য
* জীব বৈচিত্র এবং বনজ সম্পদ
* উপকূলীয় এলাকার প্রাকৃতিক সম্পদ
*অবকাঠামোসমূহ
ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (CDM ) এর
উল্লেখযোগ্য দিকসমূহ :
১. শিল্পোন্নত (এনেক্স-বি ) দেশগুলোর সরকারী
এবং বেসরকারী সংস্থাগুলো CDM (সি ডি এম )
প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিনিয়োগ
করে অর্জিত CER নিজেদের খাতে জমা করতে পারে
২. উন্নয়নশীল (নন এনেক্স-বি ) দেশগুলোর সরকারী
বেসরকারী সংস্থাগুলো এ ধরনের প্রকল্পগুলো
বাস্তবায়ন করবে- CDM প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নয়নশীল
দেশসমূহে উন্নত প্রযুক্তি হস্তান্তরের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে
৩.উন্নয়নশীল দেশসমূহের CDM প্রকল্প গ্রহনের অন্যতম
শর্ত হচ্ছে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করণ
Certified Emission Resuction (CER)
CER হচ্ছে কোনো সিডিএম প্রকল্পের মাধ্যমে এবং
হ্রাসকৃত গ্রিনহাউজ গ্যাসের আন্তর্জাতিকভাবে সম্মত
পদ্ধতির (agreed method) মাধ্যমে নির্ণীত
পরিমান : ১টন CO২ সমতুল্যকে CER এর একক
হিসেবে ব্যবহার করা হয়
Emission Trading ( ET )
Kyoto Protocal এর Article ১৭ অনুযায়ী
Kyoto protocal এর Annex B ভুক্ত কোনো
দেশ তাদের জন্য নির্ধারিত emission এর সীমা
অতিক্রম করলে অন্য দেশের emission এর Permit -
এর উদ্বৃত্ত অংশ ক্রয় করে তার emission নির্ধারিত
সীমার মধ্যে রাখার পদ্ধতিই emission trading
পূর্ব ইউরোপের অধিকাংশ দেশ তাদের অনুমোদিত সীমার
কম emission করায় অন্যান্য পশ্চিম ইউরোপের
দেশের নিকট তাদের উদ্বৃত্ত emission ET এর মাধ্যমে
বিক্রয় করার সুযোগ পাচ্ছে - বিশ্বে European Union
Emissions Trading Scheme সবচেয়ে বড় ET
কার্যক্রম পরিচালনা করে
চলবে ..........
& CDM প্রকল্পের-
-কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক বিষয়-২
----------------------------
জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহতা সম্পর্কে
আন্তর্জাতিক মহলে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের
প্রেক্ষিতে ১৯৮৮ সালে বিশ্বের বিজ্ঞানীদের-
সমন্বয়ে গঠিত হয় Intergovernmental
panel on Climate change ( IPCC )
১৯৯০ সালে প্রকাশিত এই প্যানেলের প্রথম
প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয় যে,
অব্যাহত গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস করা
সম্ভব না হলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়তে থাকবে
ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাবে , সমুদ্র পৃষ্ঠের
উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে ,ঝড়ঝঞ্জা , বন্যার প্রকোপতা
বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষি উত্পাদন হ্রাস পাবে
সর্বোপরি সারা পৃথিবীর ইকোসিস্টেমের উপর
নেতিবাচক প্রভাব পড়বে
বাংলাদেশে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব-
বাংলাদেশ একটি স্বল্প গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণকারী দেশ
বাংলাদেশ বছরে মাথাপিছু ০.২ টন হারে কার্বন ডাই
অক্সাইড নিঃসরণ করে , যেখানে বিশ্বের গ্রিনহাউজ গ্যাস
নিঃসরণের পরিমান মাথাপিছু ৪.৮৬ টন
জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের ভুমিকা নগন্য হলেও বৈশ্বিক
উষ্ণতা বা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের ফলে এ
দেশটিই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে
ক্রমবর্ধমান উষ্ণতার কারণে ইতোমধ্যে আমাদের জলবায়ুর
বেশ কিছু মৌলিক পরিবর্তন ঘটেছে বৈশ্বিক উষ্ণতা
(Global Warming ) আমাদের ঋতু পরিক্রমায় প্রভাব
ফেলেছে এবং ঋতু বৈচিত্রের রূপকে ক্ষুন্ন করেছে
যার কারণে জলবায়ু সংক্রান্ত দুর্যোগ তথা অতিবৃষ্টি ,বন্যা ,
খরা ,সাইক্লোন ইত্যাদির প্রাদুর্ভাব বেড়েছে ..জলবায়ু
পরিবর্তন জনস্বাস্থ্যের জন্যেও মারাত্মক হুমকি হয়ে দেখা
দিতে পারে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে প্রাণী বাহিত
রোগ যেমন - ডেঙ্গু ,ম্যালেরিয়া , ইত্যাদি বাড়ছে
কৃষি জমির উত্পাদনশীলতা হ্রাস পাচ্ছে এবং খাদ্য নিরাপত্তা
হীনতা জনিত অপুষ্টি দেখা দিচ্ছে অতিরিক্ত গরম-ঠান্ডা
মারাত্মক অসুস্থ্যতার কারণ হিসেবে দেখা দিয়েছে যার ফলে
হাইপোথারমিয়া , হৃদরোগ এবং শ্বাসকষ্টজনিত রোগে
মানুষের মৃত্যুহার বাড়ছে বৃদ্ধ ও শিশুরা এ সকল রোগে
বেশি আক্রান্ত এবং ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে
বৈশ্বিক উষ্ণতাজনিত জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে নিম্নলিখিত
ক্ষেত্রসমূহে ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়ছে -
* কৃষি
* পানি সম্পদ
* জনস্বাস্থ্য
* জীব বৈচিত্র এবং বনজ সম্পদ
* উপকূলীয় এলাকার প্রাকৃতিক সম্পদ
*অবকাঠামোসমূহ
ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (CDM ) এর
উল্লেখযোগ্য দিকসমূহ :
১. শিল্পোন্নত (এনেক্স-বি ) দেশগুলোর সরকারী
এবং বেসরকারী সংস্থাগুলো CDM (সি ডি এম )
প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিনিয়োগ
করে অর্জিত CER নিজেদের খাতে জমা করতে পারে
২. উন্নয়নশীল (নন এনেক্স-বি ) দেশগুলোর সরকারী
বেসরকারী সংস্থাগুলো এ ধরনের প্রকল্পগুলো
বাস্তবায়ন করবে- CDM প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নয়নশীল
দেশসমূহে উন্নত প্রযুক্তি হস্তান্তরের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে
৩.উন্নয়নশীল দেশসমূহের CDM প্রকল্প গ্রহনের অন্যতম
শর্ত হচ্ছে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করণ
Certified Emission Resuction (CER)
CER হচ্ছে কোনো সিডিএম প্রকল্পের মাধ্যমে এবং
হ্রাসকৃত গ্রিনহাউজ গ্যাসের আন্তর্জাতিকভাবে সম্মত
পদ্ধতির (agreed method) মাধ্যমে নির্ণীত
পরিমান : ১টন CO২ সমতুল্যকে CER এর একক
হিসেবে ব্যবহার করা হয়
Emission Trading ( ET )
Kyoto Protocal এর Article ১৭ অনুযায়ী
Kyoto protocal এর Annex B ভুক্ত কোনো
দেশ তাদের জন্য নির্ধারিত emission এর সীমা
অতিক্রম করলে অন্য দেশের emission এর Permit -
এর উদ্বৃত্ত অংশ ক্রয় করে তার emission নির্ধারিত
সীমার মধ্যে রাখার পদ্ধতিই emission trading
পূর্ব ইউরোপের অধিকাংশ দেশ তাদের অনুমোদিত সীমার
কম emission করায় অন্যান্য পশ্চিম ইউরোপের
দেশের নিকট তাদের উদ্বৃত্ত emission ET এর মাধ্যমে
বিক্রয় করার সুযোগ পাচ্ছে - বিশ্বে European Union
Emissions Trading Scheme সবচেয়ে বড় ET
কার্যক্রম পরিচালনা করে
চলবে ..........
No comments:
Post a Comment